লগইন রেজিস্ট্রেশন

দ্বীনের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ ছাড়া আর কোন অলি নেই

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০০৯ (৯:৪০ পূর্বাহ্ণ)


“অলি”-এর বহুবচন আওলিয়া। “অলি”-এর আভিধানিক অর্থঃ অভিভাবক, সাহায্যকারী, বন্ধু। দুনিয়ার কার্যকলাপে মানুষ অলি হতে পারে। যেমন, গৃহকর্তা পরিবারের অলি।

দ্বীনের ব্যাপারে অলি কাকে বলে?

১। মানুষ যার কথা মত চলে; যার হিদায়াত অনুযায়ী আমল করে; যার নির্ধারিত নিয়ম-নীতি প্রথা, আইন-বিধান পদ্ধতির অনুসরণ করে কুরআনের ভাষায় তাকে অলি বলা হয়।

০২। মানষ যার পথ প্রদর্শনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মনে করে যে, সে তার জন্য সঠিক পথ বাতলে দেয় ও ভুল ভ্রান্তি হতে রক্ষা করে সে হল অলি

০৩। যার সম্পর্কে মানুষ মনে করে যে, সে অতি প্রাকৃতিক উপায়ে তার সাহায্য করে তাকে বিপদ আপদ মুসীবত হতে রক্ষা করে , তাকে রুজী রোজগার দেয়, সন্তান দেয়, আশা আকাংখা পূরণ করে। অন্যান্য ভাবেও তার যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ করে, সে “অলি”

দ্বীনের অলি সম্বন্ধে মহান আল্লাহ তা’আলা কুরআনে ইরশাদ করেনঃ

০১) তিনিই (আল্লাহ) প্রশংসনীয় অলি। (সূরা আশ শুরা, ৪২ঃ২৮)

০২) তিনি (আল্লাহ) ছাড়া তোমাদের না কেহ অলি আছে, আর না আছে কেহ তাঁর নিকট সুপারিশকারী। তবুও কি তোমাদের হুশ হবে না? (সুরা সাজদা, ৩২ঃ৪)

০৩) আল্লাহ ছাড়া তোমাদের অলি ও সাহায্যকারী কেহ নেই। (সূরা আশ শুরা, ৪২ঃ৩১)

০৪) যালেম লোকেরা পরস্পর আওলিয়া, আর মুত্তাকী লোকদের অলি হলেন আল্লাহ। (সূরা জাসিয়া, ৪৫ঃ১৯)

০৫) আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন, সে’ই হিদায়াত পেতে পারে, আর যাকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য তুমি কোন অলি মুর্শিদ পাবে না। (সূরা কাহফ, ১৮ঃ১৭)

০৬) আর যালিমদের না কেহ অলি আছে, না কোন সাহায্যকারী। এই লোকেরা কি তাঁকে (আল্লাহকে) বাদ দিয়ে অপরকে অলি বানিয়ে নিয়েছে? অলি তো আল্লাহ। তিনিই মৃতদের জীবিত করেন। আর তিনি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান। (সূরা আশ শুরা, ৪২ঃ ৮ ও ৯)

০৭) যে সমস্ত লোক আল্লাহকে ছেড়ে অন্যকে অলি বানিয়ে নিয়েছে, তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার মত। উহা নিজের জন্য একটি ঘর বানায়। আর সব ঘরের মধ্যে অধিক দুর্বল হচ্ছে মাকড়সার ঘর। হায় ! যদি তারা জনত। (সূরা আনকাবুত, ২৯ঃ৪১)

০৮) সে (শয়তান) এবং তার সাথী তোমাদেরকে এমন এক স্থান হতে দেখতে পায় যেখান হতে তোমরা তাদেরকে দেখতে পাওনা। এই শয়তানগুলিকে আমি বেঈমানদের জন্য আওলিয়া বানিয়ে দিয়েছি। (সূরা আরাফ, ৭ঃ২৭)

০৯) হে লোকেরা ! তোমাদের আল্লাহর তরফ হতে তোমাদের প্রতি যা কিছু নাযিল করা হয়েছে তা মেনে চল এবং নিজেদের রবকে বাদ দিয়ে অপরাপর অলিদের অনুসরণ কর না। কিন্তু তোমরা নসিহত কমই মেনে থাক। (সূরা আ’রাফ, ৭ঃ৩)

১০) তোমার নিকট আসা ইলম বর্তমান থাকা সত্ত্বেও যদি লোকদের মনষ্কামনার অনুসরণ কর তাহলে আল্লাহর মোকাবিলায় তোমাদের না কোন অলি আছে, আর না তাঁর পাকড়াও হতে কেহ বাঁচতে পারে। (সূরা রা’দ, ১৩ঃ৩৭)

