লগইন রেজিস্ট্রেশন

একজন মানুষের অভিযোগ

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৫, ২০১০ (৭:৫২ অপরাহ্ণ)

মুসলমান সমাজের মূল সমস্যা আমার যেটা মনে হয় তা হল; তাদের ধর্মের অতীতে চালু সব বিধিবিধান যে আজকের যুগে চলে না তারা এই সত্যটা তত্ত্বীয়ভাবে স্বীকার করতে চান না। সম্ভবত এটা স্বীকার করে নিলে ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বের দাবী বা জগতের একমাত্র পূর্নাংগ জীবন বিধান তাদের কব্জাগত এ জাতীয় দাবী দাওয়া লঘু হয়ে যাবে এ আশংকা করেন। এখান থেকেই শুরু হয় যুগের বাস্তবতা ও তত্ত্বের মাঝে সংঘাত। এই সংঘাতের অবশ্যম্ভাবী ফল হল একটি ঝুলন্ত বা বিভ্রান্ত মানসিকতা। যে মানসিকতার এক অংশ বলে যে যুগের দাবী মেনে কিছু ছাড় দেওয়া উচিত, আরেক অংশ আবার তাতে বাধ ছাড়ে। যদিও যেটা খুবই হাস্যকর ঠেকে তা হল যে ধর্মীয় সব আদেশ নির্দেশ নিজেরাই মানেন না, বা বলা ভাল মানতে পারেন না। কিন্তু তবুসো হাস্যকর গো ধরে থাকবেন যে সব নির্দেশ বিধান সব যুঘে সব দেশেই অতি অবশ্যই পালনীয়। এতে কোন আপোস নেই।

অন্য ধর্মের লোকেরা এই ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে অনেক আগেই মোটামুটিভাবে মনস্থির করতে পেরেছে যা মুসলমানেরা এখনো পারেনি। একদিকে যুগের দাবীর বাস্তবতা, অন্যদিকে দোযখের কঠোর শাস্তির ভয়। যেমন ধরেন, মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে কিছু বললেন ৯০ ভাগ মুসলমান হাঁ হাঁ করে তেড়ে আসবেন। এর বিরুদ্ধে স্রব প্রতিবাদ তারা ঈমানী দায়িত্ব হিসেবেই নেন। কিন্তু নিজের ছেলে মেয়ে কে কি সেখানে পাঠাবেন? কখনোই না।

একই কারনে মুসলমানেরা মোল্লা আলেমদের অযৌক্তিক উদ্ভট ফতোয়ার প্রকাশ্য প্রতিবাদও সেভাবে করতে পারেন না। কি জানি, কোন পাপ জানি হয়ে যায়। মসজিদে ফতোয়া শোনেন গান বাজনা হারাম, শয়তানের বাজনা। বিনা প্রতিবাদে ভক্তিভরে মাথা নীচু করে শোনেন। বাড়ী এসে তিনিই আবার সংগীত উপভোগ করেন। লাখো মানূষের উপস্থিতিতে কোন মাওলানা ঘোষনা দেন, দুই ঈদ বাদে আমাদের কোন আনন্দ ফূর্তি থাকতে পারে না, একজন মানুষও পাওয়া যায় না প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে। শিক্ষিত লোকেও দেখা যায় নিজের রক্ত দান করা যায় কিনা সে ব্যাপারে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পান, ইন্টারনেটে আলেম স্কলারের পরামর্শ চান। কে জানে বাবা, অজান্তে আবার না কোন পাপে পড়ে যান। এর অন্যথা না হলে কেবল বিলিয়ন বিলিয়ন সংখ্যাই বাড়বে, কিন্তু অবস্থা হবে আরো শোচনীয়।

নারী স্বাধীনতা বা অধিকারের ক্ষেত্রেও তারা এই সরল সত্য স্বীকার করতে চান না যে নবীজির আমলের সমাজ আর আজকের সমাজ এক নয়। সামাজিক বিবর্তন বলে যে কিছু হতে পারে সেটা কট্টরপন্থীরা বুঝতে চান না। তারা আরো প্রাচীন কোন ধর্মে নারীকে আরো হেয় করা হয়েছে তার সাথে নিজের ধর্ম তূলনা করে আত্মপ্রসাদে ভোগেন। এরপরও যে সমাজ আরো পাল্টেছে, সততই পাল্টা্চছে তাও বুঝতে চান না। সে যুগের স্ত্রী পেটানো আইনকে আজকের যুগে সন্তান পেটানোর সাথে তূলনা করে হালাল করার চেষ্টা যে কতটা হাস্যকর ঠেকে তাও তারা বোঝেন না। পুরুষে নারীর উপর কর্তৃত্বশীল কারন সে উপার্জন করে এই তত্ত্ব যে আজকে কতটা ভ্রান্ত তাও বুঝতে চান না। আজকের বহু নারীর উপার্জন স্বামীর বেশী। কে কাকে বোঝাবে? নিজে নিজে অন্ধ সেজে থাকলে যুক্তির অভাব হয় না।

আমার বল্ড করা অংশের দিকে লক্ষ্য করুন। অভিযোগের ব্যাপারে আমাদের কি মতামত?

