লগইন রেজিস্ট্রেশন

ইসলাম ইসলাম খেলা

লিখেছেন: ' মেরিনার' @ বুধবার, মার্চ ২৪, ২০১০ (১২:১৮ অপরাহ্ণ)

ইসলাম ইসলাম খেলা তো অনেক হলো,
এবার নাহয় “ইসলাম” শেখা যাক।
বহু ব্র্যান্ডের ইসলাম তো দেখা গেলো,
এবার না হয় “জেনেরিক ইসলাম” চেনা যাক।

অন্ধরা সব হাতী দেখে লোক ডাকলো
হাতীর বর্ণনা দেবে বলে, কেউ বললো:
কুলার মত কানই হাতী – আবার কেউ বললো:
গাছের কান্ডসম পা-ই হাতী। যার মনে যা ধরলো
তাই বললো। জীবনে কখনো হাতী-না-দেখা
অজ্ঞ মানুষের বিকল্প নেই সে সব শোনা ছাড়া।

বাজারে তাই তো এসেছে আটরশী ইসলাম,
দেওয়ানবাগী ইসলাম, আযানগাছী ইসলাম,
জামাতী ইসলাম, তবলীগী ইসলাম,
মাজার পূজার ইসলাম, ব্যক্তি পূজার ইসলাম -
গণতন্ত্রীসহ আরো কত কি রকমের ইসলাম,
কেবল “ইসলামী” ইসলাম ছাড়া ।

“ইসলাম” এমনই অভাগা কোন বিষয়-
যা নিয়ে কথা বলতে কোন জ্ঞান লাগেনা।
বেশ্যার দালাল থেকে বলিউডের নায়ক -
রাজনৈতিক নেতা কিংবা কোন গায়ক;
আউল বাউল কোন ফাউল চরিত্র -
যে কেউ ইসলাম নিয়ে কথা বলে, ফোড়ন কাটে।
ইসলাম যেন আজ গরীবের বৌ -
সকলের ভাবী, সবার মন্তব্যের জন্য উন্মুক্ত!

তাই তো ইসলামের নামে আজ ব্যাংক হয়েছে,
টাওয়ার হয়েছে, হাসপাতাল হয়েছে, খবরের
কাগজ হয়েছে; মাজার, জাহাজ সহ আরো কত
বাণিজ্যবহর! কেবল ইসলামই হারিয়ে গেছে –
দেশ থেকে, জীবন থেকে, আমাদের হৃদয় থেকে।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৯৫০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.০০)

৯৯ টি মন্তব্য

  1. রকমারি ইসলামের সাথে তবলিগকে মেলানো ঠিক মনে হয় না।
    এমন আত্মত্যাগী একটা আন্দোলনকে স্বার্থপর গোষ্ঠীগুলোর সাথে গুলিয়ে ফেললেন?

    মনপবন

    @সাদাত ভাই, আত্মত্যাগী হওয়া খুব ভালো, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে আত্মত্যাগ করতে গিয়ে যেন রসুলের (সাঃ) আদর্শ্ত্যাগ না হয়। খ্রীষ্টান যাজকরাও কিন্তু খুব ত্যাগী, কিন্তু তাদের এই ত্যাগ আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

    সাদাত

    @মনপবন,

    বুঝলাম তাবলিগের ওপর আপনাদের অভিযোগ আছে।
    তাবলিগ যারা করে তাদের মধ্য কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু এই আন্দোলনের ভিত্তি অবশ্যই কুরআন এবং সুন্নাহর ওপরেই প্রতিষ্ঠিত।

    আচ্ছা তাবলিগ রাসূলুল্লাহ (সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন আদর্শ ত্যাগ করেছে?

    হাফিজ

    @সাদাত, কোনো দল সম্বন্ধে যদি আমরা মত দিতে চাই , তাদের ব্যক্তিবিশেষকে যাচাই না করে তাদের মেনিফেস্টো বা কেন্দ্রীয় নেতাদের মতকে যাচাই করতে হবে ।

    হ্যা , বর্তমানে তবলীগ যারা করে তাদের মধ্যে অনেকে ভুল ত্রুটি করে , তবে কেন্দ্রিয়ভাবে তাদের থেকে শরীয়ত বিরোধী কোনো কাজ বা মত প্রচার পেয়েছে এমন বলা যাবে না । এটা আমার ধারনা যতটুকু তাদের বই পড়ে বুঝেছি ।

    সাদাত

    @হাফিজ,

    আপনার সাথে একমত।

    মুছলমানরা কোন ভুল করলে তার দায় ইসলামের ওপর যায় না।
    তাবলিগওয়ালারা কোন ভুল করলেও তার দায় তাবলিগের ওপর যায় না।

    মেরিনার

    @সাদাত, “তবলীগী ইসলাম” ইসলাম বলতে অবশ্যই “জামা’আত তবলীগ” – যার প্রতিষ্ঠাতা ভারতের মৌলানা ইলিয়াস – সেই জামা’আত কর্তৃক preached and propagated ইসলামের কথা বলা হয়েছে।

    আপনার ভাষায়: “এমন আত্মত্যাগী একটা আন্দোলনকে…”

    “আত্মত্যাগ” অবশ্যই সম্মানের দাবী করতে পারে এমন একটা গুণ – কিন্তু “কেবল আত্মত্যাগ” আল্লাহর কাছে গ্রগণযোগ্যতার কোন criterion নয়। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মাদার তেরেসা বা LTTE-র প্রভাকরণদের “আত্মত্যাগ” যেমন আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি মুসলিম নামধারীদের ভিতর ঈর্ষনীয় বিশ্বস্ততা ও আত্মত্যাগের গুণাবলী থাকা সত্ত্বেও খারেজীরা অভিশপ্ত সম্প্রদায় বা গোষ্ঠী।

    সাদাত

    @মেরিনার,

    ইলিয়াস(রহ.) কোন জামাতের প্রতিষ্ঠাতা নন। তিনি একটি মেহনতের পুন:প্রতিষ্ঠাকারী।
    আপনার দৃষ্টিতে এই মেহনতের ভুলটা কোথায়?

    মেরিনার

    @সাদাত,

    বহু দলিল সমৃদ্ধ প্রশ্নোত্তরের একটা – আপনি চাইলে আরো অনেক খুজে পাবেন:

    ———————–
    Fatwa no.8674

    Question:

    Jamaa’at al-Tableegh – pros and cons
    What is the ruling on the 40 days and 4 months to the different part of world to call muslim brothers towards duties of islam.

    Answer:

    Praise be to Allaah.

    “Jamaa’at al-Tableegh” is one of the groups that are working for Islam. Their efforts in calling people to Allaah (da’wah) cannot be denied. But like many other groups they make some mistakes, and some points should be noted concerning them. These points may be summed up as follows, noting that these mistakes may vary within this group, depending on the environment and society in which they find themselves. In societies in which knowledge and scholars are prevalent and the madhhab of Ahl al-Sunnah wa’l-Jamaa’ah is widespread, the mistakes are much less; in other societies these mistakes may be greater. Some of their mistakes are:

    1 – Not adopting the ‘aqeedah of Ahl al-Sunnah wa’l-Jamaa’ah. This is clearly seen from the variations in the ‘aqeedah of some of their members and even of some of their leaders.

    2 – Their not paying attention to shar’i knowledge.

    3 – Their misinterpretation of some Qur’aanic verses in a manner that was not intended by Allaah. For example they interpret the verses on jihad as referring to “going out for da’wah”. The verses which mentioned the word khurooj (going out) etc. are interpreted by them as meaning going out for da’wah.

    4 – They make their system of going out for da’wah an act of worship. So they started to misquote the Qur’aan to support their system which specifies certain numbers of days and months. This system, which they think is based on evidence from Qur’aan, is widespread among them in all countries and environments.

    5 – They do some things that go against sharee’ah, such as appointing one of them to make du’aa’ for them whilst the group goes out for da’wah, and they think that their success or failure depends on whether or not this man was sincere and his du’aa’ accepted.

    6 – Da’eef (weak) and mawdoo’ (fabricated) ahaadeeth are widespread among them, and this is not befitting for those who aim to call people to Allaah.

    7 – They do not speak of munkaraat (evil things), thinking that enjoining what is good is sufficient. Hence we find that they do not speak about evils that are widespread among the people, even though the slogan of this ummah – which they continually repeat – is:

    “Let there arise out of you a group of people inviting to all that is good (Islam), enjoining Al-Ma‘roof (i.e. Islamic Monotheism and all that Islam orders one to do) and forbidding Al-Munkar (polytheism and disbelief and all that Islam has forbidden). And it is they who are the successful”

    [Aal ‘Imraan 3:104 – interpretation of the meaning]

    The successful are those who enjoin what is good and forbid what is evil, not just those who do only one of the two.

    8 – Some of them fall into self-admiration and arrogance, which leads them to look down on others, and even to look down on the scholars and describe them as inactive and sleeping, or to show off. So you find them talking about how they went out and travelled, and they saw such and such, which leads to unfavourable results, as we have mentioned.

    9 – They regard going out for da’wah as better than many acts of worship such as jihad and seeking knowledge, even though those things are obligatory duties, or may be obligatory for some people but not others.

    10 – Some of them audaciously issue fatwas, and discuss tafseer and hadeeth. That is because they allow each one of them to address the people and explain to them. This leads to them speak audaciously on matters of sharee’ah. So the inevitably speak of the meaning of a ruling, hadeeth or verse when they have not read anything about it, or listened to any of the scholars. And some of them are new Muslims or have only recently come back to Islam.

    11- Some of them are negligent with regard to the rights of their children and wives. We have discussed the seriousness of this matter in the answer to question no. 3043.

    Hence the scholars do not allow people to go out with them, except for those who want to help them and correct the mistakes that they have fallen into.

    We should not keep the people away from them altogether, rather we must try to correct their mistakes and advise them so that their efforts will continue and they will be correct according to the Qur’aan and Sunnah.

    There follow the fatwas of some of the scholars concerning Jamaa’at al-Tableegh:

    1 – Shaykh ‘Abd al-‘Azeez ibn Baaz said:

    Jamaa’at al-Tableegh do not have proper understanding of the issues of ‘aqeedah, so it is not permissible to go out with them, except for one who has knowledge and understanding of the correct ‘aqeedah of Ahl al-Sunnah wa’l-Jamaa’ah, so that he can guide them and advise them, and cooperate with them in doing good, because they are very active, but they need more knowledge and someone who can guide them of those who have knowledge of Tawheed and the Sunnah. May Allaah bless us all with proper understanding of Islam and make us steadfast in adhering to it.

    Majmoo’ Fataawa al-Shaykh Ibn Baaz, 8/331

    2 – Shaykh Saalih al-Fawzaan said:

    Going out for the sake of Allaah does not refer to the kind of going out that they mean nowadays. Going out for the sake of Allaah means going out to fight. What they call going out nowadays is a bid’ah (innovation) that was not narrated from the salaf.

    Going out to call people to Allaah cannot be limited to a certain number of days, rather one should call people to Allaah according to one’s abilities, without limiting that to a group or to forty days or more or less than that.

