লগইন রেজিস্ট্রেশন

নবীজীর সাথে বিয়ের সময় মা আয়েশার প্রকৃত বয়স কত ছিল?

লিখেছেন: ' মালেক_০০১' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১২:০৮ অপরাহ্ণ)

ফারুক সাহেব ইসলামের নবীর সাথে বিয়ের সময় মা আয়েশারপ্রকৃত বয়স কত ছিল? ৬ নাকি ১৯? নামে একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন। তার পোষ্টের স্বপক্ষের যুক্তি ও প্রমাণগুলো পাওয়া যাবে নিচের লিংকে যা আগেও দিয়েছিলামঃ
What was Ayesha’s (ra) Age at the Time of Her Marriage?

অনেক খোজাখুজির পর উপরের লিংকের ভ্রান্তধারণাগুলোর উত্তর পেলাম নিচের লিংকটিতেঃ
Our Mother A\'isha\'s Age At The Time Of Her Marriage to The Prophet

সকলকেই পোষ্টদুটো পড়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং ফারুক সাহেবের কাছ থেকে এব্যাপারে মন্তব্য আশা করছি।

আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৭৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৩ টি মন্তব্য

  1. শেখ জিব্রিলের উত্তরগুলো প্রায় সবি রেফারেন্স ছাড়া।

    ১)হিশাম ইবনে উরওয়ার দুর্বল স্মরনশক্তির ও বিশ্বাসযোগ্যতার অভাবের((Tehzi’bu’l-tehzi’b, Ibn Hajar Al-`asqala’ni, Dar Ihya al-turath al-Islami, 15th century. Vol 11, p.
    50(Mizanu’l-ai`tidal, Al-Zahbi, Al-
    Maktabatu’l-athriyyah, Sheikhupura, Pakistan, Vol. 4, p. 301).উত্তরে উনি বল্লেন এটা মিথ্যা। উনি যে উদ্ধৃতি দিলেন তাতেও দেখা যাচ্ছে দুর্বল স্মরনশক্তি।(Hisham ibn `Urwa, one of the eminent personalities. A Proof in himself, and an Imam. However, in his old age his memory diminished, but he certainly never became confused)

    ২)সুরা কামার হিজরী পূর্ব ৮ সালে নাযিল হয়।(Chapter 54 of the Quran was revealed eight years before hijrah (The Bounteous Koran, M.M. Khatib,
    1985), indicating that it was revealed in 614 CE.)

    উনি বল্লেন – হিজরী পূর্ব সালে নাযিল হয়। কোন রেফারেন্স ছাড়াই এটা উনার দাবী।

    ৩)উনি বলছেন ২ বছর বয়স শিশু না , ২ বছরের মেয়েকে কিশোরী বলে এবং তার সকল ঘটনা মনেও থাকে!!

    ৪) According to Abda’l-Rahman ibn abi zanna’d: “Asma was 10 years older than Ayesha (Siyar
    A`la’ma’l-nubala’, Al-Zahabi, Vol. 2, p. 289, Arabic, Mu’assasatu’l-risalah, Beirut, 1992).
    According to Ibn Kathir: “She [Asma] was elder to her sister [Ayesha] by 10 years” (Al-Bidayah wa’lnihayah,
    Ibn Kathir, Vol. 8, p. 371, Dar al-fikr al-`arabi, Al-jizah, 1933).

    উনি বল্লেন ১৯ বছরের বড়। এই দাবীর পিছনে ও রেফারেন্স নেই।

    ৫) উনার দাবী অনুযায়ী , আয়েশা ১ বছর বয়সে মুসলমান হয়েছিলেন। ১ বছরের বাচ্চা কতটুকু বুঝে শুনে ইসলাম গ্রহনে পারঙ্গম তা উনিই ভালো জানেন।

    এইরুপ প্রতিটি পয়েন্টেই আলোচনা সম্ভব।

    সর্বোপরি কোরানের আলোকে বলা যায় শিশু ও কিশোরী বিয়ে না জায়েজ। সুতরাং এই সকল আলোচনার দর্কার আছে বলে মনে হয় না।

    মালেক_০০১

    @ফারুক,
    আমিতো প্রায় সবি রেফারেন্সসহ দেখতে পাচ্ছি। আর আপনারাতো হাদিসই বিশ্বাস করেন না। তাহলে রেফারেন্স চাচ্ছেন কেন?–বেশ ভাবনাদায়ক ব্যাপার!!!!! এখন আপনার মন্তব্যের পয়েন্ট অনুযায়ী আলোচনা করা যাকঃ

    ১) “(Hisham ibn `Urwa, one of the eminent personalities. A Proof in himself, and an Imam. However, in his old age his memory diminished, but he certainly never became confused)”

    উত্তরটিতে আরও যা আছে তা হলঃ “Nor was this hadith reported only by `Urwa but also by `Abd al-Malik ibn `Umayr, al-Aswad, Ibn Abi Mulayka, Abu Salama ibn `Abd al-Rahman ibn `Awf, Yahya ibn `Abd al-Rahman ibn Hatib, Abu `Ubayda (`Amir ibn `Abd Allah ibn Mas`ud) and others of the Tabi`i Imams directly from `A’isha.