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৭৯ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২৮ টি মন্তব্য

  1. ফুয়াদ, এই কথা কার সেটা আমি জানি। এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে পরিবেশ। সেই ভদ্রলোক যে পরিবেশের সাথে মেলামেশা করছে সেই পরিবেশে এরকম কথা না বললে টেকা যাবে না!

    ফুয়াদ

    @এস.এম. রায়হান,

    সৎ সংগ সর্গ্ব বাস, অসত সর্গ্ব সর্বনাশ, তা উনারে দেখলেই সহজে বুঝা যায়।

    এস.এম. রায়হান

    @ফুয়াদ, ঐ ভদ্দরলোক স্রেফ পরিবেশের কারণে ধীরে ধীরে অ্যান্টি-ইসলামিক ভাদাকার হয়ে গেছে।

  2. আপনি লিখেছেন: মুসলমান সমাজের মূল সমস্যা আমার যেটা মনে হয় তা হল; তাদের ধর্মের অতীতে চালু সব বিধিবিধান যে আজকের যুগে চলে না তারা এই সত্যটা তত্ত্বীয়ভাবে স্বীকার করতে চান না।

    - প্রথমেই আপনার লেখায় আপনি মুসলমান সমাজ আর তাদের ধর্মকে নিজের ধর্ম বলেননি, ধরে নেই আপনি নিজেকে এই ধর্মের কেউ বলে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করলেন কিংবা আপনি অন্য ধর্মের অনুসারী।

    সাদাত

    @হাসান আল বান্না,

    আপনি বুঝতে ভুল করেছেন।
    এই পোস্টের কথা ফুয়াদ ভাইয়ের না।
    একজন মানুষের অভিযোগ

    হাসান আল বান্না

    @সাদাত, দুঃখিত। ভুলটা কোথায় বুঝতে পেরেছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

  3. যুগের বাস্তবতা ও তত্ত্বের মাঝে সংঘাত

    আপনার লেখায় ‘যুগের বাস্তবতা ও তত্ত্বের মাঝে সংঘাত’ এর কেনা প্রকার রূপতো খুজে পেলাম না। লিখলেন মাদ্রাসা, মোল্লা আর ফতোয়া, নারী অধিকার, ৯০ ভাগ মুসলমানের হা হা করে তেড়ে আসা ইত্যাদি নিয়ে।

    ফুয়াদ

    @হাসান আল বান্না,

    আপনি আমাকে সম্মোধন না করলে ভাল হত, আমি এখানে মুটামুটি পরিচিত, আপনার পোষ্ট ও দেখেছি, জোর করে হোট করে কোন কথা না বলাই ভাল । নিচে আমি ক্লিয়ার লিখে দিয়েছি, অভিযোগের ব্যাপারে আমাদের কি মতামত। আমি সব মতামত এক করে নিয়ে, আমি ঐ ব্যাক্তিকে উত্তর দিতে পারি সহজে। এই যা।

    কাউকে কোন কারনে অযথা অপবাদ দিবেন না, এটা আপনার মুসলিম ভাই হিসাবেই বলতেছি।

    আমার ব্লড করা অংশ-ই ঐ ব্যাক্তির মূল কোয়েশন? জানা থাকলে বলেন, আমরা শেয়ার করি।

    হাসান আল বান্না

    @ফুয়াদ, দুঃখিত ফুয়াদ। ভুলের জন্য ক্ষমা করবেন।

    হাসান আল বান্না

    @ফুয়াদ, আমার জবাবটা এর অভিযোগকারীরই প্রাপ্য। আপনার নয়।
    তবুও আরো একবার ক্ষমা চাইছি আপনার কাছে। কারণ কষ্টটা আপনাকেই দিয়ে ফেলেছি।

  4. ঐ লোকের কথার জবাব দিতে হলে, সে কোন মতবাদে কতটুকু বিশ্বাসী সেটা আগে জানতে হবে। তাই সেই লোকের ব্যাপারে কিছু বলুন।