    Similarly the daa’iyah must have knowledge. It is not permissible for a person to call people to Allaah when he is ignorant. Allaah says (interpretation of the meaning):

    “Say (O Muhammad): This is my way; I invite unto Allaah (i.e. to the Oneness of Allaah — Islamic Monotheism) with sure knowledge”

    [Yoosuf 12:108]

    i.e., with knowledge, because the caller must know that to which he calls people, what is obligatory, mustahabb, haraam and makrooh. He has to know what shirk, sin, kufr, immorality and disobedience are; he has to know the degrees of denouncing evil and how to do it.

    The kind of going out that distracts people from seeking knowledge is wrong, because seeking knowledge is an obligation, and it can only be achieved by learning, not by inspiration. This is one of the misguided Sufi myths, because action without knowledge is misguidance, and hoping to acquire knowledge without learning is an illusion.

    From Thalaath Mihaadaraat fi’l-‘Ilm wa’l-Da’wah.

    And Allaah knows best.
    Islam Q&A

    মালেক_০০১

    @মেরিনার, খুবই সঠিক।

    সাদাত

    @মেরিনার,

    আপনার এত বড় একটা অভিযোগের উত্তর একটা ভিন্ন পোস্টের দাবি রাখে।

    ফুয়াদ

    @মেরিনার,

    দুইটি নুতুন ফতোয়া দেখেছিলাম এই কয়দিন আগে তবলিগ জামাতের পক্ষে।

    Question: I have started to become committed recently, praise be to Allaah. In our area there is the Jamaa?at al-Tableegh, who go out for thirty days or more. People say different things about them. Some say, don’t go out with them, because their going out is an innovation (bidah) and they have some mistaken ideas. Others advised me to go out with them. What is the correct view concerning that? Should I go out with them or not?.

    Answer: Praise be to Allaah. We have already discussed this group and some of their pros and cons.

    Shaykh Ibn Uthaymeen (may Allaah have mercy on him) was asked about that and he said:

    Usually in every issue there are two extremes and a middle way. Some people praise this group a great deal and encourage going out with them; others condemn them a great deal and warn against them more than they would warn you about a lion. And some people tread a middle path between those two extremes.

    I think that there is some good in this group; they call others to Islam and have a clear influence that no other daaiyahs have had. Many kaafirs have become believers at their hands, and many evildoers has Allaah guided through them.

    Moreover they have an attitude of humility and selflessness that is not found in many others.

    Some people say that they have no knowledge of hadeeth, and so on.

    They are undoubtedly good people, but I think that those of them who are in Saudi do not go to Pakistan or other countries, and we do not know anything about the aqeedah of those people (in other countries) or their manhaj (methodology). But there is nothing wrong with the manhaj followed by our companions here in Saudi.

    With regard to limiting dawah to three or four days, or to two or four or six months, or two years, there is no shari evidence for that. But they think that this has to do with organization (of groups). If a person goes out for three days, and knows that he is limited to these three days, he will focus his mind and forget about worldly matters. This is the matter of organization, and is not an act of worship or a matter of shareeah.

    I think, may Allaah bless you, that if you have the opportunity to seek knowledge then it is better to do that, because seeking knowledge is good and the people nowadays have a great need for scholars who have knowledge of the Sunnah and who are well-versed in knowledge. If you are not able to seek knowledge, and you go out with them in order to purify yourself, there is nothing wrong with that. There are many people whom Allaah has guided at their hands.
    Al-Baab al-Maftooh, no. 10, P. 304.

    And Allaah is the Source of strength

    Sh Ibn Utheymen on the tablighi jammat
    ______________________________________________________________________

    আরো দেখেন
    Allah Taãla states that one reason for this Ummah being titled as the best of Ummahs, is the practice of ‘commanding good and preventing evil’.

    Nabi (Sallallaahu Álayhi Wasallam) states, “Whosoever from among you witnesses evil, he should change it with his hands. And if he is unable to do so then he should change it with his tongue. And if he is unable to do so with his tongue, then he should at least consider it to be wrong. And this is the weakest stage of Imaan.” (Mishkãt)

    Hadhrat Nuúmaan bin Basheer (Radhiallaahu Ánhu) says that Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) gave an example of people sailing on a boat having an upper deck and a lower deck. The people from the lower deck require water and request water from the people of the upper deck. The people from the upper deck refuse water so the people from the lower deck decide to make a hole on the floor of the ship and get water from the sea. Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) said, “If the people from the upper deck don’t stop the people at the bottom from making a hole, the ship will sink and all the people travelling will drown.” (Mishkãt vol. 2 p. 436)

    Similarly, if people do not prohibit evil and sin in the society, the entire society – innocent and evil – will equally suffer.

    Hadhrat Abu Hurayra (Radhiallaahu Ánhu) states that Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) said, “Command good and prohibit evil or else Allah will send such a punishment that will destroy everyone.” (Ibid)

    The above quotations of the Qurãn and Ahaadith of Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) are clear that commanding good and prohibiting evil is an emphasised injunction of Allah and His Rasul. Every person must carry out this injunction. All the Prophets (Álayhimus salaam) followed the footsteps of their respective Prophets and after the demise of their Prophet, they carried out the same mission. The Sahaaba of Rasulullah (Radhiallaahu Ánhum) spent their entire lives in commanding good and prohibiting evil. Since there is no Prophet to come, every Ummati of Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) is the deputy of the Prophet and has to carry on the mission of the Prophet. The people of Tabligh Jamaat sacrifice their time, wealth and comforts to undergo difficulty and hardships to go in the path of Allah – to carry out this Sunnah of the Prophets – commanding good and prohibiting evil.

    As far as the Tabligh Jamaat is concerned, it is our humble view that they are acting upon this injunction of Allah Taãla and are fulfilling this obligation of Shariáh. the Jamaat advocates strict adherence to the Sunnah and confines itself within the ambit of the Shariáh. The purpose of any individual taking part in the noble work of Tabligh is firstly to reform oneself and dutifully save mankind from the fire of hell. The overwhelming success of the Jamaat is mainly because of the manifestation of the six points which involves the purification of the Naffs and the entity of Tawheed.

    The word ‘Tashkeel’ literally means ‘to form’. In the terminology of Tabligh, it means to urge the people to give time, to come out in the path of Allah for self reformation and propagating good for a number of days 3, 7, 40, 4 months, 1 year, etc. The number of days is also not compulsory, it is only recommended just as it is recommended that a person studying first aid, for example, serves one month as practicals. While he will not be an expert in medicine, he will know the basic things to do during an emergency. Similarly, a person going out for 3 days, 40 days, 4 months, etc. does not become an expert on Shariáh, but he will learn the basic requirements of Shariáh. The more time he gives, the more he will learn and perfect himself. The time frame is not a criteria according to Shariáh.

    and Allah Ta’ala Knows Best

    Mufti Ebrahim Desai, http://www.ask-imam.com
    FATWA DEPT.

  2. সকল ইসলামী দল এবং ইসলামপন্থী ব্যক্তির মধ্যেই কোন না কোন সমস্যা পাওয়া যাবে। যাদের মধ্যে সমস্যা সবচে কম তাদের সাথেই থাকা উত্তম। তবে ইসলামের অনেকগুলো সুন্দর দিকের মাঝে একটি হল এইযে, হাশরের ময়দানে সকলকে তার নিজের কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে, সুতরাং কে কি করল তার চেয়ে নিজের দিকে দেখাই উত্তম।
    বিঃদ্রঃ আমার এই মন্তব্য কাউকে উদ্দেশ্য করে নয় বরং নিজের এসলাহের জন্যই করেছি।
    ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মালেক_০০১,

    যাদের মধ্যে সমস্যা সবচে কম তাদের সাথেই থাকা উত্তম।

    এ কাজটুকুতো নিজেকেই করতে হবে। আর সেজন্য প্রয়োজন কোরান ও সুন্নাহর অধ্যয়ন। প্রয়োজন ইসলামের অত্যবশ্যকিয় জ্ঞান।

    মালেক_০০১

    @দ্য মুসলিম, সহমত

    মেরিনার

    @দ্য মুসলিম,
    “এ কাজটুকুতো নিজেকেই করতে হবে। আর সেজন্য প্রয়োজন কোরান ও সুন্নাহর অধ্যয়ন। প্রয়োজন ইসলামের অত্যবশ্যকিয় জ্ঞান।”

    সত্যি কথা! সহমত!!

  3. তাই তো ইসলামের নামে আজ ব্যাংক হয়েছে,
    টাওয়ার হয়েছে, হাসপাতাল হয়েছে, খবরের
    কাগজ হয়েছে; মাজার, জাহাজ সহ আরো কত
    বাণিজ্যবহর! কেবল ইসলামই হারিয়ে গেছে –
    দেশ থেকে, জীবন থেকে, আমাদের হৃদয় থেকে।

    আলহামদুলিল্লাহ। ভালো লিখেছেন, ভাই।

    মেরিনার

    @দ্য মুসলিম, ধন্যবাদ!

  4. “ইসলাম” এমনই অভাগা কোন বিষয়-
    যা নিয়ে কথা বলতে কোন জ্ঞান লাগেনা।
    বেশ্যার দালাল থেকে বলিউডের নায়ক -
    রাজনৈতিক নেতা কিংবা কোন গায়ক;

    এই অংশটা খুবই সত্য ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, ধন্যবাদ – অংশটা আরো সত্য আমাদের এই ব্লগে! এই যে কয়েকদিন আগে “রজম” নিয়ে এই ব্লগে তর্ক-বিতর্কের ঝড় বয়ে গেলো – তাতে আসলে একটি শব্দ বলার মত যোগ্যতা সম্পন্ন ফিক্বীহ্ জ্ঞান ক’জন অর্জন করেছেন?? রাসূল (সা.) একটি judgment-কে সজ্ঞানে কেউ অসঙ্গত মনে করলে সে ইসলামের গন্ডীর বাইরে চলে যায়! ভেবে দেখেছেন কি ভয়ঙ্কর “ইসলাম-ইসলাম খেলায়” মেতে উঠেছি আমরা – “বিশ্বাসী ও অনুশীলনরত” মুসলিমরা (আমার ব্লগের কেবল নামধারী মুসলিমদের কথা বাদই দিলাম)!!