    This makes the report mass-transmitted (mutawatir) from `A’isha by over eleven authorities among the Tabi`in, not counting the other major Companions that reported the same, such as Ibn Mas`ud nor other major Successors that reported it from other than `A’isha, such as Qatada! ”

    এজন্যই লেখক বলেছেনঃ”However, in his old age his memory diminished, but he certainly never became confused” এখন আপনাকে প্রমাণ করতে হবে, বাকি সবারই স্মৃতিশক্তির অবস্থাও খারাপ ছিল, যেটা করতে আপনাদের বেশ ঝামেলায় পড়তে হবে মনে হচ্ছে।

    ২) সূরা কামারের যে রেফারেন্স দিয়েছেন সে রেফারেন্সের ইসনাদ বা রাবীদের নাম কৈ? লেখক বলেছেন “The hadith Masters, Sira historians, and Qur’anic commentators agree that the splitting of the moon took place about five years before the Holy Prophet’s (upon him blessings and peace) Hijra to Madina.” এখন আপনি এটা ভুল প্রমাণ করেন।

    ৩) ২ বছরের কেউ পরবর্তীতে বড় হয়ে তার নির্ভরযোগ্য কারও কাছ থেকে শুনে সেটা সে নিজে বর্ণনা করলে সমস্যা কোথায়? আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর বিরুদ্ধেও বলা হয়, তিনি এত অল্প সময়ে এত হাদিস কোথায় পেলেন?—উত্তর একই, প্রত্যেকটাই সরাসরি নবীর কাছ থেকে শুনেছেন এমন দাবিতো নেই।

    ৪) রেফারেন্স আছে। লেখক বলেছেনঃ “however, al-Dhahabi in Siyar A`lam al-Nubala’ said there was a greater difference than 10 years between the two, up to 19,”

    ৫) লেখক বলেছেন, “Ibn Hisham lists `A’isha among “those that accepted Islam because of Abu Bakr.” This does not mean that she embraced Islam during the first year of Islam. Nor does it mean that she necessarily embraced Islam before `Umar (year 6) although she was born the previous year (year 7 before the Hijra) although it is understood she will automatically follow her father’s choice even before the age of reason. ”

    সর্বোপরি কোরানের আলোকে শূকরের মাংস খাওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চয়ই জানেন। সুতরাং এই সকল আলোচনার দরকার আছে বলে মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ।

    আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

  2. আমি সহি হাদিসে আর আল কোরানের আলোকে কিছু না পরলে , ইতিহাস কে প্রয়োজনে বাতিল করে দেই । তাই, ছয়, নয়, সতের বা উন্নিশ আর যে বছর ই বলা হোক, এই সত্য যে বুঝ হওয়ার আগে ঘটে নাই । অর্থ্যাত , বিবাহের ঘটনা তখন ই হয়েছিল যখন তিনি সম্পূর্ন বুঝ সম্পন্ন ছিলেন ।

    বর্তমানের জটিল সময়ে একটি মেয়ে বা ছেলে কে বুঝদার(দুনিয়াতে চলার মত) হতে অনেক বয়স পার হতে হয় । কিন্তু রাসূল সঃ এর সময়ে হয়ত আরো তারাতাড়ি হত । এখানের মূল বিষয় সময় । মাত্র একটি হাদিস আছে যে উনার বয়স ছিল ছয় বছর । এতে কি ১০০% নিশ্চিত হওয়া যায় যে উনার বয়স সত্যিই ৬ ছিল । কারন ১, হযরত আয়েশা রঃ উনার নিজের বয়স নিয়ে ভুল করতে পারেন অথবা ২, যে শুনেছে সে ও ভুল শুনতে পারে অথবা ৩, সবার বুঝতে ভুল হয়েছে । কুরানের আলোকে এই বলতে পারি “বিবাহের ঘটনা তখন ই হয়েছিল যখন তিনি সম্পূর্ন বুঝ সম্পন্ন” ছিলেন ।

    আসলে পুরো বিষয়টি নাস্তিক আর ইসলাম বিরুধেদের হিংসার ব্যক্ষা আর এ দিয়ে ফিতনা সৃষ্টি করে মুসলিম দের ধোকা দেওয়া ।