লগইন রেজিস্ট্রেশন

Staged stoning at Daily Star ( ছবি সহ)

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১০ (১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ)

এই পোস্টটি পড়ার আগে Abu Aaisha’র এই পোস্টটি পড়ে নিন।

Staged stoning at Daily Star

Staged stoning at Daily Star

//It is about the restriction of freedom — be it of speech, mobility, or sexuality, especially that of women. //

এই জাহিলরা নারীদের সেক্স এর স্বাধীনতা চায়।

যদিও ফতওয়া বিষয়ে আমাদের অনেকেরই পরিস্কার ধারণা নেই। গ্রামে ফতওয়া নিয়ে আসলেই কি হয় যার তথ্য আমরা এইসব জাহিল পত্রিকা থেকে পাই, মিথ্যা খবর পরিবেশন করা যাদের অভ্যাস। এই জাহিলরা ফতওয়া বিষয়ক কথা লিখতে যেয়ে ইসলামী মূল্যবোধকে কটাক্ষ করেছে।
1
আমরা আমাদের শিশুদের ইসলামী মূল্যবোধ শিখাবো না কি তাদের নোংরা Freedom of Sex শেখাবো?

Thanks to Abu Aaisha to informed us earlier. May Allah reward you with Good.

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪৩২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৪.৭৫)

১১ টি মন্তব্য

  1. তাদের উদ্দেশ্য আর কিছু না, শুধুমাএ ইসলামকে খাট করা। কিন্তু ইসলামের মহানুভবতার কাছে তারা যুগ যুগ ধরে পরাস্ত। এইসব কীটগুলার পরিনতি হ্য় খুবই খারাপ।

  2. এস.এম. রায়হান
    [ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১০ at ১০:০১ অপরাহ্ণ ]

    এর আগেও পাকিস্তানের কোন এক ট্রাইবাল এলাকাতে নারীকে চাবুক মারার একটি ভিডিও তৈরী করে ইউটিউব সহ সারা ইন্টারনেট ও মিডিয়াতে প্রচার করা হয়েছিল। পরে সেটি ফেক প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশেও কি তাহলে শুরু হয়ে গেল! কারা এই কাজের সাথে জড়িত?

  3. তালেবানদের একটি ভিডিও ( যেটাতে মহিলাকে চাবুক মারা হচ্ছে দেখানো হয় ) প্রচার করা হয়, যেটা পরবর্তিতে প্রমানিত হয় তারা “তালেবান” নয়। মালেয়শিয়ান এক দম্পত্তি “জাকির নাঈক” কে বলেন , আমি ২ মাস আফগানিস্হানে ছিলাম , সেখানে আমি দেখেছি তালেবানরা এভাবে পাগরী পড়ে না । আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে আপনিও পার্থক্য বুঝতে পারবেন । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মধ্যে পাগরী পড়ার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে । এতেই প্রমানিত হয় এরা তালেবান নয় । আমেরিকার এজেন্ট কাউকে দিয়ে এই ভিডিও করিয়ে তালেবান হিসেবে প্রচার করছে ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    লেকচারটিআমিও শুনেছিলাম। এখানে উল্লেখ করার জন্য ধন্যবাদ।

  4. প্রথম আলো/Daily Star এই দেশটিকে “বস্তুবাদী কাফির রাষ্ট্রে” পরিণত করতে চায়। সে লক্ষ্যে সেই কবে থেকে, “মেধাবীদের সম্বর্ধনার” নামে, আমাদের মেধাবী বালক/বালিকার হাতে আরজ আলী মাতুব্বরের লেখা নাস্তিকতার “ধমর্গ্রন্থ” তুলে দিচ্ছে – বন্ধুসভার আয়োজনে “টিন এজারদের” ফ্রি মেলমেশার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। তবেই না “সচলায়তন” বা “আমার ব্লগের” মত, নাস্তিক ও মুক্ত যৌনাচারে বিশ্বাসী বিশাল শিক্ষিত নতুন জেনারেশন গড়ে উঠেছে। কিন্তু এর পেছনে, প্রতি কপি প্রথম আলো/Daily Star কিনে আমরা তাদের হাতে যে পয়সা তুলে দিয়েছি – তার মদদ ভুলে গেলে হবে না। আমাদের দেয়া পয়সাতেই না তারা আজ এই অবস্থানে যেতে পেরেছে। ধিক্! আমাদের মোটা মাথা মুসলিম জনগোষ্ঠীর অসচেতনতাকে, যারা এক কপি প্রথম আলো/Daily Star হাতে নিয়ে নিজেকে পরিশীলিত ভেবে গর্বিত বোধ করেন।