  5. জ্ঞানবিহীন অহেতুক তর্ক করে জীবনের অমূল্য সময় নষ্ট না করে, ব্লগের সকল ভাই-বোনকে
    “The JAMAAT TABLEEGH and the Deobandis”

    বইটি পড়ে দেখার অনুরোধ করবো যার soft copy পাওয়া যাবে এখানে:

    http://www.ahya.org/tjonline/index.html

    এই বইয়ের বাংলা অনুবাদও বাজারে বেরিয়েছে।

    এছাড়া আরো কিছু মূল্যবান তথ্যের লিংক:

    http://www.ahya.org/amm/modules.php?name=Sections&op=viewarticle&artid=105
    http://www.ahya.org/amm/modules.php?name=Sections&op=viewarticle&artid=192

    সাদাত

    @মেরিনার,

    এই লিঙ্ক দেখলে একের ভেতর দুই পাওয়া যাবে:
    ১. অভিযোগ
    ২. অভিযোগের উত্তর

    পাঠকের অবগতির জন্য:

    ফাজায়েলে আমাল তাবলিগের কোন অবিচ্ছেদ্য অংশ না।
    আরবদেশগুলোতে তাবলিগের তালিমে ফাজায়েলে আমাল পড়া হয় না। পড়া হয় রিয়াদুস সালেহিন।

    বর্তমানে উপমহাদেশে তাবলিগের তালিমে ফাজায়েলে আমাল/সাদাকাত এর পাশাপাশি পড়া হয়: মুন্তাখাব হাদিস (চমৎকার এক কিতাব, পড়ে দেখতে পারেন,banglakitab.com এ পাবেন )

    তারপরও ফাজায়েলে আমাল বা দেওবন্দি আলেমদের বিরূদ্ধে আরোপিত অভিযোগগুলোর উত্তর উপরের লিঙ্কেই পাবেন।

    হাফিজ

    @সাদাত, দেওবন্দের ওপর অভিযোগ এবং তার উত্তর গুলো বিচার বিশ্লেষন করে আমার যেটা মনে হয়েছে , দেওবন্দেরটাই সঠিক ।

    দেওবন্দের থেকে শুরু করে আগেকার স্কলারদের মধ্যে একটি চেইন বা সমন্বয় পাওয়া যায় । কিন্তু যারা অভিযোগ করে তাদের মধ্যে আগেকার স্কলারদের সাথে কোন চেইনা পাওয়া যায় না ।

  6. তাবলীগ শুধু ব্যক্তিজীবনে কোরআন-হাদিস মানতে বলে। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কোরআন-হাদীসের কথা উঠলেই তাবলীগকে আর পাওয়া যায় না। :(

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, তাদের দাওয়াতের স্কোপ ৬ টি পর্যায়ে সীমাব্ধ । কোনো প্রাথমিক শিক্ষালয়কে যদি আমরা প্রশ্ন করি “ভাই আপনাদের পি এইচ ডি প্রগ্রাম নাই কেনো” , এর উত্তর হোলো পি এইচ ডি এর জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হবে ।

    তবলীগও আমার কাছে তাই মনে হয়েছে , প্রাথমিক ইসলামিক বিষয়ে জানার দরকার হলে তাদের কাছে পাওয়া যায় । একটু গভীর বিষয় হলে ওন্যদের কাছে যেতে হবে ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ, উপমা বাদ দিয়ে আসেন সরাসরি আলোচনা করি।

    একজন লোক মনে করেন খুব নামাজ রোজা করে আর ভোট দিল এমন দলকে যারা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কোরআন-হাদিসের আইনকে সরাসরি অস্বীকার করে। এখন জেনে বুঝে এমন কাজ করলে নামাজ-রোজা কোন কাজে দিবে?
    দিবে না। এখন যারা বুঝে না, তাদেরকে বোঝানোর দায়িত্ব কাদের উপর? যারা বুঝে তাদের উপরেইতো, নাকি?
    তাবলীগের মুরুব্বিরা অনৈসলামিক শাসন ব্যবস্থা পছন্দ করেন না । কিন্তু তারা এটা প্রচার করে জনগণকে বুঝান না কেন সেইটা আমি বুঝি না। এইটা বুঝতেতো বড় কোন ডিগ্রীর প্রয়োজন নেই, তাই না?

    আবার তাবলীগের বড় বড় মুরুব্বীরা বিভিন্ন সময় তাদের সাহায্যার্থে বিভিন্ন অলৌ্কিক ঘটনা ঘটেছে বলে বর্ণনা করে থাকেন। তো তাদের যখন এতই গায়েবী মদদ আছে তো তারা আমেরিকা-ইসরাঈলের বিরুদ্ধে দু-একটা যুদ্ধ করে দেখিয়ে দেন না কেন?

    হাফিজ

    @মালেক_০০১,
    একজন লোক মনে করেন খুব নামাজ রোজা করে আর ভোট দিল এমন দলকে যারা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কোরআন-হাদিসের আইনকে সরাসরি অস্বীকার করে। এখন জেনে বুঝে এমন কাজ করলে নামাজ-রোজা কোন কাজে দিবে?
    দিবে না। এখন যারা বুঝে না, তাদেরকে বোঝানোর দায়িত্ব কাদের উপর? যারা বুঝে তাদের উপরেইতো, নাকি?
    তাবলীগের মুরুব্বিরা অনৈসলামিক শাসন ব্যবস্থা পছন্দ করেন না । কিন্তু তারা এটা প্রচার করে জনগণকে বুঝান না কেন সেইটা আমি বুঝি না। এইটা বুঝতেতো বড় কোন ডিগ্রীর প্রয়োজন নেই, তাই না?

    প্রথমে আমি বলে নেই যে , তবলীগকে কোনো সময়ই আমি সয়ংসম্পূর্ন দল বা জামাআত মনে করি না । এটা আমার দৃষ্টিতে একটি ইসলামি জামাআত যেটা অনেকটা আমাদের স্কুল কলেজের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে সামন্নজস্য রাখে । ইসলামের গুরুত্বপূর্ন ফরজ অংশগুলো জানতে/মানতে হলে অবশ্যই আরো কিছু বিষয় আপনাকে পড়াশুনা করে শেষ করতে হবে ।

    এখন তাদের সিলেবাসে আছে ৬ উসুল । কালেমা , ইকরামুল মুসলিমিন, নামাজ , নিয়ত বিশুদ্ধকরন ইত্যাদি । এখন তারা যদি বলে আমরা সয়ংসম্পূর্ন তাহলে অবশ্যই সেটা আপত্তিজনক । কিন্তু তারা যদি বলে আমরা এই ৬ টি বিষয় শিখাচ্ছি তোমরা বাকী জিনিসগুলো ওন্যদের কাছ থেকে শিখে নাও , তাহলে আপত্তি থাকতে পারে না ।

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    তাবলিগ একটা মেহনত।
    মাদ্রাসা একটা মেহনত।
    ইসলামি রাজনীতি একটা মেহনত।

    একটা মেহনত আরেকটা মেহনতের সহায়ক। একটা মেহনতকে আরেকটা মেহনতের পরিপন্থী মনে করা ঠিক না।
    সবগুলো মেহনত ইসলামেরই জন্য, একটা মেহনতের দ্বারা সব আশা করা ঠিক না।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, একদল লোক মনে করেন শুধু নামাজের দাওয়াত দেয়। রোজা, হজ্জ, যাকাত এসবের ব্যাপারে কিছুই বলে না। নীরবতা অবলম্বন করে। তাহলে কি সেটা খুব ভাল মেহনত? মোটেও না। একদল লোক নিজেদের মুসলমান দাবি করছে অথচ কোরআন-হাদিসের আইনকে অস্বীকার করছে এবং মুসলিম জনগণ তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করছে। এখন কেউ খালি গান-বাজনা আর অশ্লীলতার বিরুদ্ধে বলল কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় উপেক্ষা করে গেল, এটা কি স্রেফ ভন্ডামি না? কোরআন-হাদিস পরিপন্থীদের জীবনের কোন ক্ষেত্রেই সমর্থন করা যাবে না। তাদেরকে ভোটও দেয়া যাবে না। শুধু এইটুকু বলার জন্য যদি আমার জীবন যায় তো যাক, আল্লাহর রাস্তাতেই মরণ হবে। এই সামান্য দাওয়াতটুকু না দিয়ে নিজেদের নবীওয়ালা মেহনতকারী দাবি করাটা কি আদৌ শরীয়তসম্মত?

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    তাবলিগের
    প্রারম্ভিক লক্ষ ব্যক্তি।
    শেষ লক্ষ সারা দুনিয়া।

    মেরিনার

    @সাদাত,

    “তাবলিগের
    প্রারম্ভিক লক্ষ ব্যক্তি।
    শেষ লক্ষ সারা দুনিয়া।”

    আপনার “লক্ষ্য” বানানটা “দৃষ্টিকটু” পর্যায়ের ভুল! ঠিক করে নেবেন ইনশা’আল্লাহ্!

    সাদাত

    @মেরিনার,

    বানানটা অপ্রচলিত সন্দেহ নাই।
    আমি আগে খুব সতর্কতার সাথে ‘লক্ষ্য’ লিখতাম, গণনার ক্ষেত্রে ‘লক্ষ’ লিখতাম।
    আমার এক ছোটভাই একদিন লিখল ‘লক্ষ’, আমি ভুল ধরলাম। সে আমাকে অভিধান খুলে দেখাল ‘লক্ষ’ বানানটা সঠিক। অভিধানটার নাম মনে নাই, তবে বাংলা একাডেমির ও হতে পারে। আমি তো থ। সেই থেকে লক্ষ্যের প্রতি লক্ষ নাই।

    আজকে আপনার কমেন্ট পড়ে অনলাইন অভিধানগুলো ঘেটে দেখি, সেখানে ‘লক্ষ্য’ই দেওয়া আছে। এখন বাংলা একাডেমির অভিধানটা দেখতে হবে। তারপর সে অনুযায়ী লিখব ইনশাআল্লাহ।

  7. আমি আরেকটা সীমাহীন তর্কের সেশন জুড়তে চাই না। তাই সকল ভাইয়ের মন্তব্যের individual জবাব না দিয়ে, একত্রে (আমি সহ) সবার উদ্দশ্যে প্রযোজ্য দু’টি কথা বলছি:

    যে কারো বা যে কোন গোস্ঠীর ইসলামী কমর্কান্ডের ব্যাপরে ২ টি জিনিস প্রাথমিকভাবে বিচার করতে হবে:

    ১)তার/তাদের আক্বীদাহ্ (creed বা set of beliefs) শুদ্ধ কি না!
    ২)তার/তাদের মানহাজ বা পদ্ধতি (methodology) শুদ্ধ কি না!

    আর মানুষের মাঝে এই শুদ্ধতার মাপকাঠি হচ্ছেন একমাত্র একজন – রাসূল(সা.)!! আমার বাবা থেকে শুরু করে আবু বকর (রা.) পর্যন্ত পূর্ববর্তী প্রজন্ম সমূহের যত মুসলিম রয়েছেন (যাদের মাধ্যমে দ্বীন আমাদের কাছে এসেছে বা হস্তান্তরিত হয়েছে) তাদের যে কারো কথা যদি রাসূল(সা.)-এঁর কথার বিরুদ্ধে বা বিপরীতে অবস্থান নেয়, তবে তিনি যত বড় বুজুর্গই হন না কেন – তার কথা পরিত্যাগ করতে হবে!! আমাদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত করার যে, আমাদের তথা যে কোন মানুষ বা গোষ্ঠী যার সাথে আমরা একত্র (বা জামাতবদ্ধ) হচ্ছি – তাদের “আক্বীদাহ্” ও “মানহাজ” রাসূল(সা.)-এঁর নিরিখে শুদ্ধ। আপনার সাধ্যানুযায়ী “তাহক্বীক” করার পর [অন্ধ এবং প্রচেষ্টাহীন অনুকরণে নয় অবশ্যই] আপনার যদি মনে হয়ে থাকে যে, “জামা’আত তবলীগ” বা আর যে কোন জামা’আত যার সাথে আপনি যুক্ত আছেন তারা “শুদ্ধ”ই – তাহলে আপনি ঠিকই আছেন। আর ব্যস্তাতার অজুহাতে বা “আমি/আমরা” ঠিকই আছি” এমন complacency গুণে আল্লাহর দেয়া অমূল্য সম্পদ – জীবনের সময়কে – অহেতুক কাজে ব্যয় করে যদি সে চেষ্টাও না করে আপনি/আমি মৃত্যু বরণ করেন/করি তবে ব্যাপরটা খুবই risky । আমাদের এই ঘন্টার পর ঘন্টা ব্লগিং, যুক্তি-তর্কে জয়লাভ – সব কিছুই একেবারে নিস্ফল হয়ে যেতে পারে। আমি একসময় “জামা’আত তবলিগের” খুব কাছের ছিলাম – আলহামদুলিল্লাহ্ আমি পড়াশোনা করেই সেখান থেকে সরে এসেছি! আপনার/আপনাদের দায় আমাকে বহন করতে হবে না। আমার শুধু আপনাদের জানানোর কথা ছিল – আমি জনালাম! এই chapter এখানেই close করে দেয়া হলো ।

