লগইন রেজিস্ট্রেশন

হাতের কাছে নেকী থাকতে “নেকী’র জন্য হুড়াহুড়ি!! বিষয়টি তুচ্ছ হলেও আসুন একটু পর্যালোচনা করি।

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১০ (৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

আমরা নেকীর আশায় আজ ভুরি ভুরি বিদ’আত কাজ করে চলেছি, অথচ আমরা সত্যিকারের নেকীকে দুরে ঠেলে আজ কতই না ক্ষতির স্বীকার হচ্ছি তার হিসাব একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই জানেন। আজ একটা বই পড়লাম এবং মহা চিন্তিত হয়ে গেলাম, চিন্তা কেন জানেন? আসলেই কি আমরা ভুল করছি? না-কি পারষ্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ আর ইসলামে দালাদলি নামক ফাঁটা বাঁশের গ্যাড়াকলে বন্দি হয়ে গেছি? পাঠক সমাজের কাছে আমার এই মূল্যহীন লেখা কতটুকু কাজে দিবে জানিনা, তবে আশা রাখি আপনারা যারা আমার এই লেখাটুকু বিস্তারিত পড়বেন এবং তা থেকে ভাল কিছু অর্জন করতে পারলে আমাকে দয়া করে জানাবেন। আমি বড়ই অশান্তির ভিতর আছি। আলোচনাটি সংক্ষিপ্ত করতে চাইলেও উপায় খুঁজে পেলাম না কারন এটি এমন একটি বিষয় যেখানে খুঁটি-নাটি উল্লেখ না করলে আপনারাই আমাকে ভুল বুঝে নানা রকম মন্তব্য করে বসবেন তখন আবার মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে গলধঘর্ম হতে হবে। তার চেয়ে বরং একবারেই একটু কষ্ট করে পড়ে নিয়েন। এখানে আপনাদের যুক্তি এবং দলিলের পর্যালোচনা করেছি যা আপনাদের কাজে লাগবে এবং বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হবে। দয়া করে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না; এবং এ কথাও বলবেন না যে আমি নিজ থেকে যত্তোসব আউলা ঝাউলা কথা আপনাদের সম্মুখে পেশ করছি।

আমরা হানাফী মাযহাবের অনুসারীগণ নামাজে রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে ওঠার সময় রফ’উল ইয়াদাইন করি না। আলিম সমাজ আমাদের মত অধম বান্দাদের বলে থাকেন, এটি নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রথম দিকে করেছেন এবং শেষের দিকে বাদ দিয়েছেন অর্থাৎ মানসুখ হয়ে গেছে। আমরা সেই বিশ্বাসেই আজ রফ’উল ইয়াদাইন করি না। যাহা অন্যান্য মাযহাব এবং আমাদের দেশে আহলে হাদীস বা সালাফীগণ করে থাকেন। মসজিদের হুজুরকে জিজ্ঞেসা করলে বলে, দু’ইটাই সুন্নাত। আসুন একটু বিস্তারিত আলোচনা করিঃ

প্রথমেই আমাদের হানাফী মাযহাবের শ্রেষ্ঠ আলিমগণের মতামত দিয়ে শুরু করা যাকঃ
১। মোল্লা ‘আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ সালাতে রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত না তোলা সম্পর্কে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো সবই বাতিল হাদীস। তন্মধ্যে একটিও সহীহ নয়। (মাওযু’আতে কাবীর, পৃ-১১০)

২। হানাফী মুহাদ্দিস আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (রহঃ) রুকু’তে যাওয়ার পূর্বে রফ’উল ইয়াদাইন করার ব্যাপারে ইমাম আবূ হানিফা (রহঃ) সম্পর্কে লিখেছেনঃ ইমাম আবূ হানিফা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তা ত্যাগ করলে গুনাহ হবে। (’উমদাতুল ক্বারী, ৫/২৭২)

৩। শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ যে মুসল্লী রফ’উল ইয়াদাইন করে ঐ মুসল্লী আমার কাছে অধিক প্রিয় সেই মুসল্লীর চাইতে যে রফ’উল ইয়াদাইন করে না। কারন রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীসগুলো সংখ্যায় বেশি এবং অধিকতর মজবুত। (হুজ্জাতুল্লাহহিল বালিগাহ ২/১০)
তিনি আরো বলেন, রফ’উল ইয়াদাইন হচ্ছে সম্মান সূচক কর্ম। যা মুসল্লীকে আল্লাহর দিকে রুজু হওয়ার ব্যাপারে এবং সালাতে তন্ময় হওয়ার ব্যাপারে হুশিঁয়ার করে দেয়। (হুজ্জাতু্ল্লাহিল বালিগাহ ২/১০)

৪। আল্লামা আবুল হাসান সিন্ধী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ যারা এ কথা বলে যে, তাকবীরে তাহরীমাহ ছাড়া রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত তোলার হাদীস মানসূখ ও রহিত, তাদের ঐ দাবী দলীলবিহীন এবং ভিত্তিহীন। (শারহু সুনানে ইবনে মাজাহ, মিসরের ছাপা ১ম খন্ড ১৪৬ পৃষ্ঠার টিকা)

৫। আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশমিরী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ এ কথা জানা উচিত যে, সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস সূত্র ও ‘আমালের দিক দিয়ে ****মুতাওয়াতির, এতে কোনই সন্দেহ নেই। আর এটা মানসূখও নয় এবং এর একটি হরফও নাকচ নয়। (নাইলুল ফারকাদাইন, পৃ- ২২, রসূলে আকরাম কী নামায, পৃ-৬৯)

****মুতাওয়াতিরঃ মুতাওয়াতির বলা হয় সেই হাদীসকে যেটিকে এতো অধিক সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, তাদের পক্ষে সাধারণত মিথ্যার উপর একত্রিত হওয়া সম্ভব নয়।

৬। আল্লামা ‘আবদুল হাই লাখনৌভী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ নাবী (সাঃ)-এর সূত্রে রফ’উল ইয়াদাইন করার প্রমাণ বেশী এবং প্রাধান্যযোগ্য। আর এটা মানসূখ বা নাকচ হবার দাবী যা ত্বাহাভী, ইবনুল হুমাম ও আইনী প্রমূখ আমাদের দলের মনীষীদের পক্ষ থেকে প্রচারিত হয়েছে, তা এমনই প্রমাণহীন যে তদদ্বারা রোগী নিরোগ হয় না এবং পিপাসার্তও তৃপ্ত হয় না। (আত-তা’লীকুল মুমাজ্জাদ, পৃ-৯১)

৭। ইমাম মুহাম্মাদের সাথী ও ইমাম আবূ ইউসূফের শিষ্য ইসাম ইবনু ইউসূফ আল বালাখী (রহঃ)-এর রফ’উল ইয়াদাইন করা সম্পর্কে আল্লামা ‘আবদুল হাই লাখনৌভী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ ইসাম ইবনু ইউসূফ ছিলেন ইমাম আবূ ইউসূফের শাগরিদ এবং হানাফী। তিনি রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে উঠার সময় রাফ’উল ইয়াদাইন করতেন- (আল-ফাওয়ায়িদুল বাহিয়্যাহ ফী তারাজিমিল হানাফিয়্যাহ, পৃ-১১৬)। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক, সুফিয়ান সাওরী এবং শু’বাহ (রহঃ) বলেন, ইসাম ইবনু ইউসূফ মুহাদ্দিস ছিলেন। সেজন্য তিনি রফ’উল ইয়াদাইন করতেন। (আল-ফাওয়ায়িদুল বাহিয়্যাহ, পৃ-১১৬)

৮। শায়খ আবূত ত্বালিব মাক্কী হানাফী (রহঃ) তার ‘কুতুল কুলূব’ গ্রন্থে সালাতের সুন্নাত সমূহ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, রুকু’তে যাওয়ার সময় রফ’উল ইয়াদাইন করা ও তাকবীর বলা সুন্নাত। তারপর ‘সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ’ বলে রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। (কুতুল কুলূব ৩/১৩৯)

৯। কাজী সানাউল্লাহ পানিপত্তি হানাফী (রহঃ) বলেনঃ বর্তমান সময়ের অধিকাংশ ‘আলিমের দৃষ্টিতে রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। অধিকাংশ ফাক্বীহ ও মুহাদ্দিসীনে কিরাম একে প্রমাণ করেছেন। (মালাবুদ্দাহ মিনহু, পৃ-৪২, ৪৪)

১০। শায়খ ‘আবদুল ক্বাদির জিলানী (রহঃ) সালাতের সুন্নাত সমূহের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেনঃ সালাত শুরু করার সময়, রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ হতে উঠার সময় রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। (গুনিয়াতুত ত্বালিবীন, পৃ-১০)

১১। দ্বিতীয় আবূ হানিফা নামে খ্যাত আল্লামা ইবন নুজাইম (রহঃ) বলেনঃ রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে মাথা উঠানোর সময় রফ’উল ইয়াদাইন করলে সালাত বরবাদ হবার কথা যা মাকহুল নাসাফী ইমাম আবূ হানিফা থেকে বর্ণনা করেছেন তা বিরল বর্ণনা, যা রিওয়ায়াত ও দিরায়াত উভয়েরই পরিপন্থী অর্থাৎ সূত্রতঃ ও জ্ঞানত” ঠিক নয়। (রাহরু রায়িক ১/৩১৫, যাহরাতু রিয়অযুল আবরার, পৃ-৮৯)

১২। দেওবন্দের শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমূদুল হাসান বলেনঃ রফ’উল ইয়াদাইন মানসূখ নয়। আর এর স্থায়িত্ব প্রমাণিত নয়- (ইযাহুল আদিল্লাহ)। ইতিপূর্বে ইমাম যায়লায়ী হানাফীর বরাত দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে যে, এর স্থায়িত্ব প্রমাণিত। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত আজীবন রাফ’উল ইয়াদাইন করেছিলেন। (নাসবুর রায়াহ তাখরীজ আহাদীসিল হিদায়া ১/৪১০)

