লগইন রেজিস্ট্রেশন

সংক্ষিপ্তাকারে দরূদ শরীফ লিখা বৈধ নয়

লিখেছেন: ' তুষার (ﭡﺸر)' @ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৮, ২০০৯ (৩:২০ পূর্বাহ্ণ)

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক শুনে জীবনে একবার দরূদ শরীফ পাঠ করা ফরজ। একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দরূদ শরীফ পাঠ করা মুস্তাহাব।

তদ্রুপ শরীয়তের হুকুম হচ্ছে আল্লাহ পাক-এর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক লিখার সময় সম্পূর্ণ দরূদ শরীফ লিখা ওয়াজিব। এক্ষেত্রে যদি কেউ সংক্ষেপে (সাঃ) বা (দঃ) লিখে তবে তা হবে মাকরূহ তাহ্‌রীমী। (মাআরিফুল কুরআন)

অনূরূপভাবে তাফসীরে জালালাইন শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে,

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক শুনার পর দরূদ শরীফ মুখে উচ্চারণ করা ওয়াজিব, অনূরূপভাবে কলমে লিখাও ওয়াজিব। অর্থাৎ কলমে লিখতে হলেও পূর্ণ দরূদ শরীফ ও সালাম “ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” সম্পূর্ণটাই লিখতে হবে। সংক্ষিপ্তাকারে লিখা আমভাবে মাকরূহ তাহ্‌রীমী আর খাছভাবে কুফরীর অন্তর্ভূক্ত।

তাহতাবী আলা দুররিল মুখতার কিতাবে উল্লেখ আছে-

অক্ষর দ্বারা দরূদ শরীফ লিখা মাকরূহ বরং পরিপূর্ণভাবে দরূদ শরীফ লিখবে।(তাহতাবী আলা দুররিল মুখতার, ১ম জিলদ্‌ পৃষ্ঠা-৬)

তাতারখানিয়া কিতাবে এ ব্যাপারে আরো কঠিন ফায়সালা বর্ণিত হয়েছে এবং সংক্ষিপ্ত দরূদ শরীফ লিখাকে “শানে নুবুওওয়াত” খাটো করার অন্তর্ভূক্ত বলা হয়েছে। যেমন উল্লেখ করা হয়,

“যে ব্যক্তি হামযা ও মীম দ্বারা দরূদ শরীফ লিখলো সে কুফরী করলো। কেননা উহা এহানত বা অবজ্ঞা। আর নবীদের শানে এহানত বা অবজ্ঞা নিঃসন্দেহে কুফরী।”

আর তাই নির্ভরযোগ্য আরবী তাফসীর, হাদীস শরীফ ও ফিক্বাহ্‌র কিতাবের কোথাও “ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” সংক্ষিপ্তাকারে লিখা হয় না। অনুসরণীয় বুযূর্গ, ইমাম, মুজতাহিদ, মুহাদ্দিস রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ হাদীস শরীফ বা অন্যান্য কিতাবের যেখানেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক লিখেছেন, এমনকি এক লাইনের মধ্যে একাধিকবারও যদি হয় তথাপিও দরূদ শরীফ ও সালামসহ “ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” লিখেছেন। আর এটাই শরয়ী বিধান।

কিন্তু বর্তমানে প্রকাশিত প্রায় সবধরণের কিতাবাদী, বই-পুস্তক, পত্র-পত্রিকা ইত্যাদিতে দেখা যায় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক শেষে সংক্ষেপে দরূদ শরীফ লিখে থাকে। এই সংক্ষেপে দরূদ শরীফ লিখার কারণ হিসেবে যা প্রকাশ পায়, তা হলো সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক বারবার দরূদ শরীফসহ লিখতে বেশী কাগজ লাগা, বেশী সময় লাগা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, যাঁর প্রতি ফিরিস্তা আলাইহিমুস সালামগণসহ স্বয়ং আল্লাহ পাক দরূদ শরীফ প্রেরণ করেন এবং মানুষকে দরূদ শরীফ পাঠ করতে আল্লাহ পাক আদেশ করেছেন এবং অসংখ্য হাদীস শরীফে দরূদ শরীফ পাঠের ফযীলত সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। বিপরীতে দরূদ শরীফ পাঠ করতে যারা গাফলতী করে, তাদের সম্পর্কে হাদীস শরীফে অনেক দুঃসংবাদ রয়েছে এবং তাদের শেষ ফায়সালা হলো জাহান্নাম। এখন ফিকির করা দরকার যারা দরূদ শরীফ লিখার সময় সামান্য কাগজ বাঁচানোর জন্য সংক্ষেপে দরূদ শরীফ লিখে তাদের কি অবস্থা হতে পারে?