    ফুয়াদ

    @মেরিনার,

    কিন্তু বিদেশ এ এ টি খুব ইফেক্টিভ, তাই নয় কি ? এদিক টি একটু ভাববেন।

    হাফিজ

    @ফুয়াদ,

    আপনি ঠিক বলেছেন । কেননা বিদেশে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে আমাদের দেশ থেকে ছেলেরা যেয়ে একাকী কাটাতে হয় , যেটা খুবই রিস্কি । সেখানে অনেক সময় দেখা যায় তারা তবলীগের লোকেদের সংস্পর্শে এসে কিছুটা হলেও ধার্মিক হয়ে যাচ্ছে ।

    সাদাত

    @মেরিনার,

    আমি এখানে তাবলিগের বিজ্ঞাপন করতে আসি নাই।
    কিন্তু এই কথায় কথায় অন্যদের বিদআতি, মুশরিক, কাফির ফতোয়া দেওয়ার আমি ঘোর বিরোধী।
    বুঝতে এখন আর অসুবিধা হচ্ছে না আপনার ‘জেনেরিক’ ইসলামটা কোনটা।
    আপনার ঐ একটা ‘জেনেরিক’ ইসলামই সঠিক, তাই তো?

    মেরিনার

    @সাদাত, না মোটেই নয় – আমি একবারও বলিনি যে, My way or no way- বরং উপরে স্পস্ট বলেছি:


    আপনার সাধ্যানুযায়ী “তাহক্বীক” করার পর [অন্ধ এবং প্রচেষ্টাহীন অনুকরণে নয় অবশ্যই] আপনার যদি মনে হয়ে থাকে যে, “জামা’আত তবলীগ” বা আর যে কোন জামা’আত যার সাথে আপনি যুক্ত আছেন তারা “শুদ্ধ”ই – তাহলে আপনি ঠিকই আছেন।

    সুতরাং, এই বিষয়ে আর তর্কে সময় ক্ষেপন করতে চাই না বলার পরও, আমাকে এই বক্তৃতা দেয়া অর্থহীন!!

    হাফিজ

    @সাদাত, তবে এ কথা সঠিক মেরিনার যে অভিযোগগুলো করেছেন তবলীগ সম্বন্ধে তার অনেকগুলো এখন তাদের মধ্যে পাওয়া যায় । যেটা আমিও তাদের মধ্যে দেখেছি । তবে আমার কথা অন্য জায়গায় । তারা দলগত ভাবে এটা সাপোর্ট করে , নাকি ব্যক্তিবিশেষ সমস্যা । যদি দলগত ভাবে এটা সাপোর্ট করে বা এসব সমস্যা প্রমোট করে তাহলে চিন্তার বিষয় । তবে এটাও ঠিক তবলীগের একেক জন একেক রকম। যে যে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে সেটার প্রভাব দেখা যায় । কেউ যদি মাদ্রাসার লাইন থেকে আসে দেখবেন অনেক সমস্যা থাকে না । তারা সংখ্যায় এত বেশী হয়ে গেছে যে কোয়ালিটি ধরে রাখতে পারছে না । এটা যেকনো দলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ।

    কিন্তু যতক্ষন পর্যন্ত প্রমান হচ্ছে না দলগত ভাবে এটা সাপোর্ট করে কিনা , ততক্ষন পর্যন্ত সামগ্রিক ভাবে তাদের দায়ী না করাই ভালো ।

    আর একটি ব্যাপার “তবলীগ আর দেওবন্দ” দুটোকে এক করে দেখা যাবে না ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ,

    আর একটি ব্যাপার “তবলীগ আর দেওবন্দ” দুটোকে এক করে দেখা যাবে না ।

    ঠিক ঠিক।

    আমার যেটা মনে হয় (একান্তই আমার নিজস্ব মতামত), হযরত আলী(রাঃ) ও হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)- এর মধ্যে যুদ্ধের পর থেকে তিনটি ধারা গড়ে উঠেছে সাহাবীগণের মাধ্যমেই যা বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যমানঃ
    ১। রাজপন্থীবাদী।
    ২। রাজপন্থীদের বিরোধীতাকারী।
    ৩। ক্ষমতা নিয়ে ঝামেলার ধারেকাছে নাই।

    উপরের তিনটি অংশের মাঝেই কোরআন-সুন্নাহর অনুসারী ও কোরআন-সুন্নাহ থেকে ডেভিয়েন্ট অংশ আছে (বর্তমান সময়ে)।

    সুতরাং যার যার কর্মফল সে সে ভোগ করবে।

    আল্লাহ আমাদের জীবনের সকল ক্ষেত্রে কোরআন-হাদিস মেনে চলার তৌফিক দান করুন । আমীন।

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    সাহাবা(রা.)রা রাজপন্হী ছিলেন না। এমন কি মুআবিয়া(রা.)ও না।

    আর তাবলিগ রাজনীতি করে না বলে আপনার যে আক্ষেপ, তা খুব একটা ঠিক না। তাবলিগের রয়েছে এক মহা রাজনৈতিক পরিকল্পনা। এবং তা আল্লাহপাকের একটা ওয়াদাকে কেন্দ্র করে। তাবলিগ একটা ডাইনামিক আন্দোলন। প্রতিনিয়ত যা পরিবর্তিত হচ্ছে। একটা সময় ছিল যখন তাবলিগ শুধু মুছলমানদের দাওয়াত দিত। কিন্তু এখন একটি নির্দিষ্ট দেশের তাবলিগের সাথিদের অমুসলিমদের মাঝে দাওয়াত দেবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    তারা দলগত ভাবে এটা সাপোর্ট করে , নাকি ব্যক্তিবিশেষ সমস্যা ।

    ঠিক বলেছেন। জীবনে প্রথম যখন ঢাকায় এসেছিলাম তখন আমাকে উঠতে হয়েছিলো একটি তাবলিগের ম্যাচে। কলেজে যেহেতু ভর্তি হয়েছিলাম, ওরা আমাকে স্কুলের ছাত্র ভেবেছিলো। একদিন তর্ক প্রসঙ্গে ওদের একজনতো সরাসরি ফতোয়া দিয়েদিলো যে জামাতের সাঈদি হলো কাফের। কারণ জিজ্ঞেস করায় সে বললো যে, সাঈদির ঘরে টিভি আছে।
    কয়েকদিন পর সেখানকার আমির নিয়ম চালু করলেন যে, সকলকে সকালে বাধ্যতামুলক কুরআন অধ্যয়ন করতে হবে (শিখতে হবে।)। সকালে উপস্হিত হয়ে দেখলাম যে, যিনি পড়াচ্ছেন তিনি নিজেও স্বয়ং আলিফ উচ্চারণ করতে পারেননা। তাছাড়া আরো ভুলতো ছিলোই।

    একমাস পরে সেখান থেকে চলে গিয়েছিলাম অন্য একটি জায়গায়।

  8. [...] পেয়েছেন, যে পোস্টটা রেয়েছে এখানে: http://www.peaceinislam.com/mariner/5083/ । তাদের ভুল ভাঙ্গাতে আজকের এই [...]

  9. তাবলিগ সম্পর্কে আপনাদের কারোই খুব বেশি ধারণা আছে বলে মনে হয় না।
    ১. তাবলিগের মুরুব্বিরা ‘তাবলিগ জামাত’ শব্দটাই পছন্দ করেন না। তারা নিজেদের পৃথক কোন জামাত বলা অপছন্দ করেন।
    ২. তাবলিগের মেহনত দেওবন্দি আন্দোলনেরই একটা পরোক্ষ ফসল।
    ৩. ইলিয়াস(রহ) তাবলিগের মেহনতের যে নাম পছন্দ করতেন, তা হলো ‘ ঈমানি আন্দোলন’।
    ৪. যে মওদুদি পন্থীরা আজ তাবলিগকে দু চোখে দেখতে পারে না, সেই মওদুদি সাহবেও তাবলিগের প্রশংসায় এক চমৎকার প্রবন্ধ লিখে গেছেন।
    ৫. বর্তমানে অগণিত মাওলানা/মুফতি এ কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন।
    ৬. তাবলিগের একটা পয়েন্ট এলেম ও জিকির। এলেমের মধ্য দুইটি অংশ। ফাজায়েলে এলেম ও মাসায়েলে এলেম। মাসায়েলে এলেম শিখতে আলেমদের কাছে যেতে বলা হয়। তাবলিগের মুরুব্বিরা এই মেহনতকেই সব মনে করলে আবার আলেমদের কাছে যেতে বলে কেন?
    ৭. জিকিরের ক্ষেত্রে বলা হয়, সকাল-বিকাল ৩ তাসবিহ পড়তে, প্রতিদিন ১ পারা কুরআন তিলাওয়াত করতে, মাসনুন দুআগুলো জায়গামত আদায় করতে, কোন হক্কানি পীরের অজিফা থাকলে আদায় করা। তাবলিগের মুরুব্বিরা এই মেহনতকেই সব মনে করলে হক্কানি পীরের অজিফা আদায়ের অনুমতি দেন কেন?

    মালেক_০০১

    @সাদাত, ইসলামবিরোধী দলকে ভোট দিতে নিষেধ করে না কেন?

    মালেক_০০১

    সাহাবা(রা.)রা রাজপন্হী ছিলেন না। এমন কি মুআবিয়া(রা.)ও না।

    আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া পড়ে যা বুঝেছি তা হল, হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) ও হযরত হাসান (রাঃ) এর মাঝে যে চুক্তি হয়েছিল সেটা অনুযায়ী হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) এর পরে হযরত হুসাঈন(রাঃ) এর খিলাফতের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু কাজতো সেই অনুযায়ী হয়নি। হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) তার বিচার-বিশ্লেষণে যা ভাল বুঝেছিলেন তাই করেছিলেন। অনেক সাহাবীগণই ব্যাপারটা সমর্থন করেননি। যাইহোক তাদের কাজ তারা করে গেছেন। আমরা কোরআন-হাদিস মেনে চলতে চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ, আমীন।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ, তাবলীগ ইসলামবিরোধী দলকে ভোট দিতে নিষেধ করে না কেন?