১৩। মুফতী আমিমুল ইহসান লিখেছেনঃ যারা রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস মানসূখ-আমি বলি, তাদের একটি মাত্র দলীল (অর্থাঃ ইবনু মাস’উদের হাদীস), দ্বিতীয় কোন দলীল নাই। (ফিকহুস সুনার ওয়াল আসার, পৃ-৫৫)

১৪। হানাফী মাযহাবের ফিক্বাহ গ্রন্থাবলীতেও রাফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে বক্তব্য রয়েছে। তন্মধ্যকার কয়েকটি উল্লেখ করা হলঃ
(ক) রুকু’র পূর্বে ও পরে রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস প্রমাণিত আছে। (আয়নুল হিদায়া ১/৩৮৪, নুরুল হিদায়া)

(খ) রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস, রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীসের চাইতে শক্তিশালী ও মজবুত। (আয়নুল হিদায়া ১/৩৮৯)

(গ) বায়হাক্বীর হাদীসে আছে, ইবনু উমার বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত সালাতের মধ্যে রফ’উল ইয়াদাইন করেছেন। (ইয়নুল হিদায়া ১/১৮৬)

(ঘ) রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীস দুর্বল। (নুরুল হিদায়া, ১০২)

(ঙ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে রফ’উল ইয়াদাইন প্রমাণিত আছে এবং এটাই হাক্ব। (আয়নুল হিদায়অ ১/৩৮৬)

এবার সহীহ হাদীসের আলোকে রফ’উল ইয়াদাইনের কয়েকটি প্রসিদ্ধ হাদীস বর্ণনা করা হলোঃ

(১) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখেছি, তিনি যখন সালাতেস জন্য দাঁড়াতেন তখন কাঁধ পর্য্ত দু’ হাত উঠাতেন, এবং তিনি যখন রুকু’র জন্য তাকবীর বলতেন তখনও এরূপ করতেন, আবার যখন রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন তখনও এ রকম করতেন এবং সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ বলতেন। তবে তিনি সাজদাহর সময় এমন করতেন না। (সহীহুল বুখারী, ৭৩৪, ৭৩৫, মুসলিম, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ, মুয়াত্তা মালিক, মায়াত্তা মুহাম্মাদ, ত্বাহাভী, বায়হাক্বী, তিরিমিযী)

(২) মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাতের জন্য তাকবীর দিতেন তখন কান পর্যন্ত দু’ হাত উঠাতেন। একইভাবে তিনি রুকু’তে যাওয়ার সময় কান পর্যন্ত দু’ হাত উঠাতেন এবং রুকু’ থেকে উঠার সময়ও কান পর্যন্ত হাত উঠাতেন ও সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ বলতেন। (সহীহ মুসলিম হা/৩৯১, সহীহ সুনানে ইবনে মাজাহ, সহীহ আবূ দাউদ, ইরওয়অ ২/৬৭, হাদীসটি সহীহ)

(৩) আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে তাকবীরে তাহরীমাহর সময়, রুকু’র সময়, রুকু’ হতে মাথা উঠানোর সময় এবং দু’ রাক’আত শেষে তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়ানোর সময়ে রফ’উল ইয়াদাইন করতে দেখেছেন। (বায়হাক্বী ২/৮০, বুখারীর জুযউল ক্বিরআত, আবূ দাউদ, ইবনে মাজাহ)

(৪) ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি তাকবীর দিয়ে সালাত আরম্ভ করে দু’হাত উঁচু করলেন। অতঃপর রুকু’ করার সময় এবং রুকু’র পরেও দু’হাত উঁচু করলেন। (আহমাদ, বুখারীর জুযউল ক্বিরাআত, ইবনে মাজাহ, আবূ দাউদ)

(৫) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর বলেন, আমি নাবী (সাঃ) এর দশজন সাহাবীর মধ্যে আবূ হুমাইদের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তাঁদের (আবূ হুমাইদ, আবূ উসাইদ, সাহল ইবনু সা’দ, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ- (রাঃ) প্রমুখ সাহাবীগণের) মধ্যে একজন আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু রবয়ী (রাঃ) ও ছিলেন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সালাত সম্পর্কে আপনাদের চাইতে বেশি অবগত। তাঁরা বললেন, তা কিভাবে? আল্লাহর শপথ! আপনি তো আমাদের চেয়ে তাঁর অধিক নিকটবর্তী ও অধিক অনুসরণকারী ছিণেন না। তিনি বললেন, বরং আমি তো তাঁকে পর্যবেক্ষন করেছিলাম। তাঁরা বললেন, এবার তাহলে উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন দু’হাত উঁচু করতেন এবং যখন রুকু’ করতেন, রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন, এবং দু’ রাক’আত শেষে তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়াতেন তখনও দু’ হাত উঁচু করতেন। এ বর্ণনা শুনে তাঁরা সবাই বললেন, আপনি সত্যই বলেছেন। (বুখারীর জুযউল ক্বিরাআত, সহীহ ইবনু মাজাহ, সহীহ আবূ দাউদ)

রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস ও আসারের সংখ্যা এবং সেসবের মান-

(ক) রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কে বর্ণিত সর্বমোট সহীহ হাদীস ও আসারের সংখ্যা অনূ্যন ৪০০ শত। (সিফরুস সাআদাত, পৃ-১৫)

(খ) ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস সমূহের সানাদের চেয়ে বিশুদ্ধতম সানাদ আর নেই। (ফাতহুল বারী ২/২৫৭)

(গ) হাদীসের অন্যতম ইমাম হাফিয তাকীউদ্দিন সুবকী (রহঃ) বলেন, সালাতের মধ্যে রফ’উল ইয়অদাইন করার হাদীস এতো বেশী যে, রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীসকে মুতাওয়াতির বলা ছাড়া উপায় নেই। (সুবকীর জুযউ রফ’উল ইয়াদাইন)

রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীগণের সংখ্যা-
*** রুকু’তে যাওয়া ও রুকু’ হতে উঠার সময় রফ’উল ইয়অদাইন করা সম্পর্কে চার খলীফাসহ প্রায় ২৫ জন সাহাবী থেকে বর্ণিত হাদীস সমূহ রয়েছে। (সালাতুর রসূল (সাঃ), পৃষ্ঠা ৬৫, হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশিত)

***মুহাদ্দিস ইরাক্বী (রহঃ) তাঁর ফাতহুল মুগীস গ্রন্থে বলেন, আমি সালাতে রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস প্রায় ৫০ জন সাহাবা হতে একত্রিত করেছি। তিনি তাকরীবুল আসানীদ ও তাকরীবুল মাসানীদ গ্রন্থে বলেন, জেনে রাখ! সালাতে রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস ৫০ জন সাহাবায়ি কিরাম হতে বর্ণিত হয়েছে। (ফাতহুল মুগীস ৪/৮, কিতাবু তাকরীবুল আসানীদ ও তাকরীবুল মাসানীদ প্র-১৮)

রাফ’উল ইয়াদাইনের গুরুত্ব ও ফাযীলাত-

(১) মালিক বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কোন ব্যক্তিকে সালাতে রুকু’র সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় রফ’উল ইয়াদাইন না করতে দেখলে তাকে ছোট পাথর ছুঁড়ে মারতেন, যতক্ষন না সে রফ’উল ইয়াদাইন করে। (বুখারীর জুযউ রফ’উল ইয়াদইন, আহমাদ, দারকুতনী-নাফি, হতে সহীহ সানাদে)

(২) ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি রুকু’র সময় এবং রুকু’ থেকে মাথা উঠানোর সময় রফ’উল ইয়াদাইন করে তার জন্য রয়েছে প্রত্যেক ইশারার বিনিময়ে দশটি নেকী। (বায়হাক্বীর মা’রিফাত ১/২২৫, মাসায়িলে আহমাদ, কানযুল ‘উম্মাল)

(৩) ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রফ’উল ইয়াদাইন হচ্ছে সালাতের সৌন্দর্য্যের একটি শোভা। প্রত্যেক রফ’উল ইয়াদাইনের বদলে দশটি করে নেকী রয়েছে, অর্থাৎ প্রত্যেক আঙ্গুলের বিনিময়ে রয়েছে একটি করে নেকী। (আল্লামা আইনী হানাফীর ‘উমদাতুল ক্বারী ৫/২৭২)

এতে প্রমাণিত হয়, রফ’উল ইয়াদাইন করার কারণে দু’ রাক’আত সালাতে ৫০ আর চার রাক’আত সালাতে ১০০টি নেকী বেশি পাওয়া যায়। এ হিসেবে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্তের ১৭ রাক’আত ফরয সালাতে ৪৩০ নেকী, একমাসে ১২,৯০০ নেকী আর এক বছরে ১,৫৪,৮০০ নেকী শুধু রফ’উল ইয়াদাইন করার জন্য বাড়তি যোগ হচ্ছে। সুতরাং কোন ব্যক্তি সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করার কারণে ৩০ বছরে ৪৬,৪৪,০০০ নেকী আর ৬৫ বছরে ১,০০,৬২,০০০ নেকী বেশি পাচ্ছেন। এটা শুধু পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের হিসাব এছাড়া সুন্নাত, নাফল, বিতর, তাহাজ্জুত, তারাবীহ প্রভৃতি সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করার নেকী তো রয়েছেই। যা এ হিসাব অনুপাতেই পাওয়া যাবে। সুতরাং যারা ফারয, সুন্নাত, নাফল প্রভৃতি সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করেন না তারা কতগুলো নেকী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তা কি ভেবে দেখেছেন? অথচ ক্বিয়ামাতের দিন হাশরের ময়দানে মানুষ একটি নেকী কম হওয়ার কারনে জান্নাতে যেতে পারবে না!