হুদাইবিয়ার সন্ধিতে কাফিররা হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কতৃক “ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” লিখা অপছন্দ করেছিল এবং তা কেটে দেওয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তা করেননি। সম্পূর্ণভাবে দরূদ শরীফ লিখার ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে কিতাবে লিখা হয়,

বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও ইমাম, হযরত ইমাম আবূ যুরয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি ইন্তেকাল করার কিছুদিন পর একজন বুযূর্গ ব্যক্তি তাঁকে স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি আকাশে ফিরিস্তা আলাইহিমুস সালামগণের ইমাম হয়ে নামাজ পড়াচ্ছেন। (সুবহানাল্লাহ্‌) বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, হে হযরত ইমাম আবূ যুরয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনি এই ফযীলত বা মর্যাদা লাভ করলেন কিভাবে? জবাবে, হযরত ইমাম আবূ যুরয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আমি আমার জীবনে ১০ লক্ষ হাদীস শরীফ লিপিবদ্ধ করেছি এবং যতবারই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক লিখেছি এবং তা পূর্ণভাবে লিখেছি। তাই এর বদৌলতে আল্লাহ পাক আমাকে ফিরিস্তা আলাইহিমুস সালামগণের ইমাম বানিয়ে দিয়েছেন। (সুবহানাল্লাহ্‌)

অতএব, আমরা সকলে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি পরিপূর্ণ আদব রক্ষার্থে তাঁর নাম মুবারক শুনে যেরূপ দরূদ শরীফ পড়ি, তদ্রুপ তাঁর নাম মুবারক লিখার সময় সংক্ষিপ্তাকারে দরূদ শরীফ যেমন- (সাঃ), (ছঃ), (দঃ), (Pbuh), (Pbh), (D), (S), (Sm), (ﺻﻠﻠﻢ) ,(ﺻﻠﻌﻢ) ,(ﻋﻢ) ,(ﺹ) ইত্যাদি লিখা হতে বিরত হয়ে সম্পূর্ণ দরূদ শরীফ লিখার মাধ্যমে তাঁর প্রতি পরিপূর্ণ আদব রক্ষা করবো। আল্লাহ পাক আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। (আমিন!)

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০১৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৩৫ টি মন্তব্য

  1. ভাই আপনার কাছে প্রথমে একটা বিষয় জানতে চাই, সরাসরি কোন সহিহ হাদীস থেকে কি উদ্রিতি দিতে পারবেন এবং কত নং হাদীস দয়া করে জানাবেন কি?

    তবে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা মনে হয় দরূদ শরীফ সম্পূর্ণ পাঠ করা বা সম্পূর্ণ ভাবে লিখাটাই ভালো। ধন্যবাদ । :)

  2. জনাব তুষার খাঁন, সব আমলের প্রতিদান আল্লাহ ঐ আমল কারীর নিয়ত অনুযায়ী দিবেন।

    কোরান সুন্নাহ সর্ব যুগে- ইজমা কিয়াস যুগে যুগে।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @মর্দে মুমিন >>> আপনার কথা মত তাহলে ৪ রাকাত নামাযের নিয়ত করে ১ রাকাত পড়লেই হবে। বাকী ৩ রাকাত মাফ।

    মর্দে মুমিন

    @তুষার (ﭡﺸر), আপনি যদি ফর্য ওয়াজেব সুন্নত ও নফলের মধ্যে ব্যবধান কি বুঝতে না পারেন তো আপনার সাথে আলোচনা করা সময়ের অপচয়। আমার পথ আমার আপনার পথ আপনার। অতএব মা আস সালাম।

    কোরান সুন্নাহ সর্ব যুগে- ইজমা কিয়াস যুগে যুগে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন, নিয়ত কাকে বলে তুষার ভাইরে হেইডা আগে হিগাইতে অইবো । :)