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, এ বিষয়ে আমি ঠিক জানি না । কিন্তু এটা জানি তারা নেগেটিভ কোন বক্তব্য তালিমে প্রচার করে না । ৬ উসুলের বাহিরে কোন বক্তব্য দেয় না ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ, এখন ইংরেজ শাসন আমল না যে কেউ ইসলামী রাজনীতি করলেই তার গর্দান নেয়া হবে। সুতরাং এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় উপেক্ষা করা কোন লজিকাল বিষয় না।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, তবলীগ জামাআত অনেক কিছু করতেই নিষেধ করে না । তাদের বক্তব্যে “শরীয়ত বিরোধী” যে সব কাজ বর্তমানে চলছে সেগুলো সম্বন্ধে তারা কিছু বলে না । আমি জানি না কেনো তারা বলে না ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    আপনি উপরে একটি মন্তব্য দিয়েছিলেন যে, তারা হলো প্রাইমারী লেভেল টাইপের। এ ব্যপারে আমি আপনার সাথে একমত।
    সমস্যা হলো ওরা এই কথার সঙ্গে একমত হবেন না। আজ পর্যন্ত আমি কাউকে তাবলিগ ত্যাগ করতে দেখিনি।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, আমার কথা হোলো , কারো ভালো থাকলে সেটাকে “ভালো” এবং দোষের কিছু থাকলে সেটাকে “দোষের” বলতে সমস্যা নেই ।

    তবলীগের লোকদের মধ্যে অনেক সমস্যা পেয়েছি , তাই বলে তারা “না-হক” দল সেটা মানতে আমি নারাজ । তবে কোনোদিন যদি প্রকাশ পায় তাদের কেন্দ্রিয় “মুরুব্বি”রা এসব মতবাদ দিয়ে থাকেন , তাহলে তখন হয়ত মত পাল্টাতে হবে । তবে সেটা অপেক্ষার পালা ।

    তবে তাদের কিছু সমস্যার মধ্যে ২ টি হোলো

    ১) তারা কোরআন হাদিসের নিজস্ব ব্যাখ্যা দ্যায় ( দেওবন্দের অনেক আলেমও এটা স্বীকার করেছেন যে তবলীগের এই সমস্যা এখন দেখা যাচ্ছে )

    ২) তারা নিজেদের একমাত্র হক দল বলে ।

    সাদাত

    @দ্য মুসলিম,

    প্রাইমারি লেভেলের কথাটার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

    হাফিজ

    @সাদাত, আমি ৬ উসুলকে বুঝিয়েছি । শুধুমাত্র ৬ উসুলের জ্ঞান যদি কারো থাকে সেটা পূর্নাংগ হতে পারে না ।

    “যাকাত” , “হজ্ব” সেটাতে অনুপস্হিত ।

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত,

    অভিজ্ঞতার আলোকে আমি সহমত দিয়েছি।
    প্রাইমারি লেভেল বলতে, আমি অনেক খারাপ ছেলেকে দেখেছি তাবলিগের সংষ্পর্শে এসে তারা নামাজ পড়তে শুরু করে। এছাড়াও সাধারণ কিছু আমল তাদের মাঝে দেখা যায়, যেমনঃ মিসওয়াক করা, সালাম দেয়া ইত্যাদি। এবিষয় গুলো যে ভালো তাতে কারো কোন সন্দেহ থাকতে পারে না।
    সমস্যা শুরু হয় তখন যখন একটু ডিপে যাওয়া হয়। যেমনঃ ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, বিদআত, তাদের উসুল ছাড়া অন্যান্য আমল ইত্যাদি।

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    তাবলিগ প্রচলিত রাজনীতি থেকে দূরে অবস্থান করে। তাদের টার্গেট সব মানুষ। এখন তারা যদি সরাসরি কোন দলের বিরুদ্ধে কথা বলে তাহলে সেই দলের লোকগুলোকে তো আর কাছে আনা যাবে না।

    তাবলিগের একটা জিনিস আমার খুব আশ্চর্য লাগে আর তা হল:

    - তাবলিগ রাজারবাগীর বিরুদ্ধে কিছু বলে না, কিন্তু রাজারবাগীর মুরিদ তবলিগ করার পর আর রাজারবাগিকে দেখতে পারে না।
    - তাবলিগ দেওয়ানবাগীর বিরুদ্ধে কিছু বলে না, কিন্তু দেওয়ানবাগীর মুরিদ তবলিগ করার পর আর দেওয়ানবাগিকে দেখতে পারে না।
    - তাবলিগ মিলাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না, কিন্তু মিলাদওয়ালা তবলিগ করার পর আর মিলাদ পছন্দ করে না।
    - তাবলিগ জাশির বিরুদ্ধে কিছু বলে না, কিন্তু জাশি তবলিগ করার পর আর জাশি পছন্দ করে না।
    - তাবলিগ ইসলামবিরোধি রাজনীতির বিরুদ্ধে কিছু বলে না, কিন্তু লোকে তবলিগ করার পর আর ইসলামবিরোধি রাজনীতি পছন্দ করে না। আমার জানা এমন অনেকে আছেন যারা আগে বিভিন্ন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, এখন আর সেই দল পছন্দ করেন না।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, আপনি আপনার অভিজ্ঞতার কথা বললেন। কিন্তু আমিও অনেক লোক দেখেছি যারা তাবলিগের সাথে জড়িত কিন্তু একইসাথে নির্বাচনের সময় ইসলামবিরোধী দলগুলোর পক্ষেই প্রচারণা চালায়। ইসলামবিরোধি দল কিন্তু আমাদের দেশে একটা না। এরা নিজেদের মুসলিম দাবি করে এবং একইসাথে রাষ্ট্রীয়ব্যবস্থায় কোরআন-হাদিসকে অস্বীকার করে।

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    তারা তাবলিগের মেহনতের উদ্দেশ্যই বুঝেন নাই।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, তাদের বোঝাবে কে? আমার তাবলিগের মেহনত ছাড়ার কারণগুলোর মধ্যে এইটা একটা অন্যতম প্রধান কারণ। তাবলিগের শীর্ষপর্যায়ের মুরুব্বীগণ আমার চেয়ে অনেক বড় আলেম বটে কিন্তু তাই বলেতো আমি তাদের সকল কাজ বিনাবাক্যে মেনে নিতে পারি না। তাই না?

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    ইসলামবিরোধি কিছু কারোটাই মানা যাবে না।
    তবে শরিয়তের ভেতরে কোন নির্দেশ হলে বলব: মানতে শিখা ইসলামের অনেক বড় একটা দাবি।

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত,

    যতই দিন যাচ্ছে তাবলিগি জামাতের দল ধীরে ধীরে ভারি হচ্ছে। সেই সাথে কিছু সমস্যাও তৈরী হচ্ছে বটে।
    যেমনঃ আমাদের মসজিদে এশার নামাজের পর তাদের দৈনিক তালিম অনুষ্ঠিত হয়। দল ভারি হওয়ার কারণে তাদের এই তালিমে অন্য যারা মসজিদে নামাজ পড়েন তাদের নামাজের যে ক্ষতি হচ্ছে তা তারা কেয়ার করেনা। বেশীর ভাগ সময় তাদের তালিমের কারনে মুখ দিয়ে সুরা বের হতে চায় না। এছাড়া রান্নার গন্ধে নামাজে একাত্মতা নষ্ট হয়।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম এবং সাদাত ভাই,

    আমার কমেন্টের উদ্দেশ্য হোলো , তাবলীগের যে ভুলগুলো হচ্ছে সেটা তারা যেন এখনই সংশোধন করে ন্যায় । যেহেতু তারা হক দল তাই আমাদের দাবী তাদের প্রতি বেশী । তাদের সবসময় উচিত আলেমদের সাথে পরামর্শ করে বক্তব্য রাখা । দেখা যায় কিছুই জানে না তাকেই ওয়াজে দাড় করিয়ে দেয়া হয় । সে ইমান আমল সম্বন্ধে বক্তব্য রাখা শুরু করে ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    ওরা আর কিছু করুক আর না করুক। জামাতের বিপক্ষে নিয়মিত স্পীচ দিয়ে থাকেন।

    সাদাত

    @দ্য মুসলিম,

    ওরা আর কিছু করুক আর না করুক।
    >> অনেক কিছুই করে, তাই আর কিছু না করুক বলার অবকাশ নেই।
    জামাতের বিপক্ষে নিয়মিত স্পীচ দিয়ে থাকেন।
    >> ঠিক নয়। তাবলিগের সাথিদের জন্য অন্য কোন দলের বিপক্ষে বলার অনুমতি নাই।

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত,

    ঠিক নয়। তাবলিগের সাথিদের জন্য অন্য কোন দলের বিপক্ষে বলার অনুমতি নাই।

    সেক্ষেত্রে তারা সে আইন মানছেনা। ওদেরকে আমি নিজের কানে সাঈদিকে কাফের বলতে শুনেছি।

    সাদাত

    @দ্য মুসলিম,

    কাউকে কাফের বলা তো দূরে থাকে, বিদআতি বলাও তাবলিগের রীতিবিরুদ্ধ।

    প্রতিটা মেহনতের মাঝেই ভুলত্রুটি আছে থাকবে,
    ব্যক্তিগত ভুলের দায় ব্যক্তির।
    নীতিগত ভুলের দায় নীতিনির্ধারকদের।

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত,

    তাদের এই মেহনতকে আমি কখনোই অনর্থক বলিনা। তাদের বেশীর ভাগ কাজের প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে যদিও নিজে সময় দেই না। সমস্যা হলো যারা নতুন তাবলীগে জয়েন করে তাদের কেউ কেউ মাঝে মাঝে একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলে। যার কারনে তাদের বিরোধিতাকরীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

    আল্লাহ পাক আমাদের সরল সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমিন।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, সাহাবীদের এ সব ব্যাপারে আলেমরা নীরবতা পছন্দ করে । প্রথম কথা হোলো , সাহাবীদের সমালোচনা করা কোরআন হাদিসের দৃষ্টিতে নিষেধ । ২য় কথা হোলো , হযরত মোআবিয়া (রা:) ছিলেন কাতেবে ওহী , ওনার দ্বারা শরীয়ত বিরোধী কাজ হওয়ার কথা কল্পনাও করা যায় না । বেশীর ভাগ ইতিহাস গ্রন্হ যেগুলোতে হযরত মোয়াবিয়া (রা:) এর সমালোচনা করা হয় , সেগুলো শিয়াদের লেখা ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ, সাহাবীগণের সমালোচনা করা নিষেধ। এটা ঠিক আছে।

    সাহাবীরা শরীয়তবিরোধী কাজ করেন নাই, এটা আপনি কোথায় পেলেন? সাহাবীগণের মধ্যে কেউ কেউ কিছু যে ভুল করেছেন তার তুলনায় ইসলামের জন্য তাদের ত্যাগ অনেক বেশি। তাই আল্লাহ তাদেরকে কোরআনে ক্ষমার ঘোষণা দিয়েছেন।

    আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ইবনে কাসিরের গ্রন্থ। হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) তার বিচার-বিশ্লেষণে যা ভাল বুঝেছিলেন তাই করেছিলেন। অনেক সাহাবীগণই ব্যাপারটা সমর্থন করেননি। যাইহোক তাদের কাজ তারা করে গেছেন। আমরা কোরআন-হাদিস মেনে চলতে চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ, আমীন।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১,

