লগইন রেজিস্ট্রেশন

কবিরা গুনাহ-২০ ( জুয়া খেলা। )

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ শুক্রবার, মার্চ ১৯, ২০১০ (২:৩৮ অপরাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ

  • হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য গণণার (লটারি) এসব শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এসব থেকে বেঁচে থাক- যাতে তোমরা সাফল্য লাভ করতে পার। শয়তান তো মদ জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদের বিরত রাখতে চায়, তোমরা কি নিবৃত্ত হবে? (সুরা আল মায়েদা- ৯০, ৯১)
  • তোমরা অন্যায় ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করো না। (সুরা বাকারা- ১৮৮)

পবিত্র হাদিস এর দলিলঃ

  • কিছু লোক আছে যারা অবৈধভাবে আল্লাহর (আল্লাহর বান্দাদের) সম্পদে হস্তক্ষেপ করে, কেয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম সুনির্ধারিত। (বোখারী)
  • যে লোক তার সাথীকে আহবান করে- এস তোমার সাথে জুয়া খেলবো, তবে তার (কাফফারা সরূপ) সদকা দেয়া উচিত। (বোখারী)
  • যে লোক শর নিক্ষেপ করে বা পাশা খেলে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্য। (মুআত্তায়ে মালেক, আবু দাউদ)
  • হযরত আবু বকর আজুরি হযরত আবু হোরায়রা রাঃ থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “পাশা, দাবা এবং সব অলসতা সৃষ্টিকারী খেলায় মত্ত লোকদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে সালাম করো না। কারণ তারা যখন খেলায় নিমগ্ন থাকে, শয়তান তাখন তার দলবল নিয়ে তাদেরকে ঘিরে রাখে। যখনই খেলা ছেড়ে কেউ দৃষ্টি ফেরাতে চায়, অমনি শয়তান তার দলবল সহ তার উপর আঘাত হানতে থাকে, ফলে সে পুনরায় খেলায় ফিরে আসে। খেলা শেষে দাবাড়ুরা যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে চলে যায় তখন তারা যেন মরা জানোয়ারের মৃত দেহ খেয়ে পেটভরা কুকুরের মত এদিক ওদিক চলে যায়। এজন্য তারা রাজা বা ‘ অমুক মারা গেছে ‘ এ মিথ্যা কথা বলে।”

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তোফিক দিন।

আল্লাহ হাফেজ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৫১৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৩ টি মন্তব্য

  1. ১.যেসব কবীরা গুনাহ সর্বজনস্বীকৃত সেসবের ক্ষেত্রে:
    ১.১ কবীরা গুনাহগুলো লিস্ট আকারে দেওয়া ভালো এবং যথেষ্ট মনে করি। প্রত্যেকটার আলাদা আলাদা দলিল উল্লেখ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
    ১.২ তবে কোন আলাদা পোস্ট যদি দিতেই চান, সেইক্ষেত্রে দলিলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, সেই কবীরা গুনাহ কী কী রূপে সমাজে বিদ্যমান সেটাকে তুলে ধরা। জুয়া হারাম সবাই একমত। কিন্তু জুয়া কতপ্রকার, কিভাবে আমরা অজ্ঞাতেই জুয়ার মধ্যে লিপ্ত হ্চ্ছি সেই আলোচনাই অধিক প্রয়োজন।

    ২.যেসব কবীরা গুনাহ সম্পর্কে সবাই অবগত নয়,
    সেগুলো দলিল-প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণসহ পৃথক পোস্টের দাবি রাখে।

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত,

    মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
    কবীরাগুনাহ এর লিষ্ট এর আগে একবার দেয়া হয়েছিলোঃ

    http://www.peaceinislam.com/reaz_webd/1558/
    http://www.peaceinislam.com/reaz_webd/1570/

    আপনি যা বললেন তা অস্বীকার করছিনা, তবেঃ
    শাস্তির কথা শুনলে এসব থেকে বেঁচে থাকার আগ্রহ সৃষ্টি হতে পারে ভেবেই ডিটেইলস লিখেছি। তাছাড়া কিছু কবিরাগুনাহ সর্বসম্মতি ক্রমে স্বীকৃত নয়। যেমনঃ টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পড়া।