    জ্ঞান পিপাষু

    @তুষার (ﭡﺸر), ভাই তুষার, আপনাকে আগে বুঝতে হবে নিয়ত কাকে বলে, নিয়ত অন্তর থেকে করতে হয় আর যদি কেউ অন্তর থেকে নিয়ত করে তাহলে অবশ্যি সে ঐ নিয়ত অনুযায়ি আমল করবে । আর যদি নিয়ত শুধু মুখে করে তাহলে সে নিয়ত গ্রহনযোগ্য নয় অন্তর হছে আসল জিনিস। যদি কেউ অন্তর থেকে নিয়ত করে এবং পরে যেকোন কারনে তা পালন করতে না পারে তাহলে আল্লাহ তাকে মাফ করবেন , আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, ২) সূরা আল বাক্বারাহর ২৮৫ নং আয়াতে উল্যেখ আছে।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @জ্ঞান পিপাষু >>> আপনি প্রত্যেকবার অন্তর থেকে নিয়ত করবেন যে আমি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিখব কিন্তু পরে কোন কারণে (আমার মনে হয় কোন কারণ ছাড়াই) সংক্ষেপে দরূদ লিখবেন, আর আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিবেন! আপনি শেষে সূরা বাক্বারার ২৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এর রেফারেন্স দিয়ে সম্পূর্ণ দরূদ লিখাকে সাধ্যাতীত কাজ হিসেবে সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ পাক আপনাকে হেদায়াত দান করুন। আমিন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ তুষার (ﭡﺸر) ,আরে ভাই আমি সূরা বাক্বারার ২৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এর রেফারেন্স দিয়ে নামাজের বিষটা বুঝিয়েছি,
    যেহেতু আমনি বলেছিলেন, ”৪ রাকাত নামাযের নিয়ত করে ১ রাকাত পড়লেই হবে। বাকী ৩ রাকাত মাফ।”

    আর আপনাকে বলেছিলাম, সরাসরি কোন সহিহ হাদীস থেকে কি উদ্রিতি দিতে পারবেন এবং কত নং হাদীস দয়া করে জানাবেন কি?

    কিন্তু আপনি আমাকে জানাতে পারেন নি, আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়াত করুন। আমিন। :)

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر), আপনি আসলে একটা মানুষ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন, ঠিক বলেছেন, আমল নির্ভর করে নিয়্যাইত এর উপর ( আল-হাদীস )। (Y)

  3. @সবাইকে ,
    যেহেতু এটা দরূদ শরীফের ব্যাপার, তাই তুষার খানের সাথে অন্যান্য বিষয়ে আমাদের অনেকের মতের না মিললেও এ বিষয়টা নিয়ে তর্ক না করাই ভালো ।

    এটা আমার মত ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,তুষার ভাই যা বললেন তা এক শ্রেণীর আলেমদের মতামত। সংক্ষেপে দুরূদ শরীফ লিখা যায়েয বলেও কিন্তু অনেক আলেম মতামত দিয়েছেন। তাই তুষার ভাইয়েরও এ বিষয়ে কারো উপর চাপাচাপি করা উচিৎ হবেনা। তাছাড়া একটি বিষয় নিয়ে এমনিতেই তিনি বিতর্কিত।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @দ্য মুসলিম >>> তাই নাকি! তাহলে দুই একজন অন্যশ্রেণীর আলেমের রেফারেন্স দেন তো যারা সংক্ষেপে দরূদ লিখা জায়িয বলেছেন।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر),
    মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রঃ) এর “হাকিমুল উম্মতের মজলিশ” ও “দুনিয়া ও আখিরাত” নামক বইতে এ ব্যপারে আলোচনা করা হয়েছে। দেখে নিতে পারেন। তিনিই সেখানে আলেমদের এর কথা বলেছিলেন বলেছিলেন।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر),
    এছাড়া “মাসিক মদীনা” তে একবার পড়েছিলাম। ঠিক কোন বইতে পড়েছিলাম তা বলতে পারবোনা।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @দ্য মুসলিম >>> আপনার তথাকথিত দেওবন্দী মাওঃ আশ্রাফ আলী থানভীর একটা উক্তি শুনলে বুঝতে পারবেন যে তার পিছনে রহ্‌তুল্লাহি আলাইহি না লিখে লা’নাতুল্লাহি আলাইহি লেখাটাই উত্তম এবং তার মত লোকের কোন রেফারেন্স গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।

    কলেমা শরীফ-এ “লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহমাদুর রসূলুল্লাহ্‌”এর পরিবর্তে “লা ইলাহা ইল্লালাহু আশরাফ আলী রসূলুল্লাহ্‌” এবং দরূদ শরীফ-এ “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা মুহম্মদ” এর পরিবর্তে “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা আশরাফ আলী”পড়লে কোন ক্ষতি হবে না।