    সাহাবীরা শরীয়তবিরোধী কাজ করেন নাই, এটা আপনি কোথায় পেলেন? সাহাবীগণের মধ্যে কেউ কেউ কিছু যে ভুল করেছেন তার তুলনায় ইসলামের জন্য তাদের ত্যাগ অনেক বেশি। তাই আল্লাহ তাদেরকে কোরআনে ক্ষমার ঘোষণা দিয়েছেন।

    সাহাবীদের ক্ষেত্রে যে ভুল ত্রুটি হয়ে গেছে , সেই ক্ষেত্রে তারা কিভাবে তওবা করেছেন সেটা শিক্ষনীয় । আর তাদের ভুলত্রুটি নিয়ে তাদের সমালোচনা করা নিষেধ , এটাই আমি বুঝাতে চেয়েছি । তবে আমরা যদি এটার সমাধান করতে চাই , সেইক্ষেত্রে আলোচনা করতে পারি , সমালোচনা নয় ।

    আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ইবনে কাসিরের গ্রন্থ। হযরত মুয়াবিয়া(রাঃ) তার বিচার-বিশ্লেষণে যা ভাল বুঝেছিলেন তাই করেছিলেন।

    ইবনে কাসিরের এটা ইতিহাস গ্রন্হ । হযরত মোআবিয়া (রা:) সম্বন্ধে যে অভিযোগ গুলো মাওলানা মওদুদী করেছেন সেটার বিশ্লেষনমুলক উত্তর দিয়েছেন মাওলানা তকী ওসমানী “ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমীর মোআবিয়া” বই এ । সে বইটি পড়লে আমরা বুঝতে পারি যে অভিযোগগুলো দেয়া হয়েছে তার সবগুলোই মিথ্যা ।

    অনেক সাহাবীগণই ব্যাপারটা সমর্থন করেননি।

    আবার অনেক সাহাবী সমর্থন করেছেন । এটা কিন্তু আমরা জানি না । ওনার অনেক বিষয় ছিল যেটা কিছু সাহাবী সমর্থন করেছেন আবার কিছু সাহাবী সমর্থন করেননি । সেগুলো ছিল সব ইজতিহাদগত বিষয় । হযরত আব্বাস (রা:) স্বীকার করতেন হযরত মুআবিয়া (রা:) ছিলেন মুজতাহিদ । এবং এটাতো আমরা সবাই জানি “ইজতিহাদ” গত বিষয়ে ভুল হলেও একটি সওয়াব পাওয়া যায় ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ,

    সাহাবীদের ক্ষেত্রে যে ভুল ত্রুটি হয়ে গেছে , সেই ক্ষেত্রে তারা কিভাবে তওবা করেছেন সেটা শিক্ষনীয় । আর তাদের ভুলত্রুটি নিয়ে তাদের সমালোচনা করা নিষেধ , এটাই আমি বুঝাতে চেয়েছি । তবে আমরা যদি এটার সমাধান করতে চাই , সেইক্ষেত্রে আলোচনা করতে পারি , সমালোচনা নয় ।

    সহমত।

    ইবনে কাসিরের এটা ইতিহাস গ্রন্হ । হযরত মোআবিয়া (রা:) সম্বন্ধে যে অভিযোগ গুলো মাওলানা মওদুদী করেছেন সেটার বিশ্লেষনমুলক উত্তর দিয়েছেন মাওলানা তকী ওসমানী “ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমীর মোআবিয়া” বই এ । সে বইটি পড়লে আমরা বুঝতে পারি যে অভিযোগগুলো দেয়া হয়েছে তার সবগুলোই মিথ্যা ।

    “ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমীর মোআবিয়া” বইটি আমি পড়েছি এবং সহমত। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের নিকট গ্রহণযোগ্য ইতিহাস গ্রন্থগুলির মধ্যে ইবনে কাসিরের আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া অন্যতম। এই গ্রন্থে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা হয়নি বরং ঘটনার বর্ণনা দেয়া আছে মাত্র।

    আবার অনেক সাহাবী সমর্থন করেছেন । এটা কিন্তু আমরা জানি না । ওনার অনেক বিষয় ছিল যেটা কিছু সাহাবী সমর্থন করেছেন আবার কিছু সাহাবী সমর্থন করেননি । সেগুলো ছিল সব ইজতিহাদগত বিষয় । হযরত আব্বাস (রা:) স্বীকার করতেন হযরত মুআবিয়া (রা:) ছিলেন মুজতাহিদ । এবং এটাতো আমরা সবাই জানি “ইজতিহাদ” গত বিষয়ে ভুল হলেও একটি সওয়াব পাওয়া যায় ।

    সহমত।

    হাফিজ

    @সাদাত,

    আমি আগেও বলেছি , তবলীগের যে মেনুফেস্টো বা কেন্দ্রিয়ভাবে তবলীগের যে আমল করা হয় , সেটা আমি দোষের কিছু দেখি নাই । কিন্তু “তবলীগ” সম্বন্ধে আমার বক্তব্য হোলো

    ১) এটা প্রাথমিক পর্যায়ের একটি দাওয়াতি কার্যক্রম । এখানে প্রাথমিক জিনিস শিখানো হয় , এবং এটাকে কোনোমতেই পূর্নাংগ বলা যাবে না । তাদের নেতা মাওলানা ইলিয়াস (রহ:) এটা বলে গেছেন । ( এমনকি তাদের ৬ উসুলের মধ্যে কোরআন তেলাওয়াত শদ্ধ করে শেখার ব্যাপারে কোনো কোর্স নেই )

    ২) বর্তমানে অনেকে তবলীগ সাথী যে ভুল করে থাকে , সেটা কেন্দ্রীয়ভাবে সাপোর্ট না করলেও , তারা লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে এটা নিষেধও করে না ।

    ৩) অনেক মুফতি , আলেম যারা তবলীগ করে , তারা এটাকে সাইড বাই সাইড করে থাকে , তারা কখনও মনে করে না এটা পূর্নাংগ ।

    ৪) প্রধান কথা হোলো , তবলীগের সাথে যদি “না-হক” মিশ্রিত হয় , তাহলে সেটা নিষেধ হবে , তা না হলে এটাতে কোন অসুবিধা নেই ।

    ৫) অনেকে মনে করে থাকে “তবলীগ” একমাত্র নাজাতপ্রাপ্ত দল । এটাও ভুল । আকীদা ঠিক থাকলে যেকোন দলই নাজাতপ্রাপ্ত হতে পারে ।

    সাদাত

    @হাফিজ,

    আমি আগেও বলেছি , তবলীগের যে মেনুফেস্টো বা কেন্দ্রিয়ভাবে তবলীগের যে আমল করা হয় , সেটা আমি দোষের কিছু দেখি নাই ।
    -একমত
    কিন্তু “তবলীগ” সম্বন্ধে আমার বক্তব্য হোলো

    ১) এটা প্রাথমিক পর্যায়ের একটি দাওয়াতি কার্যক্রম । এখানে প্রাথমিক জিনিস শিখানো হয় , এবং এটাকে কোনোমতেই পূর্নাংগ বলা যাবে না । তাদের নেতা মাওলানা ইলিয়াস (রহ:) এটা বলে গেছেন । ( এমনকি তাদের ৬ উসুলের মধ্যে কোরআন তেলাওয়াত শদ্ধ করে শেখার ব্যাপারে কোনো কোর্স নেই )
    - তবলিগের মুরুব্বিরা কেউ এটাকেই পূর্ণাঙ্গ দ্বীন বলেন না। তবে
    “প্রাথমিক পর্যায়ের একটি দাওয়াতি কার্যক্রম” কথাটার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
    - যে কোন তাবলিগের জামাত তা ৩ দিনের হোক বা ৪০ দিনের বা ৪ মাসের প্রতিদিনের তালিমের ৩টা অংশ। একটা অংশ হলো কুরআন মশক করা। তালিম প্রথমে শুরু হয় ফাজাইলে কুরআন থেকে। এরপর আধা ঘন্টা কুরআনের সূরা, আত্যাহিয়্যাতু, দরুদ… ইত্যাদি মশক করা হয়। তাবলিগে আসলে সব শিখিয়ে দেওয়া হয় না, শেখার পিপাসা তৈরি করা হয়। যার ফল দেখা যায়, তবলিগের বুড়ো বুড়ো সাথিরা মহল্লায় এসে নুরানি পদ্ধতিতে বা কোন আলেমের কাছ থেকে কুরআন সহি করতে শিখতে লেগে যায়। আপনি দেখবেন তাবলিগের বেশিরভাগ সাথী সহিভাবে কুরআন পড়ার এবং নামাযের ইমামতি করার যোগ্যতা রাখে।

    ২) বর্তমানে অনেকে তবলীগ সাথী যে ভুল করে থাকে , সেটা কেন্দ্রীয়ভাবে সাপোর্ট না করলেও , তারা লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে এটা নিষেধও করে না ।
    - যেসমস্ত ভুল মুরুব্বিদের গোচরীভূত হয় সেগুলো সম্পর্কে মৌখিক এবং লিখিতভাবে নিষেধ করা হয়।

    ৩) অনেক মুফতি , আলেম যারা তবলীগ করে , তারা এটাকে সাইড বাই সাইড করে থাকে , তারা কখনও মনে করে না এটা পূর্নাংগ ।
    - তবলিগের মুরুব্বিরা কেউ এটাকেই পূর্ণাঙ্গ দ্বীন বলেন না।

    ৪) প্রধান কথা হোলো , তবলীগের সাথে যদি “না-হক” মিশ্রিত হয় , তাহলে সেটা নিষেধ হবে , তা না হলে এটাতে কোন অসুবিধা নেই ।
    - সব মেহনতের মাঝেই ভুল-ত্রুটি থাকবে। আলেমরা সেগুলোর সমালোচনা করবেন। এটাই স্বাভাবিক। তবে সমালোচনার উদ্দেশ্য হবে ভুলকে দূরীভূত করা, মেহনতকে বন্ধ করা নয়।

    ৫) অনেকে মনে করে থাকে “তবলীগ” একমাত্র নাজাতপ্রাপ্ত দল । এটাও ভুল । আকীদা ঠিক থাকলে যেকোন দলই নাজাতপ্রাপ্ত হতে পারে ।
    - যারা মনে করে >>>“তবলীগ” একমাত্র নাজাতপ্রাপ্ত দল<<< তাদের না দ্বীনের সঠিক বুঝ আছে, আর না আছে তবলিগের মেহনত
    সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা। তবলিগের বড়দের বয়ান যদি আপনি শুনেন আপনি দেখবেন তারা তবলিগকে কোন পৃথক জামাত বলাই অপছন্দ করেন।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, মনে করেন আপনি আপনার ছেলের খোরপোশ যোগাচ্ছেন আর সে ইসলামবিরোধী কাজ করে বেড়াচ্ছে। তো আপনি কি শুধু তাকে ভাল দাওয়াত দিবেন না সাথে খারাপ থেকে দূরেও থাকতে বলবেন? যদি তাকে শুধু ভাল দাওয়াত দেন আর খারাপ দিকগুলো তুলে না ধরেন তাহলে আপনার সাথে আমার আর কোন বিতর্ক নাই।

    আর যদি বলেন তাকে ভাল কাজে দাওয়াতের পাশাপাশি খারাপ থেকেও নিষেধ করবেন তাহলে আমি বলব রাষ্ট্রের বেলায় কেন তা নয়? কারণ, সরকারকে কি আমরা ট্যাক্স দেই না? অবশ্যই দেই। সুতরাং, এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীরবতা অবলম্বনে আপনার সাথে আমি কোনমতেই একমত হতে পারলাম না।

    আল্লাহ আমাদের কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    সাদাত

    @মালেক_০০১,

    আপনি আজ যে প্রশ্নগুলো করছেন, এ প্রশ্নগুলো একদিন আমারও ছিল, কিন্তু তাবলিগ সম্পর্কে ভালোভাবে জানার পর সে ধারণাগুলো পাল্টে গেছে। কাজেই অপেক্ষা করুন। আপনার জন্যও হয়ত সেই সময় আসবে।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, আল্লাহ আমাদের কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    হাফিজ

    @সাদাত, সহমত ।

    মেরিনার

    @সাদাত,
    জামা’আত তবলীগ বা দেওবন্দীদের মূল সমস্যা এসবে নয় – মূল সমস্যা হচ্ছে আক্বীদাতে। তারা ফিকহের ব্যাপারে হানাফী হলেও, আক্বীদায় মাতুরিদী – আবুল মনসুর আল মাতুরিদীর অনুসারী। এসব ডিটেইলস অনেকেই হয়তো জানেন না বা পড়াশোনাও করেন না। এছাড়া তাদের মুরুব্বীদের অনেকেই (বুঝে হোক বা না বুঝেই হোক) সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাস করতেন। আমরা তাদের জন্য দোয়া করবো – আল্লাহ্ যেন তাদের ক্ষমা করেন!