১১) যারা ঈমান আনে তাদের অলি হচ্ছেন আল্লাহ, তিনি তাদেরকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা কুফরী অবলম্বন করে তাদের অলি হচ্ছে “তাগুত”, উহারা তাদেরকে আলো হতে অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়ে যায়। উহারা জাহান্নামের লোক, সেখানে তারা চিরদিন থাকবে। (সূরা বাকারা, ২ঃ২৫৭)

১২) এক দলকে তিনি (আল্লাহ) সোজা পথ দেখিয়েছেন, কিন্তু অপর দলের উপর ভ্রান্তি ও গোমরাহী চেপে বসেছে। কেননা তারা আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে নিজেদের আওলিয়া বানিয়ে নিয়েছে। তারা মনে করে যে, তারা খুব সোজা ও সঠিক পথেই রয়েছে। (সূরা আ’রাফ, ৭ঃ৩০)

১৩) তাদের অলিরা তাদের জন্য কিছু করতে পারবে না যাদেরকে তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের অলি বানিয়ে নিয়েছে। তাদের জন্য বড় আযাব নির্দিষ্ট রয়েছে। (সূরা জাসিয়া, ৪৫ঃ১০)

১৪) তোমরা না তাঁকে (আল্লাহকে) পৃথিবীতে ব্যর্থ করে দিতে পারবে, না আসমানে। আর আল্লাহ (হাত) হতে বাঁচবার জন্য কোন অলি বা সাহায্যকারী তোমাদের নেই। (সূরা আনকাবুত, ২৯ঃ২২)

হে মুসলিম ভাই ও বোনেরা! একটু চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন, দ্বীনের ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড়া কাউকেও অলি হিসাবে মানা এবং তার নির্দেশ পালন করা আল্লাহর সাথে শরীক বানানো হয়ে যায় এবং ইহা স্পষ্টতই শির্ ক। কুরআন ও সহীহ হাদীসের দলীল ব্যতীত কেহ যদি নিজের ধারনা, অনুমান, ইচ্ছা ও কামনার ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে সে নিশ্চতই সেই শয়তানের চেলা যার কথা মহান আল্লাহ ইরশাদ করেনঃ

হে (ইবলিশ) আল্লাহকে বলেছিলঃ আমি তোমার বান্দাদের মধ্য হতে নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকদেরকে অবশ্যই নিয়ে ছাড়ব, আমি তাদেরকে বিভ্রান্তি করব, আমি তাদেরকে নানা প্রকারের আশা আকাংখায় জড়িত করব, আমি তাদেরকে আদেশ করব এবং তারা আমার আদেশ আল্লাহর সৃষ্টিধারায় রদ বদল করে ছাড়বে। যে ব্যক্তি আল্লাহর পরিবর্তে এই শয়তানকে নিজের অলি রূপে গ্রহণ করবে সে স্পষ্টত ক্ষতির সম্মুখীন হবে। (সূরা নিসা, ৪ঃ১১৯)

একমাত্র আল কুরআন ও সহীহ হাদীস ব্যতীত দ্বীন ইসলামের আর কোন দলীল গ্রহণ করা যেতে পারে না। যারা এই ২ (দুই) দলীলের সমর্থনের বাইরে জবরদস্ত আলেম, মহা বুজুগান, পীরানে পীর, অলিয়ে কামেল, হাদিয়ে যামান, মোহিয়ে সুন্নাত, আমিরুশ শরিয়াত, কুতুবে রাব্বানী ইত্যাদি যত “টাইটেল”ই ধারণ করুক না কেন তাদের নির্দেশের উপর আমল করা শয়তানের পায়রূবী ছাড়া আর কিছু নয়।