    লেখকঃ আশ্রাফ আলী থানভী
    বইয়ের নামঃ রিসালা আল ইমদাদ
    পৃষ্ঠা নম্বরঃ ৩৪-৩৫
    প্রকাশকঃ ইমদাদ-উল-মক্তব
    সালঃ শাবান, ১৩৩৬ হিজরী

    আর মাসিক মদীনা হচ্ছে ভূল ফতওয়া দানে অভিজ্ঞ একটি পত্রিকা। যেমনঃ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৫ সংখ্যায় এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে লিখেছে, “সিজদার সময় মাটিতে অঙ্গ স্থাপন করার শুদ্ধতম ধারাবাহিকতা হচ্ছে প্রথমে কপাল স্থাপন করতে হবে। উঠার সময় প্রথমে নাক, তারপর কপাল, তারপর হাত এবং সর্বশেষে হাটূ উঠবে। অর্থাৎ সিজদায় যাওয়ার সময় নীচের দিক থেকে শুরু করতে হবে এবং উঠার সময় উপরের দিক থেকে শুরু করতে হবে।”

    অথচ তাদের এই ফতওয়া সুন্নতের পরিপন্থী। সিজদায় যাওয়ার শুদ্ধতম নিয়ম হলো- রুকু থেকে সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে হাটু, তারপর হাত, অতঃপর নাক এবং সর্বশেষে কপাল স্থাপন করতে হবে এবং সিজদা থেকে উঠার সময় প্রথমে কপাল, তারপর নাক, অতঃপর হাত এবং সর্বশেষে হাটূ উঠাতে হবে (সমূহ ফিক্বাহ্‌র কিতাব)

    Areef

    @তুষার (ﭡﺸر),

    লেখকঃ আশ্রাফ আলী থানভী
    বইয়ের নামঃ রিসালা আল ইমদাদ
    পৃষ্ঠা নম্বরঃ ৩৪-৩৫
    প্রকাশকঃ ইমদাদ-উল-মক্তব
    সালঃ শাবান, ১৩৩৬ হিজরী

    দয়া করে কি বইটির ঐ পৃষ্টাটি scan করে পোষ্ট করবেন?

    তার মত লোকের কোন রেফারেন্স গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।
    তবে কি তার ছাত্র মুফতি মোহাম্মদ শফি (র:) -এর রেফারেন্স গ্রহন করা যেতে পারে? যা আপনি উপরে মাআরিফুল কুরআন থেকে গ্রহন করেছেন?

    হাফিজ

    @Areef ,

    তার মত লোকের কোন রেফারেন্স গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।
    তবে কি তার ছাত্র মুফতি মোহাম্মদ শফি (র:) -এর রেফারেন্স গ্রহন করা যেতে পারে? যা আপনি উপরে মাআরিফুল কুরআন থেকে গ্রহন করেছেন?

    (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y) (Y)

    হাফিজ

    @তুষার (ﭡﺸر), আপনার কথা বার্তায় মনে হচ্ছে সবাই নাহক একমাত্র আপনারাই হক । এভাবে বলা আপনার কোনোমতেই উচিত হয়নাই।

    আমিও সেই পৃষ্ঠার স্কান কপি দেখতে আগ্রহী ।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر), আসলেই পুরো ব্যপারটা যাচাই করা দরকার। তাছাড়া একথা যদি উনি লিখেও থাকেন তো লিখার পটভূমিও যাচাই করতে হবে। পারলে স্ক্যান কপি পোষ্ট কইরেন। আমিও চেষ্টা করবো যোগাড় করতে।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر),একটু আগে বাংলা বাজার থেকে ঘুরে এলাম। আপনার দেয়া নামের বইটি পেলাম না। স্ক্যান কপি দিলে ভালো হয়।

    মর্দে মুমিন

    @হাফিজ সাহেব, সা কিংবা সাঃ এটি কি? এটি একটি সিম্বল। যে কোন অক্ষর জ্ঞান মুসলমান যখনই এই সিম্বলটি দেখবে তখনই ওর দিলে বেজে উঠবে অটোমেটিক্যালি সল্ললাহু আলাহিসসলাম । তো এখানে অসুবিধা কোথায়? না আপনি যখন বই পুস্তকে সাঃ দেখে সাঃ ই পড়ে থাকেন?
    যে কোন মুসলিম সে বেশ কিছু সাংকেতিক পড়ে বুঝে নেয় ঐ অক্ষর দেখে সে কি পড়বে। যেমন- সাঃ আঃ রাঃ রঃ ইত্যাদি। ধন্যবাদ।