    তবে আপনি দয়া করে দেখুন/পড়ুন – তাদের সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাসের দলিল রয়েছে এখানে:

    http://www.ahya.org/tjonline/eng/03/7wahdat.html

    উপরের লিংকে দেয়া পৃষ্ঠা থেকে ক্লিক করে আপনি তাদের লেখা বইয়ের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা সমূহের ইমেজ দেখতে পাবেন! অথবা আমার দেয়া নীচের লিংক থেকে সরাসরি “মালফুজাত”-এর পৃষ্ঠা দেখতে পাবেন:

    http://www.ahya.org/tjonline/quotes/malfozathummat-1-244/malfozathummat-1-244.htm

    আমার সাথে বা সারা পৃথিবীর সাথে তর্কে জিতে আপনার কোন লাভ নেই অথবা সারা পৃথিবীতে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও আপনার কোন লাভ নেই – যদি আপনি ভ্রান্ত আক্বীদার উপর মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং, পড়াশোনা করে convinced হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন ইনশা’আল্লাহ্ যে, আপনি সঠিক আক্বীদার উপর মৃত্যুবরণ করছেন – বি ইযনিল্লাহ্! আপনি আমার ভাই – আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রকাশ হলো আপনাকে আগুণ থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করা।

    সবেশেষে, আপনি সকল হাদীসের ভান্ডার খুঁজে “হাক্কানী পীর” বলতে কিছু বের করতে পারবেন না। এসব আমাদের মনগড়া কথা!

    সাদাত

    @মেরিনার,

    Explaining Wahdatul Wujood and do Ulama of Deoband believe that Allah (SWT) is present everywhere?

    ——————————————————————————–

    By Mufti Ebraheem Desai

    Q.) I have been reading articles on the subject of Wahdatul Wujood, and have been very confused. In the Qur’an, Allah says He is above his throne… Allah fawq al-’Arsh. HE IS ABOVE HIS THRONE. This literally means He is above his throne, however he sees all. How come the Deobandis say that Allah Ta’la is actually and physically everywhere? Allah can see everything, but is He physically everywhere? This doesn’t make sense. Please answer with evidence from Qur’an and Sunnah, so I can also tell my friends. Jazak’Allahu Khayr and may Allah Ta’la preserve you Ameen. [Owais Saab]

    A:) Saadu-deen Taftazani has explained the aspect of ‘Where is Allah?’ in the following words: ‘And He is not at any place’. (Sharh Aqaaid)

    Imam Malik was asked about the Ayat in Surah Taha, ‘Allah is above His Ársh’, he answered: ‘Being above (Istawaa) is known but the reality is unknown and – questioning that – is innovation.’ Jaaluddin Suyyuti also comments on the Ayat saying, ‘Istawa (being above) according to whatever is appropriate for Allah. (Jalaalayn vol. 2 p. 260).

    However, the verse does not speak about the Zat (Person) of Allah being on the Ársh but it is to indicate the establishment and control of the Kingdom of Allah by Himself.

    The Ulama of Deoband do not say that Allah Ta’ala is physically present everywhere.

    And Allah Ta’ala Knows Best

    Allamah Zafar Ahmad ‘Uthmani has written a short explanation of the concept in the introduction of his urdu book “Al-Qawlul al-Mansur fi Ibn al-Mansur” :

    Summary of the explanation of Wahdat al-Wujood by Maulana Zafar Ahmad Usmani in the Introduction of his Urdu book “Al-Qawlul Mansur fi Ibn al-Mansur” (also known as “Seerat-e-Mansur Hallaj”)

    Allah Ta’ala has many qualities, one of them is wujood (existence). The wujood of Allah is compulsory (Allah is ‘wajib al-Wujood’). The wujood of Allah has no beginning and no end. The wujood of the creation of Allah is ‘hadis’ (of recent occurrence) and dependent upon Allah Ta’ala in all its aspects.

    Regarding the wujood of the creation, the Ulama-e-Zahir say that the wujood of the creation is ‘mustaqil’ (confirmed), meaning that it is not a shadow of the existence of Allah but entirely dependent upon Allah in all its aspects. The soofia-e-kiram say that the wujood of the creation is ‘ghair-mustaqil’ (unconfirmed). Indeed, the wujood of the creation is ‘khayali’ (speculative). The real wujood is that of Allah alone. The entire creation is a testimony of the wujood of Allah. In other words, the existence of the creation is totally different than the existence of Allah. One can not make ‘qiyas’ (analogical deduction) of Allah’s wujood with that of the creation. The existence of Allah is real and independent. Therefore, wahdat al-wujood means that Allah is one in His existence as He is one in His ‘zaat’ (self/identity). It is a much deeper notion of ‘tawheed’ (oneness of Allah). ‘Wahdat as-shuhood’ means that the mere speculative existence of the creation testifies the independent existence of Allah.

    ‘Wujood-e-khayali’ (the speculative existence of the creation) is of two types:

    1. ‘Waqi’ee’ (occurring)

    2. ‘Ghair waqi’ee (non-occurring)

    The soofia say that the creation is ‘waqi’ee’ (occurring) but its occurrence is limited in terms of ‘makaan’ (place) and ‘zamaan’ (time) and dependent upon Allah. It would be wrong to call the creation non-occurring and say that everything one sees is Allah, this is against the ‘aqaa’id’ (beliefs) of the Ahle Sunnah wal Jamaah. This is where all the misunderstanding arises. In reality, the beliefs held by the ’soofia-e-kiram’ in regards to the oneness of Allah are in exact accordance with Ahle Sunnah wal Jamaah and much deeper and firm-rooted than those of the ‘ulama-e-zahir’. Once a person believes that the creation is only speculative then he will not think and believe that the benefits and harms being displayed by the creation are its creation but all harm and benefit is the creation of Allah. The creation only displays the orders of Allah. The ‘hikmah’ (wisdom) of ‘wahdat al-wujood’ and ‘wahdat as-shuhood’ is to ingrain a deep ‘yaqin’ (conviction) of Allah in the depths of the hearts. If a person has a hard time understanding this, he should stick to the basic beliefs and tenets of Islam as described by the ‘ulama-e-zahir’ because these are proven from the Quran with clarity. However, one does not have the right to criticize the ’soofia’ for their beliefs just because one is unable to understand the reality of their views. One should also understand that the views of the ’soofia’ regarding ‘wahdat al-wujood’ are not from the fundamentals of ‘tassawwuf’ and understanding it is not a condition for a ’saalik’ (seeker of truth). Those who speak ill of the ’soofia’ should fear Allah and contemplate over the following hadith of Rasulullah (Sallallahu Alayhi WaSallam):

    إملاء الخير خير من السكوت والسكوت خير من إملاء الشر رواه البيهقى فى شعب الايمان

    “Speaking what is good is better than silence and silence is better than talking evil.”

    (Reported by al-Bayhaqi)

    মেরিনার

    @সাদাত,

    আগে বলেছি – আবারো বলছি:


    আপনার সাধ্যানুযায়ী “তাহক্বীক” করার পর [অন্ধ এবং প্রচেষ্টাহীন অনুকরণে নয় অবশ্যই] আপনার যদি মনে হয়ে থাকে যে, “জামা’আত তবলীগ” বা আর যে কোন জামা’আত যার সাথে আপনি যুক্ত আছেন তারা “শুদ্ধ”ই – তাহলে আপনি ঠিকই আছেন।

    হাফিজ

    @মেরিনার, সহমত । এটাতে আমার কোনো আপত্তি নেই যে , আমাদেরকে সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে হক-কে চেনার জন্য ।

    হাফিজ

    @মেরিনার,

    পীর ফারসী শব্দ , এর আরবী হচ্ছে “শায়খ” । আরবীতে আপনি প্রচুর “শায়খ” শব্দ পাবেন ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, “শায়খ” মানে প্রৌঢ় বা মুরুব্বী – আপনাকেও ৪০/৫০-এর বেশী হলে যে কেউ “শায়খ” ডাকবে – “হাক্কানী শায়খের” কোন concept কখনো কোন হাদীস টেক্সটে শুনি নি ভাই!

    দ্য মুসলিম

    @মেরিনার,

    আমরা যখন মাদ্রাসায় পড়তাম তখন শিক্ষককে হুজুর বলতাম। এখানেতো আমরা পুরদস্তুর ইসলাম শিখতে যেতাম। এই “হুজুর” শব্দটি কি কোন হাদীসে আছে? যদি না থাকে তাহলে পীর শব্দটি হাদীসে খুজার দরকার কি?
    আমি যতদুর বুঝি মাদ্রাসার হুজুর আর পীরের মাঝে কোন ফারাক নেই। প্রার্থক্য শুধু একটিতে, তা হলো মাদ্রাসায় পরিক্ষা দিতে হয় পীরের কাছে দিতে হয়না।
    কেউ যদি পীরকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করে তো দোষ হওয়া উচিত ওই মুরিদের। পীর শব্দে দোষ ধরে লাভ কি ভাই?

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, নামাজ শব্দও কিন্তু নেই ।

    তাছারা নাসিরুদ্দিন আল বানীকে “শায়খ” বলা হয় , সেটা নিশ্চয়ি বৃদ্ধতের কারনে নয় । কোনো শব্দ হাদিসে নেই তাই সেটা নাজায়েজ হবার কিছু নেই । সেটা শরীয়তের দৃষ্টিতে নিষেধ না হলেই হোলো ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, “পীর” শব্দ হাদীসে নেই বলে এর ব্যবহার নাজায়েয হবে কেন। সাদাতের নিম্নলিখিত মন্তব্যের সূত্র ধরে আমি কথাটা বলেছি:


    ৭. জিকিরের ক্ষেত্রে বলা হয়, সকাল-বিকাল ৩ তাসবিহ পড়তে, প্রতিদিন ১ পারা কুরআন তিলাওয়াত করতে, মাসনুন দুআগুলো জায়গামত আদায় করতে, কোন হক্কানি পীরের অজিফা থাকলে আদায় করা। তাবলিগের মুরুব্বিরা এই মেহনতকেই সব মনে করলে হক্কানি পীরের অজিফা আদায়ের অনুমতি দেন কেন?