আমরা অনেকেই বলে থাকি যে, অমুক দরবেশ, অমুক পীর আল্লাহর অলি ছিলেন। কাউকে “আল্লাহর অলি” বলা যাবে না। কারণ, আল্লাহর অলির অর্থ দাড়ায় “আল্লাহর অভিভাবক”, “আল্লাহর সাহায্যকারী”, “আল্লাহর বন্ধু”। নাউযুবিল্লাহ মিন যালেক! এই বিশ্বলোকে যা কিছু আছে তার সব কিছুর অভিভাবক হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা। আল্লাহ সবার সাহায্যকারী- আল্লাহুস সামাদ, তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন। আল্লাহ নিজে যাকে বন্ধু বলেছেন সে’ই আল্লাহর বন্ধু, আল্লাহর অলি। যে কোন মানুষ বা পীর দরবেশকে আল্লাহর অলি বলা মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্বের উপর আক্রমন করার শামিল। তথাকথিত বহু শিক্ষিত লোকেরাও লেংটি পড়া জটাধারী লোক দেখলে মনে করে যে, সে একটা বড় বুযুর্গ লোক, আল্লাহর অলি। ময়লা ছেঁড়া কাপড় ও শরীরে গন্ধ থাকলে তাদেরকে আরও বড় বুযুর্গ মনে করা হয় এবং তাদের সালাত রোজা করার দরকার নেই বলে সাধারণ লোকেরা ধারণা করে। লোকেরা বলে, দুর্গন্ধওয়ালা ঐ সব লোকেরা ইচ্ছা করলে ময়লা কাপড় পরে যাতে মানুষজন তাদের ধারে কাছে না আসতে পারে এবং তাদের কামিলিয়াতের খোঁজ কেহ না পায়। “পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ”। নিন্দিনীয় অপরিষ্কার কাপড় পরলে, গোসল না করে থাকলে তার তো ঈমানই থাকলো না। রোজা, সালাত না করলে সে তো আল্লাহর আদেশ অমান্যকারী বেঈমান। ঐ সমস্ত বুজুর্গানদের পেটে দুর্গন্ধ পদার্থ এবং কলবে হৃদয়ে ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। এসকল ভন্ডগণ সূরা মায়েদার ৩৫ নং আয়াতকে ভুল অপব্যখ্যা করে এবং কবি রূমীর কিছু কবিতাকে সম্বল করে দিব্যি মাজার ব্যবসা করে যাচ্ছেন। অথচ আল কোরআনে এ সকল ভন্ডদের নিয়ে কত পরিষ্কার আয়াত আছে তাহা একটি বারের জন্যও পড়ে দেখছে না। আফসোস এদের জন্য………………………আল্লাহ এদের ঈমান দান করুন। আমীন

আমাদের মধ্যে যারা এখনও মহান আল্লাহর সঠিক পথ পাওয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মথায় বিভ্রান্ত হয়ে আছি, মহান আল্লাহ রহমানের রাহীম তাদের জন্য ইরশাদ করেনঃ

০১) অবশ্য যে সব লোক মূর্খতা বশতঃ খারাপ কাজ করছে এবং তওবা করে নিজেদের ‘আমল সংশোধন করে নিয়েছে’ নিশ্চিতই তওবা ও সংশোধনের পর, তোমার রব তাদের জন্য ক্ষমাশীল ও দয়াবান। (সূরা নাহল, ১৬ঃ১১৯)

০২) জেনে রেখ, আল্লাহর নিকট তওবা গৃহীত হওয়ার সৌভাগ্য তারাই লাভ করতে পারে যারা অজ্ঞতার কারণে কোন অন্যায় কাজ করে এবং উহার পর অবিলম্বে তওবা করে নেয়, এমন লোকদের প্রতি অনুগ্রহের দৃষ্টি পুনরায় ফিরিয়ে থাকেন। (সূরা নিসা, ৪ঃ১৭)

০৩) এখন যদি তারা নিজেদের এই আচরণ হতে তওবা করে ফিরে আসে, তাহলে, তা তাদের জন্যই ভাল, অন্যথায় আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া এবং আখিরাতে অন্যন্ত পীড়াদায়ক শাস্তি প্রদান করবেন। উহারা নিজেদের কোন সমর্থক ও সাহায্যকারী পাবে না।। (সূরা তওবা, ৯ঃ৭৪)

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,১১৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১০ টি মন্তব্য

  1. ধন্যবাদ শাহরিয়ার ভাই, আপনার কাছথেকে মূলবান কথা জানতে পারলাম। আমাদের প্রত্যেকের উচিত কোরআন পড়া অর্থ সহকারে।
    তাহলে এ সকল ধোকাবাজরা আমাদের বোকা বানাতে পারবে না।

  2. খুবি সুন্দর সুন্দর আয়াত উদ্ধৃত করেছেন। (Y)

    কোরান তো আল্লাহর বানী , সুতরাং কোরানকে অনুসরন করা মানেই আল্লাহর কথার বাধ্য থাকা। সহীহ হাদীস তো আর আল্লাহর বানী নয় এবং বলা হয়ে থাকে , কোরানের ব্যাখ্যাকারী ও দ্বীনের নির্দেশদান কারী , অর্থাৎ অলি।

    আপনি যে ব্যাখ্যা দিলেন -

    কুরআন ও সহীহ হাদীসের দলীল ব্যতীত কেহ যদি নিজের ধারনা, অনুমান, ইচ্ছা ও কামনার ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে সে নিশ্চতই সেই শয়তানের চেলা

    সহীহ হাদীসের অনুসরন করা কি ঠিক হবে?

    মালেক_০০১

    @ফারুক, আল-কোরআন যে গত ১৪০০ বছরে কোন পরিবর্তন হয়নি, এর জন্য কি আপনি আপনার সহীহ হাদিসের উপর নির্ভর করেন? নাকি অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করেন?