আমাদের মাযহাবের রফ’ইয়াদাইন না করার পক্ষে সবথেকে শক্তিশালী হাদীস এবং তার তাত্বিক পর্যালোচনাঃ

****”আলক্বামাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি কি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সালাত কিরূপ ছিল তা শিক্ষা দেব না? বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং তাতে কেবল একবার হাত উত্তোলন করলেন। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসয়ী)

হাদীসটি ইমাম তিরমিযী হাসান বলেছেন এবং ইবনু হাযাম বলেছেন সহীহ। পক্ষান্তরে অন্যান্য ইমামগণ এটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। যেমন ইমাম বুখারী, ইমাম আহমাদ উবনু হাম্বাল, ইমাম নাববী, ইমাম শাওকানী (রহঃ) প্রমূখ ইমামগণ হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। (আল-মাজমু’আহ ফী আহাদীসিল মাওযু’আহ, ২০ পৃঃ)

ইমাম ইবনু হিব্বান বলেন, রফ’উল ইয়াদাইন না করার পক্ষে কূফাবাসীদের এটিই সবচেয়ে বড় দলীল হলেও এটিই সবচেয়ে দুর্বলতম দলীল। কেননা এর মধ্যে এমন সব বিষয় রয়েছে যা একে বাতিল বলে গণ্য করে। (নায়লুল আওত্বার ৩/১৪, ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১০৪, আওনুল মা’বুদ)

হাফিয ইবনু হাজার (রহঃ) ‘আত-তালখীস’ গ্রন্থে বলেন, ইবনুল মুবারক বলেছেন, হাদীসটি আমার নিকট প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত নয়। ইবনু আবূ হাতিম বলেন, এ হাদীসটি ভুল ও ত্রুটিযুক্ত। ইমাম আহমাদ ও তাঁর শায়খ ইয়াহইয়া ইবনু আদাম বলেন, হাদীসটি দুর্বল। ইমাম আবূ দাউদ বলেন, হাদীসটি সহীহ নয়। ইমাম দারকুতনী বলেন, হাদীসটি প্রমাণিত নয়। ইমাম বায়হাক্বী এবং ইমাম দারিমী (রহঃ) ও হাদীসটিকে দুর্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে ইমাম তিরমিযী হাসান বললেও তিনি নিজেই আবার ‘আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহঃ) -এর সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, হাদীসটি প্রমাণিত নয় এবং প্রতিষ্ঠিতও নয়। (আওনুল মা’বুদ, নায়লুল আওত্বার, জামি আত-তিরমিযী ও অন্যান্য)

আল্লামা শামসুল হাক্ব ‘আযীমাবদী (রহঃ) বলেন, তাকবীরে তাহরীমাহ ব্যতীত অন্যত্র রফ’উল ইয়াদাইন না করার পক্ষে এ হাদীসটি দলীল হিসাবে পেশ করা হয়। কিন্তু হাদীসটি দলীলযোগ্য নয়। কেননা হাদীসটি দুর্বল ও অপ্রমাণিত।

আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, নাবী (সাঃ) হতে ইবনু মাসউদের সূত্র ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে রফ’উল ইয়অদাইন ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে সহীহ সুন্নাহ সাব্যস্ত হয়নি। আর ইবনু মাসউদের এ হাদীসটিকে সহীহ মেনে নিলেও তা রফ’উল ইয়াদাইন এর পক্ষে বর্ণিত সহীহ হাদীসসমূহের বিপরীতে পেশ করা যাবে না এবং ইবনু মাসউদের এ হাদীসের উপর আমল করা উচিত হবে না। কেননা এটি না-বোধক আর ঐগুলি হাঁ-বোধক। ‘ইলমে হাদীসের মূলনীতি অনুযায়ী হাঁ-বোধক হাদীস না-বোধক হাদীসের উপর অগ্রাধিকার যোগ্য।

মাযহাবী থিওরীতে বলা হয়েছে, হানাফী ও অন্যদের নিকট যখন হাঁ-সূচক ও না-সূচকের সাথে দ্বন্দ্ব দেখা দিবে তখন না-সূচকের উপর হাঁ-সূচক অগ্রাধিকার পাবে। এরূপ নীতি বলবৎ হয় যদি হা-সূচকের পক্ষে একজনও হয় তবুও। সুতরাং সেখানে বিরাট এক জামা’আত হাঁ-সূচকের পক্ষে সেখানে অন্য কোন প্রশ্নই আসতে পারে না। যেমনটি এ মাসআলার ক্ষেত্রে। সুতরাং দলীল সাব্যস্ত হওয়ার পর গোড়ামী না করাটাই উচিত…………।(হাশিয়া মিশকাত; আলবানী ১/১৫৪, ও যঈফাহ ৫৬৮)

ইমাম বায়হাক্বী, শায়খ আবূল হাসান সিন্দী হানাফী ও ফাক্বীহ আবূ বাকর ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) প্রমূখগণ বলেনঃ বরং ইবনু মাসউদ এমন কিছু বিষয় ভুলে গেছেন যে ব্যাপারে মুসলিমগণ মতভেদ করেনি। যেমনঃ (১) তিনি সমস্ত সাতাবায়ি কিরাম ও মুসলিম উম্মাহর বিপরীতে সূরাহ নাস ও সূরাহ ফালাক্বকে কুরআনের অংশ মনে করতেন না। (২) তিনি তাতবীক অর্থাৎ রুকু’র সময় দু’ হাঁটুর মাঝখানে দু’ হাত জড়ো করে হাঁটু দ্বারা চেপে রাখতে বলতেন। অথচ এরূপ আমাল রহিত হয়ে যাওয়অ এবং তা বর্জন করার উপর সকল আলিমগণ যে একমত হয়েছেন তাও তিনি ভুলে গেছেন। (৩) ইমামের সাথে দু’ জন মুক্তাদী হলে মুক্তাদীদ্বয় কোথায় কিভাবে দাঁড়াবেন তাও তিনি ভুলে গেছেন। তিনি বলতেন, ইমামের বরাবর দাঁড়াতে হবে। অথচ এটা হাদীসের সম্পূর্ণ খেলাফ। (৪) তিনি ভুলে গিয়েছিলেন বিধায় এরূপ বলতেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঈদুল আযহার দিন ফাজরের সালাত সঠিক সময়ে পড়তেন না বরং ঈদের সালাতের পূর্বে পড়তেন। অথচ এটা সমস্ত মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধ মত। এ ব্যাপারে সমস্ত আলিমগণের ঐক্যমতের কথাও তিনি ভুলে গেছেন। (৫) তিনি ভুলে গেছেন নাবী (সাঃ) ‘আরাফার ময়দানে কী নিয়মে দু’ ওয়াক্ত সালাত একত্রে আদায় করেছেন। ((৬) তিনি সাজদাহর সময় মাটিতে হাত বিছিয়ে রাখতে বলতেন। অথচ এটি হাদীসের পরিপন্থি হওয়ার ব্যাপারে আলিমগণ মতভেদ করেননি বরং একমত পোষন করেছেন, তাও ইবনু মাসউদ ভুলে গেচেন।

অতএব এ সমস্ত ভুল যাঁর হয়েছে, তাঁর সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন না করা এবং সে বিষয়ে হাদীস না জানা বা না বলাও ভুলের অন্তর্ভূক্ত। এতে কোন সন্দেহ নেই। তাছাড়া মুহাদ্দিসীনে কিরামের নিকট এ কথা প্রসিদ্ধ যে, ইবনু মাসউদের শেষ বয়সে বার্ধক্যজনিত কারনে স্মৃতি ভ্রম ঘটে। সুতরাং রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীসটিও সে সবের অর্ন্তভূক্ত হওয়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়। (মাওয়াহিবু লাতীফা ১/২৬০, ইমাম বুখারীর জুযউ রাফ’উল ইয়াদাইন, ইমাম যায়লায়ী, হানাফীর নাসবুর রায়হ ৩৯৭-৪০১, ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৩৪, শারহু মুসনাদে ইমাম আবূ হানিফা ১৪১ পৃঃ, বালাগুল মুবীন ১/২২৯)

রফ’উল ইয়াদাইন না করার এই হাদীস সম্পর্কে ইমাম আহমাদ ইবনুল হাম্বাল (রহঃ), আল্লামা সুয়ূতী (রহঃ), ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহঃ) ও ইমাম শাওকানী (রহঃ) বানোয়াট (মাওযূ) বলেছেন। (তাসহীলূল ক্বারী, আল-ফাওয়ায়িদুল মাওযু’আহ, আল-লাআ-লিল মাসনু’আহ ফিল আহাদীসিল মাওযু’আহ ২/১৯)

আলোচনা আর দীর্ঘ করতে চাচ্ছি না। এমনিতেই পাঠকগণ এতটুকু পড়বেন কি-না সন্দেহ আছে। তার পরেও আপনাদের অনুরোধ করব, পুরাটুকু পড়তে। আমার শরীরে ১০২ ডিগ্রি জ্বর, তা সত্বেও লিখছি আর আপনারা সুস্থ্য শরীরে পড়তে পারবেন না এটা কি হয়? আর সামন্য আলোচনা করেই শেষ করছি। দয়া করে অধৈর্য হবেন না।

রফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে জমহুর মুহাদ্দিস, জমহুর ফাক্বীহ ও মুজতাহিদ ইমামগণের অভিমত-