    ফুয়াদ

    @মালেক_০০১,

    বিনা যুক্তিতে আল্লাহ এক এবং হযরত সাঃ আল্লাহর রাসূল মানে, আল কুরান মানে, কিন্তু মনে করে, তা বর্তমানের জন্য নয়। ঐগুলো শুধু রাসূল সঃ যুগের মানুষের জন্য।

    এস.এম. রায়হান

    @ফুয়াদ, সেই ভদ্রলোক ইসলামে বিশ্বাসই করে না। ই-মেইলে প্রমাণ পাঠিয়েছি।

    ফুয়াদ

    @মালেক_০০১,

    ঐগুলো বলতে শরিয়া আইন ।

    মালেক_০০১

    @ফুয়াদ, ইসলামী শরীয়তের উৎস “কোরআন-হাদিস-ইজমা-কিয়াস”। আমি যা বুঝলাম তা হল, ঐ লোকের মতাদর্শ হচ্ছে “ইজমা-কিয়াস-কোরআন-হাদিস” এই টাইপের কিছু একটা। কি আর কমু। লাকুম দ্বিনুকুম ওলিয়াদ্বীন কইতে মনে চাইতাছে।

    ঐ লোককে বলা যেতে পারে, “আপনি কোরআন মানেন। এখন কোরআনের কোথায় বলা আছে যে, তখনকার আইন পরবর্তীতে চলবে না। বরং বলা আছে, ইসলামকে আমি পরিপূর্ণ করে দিলাম। রাসূলের মাঝেই রয়েছে তোমাদের জন্য শ্রেষ্ঠ আদর্শ। আমাদের নবীই শেষ নবী। আল-কোরআনকে আল্লাহই সংরক্ষণ করবেন। যারা কোরআনের কিছু অংশ মানে আর কিছু অংশ মানে না তারা অভিশপ্ত। ইত্যাদি।

    আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বলা যেতে পারে বিদায় হজ্জের ভাষণ, যেখানে নবী বলে গেছেন কোরআন ও হাদিসকে আকড়ে ধরে থাকার জন্য।

    হাসান আল বান্না

    @মালেক_০০১,ভাই মালেকের সাথে একমত।

    সূরা নিসা- আ:-৮২: “তারাকি মনোযোগের সাথে কোরআন অধ্যয়ন করে না? এটাকি আল্লাহ ব্যতীত অন্য করো নিকট থেকে অবতীর্ণ হয়েছে যে, এতে কোনো অসামঞ্জস্য থাকবে?”

    সূরা বণি-ইসরাঈল- আ:-৮৮: “যদি মানব ও জ্বিন এই কোরআনের অনুরূপ রচনা করে আনার জন্য জড়ো হয়; এবং তারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়; তবুও তারা কখনও এর অনুরূপ রচনা করে আনতে পারবে না।

    সূরা আল বাকারা- আ:-২৩: এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি; তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও – এক আল্লাহ ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১,

    @ফুয়াদ, ইসলামী শরীয়তের উৎস “কোরআন-হাদিস-ইজমা-কিয়াস”। আমি যা বুঝলাম তা হল, ঐ লোকের মতাদর্শ হচ্ছে “ইজমা-কিয়াস-কোরআন-হাদিস” এই টাইপের কিছু একটা।

    সুন্দর বলেছেন । অসাধারন ডায়লগ । সময় বুঝে পরে কাজে লাগাবো :)

  5. আসসালামু আলাইকুম ভাই, ঐ লোকটি কে? পরিচয়টা দিলে ভালো হতো।

    হাফিজ

    @manwithamission, সহমত । পরিচয় না দিলেও অন্তত পোস্টের URL টা দিন ।

    ফুয়াদ

    @হাফিজ,

    মুক্তমনা নামে একটি সাইট আছে, বলা যায়, নাস্তিক অজ্ঞেয়বাদী দের মূল আখরা, যেখান থেকে অন্য ব্লগের নাস্তিকরা তত্য নিয়ে কপি পেস্ট মারে। ঐ মুক্তমনার একজন ব্লগার। ঐখানে একজন কুরানে হাফিজ করুন অবস্থায় পড়েছে। আমি তাকে তাদের চক্রথেকে বের করে আনার জন্য চেষ্টা করতেছি। ঐ কুরানে হাফিজকে সে ঐ লেখা লিখেছিল, তার আগে আমি ঐমাদ্রাসার ছাত্রকে একটি কমেন্ট দিয়েছি। বুঝতে পেরেছেন। লিংক চাইলে দিতে পারি, কিন্তু মেইল করে দিব।