    মর্দে মুমিন

    @মর্দে মুমিন, মিস হয়ে গেছে, সলললাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হবে।

    Malcolm X

    @তুষার (ﭡﺸر)

    আশরাফ আলি থানভী ১৪০০ এর বেশী কিতাব লিখেছিল আর আপনাদের পীর সাহেব-এর থাকার মধ্যে দুটি চটি কিতাব আছে “দোয়া” ও “লকব” সম্বন্ধে । দোয়া বিষয়ক বইটি ভালো , আর লকব খান লিখেছে তার যে গন্ডায় গন্ডায় লকব আছে সেটার পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য , যেগুলোর কোনো যোগ্যতা তার নাই।

    আপনাদের মতো মুর্খ ভন্ড পীরদের শায়েস্তা একমাত্র করতে পারে দেওবন্দ , এইজন্য আপনাদের এত জ্বালা । আর আপনার পীরের কাছে আর সবই না-হক। নিজেকে বিশিষ্ট প্রমান করবার কি ব্যর্থ্য প্রচেষ্টা ।

    আপনাদের পীরের সাথে “দাজ্জালের” দুটো দিকে মিল আছে :

    ** দাজ্জাল যেমন মক্কা এবং মদীনা শরীফ যেতে পারবে না , তেমন আপনাদের দিল্লুর রহমান ওরফে অরুন (ডাক নাম অরুন ) কোনোদিন মক্কা এবং মদীনা শরীফ যেতে পারবে না
    ** দাজ্জাল যেমন আর সবাইকে কাফের বলে , তেমন আপনার পীর আর সবাইকে কাফের বলে ।

    আমি জানি আপনি আমার কথা কোনোদিন খালেছ নিয়তে যাচাই বাছাই করবেন না , তবে আমার উদ্দেশ্য হলো আর সবাই যেন সাবধান হয়ে আপনার মতো ধোকায় পতিত না হয় । তাই এগুলো জানাচ্ছি ।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @Malcolm X >>> আপনি যে দেওবন্দের ভক্ত তার হুযুর ক্বিবলার প্রতি এই জঘন্যতম কথা গুলো দ্বারা প্রমাণিত হলো। আপনার মত দেওবন্দ মাওঃ গং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দাজ্জালের সাথে তুলনা করেছিল। (নাঊযুবিল্লাহ্‌)

    হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিশেষত্ব দাজ্জালের মত। (নাঊযুবিল্লাহ)
    লেখকঃ কাশেম নানুতুবী
    বইয়ের নামঃ আবে হায়াত
    পৃষ্ঠাঃ ১৬৯
    প্রকাশকঃ কদিমী কুতুবখানা, দিল্লী।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر), স্ক্যান কপি দেন। তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে।

  4. @ তুষার (ﭡﺸر)’,
    আমি যতদুর জানি যারা তালেবে এলেম তাদের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেয়া আছে বা যারা বই লেখে ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ, একমত। (F)

    তুষার (ﭡﺸر)

    @হাফিজ >>> ফালতু কথা।

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر), হ ভাই। আপনিই একমাত্র হক পন্হি ব্যক্তি!!!!!!!!

  5. ভাই আমরা যদি ন্যগেটিভ থেকে শুরু না করে পজিটিভ থেকে শুরু করি তবে বিষয়টা সুন্দর এবং শান্তিময় হবে। আপনি প্রথমে দুরুদ ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কোরানের আয়াত তারপর দুরুদের গুরুত্ব নিয়ে হাদিস এবং বিভিন্ন বিশুদ্ধ ঘটনা দিয়ে শুরু করলে ভালো হতো। তাহলে ভুলক্রমে আমরা যারা সংক্ষিপ্ত দরুদ শরীফ লিখে ফেলি আমাদের বিষয়টি গুরুত্বদিয়ে দেখতাম । যাক মাসলা বলার জন্য ধন্যবাদ। (F)