(০১) ইমাম মুখারী ও ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) বলেনঃ মাক্কাহ, মাদীনাহ, হিজাজ, ইয়ামান, সিরিয়া, ইরাক, বাসরাহ, খুরাসান প্রভৃতি দেশের লোকেরা সকলেই রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে মাথা উঠানোর সময় রফ’উল ইয়াদাইন করতেন। (বুখারীর জুযউল ক্বিরআত)

অসংখ্য সহীহ হাদীস ও আসার বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও যারা রফ’উল ইয়াদাইন করেন না তাদের বিরুদ্ধে ইমাম বুখারী (রহঃ) ‘জুযউ রফউল ইয়াদাইন’ নামে একটি স্বতন্ত্র কিতাবই রচনা করেছেন এবং সেখানে এর পক্ষে ১৯৮টি দলীল বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে হাদীসের অন্যতম হাফিয তাকীউদ্দিন সুবকী (রহঃ) ও রফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে জুযউ রফউল ইয়াদাইন’ নামে একখানা স্বতন্ত্র কিতাব রচনা করেছেন। সুতরাং মুহাদ্দিসগণের নিকট রফ’উল ইয়াদাইন যে কত বড় গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত তা সহজেই অনুমেয়।

(০২) ইমাম তিরমিযী (রহঃ), ইমাম ইবনু হিব্বান (রহঃ), ইমাম মুহাম্মাদ নাসর (রহঃ), ইমাম বুখারীর উস্তাদ ইমাম ইবনুল মাদীনী (রহঃ), ইবনু আবদুল বার (রহঃ), শাহ ইসমাঈল শহীদ (রহঃ), হাফিয ইবনুল কাইয়্যিম আল জাওযী (রহঃ), আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী (রহঃ), শায়খ সালিহ আল-উসাইমিন (রহঃ), স’উদী আরবের প্রাক্তন গ্রান্ড মুফতী শায়খ ‘আবদুল ‘আযীয বিন বায (রহঃ) প্রমূখ মুহাদ্দিসগণ সকলেই রফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে তাদের দলীল সহ মতবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আমরা বাংলাদেশের গুটিকতক গরুখাওয়া মুসলমান সোয়াবের আশায় মিলাদ, শবেবরাত, পীর পুজা, উরুস, মাজারের উপর গম্বুজ নির্মাণ, আজানের সময় আঙ্গুলে চুম্বন, প্রত্যেক ফরয নামাজের পর সম্মিলিত মোনাজাত, খতমে খাজেগাঁ, খতমে শবিনা, খতমে ইউনুস, নামাযের পূর্বে মুখে নিয়্যাত উচ্চারণ এসকল বিষয়গুলো নিয়ে এতই মেতে আছি অথচ নামাযের মধ্যে এত বড় একটা আমল ‘রফে’উল ইয়াদাইন’ কে কর্তন করে একেবারে বিতাড়িত করেছি। আর সকলকে বুঝাচ্ছি এটাও ঠিক ওটাও ঠিক!!

আসুন আমরা হিংসা-বিদ্বেষ ছেড়ে সঠিক আকিদার মানদন্ডে নিজেদের আমলকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করি। আমীন……………

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৭১৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৬৫ টি মন্তব্য

  1. আলহামদুলিল্লাহ!

    আসুন আমরা হিংসা-বিদ্বেষ ছেড়ে সঠিক আকিদার মানদন্ডে নিজেদের আমলকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করি।

    ইনশাল্লাহ

  2. আসসালামু আলাইকুম ভাই,
    বইটি পড়ে দেখবেন।
    Hanafee Fiqher Itihash O Porichoi – Mufti Maulana Abdur-Rauf

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    আলহামদু লিল্লাহ,

    ভাই বইটি পড়লাম। বইটি লিখার সময় লিখক কিছুটা স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিয়েছেন। যেমন তিনি ইমাম আবু হানিফাকে “তাবে তাবেঈ ” বলেছেন। অথচ তিনি একজন তাবেঈ ছিলেন। ধন্যবাদ।

    দেশী৪৩২

    @manwithamission,এটা ওয়াহাবি /সালাফি অয়েব। তাই পাঠকদের সাবধান করছি এখানকার বই পড়ার ক্ষেত্রে।
    ধন্যবাদ।

  3. ফিকহে হানাফী: কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট।

    এই লিংকটিও পড়বেন। আসলে আমাদের সত্য জানা দরকার। ধন্যবাদ।

  4. @শাহরিয়ার ,

    আপনি কোন বই থেকে এই পোস্ট দিয়েছেন সেটা উল্লেখ করেননি , করলে ভালো হতো ।

    আর রফে ইয়াদাইন না করার সপক্ষে যে দলীল দিয়েছেন সেটা ছাড়াও আরো দলীল আছে । আপনি প্রথমে উল্লেখ করেছেন আমরা না জেনে অনেক বেদআত করছি , এর দ্বারা হয়ত বুঝাচ্ছেন রফে ইয়াদাইন না করা বেদআত । রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর হাদিস শরীফ দ্বারা স্পষ্ট প্রমান আছে উনি রফে ইয়াদাইন করেছেন এবং করেন নাই । সেটাকে কোন সাহসে আপনি বিদআত বলেন । মুলত হাদিস এবং মাজহাব সম্বন্ধে আপনার পরিপূর্ন জ্ঞান না থাকার কারনে এটা বলেছেন ।

    মাওলানা তকী ওসমানীর “দরসে তিরমীযী” গ্রন্হে বিস্তারিত আছে এ বিষয়ে । “রফে ইয়াদাইন” না করার অসংখ্য দলীল সেখানে দেয়া আছে । লা মাজহাবী , আহলে হাদিস দের অপরিপক্ক জ্ঞান সমৃদ্ধ বই পড়ার সাথে সাথে “মাজহাব” সম্বন্ধে বিস্তারিত পড়াশুনা করুন। উসুলে ফিকাহ , উসুলে হাদিস, উসুলে তাফসীর সম্বন্ধ-এ বিস্তারিত না পড়ে কাউকে হুট করে বিদআত বলবেন না ।

    কোনো কোনো মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করে এবং কোনো কোনো মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করে না , যেহেতু দুই পক্ষের দলীল আছেন । যাদের কাছে যে দিলীল শক্তিশালী মনে হয়েছে , তারা সেটাই মাজহাবে নিয়ে এসেছেন । হযরত ওমর (রা) , আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা: ) সহ অসংখ্য সাহাবী রফে ইয়াদাইন করতেন না । তারা বিদআত করেছেন ?

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ,ভাই হাফিজ, আমার মনে হয় আপনি একটা অন্ধ গোঁড়া টাইপের মাযহাব ভক্ত লোক। ভুলকে ভুল স্বীকার করা আপনার ধাতে নাই। আগে ভাল করে পড়েন তার পরে কথা বলবেন। আমিকি জগৎ বিখ্যাত পন্ডিত? যে নিজ থেকে নব নব বিদ’আত আবিষ্কার করব; আমিও হানাফী মাযহাবের একজন অনুসারি। যদি আমার মাযহাবের সব থেকে বড় ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) বলেন রফ’উল ইয়াদাইন ছেড়ে দেওয়া গোনাহ সে ক্ষেত্রে আপনি কি বলবেন। হানাফী মাযহাবের বড় বড় উলিল অমরদের বক্তব্য পড়েছেন? না কি হেডিং পড়েই লম্ফ মারলেন? আগে পড়েন তারপর বলেন। আপনার কাছে কত দলিল আছে তা মোটামুটি দেখেছি। আপনার দলিলগুলির মান এবং বড় বড় মুহাদ্দিসগণের মন্তব্য গুলোও পড়েছি।

    এইটুক আবার পড়েন তারপর তর্ক করতে আসবেন। হাদীস সম্পর্কে আপনার জ্ঞান যে কোন পর্যায়ের তা সহজেই অনুমেয়। ভুলকে ভুল বলতে শিখেন, আপনারা ইসলামকে খন্ড খন্ড করার তালে আজ মত্ত। নিজেদের আমলকে এত বড় করে দেখেন যে অন্যকে স্বীকারই করেন না। মাযহাবী বই কোন দলীল না, ইচ্ছা করলে আপনি নিজেও এর সাপেক্ষে একটা বই লিখতে পারেন। আপনাকে রাসূলের সহীহ হাদীস মানতে হবে। আমার লেখায় রেফারেন্স দেওয়া আছে, একটু কষ্ট করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে খুঁজে দেখেন। আর শুধু ফিকহার বই নয়; সহীহ হাদীসও পড়া শেখেন দেখবেন মন থেকে গোঁড়ামী দুর হয়ে গেছে।

    প্রথমেই আমাদের হানাফী মাযহাবের শ্রেষ্ঠ আলিমগণের মতামত দিয়ে শুরু করা যাকঃ
    ১। মোল্লা ‘আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ সালাতে রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত না তোলা সম্পর্কে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো সবই বাতিল হাদীস। তন্মধ্যে একটিও সহীহ নয়। (মাওযু’আতে কাবীর, পৃ-১১০)

    ২। হানাফী মুহাদ্দিস আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (রহঃ) রুকু’তে যাওয়ার পূর্বে রফ’উল ইয়াদাইন করার ব্যাপারে ইমাম আবূ হানিফা (রহঃ) সম্পর্কে লিখেছেনঃ ইমাম আবূ হানিফা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তা ত্যাগ করলে গুনাহ হবে। (’উমদাতুল ক্বারী, ৫/২৭২)