    manwithamission

    @মেরিনার,
    আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। (সূরা রাদঃ ১১)

    হাফিজ

    @manwithamission,

    আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। (সূরা রাদঃ ১১)

    সহমত ।

    দ্য মুসলিম

    @মেরিনার,

    সহমত। (F)

    হাফিজ

    @মেরিনার, সহমত।

  5. সবার প্রতি অনুরোধ, কেবল এদের সমালোচনাই আমরা করবনা-আমরা আল্লাহ এর দেওয়া দ্বীন কে আমাদের জীবনে ধারণ করব এবং অন্যদের এই দ্বীনের পথে দাওয়াত দিব। আমাদের মধ্যে থেকে ইসলাম চলে যাওয়ার কারণেই এরা এত অবলীলায় ইসলাম কে হেয় প্রতিপন্য করার চেষ্টা করছে। অনেক মুসলিম ভাই এদের পাতা ফাদে পা দিচ্ছে আর ইসলাম থেকে আরো দুরে সরছে।আমাদের চেনা কতজনই না আছে বলুন যারা মুসলিম দাবি করেন অথচ নিজেদের living room বা breakfast table এ আভিজাত্যের চিন্হ হিসাবে প্রথম আলো/Daily Star রাখেন? কত মুসলিম বাবা মা তাদের সন্তান দের A+ পাওয়ার আনন্দ উদযাপনে প্রথম আলো/Daily Star এর আয়োজিত water kingdom এর নষ্টামি তে পাঠিয়েছেন?এরা অনেকেই ইসলাম কে এক বিন্দু পরিমান হলেও ভালোবাসে।কিন্তু দ্বীন কি তা জানা আর কখনো হয়ে উঠেনি বা পার্থিব উন্নতির মুসিক দৌড়ের কোথাও সেই priority পিছনে পড়ে গেছে।মুসলিম৫৫ এর লিখাগুলো পড়ুন। প্রথম আলো/Daily Star আর তাদের অন্য সাংগরা নেমেছে ইসলামের প্রতি এই বিন্দু পরিমান ভালোবাসা টাও সড়াতে।আসুন পুড়ো বিশ্ব জুরে ইসলামের অনেক দল দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে দ্বীন কে জানার চেষ্টা করি কোরান এবং সুন্নাহ এর আলোকে।কোনো দলে ঢুকে পড়ার ভয়ে আমরা তাই ৫ ওয়াক্ত সালাত আর রমজানের সিয়ামেয় ইসলাম কে সীমাবদ্ধ রেখেছি।বড়জোর ৬০ পেরোলে একটা হজ্ব।কোন দল কি কারনে ভুল তা জানার চেয়ে বরং ঠিকটা জানার চেষ্টা করি। তাহলে ভুল পথগুলো অমনিতেই আলাদা হয়ে যাবে। আল্লাহ এর কাছে প্রার্থনা যেন আমাকে এবং সকল মুসলিম ভাই ও বোন কে তিনি সে পথের উপর রাখেন যে পথের উপর ছিলেন আমাদের প্রিয় রাসুল (সা:) এবং তার সাহাবী (রা:) রা। আমিন।

    মুনিস মোর্শেদ

    @Abu Aaisha, সুন্দর বলেছেন ।

    কোন দল কি কারনে ভুল তা জানার চেয়ে বরং ঠিকটা জানার চেষ্টা করি। তাহলে ভুল পথগুলো অমনিতেই আলাদা হয়ে যাবে।

    সহমত ।