    ফারুক

    @মালেক_০০১,নারে ভাই,আমি সহীহ হাদীসের উপর নিরভর করিনা। আমি আল্লাহর বানীর উপরে নির্ভর করি। আল্লাহ কোরানে বলেছেন , তিনি কোরানের হেফাজতকারী। আল্লাহর এই বানীর পরে কি কোন সন্দেহের অবকাশ আছে?

    মালেক_০০১

    @ফারুক, আপনি যে আয়াতের কথা বলছেন সেখানে কিন্তু “কোরআন” শব্দটি নেই । আছে “জিকর” । এখন তাহলে ব্যাপারটা শুধু কোরআন দিয়ে ব্যাখ্যা করেন। আমার মনে হচ্ছে সহীহ হাদীসের সাহায্য নিতে হবে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, সহীহ হাদীসের অনুসরন করা কি ঠিক হবে?

    আল্লাহ আপনাকে জ্ঞান দান করছেন। চিন্তা ভাবনা করেন। তারপর যদি আপনার মনে চায় তাহলে অনুসরন করেন। আর যদি মন না চায় তাহলে কইরেন না। আল্লাহ আল-কুরানে বলে দিয়েছেনঃ দ্বীন সম্পর্কে যবরদোস্তি বা বাধ্য বাধকতা নাই।
    তাই আপনাকে কেউ জোর করবে না। আপনার যা ইচ্ছা করেন। কিন্তু অনুরোধ, কোন বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।
    আপনার কিছু জানার থাকলে হাদীস সম্পর্কে, ডাঃ জাকির নায়েকের সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ যানাচ্ছি।

    বিভ্রান্তি ছড়ানো হত্যার চেয়ে জঘন্য অপরাধ।:(

    তুষার (ﭡﺸر)

    @জ্ঞান পিপাষু, ভারতের তথাকথিত জাকির নায়েক ওরফে জোকার নায়েক একজন উচুদরের কাফির। কারণ সে বিভিন্ন সময় কারবালার জিহাদকে “Political Battle” বলে উল্লেখ করেছে। অথচ ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। ইতিহাস মতে, হযরত ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হক্বকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজের জীবন কারবালার ময়দানে দান করে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। জোকার নায়েক কারবালার ময়াদানের ঘৃনিত পশু ইয়াজিদের নামের শেষে “রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু” উচ্চারণ করে থাকে। অথচ কুরআন শরীফ-এর সূরা নিসার ৯৩ নম্বর আয়াত শরীফ-এর ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যাক্তি স্বেচ্ছায় কোন মু’মিনকে কতল করে সে জাহান্নামী।” আর বুখারী ও মুসলিম শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসিকী ও কতল করা কুফরী।” কাজেই সাধারণ মু’মিন মুসলমানকে কতল করা যদি কুফরী ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ হয় তাহলে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর লখতে জিগর ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুসহ আহলে বাইত-এর অন্যান্য সম্মানিত সদস্য ও সঙ্গীগণকে যারা শহীদ করেছে তাদের ব্যাপারে বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, তারা সকলেই কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী। কারবালার নরপশু ইয়াজিদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি-এর সাঙ্গপাঙ্গ ও বর্তমানে ইয়াজিদের কায়িমক্বাম জোকার নায়েকের উপর অনন্ত কাল ধরে আল্লাহ পাক-এর লা’নত বর্ষিত হোক।
    জোকার নায়েকের সেই কুফরী বক্তব্য

    বাগেরহাট

    @ফারুক,
    অাপনার কাছে মাত্র একটা প্রশ্ন করছি ।
    প্রশ্নটি হলো শুধু কুরঅান দ্বারা একটু দেখান পাঁচ ‘য়াক্ত নামাযের রাকা’য়াত সংখ্যা যে ১৭ (ফরয)।
    এটা কোথায় অাছে?

    জ্ঞান পিপাষু

    @বাগেরহাট, সহমত।

    আমিও ফারুখ ভাইকে এই প্রশ্নটি করেছিলাম, কিন্তু তিনি উত্তর দিতে পারেন নি। রাসূলের জীবনাদর্শ ছাড়া
    পাঁচ ‘য়াক্ত নামাযের বিস্তারিত জানা সম্ভব না। (Y)

  3. সুন্দর বক্তব্য। আপনার সাথে একমত। তবে আমি যেটি বুঝি আমাদের আরবী ভাষয় জ্ঞান না থাকায় লোকে আবেদ আল্লাহকে অলি আল্লাহ বলে থাকেন। আসলে আমাদের আরবী ভাষায় মিনিমাম জ্ঞান থাকা উচিত।