    ৩। শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ যে মুসল্লী রফ’উল ইয়াদাইন করে ঐ মুসল্লী আমার কাছে অধিক প্রিয় সেই মুসল্লীর চাইতে যে রফ’উল ইয়াদাইন করে না। কারন রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীসগুলো সংখ্যায় বেশি এবং অধিকতর মজবুত। (হুজ্জাতুল্লাহহিল বালিগাহ ২/১০)
    তিনি আরো বলেন, রফ’উল ইয়াদাইন হচ্ছে সম্মান সূচক কর্ম। যা মুসল্লীকে আল্লাহর দিকে রুজু হওয়ার ব্যাপারে এবং সালাতে তন্ময় হওয়ার ব্যাপারে হুশিঁয়ার করে দেয়। (হুজ্জাতু্ল্লাহিল বালিগাহ ২/১০)

    ৪। আল্লামা আবুল হাসান সিন্ধী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ যারা এ কথা বলে যে, তাকবীরে তাহরীমাহ ছাড়া রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত তোলার হাদীস মানসূখ ও রহিত, তাদের ঐ দাবী দলীলবিহীন এবং ভিত্তিহীন। (শারহু সুনানে ইবনে মাজাহ, মিসরের ছাপা ১ম খন্ড ১৪৬ পৃষ্ঠার টিকা)

    ৫। আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশমিরী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ এ কথা জানা উচিত যে, সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস সূত্র ও ‘আমালের দিক দিয়ে ****মুতাওয়াতির, এতে কোনই সন্দেহ নেই। আর এটা মানসূখও নয় এবং এর একটি হরফও নাকচ নয়। (নাইলুল ফারকাদাইন, পৃ- ২২, রসূলে আকরাম কী নামায, পৃ-৬৯)

    ****মুতাওয়াতিরঃ মুতাওয়াতির বলা হয় সেই হাদীসকে যেটিকে এতো অধিক সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, তাদের পক্ষে সাধারণত মিথ্যার উপর একত্রিত হওয়া সম্ভব নয়।

    ৬। আল্লামা ‘আবদুল হাই লাখনৌভী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ নাবী (সাঃ)-এর সূত্রে রফ’উল ইয়াদাইন করার প্রমাণ বেশী এবং প্রাধান্যযোগ্য। আর এটা মানসূখ বা নাকচ হবার দাবী যা ত্বাহাভী, ইবনুল হুমাম ও আইনী প্রমূখ আমাদের দলের মনীষীদের পক্ষ থেকে প্রচারিত হয়েছে, তা এমনই প্রমাণহীন যে তদদ্বারা রোগী নিরোগ হয় না এবং পিপাসার্তও তৃপ্ত হয় না। (আত-তা’লীকুল মুমাজ্জাদ, পৃ-৯১)

    ৭। ইমাম মুহাম্মাদের সাথী ও ইমাম আবূ ইউসূফের শিষ্য ইসাম ইবনু ইউসূফ আল বালাখী (রহঃ)-এর রফ’উল ইয়াদাইন করা সম্পর্কে আল্লামা ‘আবদুল হাই লাখনৌভী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ ইসাম ইবনু ইউসূফ ছিলেন ইমাম আবূ ইউসূফের শাগরিদ এবং হানাফী। তিনি রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে উঠার সময় রাফ’উল ইয়াদাইন করতেন- (আল-ফাওয়ায়িদুল বাহিয়্যাহ ফী তারাজিমিল হানাফিয়্যাহ, পৃ-১১৬)। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক, সুফিয়ান সাওরী এবং শু’বাহ (রহঃ) বলেন, ইসাম ইবনু ইউসূফ মুহাদ্দিস ছিলেন। সেজন্য তিনি রফ’উল ইয়াদাইন করতেন। (আল-ফাওয়ায়িদুল বাহিয়্যাহ, পৃ-১১৬)

    ৮। শায়খ আবূত ত্বালিব মাক্কী হানাফী (রহঃ) তার ‘কুতুল কুলূব’ গ্রন্থে সালাতের সুন্নাত সমূহ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, রুকু’তে যাওয়ার সময় রফ’উল ইয়াদাইন করা ও তাকবীর বলা সুন্নাত। তারপর ‘সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ’ বলে রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। (কুতুল কুলূব ৩/১৩৯)

    ৯। কাজী সানাউল্লাহ পানিপত্তি হানাফী (রহঃ) বলেনঃ বর্তমান সময়ের অধিকাংশ ‘আলিমের দৃষ্টিতে রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। অধিকাংশ ফাক্বীহ ও মুহাদ্দিসীনে কিরাম একে প্রমাণ করেছেন। (মালাবুদ্দাহ মিনহু, পৃ-৪২, ৪৪)

    ১০। শায়খ ‘আবদুল ক্বাদির জিলানী (রহঃ) সালাতের সুন্নাত সমূহের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেনঃ সালাত শুরু করার সময়, রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ হতে উঠার সময় রফ’উল ইয়াদাইন করা সুন্নাত। (গুনিয়াতুত ত্বালিবীন, পৃ-১০)

    ১১। দ্বিতীয় আবূ হানিফা নামে খ্যাত আল্লামা ইবন নুজাইম (রহঃ) বলেনঃ রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে মাথা উঠানোর সময় রফ’উল ইয়াদাইন করলে সালাত বরবাদ হবার কথা যা মাকহুল নাসাফী ইমাম আবূ হানিফা থেকে বর্ণনা করেছেন তা বিরল বর্ণনা, যা রিওয়ায়াত ও দিরায়াত উভয়েরই পরিপন্থী অর্থাৎ সূত্রতঃ ও জ্ঞানত” ঠিক নয়। (রাহরু রায়িক ১/৩১৫, যাহরাতু রিয়অযুল আবরার, পৃ-৮৯)

    ১২। দেওবন্দের শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমূদুল হাসান বলেনঃ রফ’উল ইয়াদাইন মানসূখ নয়। আর এর স্থায়িত্ব প্রমাণিত নয়- (ইযাহুল আদিল্লাহ)। ইতিপূর্বে ইমাম যায়লায়ী হানাফীর বরাত দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে যে, এর স্থায়িত্ব প্রমাণিত। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত আজীবন রাফ’উল ইয়াদাইন করেছিলেন। (নাসবুর রায়াহ তাখরীজ আহাদীসিল হিদায়া ১/৪১০)

    ১৩। মুফতী আমিমুল ইহসান লিখেছেনঃ যারা রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস মানসূখ-আমি বলি, তাদের একটি মাত্র দলীল (অর্থাঃ ইবনু মাস’উদের হাদীস), দ্বিতীয় কোন দলীল নাই। (ফিকহুস সুনার ওয়াল আসার, পৃ-৫৫)

    ১৪। হানাফী মাযহাবের ফিক্বাহ গ্রন্থাবলীতেও রাফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে বক্তব্য রয়েছে। তন্মধ্যকার কয়েকটি উল্লেখ করা হলঃ
    (ক) রুকু’র পূর্বে ও পরে রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস প্রমাণিত আছে। (আয়নুল হিদায়া ১/৩৮৪, নুরুল হিদায়া)

    (খ) রফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস, রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীসের চাইতে শক্তিশালী ও মজবুত। (আয়নুল হিদায়া ১/৩৮৯)

    (গ) বায়হাক্বীর হাদীসে আছে, ইবনু উমার বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত সালাতের মধ্যে রফ’উল ইয়াদাইন করেছেন। (ইয়নুল হিদায়া ১/১৮৬)

    (ঘ) রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীস দুর্বল। (নুরুল হিদায়া, ১০২)

    (ঙ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে রফ’উল ইয়াদাইন প্রমাণিত আছে এবং এটাই হাক্ব। (আয়নুল হিদায়অ ১/৩৮৬)

    এবার সহীহ হাদীসের আলোকে রফ’উল ইয়াদাইনের কয়েকটি প্রসিদ্ধ হাদীস বর্ণনা করা হলোঃ

    (১) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখেছি, তিনি যখন সালাতেস জন্য দাঁড়াতেন তখন কাঁধ পর্য্ত দু’ হাত উঠাতেন, এবং তিনি যখন রুকু’র জন্য তাকবীর বলতেন তখনও এরূপ করতেন, আবার যখন রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন তখনও এ রকম করতেন এবং সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ বলতেন। তবে তিনি সাজদাহর সময় এমন করতেন না। (সহীহুল বুখারী, ৭৩৪, ৭৩৫, মুসলিম, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ, মুয়াত্তা মালিক, মায়াত্তা মুহাম্মাদ, ত্বাহাভী, বায়হাক্বী, তিরিমিযী)

    (২) মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাতের জন্য তাকবীর দিতেন তখন কান পর্যন্ত দু’ হাত উঠাতেন। একইভাবে তিনি রুকু’তে যাওয়ার সময় কান পর্যন্ত দু’ হাত উঠাতেন এবং রুকু’ থেকে উঠার সময়ও কান পর্যন্ত হাত উঠাতেন ও সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ বলতেন। (সহীহ মুসলিম হা/৩৯১, সহীহ সুনানে ইবনে মাজাহ, সহীহ আবূ দাউদ, ইরওয়অ ২/৬৭, হাদীসটি সহীহ)

    (৩) আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে তাকবীরে তাহরীমাহর সময়, রুকু’র সময়, রুকু’ হতে মাথা উঠানোর সময় এবং দু’ রাক’আত শেষে তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়ানোর সময়ে রফ’উল ইয়াদাইন করতে দেখেছেন। (বায়হাক্বী ২/৮০, বুখারীর জুযউল ক্বিরআত, আবূ দাউদ, ইবনে মাজাহ)

    (৪) ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি তাকবীর দিয়ে সালাত আরম্ভ করে দু’হাত উঁচু করলেন। অতঃপর রুকু’ করার সময় এবং রুকু’র পরেও দু’হাত উঁচু করলেন। (আহমাদ, বুখারীর জুযউল ক্বিরাআত, ইবনে মাজাহ, আবূ দাউদ)