    “হক্কানি পীর” কথাটা একটা religious authority হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে – আর তা যদি হয়, তবে তার উৎস অবশ্যই “কুর’আন ও সুন্নাহয়” থাকতে হবে। “পীর” বলতে অবশ্যই একটা esoteric, mystic এবং ascetic sense আসে। পীর, মুর্শিদ, মুরীদ ইত্যাদি অবশ্যই পরবর্তী যুগের আবিষ্কার – আর সেজন্যই হাদীস literature-এ এই শব্দগুলো নাই। এখন আসেন “শায়খ” শব্দে – এর মুখ্য অর্থ অবশ্যই বয়স্ক বা প্রৌঢ় এবং যে কোন বয়স্ক লোককে আরবরা “শায়খ” বলবে। হাদীস থেকেই উদাহরণ দেয়া যাক:

    « ثَلاَثَةٌ لاَ يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلاَ يُزَكِّيهِمْ – قَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ وَلاَ يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ – وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ شَيْخٌ زَانٍ وَمَلِكٌ كَذَّابٌ وَعَائِلٌ مُسْتَكْبِرٌ »

    “তিন প্রকার ব্যক্তি এমন, যাদের সাথে আল্লাহ পাক কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদেরকে পরিচ্ছন্ন করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না উপরন্তু তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি: বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী সম্রাট আর অহংকারী দরিদ্র।” (মুসলিম)

    হাফিজ

    @মেরিনার,

    এখন আসেন “শায়খ” শব্দে – এর মুখ্য অর্থ অবশ্যই বয়স্ক বা প্রৌঢ় এবং যে কোন বয়স্ক লোককে আরবরা “শায়খ” বলবে

    হ্যা আরবে বৃদ্ধ অর্থেও ব্যবহ্রত হয় আবার Islamic Scholar অর্থেও ব্যবহ্রত হয় । নীচের লিংকটা দেখলেই বুঝবেন ।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh
    তাছাড়া আপনি যে সাইটের রেফারেন্স দিয়েছেন সেটার হোম পেজে দেখুন

    http://www.ahya.org/amm/index.php

    “শায়খ আব্দুল্লাহ আল ফারসী” লেখা আছে। সেখানে বৃদ্ধ অর্থে নয় , ইসলামিক স্কলার অর্থে “শায়খ” শব্দ ব্যবহ্রত হয়েছে । এর বাংলা
    অর্থ বা ফারসী যদি কেউ “পীর” ব্যবহার করে সেটা দোষের কি ?

    তাছাড়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে যদি আরবীর শিক্ষককে “Teacher” বলা হয় সেটাও তো নিশ্চয়ই নিষেধ হবে না । এমন বহু উদাহরন দেয়া যায় । আপনার রেফারেন্স সাইটটির আরও একটি লিংক দেখুন:

    http://www.ahya.org/amm/modules.php?name=Sections&op=viewarticle&artid=97

    To Seek Help of Other than Allaah is Shirk

    Imaam Muhammad ibn Abdul-Wahhab rahimahullaah
    From ‘Kitaab at-Tawheed’

    এখানে নামের শেষে “রাহিমাহুল্লাহ” ব্যবহ্রত হয়েছে । হাদিসে এমন রেফারেন্স পাওয়া যায় ? আমার অবশ্য জানা নেই ।

    মেরিনার

    @হাফিজ,
    আমি তাল গাছটা আমার বলতে চাচ্ছি না – আমি কেবল বলতে চেয়েছি যে,

    ১)আমাদের এতদাঞ্চলে “পীর” শব্দ যে অর্থ বহন করে, আরবীতে “পীর” বলে এমন কোন শব্দ নেই।
    ২)শায়খ শব্দের প্রাথমিক অর্থ হচ্ছে বয়স্ক লোক – তা পীরের অর্থ বহন করে না! অন্য অর্থে বিশেষ প্রয়োগ যে থাকতে পারে তা তো আমিই তুলে দিয়েছি। কিন্তু “পীর” শব্দের প্রাথমিক অর্থই হচ্ছে ধর্মীয় কর্তৃত্ব সম্পন্ন কেউ। রাস্তায় দাঁড়ানো যে কোন লোককে জিজ্ঞেস করলেও তাই বলবে!!

    আর নিষেধের কথা আছে কেন?? আপনি আমার অপর মন্তব্যটা হয়তো দেখেন নি – অভিধান থেকে দেয়া অর্থগুলো!

    “হাদীস লিটারেচার” মানে “হাদীস সাহিত্য” বা “হাদীসের ভান্ডার” ব্যস!!

    হাফিজ

    @মেরিনার, ধন্যবাদ ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, “রহিমাহুল্লাহ্” একটা দোয়া – আল্লাহ যেন তার উপর রহম করেন। আপনার বা আমার মৃত্যুর পর যে কেউ বলতে পারে হাফিজ (রহ.) – এটা কোন বিশেষ পদবী নয়। আমাদের দেশে অবশ্য ভুল করে “মরহুম” বলা হয় – যা বলা উচিত নয় – কারণ এতে certify করা হয় যে, আল্লাহ্ ইতিমধ্যেই তার উপর রহম করেছেন – যা আমরা কোন অস্থায় কারো বেলায়ই নিশ্চিত হতে পারি না।

    হাফিজ

    @মেরিনার, আপনি মাঝে মাঝে হাদীস literature- এই শব্দটি ব্যবহার করেন । এটি কিন্তু কোরআন হাদিস
    কোনটিতে নেই ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, আপনার একথার জবাব দিয়েছি, তবে তা আপনার করা প্রশ্নের উপরে চলে গিয়েছে।

    আরেকটা ব্যাপার মনে হলো: পীর এবং শায়খ শব্দ দু’টির একটা বাস্তব difference হচ্ছে এরকম যে, আপনার বয়স যতই হোক না কেন আপনাকে এদেশে কেউ কেবল বয়সের জন্য “পীর হাফিজ” ডাকবেন না। আমরা জানি পীরদের সিলসিলাহ্ থাকে যা উত্তরাধিকারের মত হয়। যেমন চরমোনাইর আগের পীরের ছেলে এখন “পীর”। আবার কেউ বিশেষ কোন “কেরামত” বলে instantlyও পীর হতে পারেন – কিন্তু আপনাকে/আমাকে কেউ পীর বলে সম্বোধন করবে না। কিন্তু আরব দেশে, কেবল মধ্যবয়স্ক/বয়স্ক – একারণেই আপনাকে “শায়খ হাফিজ” বলে ডাকবে।

    মেরিনার

    @হাফিজ, ঐ টুকু লেখার পর আমার ল্যাপ টপের চার্জ চলে গিয়েছিল। এরবার দেখুন আভিধানিক অর্থ:

    شَيْخ:
    هَرِم old man; old, aged, advanced in years, senescent
    شَيْخ: زَعِيم sheik(h); chieftain; chief, head; leader; master; elder
    شَيْخ: سِنَاتُور senator
    مَجْلِسُ شُيُوخ senate
    شَيْخُ الجَبَل، شَيْخُ الرَّبِيع (نبات) fleabane

    [From Al Mawrid software]

  10. ঘটনাতো দেখি খালি প্যাচ খাইতাছে :(

    দেওবন্দীদের নামে অনেক অপপ্রচার আছে। অনেক সময় দেখা যায় একজন আলেম ঠিকই বলেছেন কিন্তু তার ভক্তরা শুরু করে বাড়াবাড়ি।
    আর দেওবন্দ তো ইসলামের রেফারেন্স না। বিভিন্ন অভিযোগ , পাল্টা অভিযোগ থাকলেও আমরা সকলক্ষেত্রেই কোরআন-হাদিস মেনে চলবো। আমীন।

    মালেক_০০১

    আবার একজন বিশ্ববিখ্যাত আলেমতো নবী নন যে তিনি কোনদিনই কোন ভুল কথা (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে) বলবেন না। ভুল মানুষের হতেই পারে এবং তিনি যে সেটা শুধরে নেননি সেটাওতো ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলা যাবে না। তবে কারও কোথাও ভুল পাওয়া গেলে সেটা কোরআন-হাদিসের আলোকে আলোচনা হবে।

    কিন্তু যখন-তখন যার তার ঈমান ঠিক নাই এমনটা বলা ঠিক নয়। বরং বলা যেতে পারে কেউ যদি এই আকিদায় বিশ্বাস করে থাকে তবে তার ঈমান ঠিক থাকবে না।

    মেরিনার

    @মালেক_০০১, ভুল নিয়ে আল্লাহ্ কি করবেন সেটা তিনিই জানেন – আমি আগেই বলেছি আমরা তাদের জন্য দোয়া করবো (তাদের মুসলিম জেনেই) – যতক্ষণ না কোন বিশ্ব বরেণ্য মুফতি “তাদের” কাফির সাবস্ত্য করে ফতোয়া দিয়েছেন। যেমন “সালমান রুশদী” বা “রাশাদ খলিফা” – মুসলিম নাম থাকলেও এদের “কাফির” স্ট্যাটাস নিয়ে আলিমদের ইজমা রয়েছে। আমরা যেটা করবো না সেটা হচ্ছে কেউ ভুল কাজ (বই ইত্যাদি) রেখে গেলে সেই ভুলকে justified বা propagate করবো না – বরং তার ভুলটাকে ভুল বলতেই হবে – তিনি আমার বাবা হলেও!!!

    মালেক_০০১

    @মেরিনার, সহমত।

    দ্য মুসলিম

    @মালেক_০০১,

    ঠিক বলেছেন। সহমত।
    যে কোন পীর, আলিম ইত্যাদি ১০০% সঠিক নাও হতে পারেন। জ্ঞানের আসল উৎস আল কুরআন ও আল হাদিস হওয়া উচিত।
    আমি অমুক পীরের মুরিদ তাই অমুক পীর ভ্রান্ত এসব পরিহার করা উচিত।

  11. প্রিয় ভায়েরা , এই পোষ্টে যে বিষয় নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে সেটি এত দীর্ঘ বির্তক এর বিষয় নয় ।ঈসা (আ:) এর পায়খানা পাক ছিল, নাকি নাপাক ছির ,এই বিতর্কে যেমন তারা অনেক সময় নষ্ট করে স্পেনকে মুসলমানদের হাতে তুলে দিয়েছিল। তেমনি আমরাও অহেতুক বিতর্কে সময় নষ্ট করছি নিজেরা শতধা বিভেদ- বিশৃঙ্খলা আর অ-নৈক্য দ্বারা নানা দল,মত,উপদরে বিভক্ত হয়ে পড়ছি ।তাই আসুন ছোট ছোট মত পার্থক্য ভুলে ঐক্য বদ্ধ হই। সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ ব্রক্তি,পরিবার ও সমাজ নির্মানে এগিয়ে আসি।