    মালেক_০০১

    @ফুয়াদ, আমার কাছে মনে হয়, এরা অন্তরে সিল মারা টাইপের পাবলিক। কোন বিভ্রান্তির উত্তর দিলে, পরে একই বিষয়ের অবতারণায় তারা প্রদত্ত উত্তরের সাপেক্ষে আলোচনা না করে ঐ একই পুরান প্যাচাল পাড়তে থাকে। এগো স্বভাব আসলে লেবু তিতা করা ছাড়া আর কিছুই না।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, সহমত । আমাদের কাজ হবে একবার ওদের যেকোন সমস্যা বা প্রশ্নের উত্তর দেয়া । যদি দেখা যায় একই প্রশ্ন বারবার করছে (ফারুকের মতো) তাহলে আর সময় নষ্ট না করাই ভালো।

    হাফিজ

    @ফুয়াদ, ঐ কোরআনে হাফেজকে এখানে নিয়ে আসা যায় না ?

    ফুয়াদ

    @হাফিজ,

    বুঝতেছি না, সদালাপে নিতে পেরেছিলাম, এখানে এলে তার আরো মাথা খারাপ হয়ে যাবে, সে যুক্তি কে প্রধান্য দেয়। নিচে মনপবন ভাইকে লিখা কমেন্টি একটু দেখেন। আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন। আমিন।

  6. ‘এটা হলো তাদের মস্তিষ্কের বর্জ, জঞ্জাল , চিন্তা ও মতামতের নির্যাস , এসমস্ত বাজে কথা দ্বারা তারা শুধু কাগজকে কালো করেছে এবং মানুষের মনে সংশয় সন্দেহ সৃষ্টি করে দুনিয়াতে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে । যে ব্যক্তির মধ্যে সামান্যতম বিবেক আছে সে জানে যে, দুনিয়াতে বিপর্যয় শুরু হয়েছে মানুষের মতামতকে ওহীর ওপর প্রাধান্য দেয়ার কারণে এবং কুপ্রবৃত্তিকে বিবেকের ওপর স্থান দেয়ার কারণে’ - ইমাম ইবনুল কায়্যিম (তিনি মুতাজিলা সম্প্রদায়ের কুরআনের তাফসীর সম্পর্কে এই মতামত ব্যক্ত করেছিলেন, তার মতামত এই লেখার লেখকের জন্যেও প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি)

  7. ফুয়াদ ভাই, এদের সাইটে গিয়ে হিট বাড়ানোর দরকার কি ভাই, এদের জন্য আমাদের জবাব্দিহি করতে হবেনা। এদের যদি সত্য জানার ইচ্ছে থাকত তবে সে পথ পেত। তবে কমন প্লাটফর্মে এলে তখন এদের বিরুদ্ধে কথা বলা যায়। এদের নোংরামির জন্য সচল ছেড়েছিলাম, আর এদের কথার পিঠে কতাহ বলতে ভালো লাগেনা। যাহোক তবুও আপনার চেষ্টা প্রশংশনীয়

    হাফিজ

    @মনপবন, সহমত । তবে এদের সমস্ত অভিযোগগুলো অন্তত: একবার উত্তর দেয়া উচিত , সেটা সেখানে গিয়েই হোক বা অন্য কোনো জায়গায় হোক। যদি দেখা যায় একই প্রশ্ন বারবার করছে ( যেটা আপনি বললেন কথার পিঠে কথা ) তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভালো।

    সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এই জন্য থাকা উচিত , সত্যকে অনুসন্ধান করতে চায় যারা , তারা বিষয়টা যেন জানতে পারে ।

    ফুয়াদ

    @মনপবন,

    একজন কুরানে হাফিজের অধিকার সাধারন মানুষের চেয়ে বেশী। তাই, কষ্ট করতেই হবে। বুঝতেছি না, কি করব? চেষ্টা করেছি, যতটুকু হয়। আমাদের সাথে কথা বললে, আমাদের দিকে আসেন, কিন্তু যখন-ই আবার তাদের সাথে কথা বলেন, তখন তাদের দিকে চলে যান। এ অবস্থা।

    বুঝতেই পারতেছেন, হাল ছাড়লে কি সমস্যা হইতে পারে, হয়ত দেখা গেলো পুরো পুরিঈ ওদের দলে চলে গেল, আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন, আমিন। আল্লাহ পাক তাকে এবং তাদের সঠিক পথ, দান করুন। আমিন।