    (৫) মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর বলেন, আমি নাবী (সাঃ) এর দশজন সাহাবীর মধ্যে আবূ হুমাইদের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তাঁদের (আবূ হুমাইদ, আবূ উসাইদ, সাহল ইবনু সা’দ, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ- (রাঃ) প্রমুখ সাহাবীগণের) মধ্যে একজন আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু রবয়ী (রাঃ) ও ছিলেন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সালাত সম্পর্কে আপনাদের চাইতে বেশি অবগত। তাঁরা বললেন, তা কিভাবে? আল্লাহর শপথ! আপনি তো আমাদের চেয়ে তাঁর অধিক নিকটবর্তী ও অধিক অনুসরণকারী ছিণেন না। তিনি বললেন, বরং আমি তো তাঁকে পর্যবেক্ষন করেছিলাম। তাঁরা বললেন, এবার তাহলে উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন দু’হাত উঁচু করতেন এবং যখন রুকু’ করতেন, রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন, এবং দু’ রাক’আত শেষে তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়াতেন তখনও দু’ হাত উঁচু করতেন। এ বর্ণনা শুনে তাঁরা সবাই বললেন, আপনি সত্যই বলেছেন। (বুখারীর জুযউল ক্বিরাআত, সহীহ ইবনু মাজাহ, সহীহ আবূ দাউদ)

    রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস ও আসারের সংখ্যা এবং সেসবের মান-

    (ক) রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কে বর্ণিত সর্বমোট সহীহ হাদীস ও আসারের সংখ্যা অনূ্যন ৪০০ শত। (সিফরুস সাআদাত, পৃ-১৫)

    (খ) ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস সমূহের সানাদের চেয়ে বিশুদ্ধতম সানাদ আর নেই। (ফাতহুল বারী ২/২৫৭)

    (গ) হাদীসের অন্যতম ইমাম হাফিয তাকীউদ্দিন সুবকী (রহঃ) বলেন, সালাতের মধ্যে রফ’উল ইয়অদাইন করার হাদীস এতো বেশী যে, রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীসকে মুতাওয়াতির বলা ছাড়া উপায় নেই। (সুবকীর জুযউ রফ’উল ইয়াদাইন)

    রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীগণের সংখ্যা-
    *** রুকু’তে যাওয়া ও রুকু’ হতে উঠার সময় রফ’উল ইয়অদাইন করা সম্পর্কে চার খলীফাসহ প্রায় ২৫ জন সাহাবী থেকে বর্ণিত হাদীস সমূহ রয়েছে। (সালাতুর রসূল (সাঃ), পৃষ্ঠা ৬৫, হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশিত)

    ***মুহাদ্দিস ইরাক্বী (রহঃ) তাঁর ফাতহুল মুগীস গ্রন্থে বলেন, আমি সালাতে রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস প্রায় ৫০ জন সাহাবা হতে একত্রিত করেছি। তিনি তাকরীবুল আসানীদ ও তাকরীবুল মাসানীদ গ্রন্থে বলেন, জেনে রাখ! সালাতে রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস ৫০ জন সাহাবায়ি কিরাম হতে বর্ণিত হয়েছে। (ফাতহুল মুগীস ৪/৮, কিতাবু তাকরীবুল আসানীদ ও তাকরীবুল মাসানীদ প্র-১৮)

    manwithamission

    @শাহরিয়ার,
    ভাই আমার দেওয়া বইয়ের লিংক থেকে ডাউনলোড করে বইটা পড়ে নিবেন।

    রাফে ইদাইন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক নতুন কিছু নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুযায়ী নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কারো গবেষণা, কারো মতামত অনুযায়ী নামাজ পড়লে তা গ্রহণযোগ্যতা অনেকটুকু হারিয়ে ফেলে। তাই সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী নামাজ সম্পাদন করাটাই যুক্তিযুক্ত।

    যেসব বিষয়গুলো নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়ে থাকেঃ
    *হাত কোথায় বাধব যেমনঃ বুক, নাভীর উপরে নাকি নীচে।
    *রাফে ইদাইন
    *প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ব না কি পড়ব না
    *সূরা ফাতিহার পর জোরে আমীন বলা (মাগরীব, এশা ও ফজরের নামাজে)
    *বিতরের নামাজ এর নিয়ম

    উপরোক্ত সবগুলো বিষয়গুলোর মধ্যে যে নিয়মগুলো নিয়ে সহীহ হাদীস রয়েছে সেগুলো নির্ধিদায় পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের উচিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সরাসরি অনুসরণ করা ফরজ। কারণ সরাসরি অনুসরণ করা আল্লাহর নির্দেশ।
    “হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর” (সূরা নিসাঃ ৫৯)

    এরপর ঠিক এই আয়াতেই বলা হয়েছেঃ “তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম”

    একই আয়াতে বিবাদের সমাধানও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    সবশেষে যে কথা বলতে চাই, এগুলো নিয়ে চরম তর্ক-বিতর্ক, কাউকে হেয় চোখে দেখতে শুরু করা, মাযহাবী, লা-মাযহাবী বলে প্রভৃতি দলভুক্ত করা আর যাই হোক একজন মুসলমানের কাজ নয়। মোটকথা চরমপন্থা গ্রহণযোগ্য নয়। কেউ একটা কথা বললো আর সবাই ত্বড়িৎ বেগে তা মেনে নিবে তা আশা করা অমূলক। মানুষের বুঝতে অনেক সময় লাগে। হিদায়াতের মালিক আল্লাহ। যে বান্দাহ আল্লাহকে ভালবাসে, শিরক করে না সেই বান্দাহকে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই হিদায়াত করবেন।

    মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    শাহরিয়ার

    @manwithamission,ধন্যবাদ ব্রাদার, আপনার লিংক থেকে ডাউনলোড পর্যন্ত করেছি কিন্তু পড়তে পারছিনা জ্বরের কারনে। আপনার কথাগুলো খুব ভাল লাগল। আমরা আজ এত অন্ধ হয়ে গেছি যে সত্যকে উপলব্ধিকরা প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে। সেই বাপ-দাদার আমল থেকে নামাজের শুরুতে নিয়্যত করে আসছি; এখন বই পড়ে জানলাম এটা বিদ’আত। বলুনতো ভাই, এটাকি মন মানতে চায় ? আবার রফ’উল ইয়াদাইন করে আমাদের দেশে লা-মাযহাবীরা, আমি ওদের সাথে অনেক তর্ক বিতর্ক করেছি। এখন যদি আমি রফ’উল ইয়াদাইন করি তাহলে নিজের কাছেই হেরে যাব। আমরা সত্যকে স্বীকার করতে চাইনা কেন? আমাদের মাঝে এত হিংসা বিদ্বেষ কেন? আমরা সহীহ হাদীসের বিপরীতে দুর্বল হাদীসকে কেন প্রাধান্য দেই? এই রফ’উল ইয়াদাইন নিয়ে ইমাম বুখারী যে বইটা লিখেছে তা যদি আমরা একবার পড়ি তাহলে আমাদের ভুল কি ভাঙবে না? ইমাম বুখারী কি যেন তেন পাবলিক? হাফিজ ভাই মানুষকে হেয় করে; যেমন ধরুন তিনি লা-মাযহাবীদের অপরিপক্ক জ্ঞান বলে সম্বোধন করে। আমি কাউকে এভাবে হেয় করতে নারাজ। উনি কুয়ার মধ্যে বসে আছেন, তাই ওনার চোখে সাগরের অস্তিত্ব নাই।
    যে মসজিদে নাবী (সাঃ) নামাজ পড়তেন এবং মুসলমানদের তীর্থস্থান মক্কার ইমাম সাহেবকে উনিকি দেখেছেন কিভাবে নামাজ পড়েন? বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান যার পিছনে নামায পড়ে আসছেন, হাফিজ ভাই নিঃসন্দেহে মক্কায় নামাজ পড়বেন না। কারন সেখানে মাযহাবি ইমাম নাই। রফ’উল ইয়াদাইন নিয়ে যত দলিল আছে আমি সবই পড়েছি, সব থেকে শক্তিশালী দলিল হচ্ছে ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর। আর সেই দলিলটাই দুর্বল! অন্যান্যগুলো নিয়ে আলোচনা করলে আরো দশ পাতা টাইপ করতে হবে। এই অসুস্থ শরীর নিয়ে আমি তা পারছি না বলে দুঃখিত। তবে প্রয়োজন পড়লে আমি ওনার চোখের উপর যে পর্দা পড়েছে তা উন্মুক্ত করে দিব ইনশাআল্লাহ।
    কারন মাযহাব মানা মানে এই নয় যে আমাকে ভুলকে স্বীকার করে নিতে হবে।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    আসসালামু আলাইকুম।

    The Muqtadi (follower) Should Listen and Remain Silent
    Allah Ta’aala says: “When the Qur’an is being recited then listen attentively and remain silent so that mercy will be showered upon you”.

    Hazrat Abdullah Ibn Mas’ud, Abu Hurairah, Abdullah Ibn Abbas and Abdullah Ibn Mughaffal (radhiallahu anhum) state that this verse of the Quran was revealed with regards to the Khutba (of Juma’ah) and with regards to Salaah. [Tafsir Ibn Kathir, vol. 1 pg. 281]

    The dictates of this verse of the Holy Qur’an is that when the Imaam recites the Qur’an aloud, the followers should listen attentively, and when he recites softly, the followers should remain silent.

    Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) is reported to have said: “When you begin your congregational prayers, straighten your rows. Thereafter when the Imaam says the takbeer (i.e. when he says Allahu Akbar aloud) you must also say the takbeer. However, when he begins the recital of the Qur’an, you must remain silent. And when he recites walad daul leen then you should say Aameen”. By performing your salaah in this manner Allah Ta’ala will love you.” [Muslim; ch. on tashahhud]

    (A similar Hadith has been narrated by Abu Hurairah (radhiallahu anhu)-Imaam Muslim has attested to its authenticity; ibid).