  6. উভয়পক্ষীয় অতিরঞ্জন এড়িয়ে যেতে একটি আনুসাংঙ্গিক ফতোয়া নোট করবো নাজায়েজ টা মাকরুহ পর্যায়ে قال السيوطي رحمه الله تعالى في كتابه ” تدريب الراوي في شرح تقريب النواوي ” : ( ويكره الاقتصار على الصلاة أو التسليم هنا وفي كل موضع شرعت فيه الصلاة كما في شرح مسلم وغيره لقوله تعالى : ( صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ) إلى أن قال : ويكره الرمز إليهما في الكتابة بحرف أو حرفين كمن يكتب ( صلعم ) بل يكتبهما بكمالها ) انتهى المقصود من كلامه رحمه الله تعالى ملخصا .
    ইমাম সূয়ুতী বলছেন এটা মাকরুহ। উত্তম হলো صلي الله عليه و سلم পরিপূর্ণ লেখা ص বা صل কিংবা صلعم লেখা মাকরুহ । দেখুন তাদরীবুর রাবী ফি শারহি তাক্বরীবুন নবভী- কিতাবের
    আরো দেখুন : মুসলিম শরীফের শরহ । এবং وقال العلامة السخاوي ـ رحمه الله تعالى ـ في كتابه (فتح المغيث في شرح ألفية الحديث) للعراقي ما نصه: ( واجتنب أيها الكاتب (الرمز لها) أي الصلاة والسلام على رسول الله صلى الله عليه وسلم في خطك، بأن تقتصر منها على حرفين، ونحو ذلك، فتكون منقوصة صورة كما يفعله (الكسائي)، والجهلة من أبناء العجم غالباً، وعوام الطلبة، فيكتبون بدلاً من صلى الله عليه وسلم (ص) أو (صم) أو (صلعم)، فذلك لما فيه من نقص الأجر لنقص الكتاب خلاف الأولى). আল্লামা সাখাভী রহমাতুল্লাহি আলাইহে তার ফতহুল মুগীছ ফি শারহি আলফিয়াতুল হাদীসে ইরাকী থেকে কোড করেন: হে লেখকগন! দরুদ শরীফ লেখার ক্ষেত্রে চিহ্ন ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন। এবং একি অক্ষর কিংবা দুইটি অক্ষর না লিখে পরিপূর্ণভাবে صلي الله عليه و سلم সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম লিখুন । অনারব- ছাত্র এবং কাছায়ীর মত ص স: লিখবেন না কারন তা পরিপূর্ণ দুরুদ লেখার ফজিলত থেকে বঞ্ছিত হয়। ” – এখানে তিনি হারাম বলেন নি ।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @বাংলা মৌলভী >>> আমি যে রেফারেন্সগুলো দিয়েছি সেখানে দরূদ সংক্ষেপে লিখাকে (১)মাকরূহ তাহ্‌রীমী, (২)মাকরূ্‌হ, (৩)“শানে নুবুওওয়াত” খাটো করা, (৪)কুফরী বলা হয়েছে। এখানে কোন অতিরঞ্জন করা হয়নি। আপনি যাঁদের রেফারেন্স দিয়েছেন তাঁরা (১)মাকরুহ (২) বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

  7. ইমাম ইবনে বাযে এতদ্ব সম্পর্কীয় ফতোয়ার শেষে লিখেন هذا ووصيتي لكل مسلم وقارئ وكاتب أن يلتمس الأفضل ويبحث عما فيه زيادة أجره وثوابه ويبتعد عما يبطله أو ينقصه . نسأل الله سبحانه وتعالى أن يوفقنا جميعا لما فيه رضاه ، إنه جواد كريم وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه .
    ” مجموع فتاوى الشيخ ابن باز ” ( 2 / 397 – 399 ) সুতরাং এটা আমার অসিয়্যত যে সকল পাঠক, লেখকরা যাতে উত্তম এবং অধিক সওয়াব এবং প্রতিদানপূর্ন বিষয়টাকে গ্রহন করেন এবং সংক্ষিপ্ততা পরিহার করে পরিপূর্ণভাবে সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম পড়েন ও লিখেন । আল্লাহ আমাদের সকলকে তার সন্তুষ্টিমত আমল করার তৌফিক দান করুন। নিশ্চয় তিনি দানশীল এবং সম্মানী – আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তার পরিবার পরিজন এবং সাহাবাগনের প্রতি।

  8. তুষার ভাই আজ আমার শহরে দেখলাম রঙ্গিন বাতি দিয়ে লিখা বিরাট সাইন ১৬ই ডিসেম্বর খুশীর দিন দেওয়ান বাগীর জন্ম দিন এটির ইসলামিক দৃষ্টিকোন থেকে একটু বিশ্লেষণ করবেন কি?