লগইন রেজিস্ট্রেশন

আমার ইমাম হুসাইন রঃ

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ সোমবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০০৯ (৯:৪০ পূর্বাহ্ণ)

আমার ই লিখলাম , মনের দুঃখে লিখলাম, কারন আমার ইমাম হুসাইনের রঃ প্রতি ভালবাসা হয়ত অনেকেরই পছন্দ নয় । শিয়াদের বাড়াবাড়িও আমার পছন্দ নয় । পছন্দ নয়, এত বছর ধরে দুঃখ প্রকাশ করা । তাই বলে কি আমি তাঁকে ভুলে যাব, তার ত্যাগ । ইসলামের জন্য তার কষ্ট । নাহ আপনারা ভুল গেলেও, আমি পারি না । যিনি শত কষ্টে হাজার মাইল পারি দিয়ে কারবালায় এসেছিলেন, মসুলমানদের দুনিয়ামুখী হওয়ার বিশাল আয়োজন , রুখে দিতে । কে নিশ্চয়তা দিতে পারে যে এই ঘটনা দেখলে , মহান আল্লাহ সুবাহানাতালার রাসূল সঃ কাঁদতেন না । তাই তো হযরত আব্দুল্লহ ইবনে উমর রাঃ কেও দেখি যখন এক কুফাবাসী মাছি মারার মাসালা জানতে চাইলে তিনি বলেন রাসূল সঃ নাতিকে মেরে কুফাবাসী( অথবা ইরাক বাসী, আমার ১০০% মনে নেই) এখন মাছি মারার মাসালা জানতে চায় । কারবালার ঘটনার পর, সকল জীবিত সাহাবী রাঃ কষ্ট পেয়েছিলেন । কে নিশ্চয়তা দিতে পারে, আশুরা আসলে তাঁদের ইমাম হুসাইন রাঃ কথা মনে পরত না । আমি হযরত মুয়াবিয়া রাঃ কেও দেখি ইয়াজিত কে উপদেশ বা অসিয়ত করতে যে, যদি হযরত হুসাইন রঃ তোমার প্রতিদন্ডি হয় তাহলে তুমি তার কাছে খেলাফত দিয়ে দিবে, কারন, তাঁর নানা তোমার নানা থেকে উত্তম , তাঁর মাতা তোমার মাতা থেকে উত্তম, তাঁর পিতা তোমার পিতা থেকে উত্তম ।
দুনিয়া এক আজব জায়গা, আজকে এক কথা কালকে আরেক কথা বলে । বলবেই তো, দুনিয়ার সকলেই মানুষ, আমি ও। কিন্তু ভাবি নাই, ইমাম হুসাইনের রঃ কে ভুলে যাওয়ার কথা শুনতে হবে । ইতিহাস অনেক সময় (সব সময়) জয়ী শক্তির পক্ষে থাকে । তাই তো অনেক কিছু হারিয়ে যায় । কিন্তু আমাদের তো হাদীস আর আল কুরান আছেই । আছে সাহাবীদের আদর্শ । রাসূল সঃ বলেছেন ঃ ” Hussein is from me and I am from him.” ১ ।
আচ্ছা ভাইয়েরা, আমাকে বলেন রাসূল সঃ কেন এ কথা বলেছিলেন ? তিনি কি কিছু একটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন । নাহ আপনারা বুঝতে চাইবেন না । আচ্ছা, ভেবে দেখেছেন এই হাদীসটি কি মিন করতে পারে Muhammad সাঃ looked toward Ali, Fatimah, Hasan, and Hussein, and then said, “I am in war with those who will fight you, and in peace with those who are peaceful to you.”২ আচ্ছা, তিনি এখানে যুদ্ধের কথা কেন বললেন । ভাই, ভেবে দেখার অনেক কিছুই আছে , যদি দেখতে চান । রাসূল সঃ এর একজন সাহাবী, একজন নাতি এবং একজন উম্মত কে আপনি ইতিহাস নামক পাতিহাস দিয়ে অপমান করতে চান । আমি মানি না, আপনাদের ইতিহাস । গুল্লায় যান আপনাদের ইতিহাস নিয়ে । ভাই, ইমাম হুসাইন রঃ জান্নাতের যুবকদের সর্দার কি এমনি এমনি হয়ে যাবেন। উনার শহীদ হবার কোন মর্মার্থ নাই । আপনারা দেখেন কারবালার ঘটনার কোন মানে নাই আর আমি দেখি এই ঘটনা মসুলমানদের চেতনা ফিরিয়ে দিয়েছে , এমন কি ইয়াজিদের চেতনা ও ফিরিয়ে দিয়েছে, তাই তো সে আর ঐ পথে বেশী আগায় নি । ইমাম হুসাইন রাঃ যে মুসলিমদের মনের ভিতর সাহস দিয়ে যান যুগ যুগ ধরে, তা আপনারা ধরতে পারেন না । আপনাদের টেলিস্কুপ বহুদূর দেখে , দেখে না শুধু একজন বীরের রক্তের দাগ । নিরবে নিবৃতে যে বীর মানুষের মনে সত্য প্রকাশের সাহস জুগিয়ে যান, তা আপনাদের মাইক্রস্কোপে ধরা পরে না । উনার কিছু কথা কি জানতে চাইবেন না , দেখুন তো এই কথার সাথে কারবালার ঘটনার কি কোন মিল পান না On his way to Karbala, Imam Hussain(A.S.) saidঃ This world has changed, snubbed, and its good has turned tail. Nothing has remained from it except a thing that is as scanty as the leftover of a cup and a mean life that is like a noxious grazing. Have you not noticed that the right is ignored and the evil is not forbidden? This is sufficient for making the believer’s desire for meeting Allah rightfully. I consider death as happiness and life with the wrongdoers as boredom. People are certainly the slaves of this world. The religion is only a slaver on their tongues. They turn it wherever their livelihood demands. If they are examined by misfortunes, the religious will be very little (কতটুকু সহী তা ১০০% পরিক্ষা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়)
উনার এই কথাটি দেখুন ঃ O Allah what did he finds who lost you, and what did he loose who found you. (কতটুকু সহী তা ১০০% পরিক্ষা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়)
উনার দুঃখের কাহিনী শুনলে মনের অজান্তেই বলি
আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন্ ……………………
হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও তাঁর বংশধরের উপর আশীর্বাদ পাঠাও, যেমন আশীর্বাদ ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁর বংশধরের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী। হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও তাঁর বংশধরের উপর বরকত পাঠাও, যেমন বরকত ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁহার বংশধরের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী। { বাংলা অনুবাদ দুরুদ শরীফের বাংলা অনুবাদ পড়ি এবং ইসলামের আলোকেই নির্ধারণ করি মুহম্মদ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব কিনা এখান থেকে নেওয়া }
রেফারেন্স ঃ১
Musnad Ahmad Ibn Hanbal, v4, p172
Fadha’il al-Sahaba, by Ahmad Hanbal, v2, p772, Tradition #1361
al-Mustadrak, by al-Hakim, v3, p 177
Amali, by Abu Nu’aym al-Isbahani, p 64
al-Kuna wal Asmaa, by al-Dulabi, v1, p88
al-Tabarani, v3, p21
Adab by al-Bukhari, also al-Tirmidhi and Ibn Majah, as quoted in:
al-Sawa’iq al-Muhriqah, by Ibn Hajar Haythami, Ch. 11, section 3, p291
Mishkat al-Masabih, by Khatib al-Tabrizi, English Version, Tradition #6160