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    The muqtadi Must Not Recite Surah Fatiha

    It is reported from Hazrat Ataa Ibn Yasaar (radhiallahu anhu) that he questioned Hazrat Zaid Ibn Thaabit (radhiallahu anhu) concerning reciting Qira’at with the Imaam. Hazrat Zaid (radhiallahu anhu) answered: “There is no recitation of the Glorious Qur’an in any salaah behind the Imaam”. [Sahih Muslim, chapter on Sujood-ut-Tilaawah, Hadith 577]

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    To Tie the Hands Beneath the Navel

    Hazrat Ali (radhiallahu anhu) relates that the sunnah of Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) is to place one hand over the other below the navel. [Abu Daud, ch. on Wad’ul Yumna, Hadith 756]

    The above-mentioned method of tying the hands is also related by Hazrat Anas (radhiallahu anhu).

    manwithamission

    @দ্য মুসলিম,
    ওয়া আলাইকুম আসসলাম,
    Thank you, brother for your comments. You tried to prove your point and to do that you wrote some vague answer. I really hate doing argue however since you gave wrong answer I have to make it clear.

    Firstly, in IBN KATHIR, there is a section called, “Al-Fatihah and the Prayer” and beneath that title you will find:
    Muslim recorded that Abu Hurayrah said that the Prophet said, (Whoever performs any prayer in which he did not read Umm Al-Qur’an, then his prayer is incomplete. ) He said it thrice.

    After that you will find another hadith regarding Allah’s answering towards who prays Fatiha in prayer.

    Secondly, you quoted a hadith and at the beneath you mentioned, [Sahih Muslim, chapter on Sujood-ut-Tilaawah, Hadith 577] here Sujood means prostration and any recitation from Noble Quran is prohibited while doing prostration.
    however the actual hadith is:
    The Book of Prayers (Kitab Al-Salat)
    Muslim :: Book 4 : Hadith 780
    ‘Ata’ reported it on the authority of Abu Huraira who said: Recitation (of Surat al-Fatiha) in every (rak’ah) of prayer in essential. (The recitation) that we listened to from the Apostle of Allah (may peace be upon him) we made you listen to it. And that which he recited inwardly to us, we recited it inwardly for you. And he who recites Umm al-Qur’an, it is enough for him (to complete the prayer), and he who adds to it (recites some other verses of the Holy Qur’an along with Surat al-Fatiha), it is preferable for him.

    Thridly,
    Characteristics of Prayer
    Bukhari :: Book 1 :: Volume 12 :: Hadith 723
    Allah’s Apostle said, “Whoever does not recite Al-Fatiha in his prayer, his prayer is invalid.”

    Fourthly, you mentioned,
    To Tie the Hands Beneath the Navel

    Hazrat Ali (radhiallahu anhu) relates that the sunnah of Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) is to place one hand over the other below the navel. [Abu Daud, ch. on Wad’ul Yumna, Hadith 756]

    again what I’ve found,
    Prayer (Kitab Al-Salat): Details of Commencing Prayer
    Dawud :: Book 3 : Hadith 756
    Narrated Ali ibn AbuTalib:

    Jarir ad-Dabbi reported: I saw Ali (Allah be pleased with him) catching hold of his left hand) by his right hand on the wrist above the navel.

    It says above the navel!!!

    Dawud :: Book 3 : Hadith 758
    Narrated Tawus:

    The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) used to place his right hand on his left hand, then he folded them strictly on his chest in prayer.

    Although, I’ve found this hadith but this one isn’t like yours,
    Dawud :: Book 3 : Hadith 757
    Narrated AbuHurayrah:
    (The established way of folding hands is) to hold the hands by the hands in prayer below the navel.

    Fifthly, your wrote
    @শাহরিয়ার,

    আমি রফয়েইয়াদাইন এর প্রসংগে একটি সহীহ হাদীস জানি। তা তুলে ধরলামঃ

    Hazrat Jaabir Ibn Samurah (radhiallahu anhu) relates that once Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) came out of his house towards us and said: “Why is it that I see you all raising your hands as though they are the tails of stubborn horses. Be tranquil in salaah”. [Sahih Muslim, Hadith 430]

    however the actual hadith is like below:
    The Book of Prayers (Kitab Al-Salat)
    Muslim :: Book 4 : Hadith 866
    Jabir b. Samura reported: When we said prayer with the Messenger of Allah (may peace be upon him), we pronounced: Peace be upon you and Mercy of Allah, peace be upon you and Mercy of Allah, and made gesture with the hand on both the sides. Upon this the Messenger of Allah (may peace be upon him said: What do you point out with your hands as if they are the tails of headstrong horses? This is enough for you that one should place one’s hand on one’s thigh and then pronounce salutation upon one’s brother on the right side and then on the left.

    Sixthly, Human mind wouldn’t change just because he read or hear until Allah bestows his blessing upon that Human. Again, I ain’t giving you any pressure to agree with me. Things will only stay with you which are clear to you. I’ve just wrote from the authentic source to clarify.

    May Allah help us to be on steadfast to HIS din and allow us to do righteous deeds and help us from Satan traps. Ameen.

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    Thanks Brother. I am still trying to find out the truth. If you are, you must be win. Jazakallah.

    দ্য মুসলিম

    @শাহরিয়ার,

    আমি রফয়েইয়াদাইন এর প্রসংগে একটি সহীহ হাদীস জানি। তা তুলে ধরলামঃ

    Hazrat Jaabir Ibn Samurah (radhiallahu anhu) relates that once Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) came out of his house towards us and said: “Why is it that I see you all raising your hands as though they are the tails of stubborn horses. Be tranquil in salaah”. [Sahih Muslim, Hadith 430]

    শাহরিয়ার

    @দ্য মুসলিম,পিসির দিকে তাকাতে পারছি না, তার পরেও লিখতে হচ্ছে!!

    আপনার হাদীসখানা কি রফ’উল ইয়াদাইন না করার দলিল? যদি এটি খন্ডাতে পারি তাহলে আর কয়টা হাজির করবেন? এক সাথে সবগুলো হাজির করলে খন্ডাতে সুবিধা হয়। যাই হোক অসুস্থ শরীরে একটাই খন্ডন করার চেষ্টা করি।

    ‘জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঘর থেকে বের হয়ে আমাদেরকে সালাত আদায় করা অবস্থায় দেখলেন এবং বললেনঃ তোমাদের কি হয়েছে, অবাধ্য ঘোড়ার লেজের মত বার বার হাত উঠাচ্ছ কেন? সালাতের মধ্যে নিশ্চল থাকবে।” (মুসলিম)

    এই হাদীসটি জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) এর তিনখানা সহীহ হাদীস ইমাম মুসলীম তার হাদীস গ্রন্থে, “সালাতে নাড়াচড়া করা, সালামের সময় হাতের ইশারা করা ও হাত উঠান নিষেধ” অনুচ্ছেদে বর্ণনা করেছেন।

    এখানে হদিসটি বিকৃত করে মৌলভী আবদুর রাজ্জাক, খালিশপুর আশ্রাফুল উলুম মাদ্রাসা, খুলনা, তার ‘নামাযের সঠিক পদ্ধতি’ নামক বইতে ঠিক এভাবে লিখেছেনঃ

    জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঘর থেকে বের হয়ে আমাদেরকে সালাত আদায় করা অবস্থায় দেখলেন এবং বললেনঃ তোমাদের কি হয়েছে, অবাধ্য ঘোড়ার লেজের মত বার বার ‘রাফউল ইয়াদাইন” করছ অর্থাৎ বার বার হাত উঠাচ্ছ। হে সাহাবীগণ! তোমরা সালাতের মধ্যে স্থিরতা অবলম্বন কর।

    ***(এখানে মূল হাদীসের সাথে “রাফউল ইয়াদাইন” কথাটা উনি মাযহাব ঠিকরাখার জন্য জুড়ে দিয়েছেন) এনার হলেন সমাজের শত্রু; ইসলামের শত্রু।

    প্রকৃত পক্ষে এই অনুচ্ছেদটির নামই হচ্ছে “সালামের সময় ইশারা করা ও হাত উঠানো নিষেধ”

    এই একই সাহাবীর তিনটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, দ্বিতীয় হাদীসটি দেখুনঃ
    “জাবির ইবনে সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সংগে সালাত আদায় করতাম তখন সালাত শেষে ডান-বাম দিকে হাত ইশারা করে “আসসালামু আলাইকু ওয়া রহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ” বলতাম। তাতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ “তোমরা চঞ্চল ঘোড়ার লেজ নাড়ার মত হাত ইশারা করছ কেন? উরুর উপর হাত রেখে ডানে-বামে অবস্থিত তোমাদের ভাইকে (মুখ ফিরিয়ে) আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। (মুসলিম ২য় খন্ড, ই.ফা. হা/৮৫৩, ৮৫৪, সুনানু নাসাঈ ২য় খন্ড ই.ফা. হা/১১৮৭, ১১৮৮) , ,
    ,
    আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন উক্ত হাদীসটি রফ’উল ইয়াদাইন অধ্যায়ের নয়। রফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষের হাদীস কতটি জানেন?
    ০১। সহীহ আল বুখারী, আ.প্র. ১ম খন্ড, হাঃ নং- ৬৯১, ৬৯২,৬৯৩, ৬৯৪, ৬৯৫ = ৫ খানা
    ০২। মুসলিম, ই.ফা. ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৭৪৫, ৭৪৬, ৭৪৭, ৭৪৮, ৭৪৯, ৭৫০, ৭৮০= ৭ খানা
    ০৩। মেশকাত, ২য় খন্ড, মাদ্রাসা পাঠ্য, হাঃ নং- ৭৩৭, ৭৩৮, ৭৩৯, ৭৪১, ৭৪৫= ৫ খানা
    ০৪। মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদ, হাঃ নং- ১০০, ১০১ = ২ খানা
    ০৫। সুনানু নাসাঈ, ই.ফা. ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৮৮০, ৮৮১, ৮৮৩, ৮৮৪, ৮৯২= ৫ খানা
    ০৬। তিরমিযী, ১ম খন্ড, আঃ নূও সাল্লাফী, হাদীস নং- ২৪৭
    ০৭। ইবনে মাজাহ, ই.ফা. ১ম খন্ড, হাঃ নং- ৮৫৮ হতে ৮৬৮ = ১১ খানা
    ০৮। আবু দাউদ, ই.ফা. ১ম খন্ড, হাঃ নং- ৭২১, ৭২২, ৭২৩, ৭২৬, ৭৩০, ৭৩৮, ৭৩৯, ৭৪১, ৭৪২, ৭৪৩, ৭৪৪, ৭৪৫ = ১২ খানা