Sahih al-Tirmidhi, v5, p699
Sunan Ibn Majah, v1, p52
Fadha’il al-Sahaba, by Ahmad Ibn Hanbal, v2, p767, Tradition #1350
al-Mustadrak, by al-Hakim, v3, p149
Majma’ al-Zawa’id, by al-Haythami, v9, p169
al-Kabir, by al-Tabarani, v3, p30, also in al-Awsat
Jami’ al-Saghir, by al-Ibani, v2, p17
Tarikh, by al-Khateeb al-Baghdadi, v7, p137
Sawaiq al-Muhriqah, by Ibn Hajar al-Haythami, p144
Talkhis, by al-Dhahabi, v3, p149
Dhakha’ir al-Uqba, by al-Muhib al-Tabari, p25
Mishkat al-Masabih, by Khatib al-Tabrizi, English Version, Tradition #6145
^
Sunan Ibn Majah,
al-Mustadrak, by al-Hakim, from Abu Hurairah
Musnad Ahmad Ibn Hanbal, as quoted in:
al-Sawa’iq al-Muhriqah, by Ibn Hajar Haythami, Ch. 11, section 3, p292

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১২২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১ টি মন্তব্য

  1. ঈমাম হুসাইনের মৃত্যু সত্যই ঈসালমের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তবে একটা ব্যপারে একটু না বললে নয়, আর তা হলো- শোক প্রকাশ।
    কেউ মার যাবার পর পুরুষদের জন্য একদিনও শোক প্রকাশ করার বিধান নাই। মহিলারা তাদের স্বামী মারা গেলে সর্বোচ্চ ৪০ দিন শোক পালন করতে পারবেন, তবে বুক চাপড়ানো এবং বিলাপ করা যাবে না। নিজ স্বামী বাদে অন্য কোন নিকটাত্মীয় মারা গেলে সর্বোচ্চ তিন দিন শোক পালন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও বিলাপ বা বুক চাপড়ানো যাবে না। এ শোক হলো নিরবে কাঁদা বা মন খারাপ করা।

    ইদানীং দেখা যায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে যেভাবে শীয়ারা শোক পালন করছেন তাহা নিঃসন্দেহে বিদ’আত। এই দিনে রোযা রাখার নির্দেশ আছে। হাদীসে আছে যে ব্যক্তি মহররমের ৯ এবং ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ দুইটা রোজা পালন করবে তার অতীতের এবং ভবিষ্যতের এক বছরের সকল ছোট্ট/ সাগীরা গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। রমযানের রোযা বাদে সর্বোচ্চ ফযিলতের দু’ই টি রোযা আছে, ০১) আরাফাতের দিনের একটি রোযা এবং ০২) আশুরার রোযা।

    রাস্তায় রাস্তায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে এক শ্রেণীর লোক যেভাবে শোক প্রকাশ করে তা পথভ্রষ্টদের আমল।