    আমরা মুখে বলি সহীহ হাদীস মানতে হবে; বাস্তবে এর ধারে কাছেও যেতে চাই না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমীন

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    কোনো কোনো মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করে এবং কোনো কোনো মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করে না , যেহেতু দুই পক্ষের দলীল আছেন ।

    আমি বলেছি দুই পক্ষের দলীল আছে, সেখানে আপনি বিশাল দলীল দিলেন রফে ইয়াদাইন এর পক্ষে এর কারন কি ?

    আর আমি জানতে চাই কোন বই থেকে আপনি কপি পেস্ট করছেন ? সেই বইটার নাম জানা যাবে কি ? নাসিরুদ্দিন আল বানীর “রসুলুল্লাহর নামাজ” নাকি “হাফিজ পাঠানের” বই ?

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ, আমি বলেছি দুই পক্ষের দলীল আছে, সেখানে আপনি বিশাল দলীল দিলেন রফে ইয়াদাইন এর পক্ষে এর কারন কি ?

    বিপক্ষের দলীলগুলো অধিক দুর্বল। কথাটা আমার নয় হানাফী মাযহাবের বিশিষ্ট আলিমগণের। ভাই হাফিজ, দুই পক্ষেরই দলিল আছে তবে রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীস বাতিল। দেখুন——-নীচেঃ

    ১। মোল্লা ‘আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ সালাতে রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত না তোলা সম্পর্কে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো সবই বাতিল হাদীস। তন্মধ্যে একটিও সহীহ নয়। (মাওযু’আতে কাবীর, পৃ-১১০)

    ২। হানাফী মুহাদ্দিস আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (রহঃ) রুকু’তে যাওয়ার পূর্বে রফ’উল ইয়াদাইন করার ব্যাপারে ইমাম আবূ হানিফা (রহঃ) সম্পর্কে লিখেছেনঃ ইমাম আবূ হানিফা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তা ত্যাগ করলে গুনাহ হবে। (’উমদাতুল ক্বারী, ৫/২৭২)

    ৪। আল্লামা আবুল হাসান সিন্ধী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ যারা এ কথা বলে যে, তাকবীরে তাহরীমাহ ছাড়া রুকু’তে যাওয়ার সময় এবং রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত তোলার হাদীস মানসূখ ও রহিত, তাদের ঐ দাবী দলীলবিহীন এবং ভিত্তিহীন। (শারহু সুনানে ইবনে মাজাহ, মিসরের ছাপা ১ম খন্ড ১৪৬ পৃষ্ঠার টিকা)

    ৫। বায়হাক্বীর হাদীসে আছে, ইবনু উমার বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত সালাতের মধ্যে রফ’উল ইয়াদাইন করেছেন। (ইয়নুল হিদায়া ১/১৮৬)

    ৬। রফ’উল ইয়াদাইন না করার হাদীস দুর্বল। (নুরুল হিদায়া, ১০২)

    ভাই হাফিজ, দুই পক্ষেরই হাদীস আছে বললেই হবে না, এখানে হাঁ- বোধক এবং না- বোধক জড়িত। সম্পূর্ণ উল্টা! এখানে আমাদের দেখতে হবে কোনটি সহীহ। আমরা ভাল করে জানি সব হাদীসই সহীহ নয়, যদি তা-ই হতো তাহলে ইসলামে এত দলাদলি হতো না। আমাদের মানতে হবে সহীহ হাদীস, দুর্বল হাদীসের উপর আমল তখনই করব যখন সহীহ হাদীস খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা মাযহাব নিয়ে এত বড়াই করি; তাহলে মাযহাবের বইয়ে যে কথা লেখা আছে তা মানতে এতো কিসের আপত্তি? ১নং, ২নং, ৫নং এবং ৬নং বইতো আমাদের মাযহাবেরই বই নয় কি?

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    ভুলকে ভুল বলতে শিখেন, আপনারা ইসলামকে খন্ড খন্ড করার তালে আজ মত্ত।

    যারা মাজহাব মানে তারা ৪ টি মাজহাবের মধ্যে যেকোন একটি মানে । আর আপানাদের মতো যারা লা মাজহাবি তারা ৪ হাজার মত নিয়ে মাতামাতি করে । আপনি বেদআত কোনটা বলছেন সেটা পরিস্কার করেন । “রফে ইয়াদাইন” না করা বিদআত ?

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ, মিলাদ মাহফিল, শবেবরাত, পীর পুজা, উরুস, মাজারের উপর গম্বুজ নির্মাণ, আজানের সময় আঙ্গুলে চুম্বন, প্রত্যেক ফরয নামাজের পর সম্মিলিত মোনাজাত, খতমে খাজেগাঁ, খতমে শবিনা, খতমে ইউনুস, নামাযের পূর্বে মুখে নিয়্যাত উচ্চারণ এগুলো বিদ’আত।

    ভাই হাফিজ, লা-মাজহাবীতো আপনি, কারন আমাদের নেতা ইমাম আবু হানিফা এবং অন্যান্য মুহাদ্দিসগণতো রফ’উল ইয়াদাইনের পক্ষে। আপনি এনাদের বাদ দিয়ে কোন মাযহাবের অনুসরণ করছেন? ইমাম আবূ হানীফার এই কথাটি কি আপনার জানা আছে?
    “সহীহ হাদীসই আমার মাযহাব” যারা ওনার কথাকে মূল্য না দেয় তারা লা-মাযহাবী। আপনিও তাই, কারন আপনারা সওয়াবের আশায় কতযে নতুন নতুন কাজ কর্ম চালু করেছেন।

    উপরের বর্ণিত কর্মগুলো তার জ্বলন্ত প্রমান। লা-মাযহাবী তাদেরকে বলে, যারা রাসূলের মাযহাব ত্যাগ করে অন্য কোন মাযহাব অনুসরণ করে। আপনিকি জানেন, হানাফীয়া মাযহাব হচ্ছে পথভ্রষ্ট ৭২ দলের মধ্যে মুরজিয়া সম্প্রদায়ের ১২ টি উপদলের মধ্যে একটি। সুতরাং মাযহাব নিয়ে এত গর্ব ভালো নয়। Hanafee Fiqher Itihash O Porichoi – Mufti Maulana Abdur-Rauf

    দ্য মুসলিম

    @শাহরিয়ার ,

    আপনিকি জানেন, হানাফীয়া মাযহাব হচ্ছে পথভ্রষ্ট ৭২ দলের মধ্যে মুরজিয়া সম্প্রদায়ের ১২ টি উপদলের মধ্যে একটি। সুতরাং মাযহাব নিয়ে এত গর্ব ভালো নয়।
    এ কথাটি আগেই শুনেছিলাম। হযরত আব্দুল কাদের জীলানী রহঃ নাকি একটি বইতে এ কথা লিখেছিলেন? বইটির নাম দিতে পারবেন? অথবা কোন দলিল?

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    আপনিকি জানেন, হানাফীয়া মাযহাব হচ্ছে পথভ্রষ্ট ৭২ দলের মধ্যে মুরজিয়া সম্প্রদায়ের ১২ টি উপদলের মধ্যে একটি। সুতরাং মাযহাব নিয়ে এত গর্ব ভালো নয়।

    তার অর্থ আপনি বলছেন , “হানাফী মাজহাব ৭২ দলের মধ্যে পড়ে এবং পথভ্রষ্ট” ? উপরের আপনার কমেন্ট কি সেটাই বোঝাচ্ছে নাকি অন্য কিছু ?

    দ্য মুসলিম

    @শাহরিয়ার ,

    ভাই, লিংকটি কেন দিলেন? মুফতী সাহেব যা লিখেছেন তা কি আপনি বিশ্বাস করেন? আপনি কি উনার সাথে একমত। লিংকটি আমি পড়েছি, বোঝা যাচ্ছে তিনি একজন গোঁড়া টাইপের মানুষ। আমি অচিরেই এ ব্যপারে একটি পোষ্ট দিচ্ছি। আপনাকে মুক্ত আলোচনার জন্য দাওয়াত দেয়া গেলো।

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    যে নিজ থেকে নব নব বিদ’আত আবিষ্কার করব; আমিও হানাফী মাযহাবের একজন অনুসারি।

    আপনি হানাফী মাজহাবের অনুসারী , হানাফী মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করা হয় না । তাহলে আপনি হানাফী মাজহাব কিভাবে অনুসরন করেন ? বুঝিয়ে বলবেন কি ?

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ, আপনি হানাফী মাজহাবের অনুসারী , হানাফী মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করা হয় না । তাহলে আপনি হানাফী মাজহাব কিভাবে অনুসরন করেন ? বুঝিয়ে বলবেন কি ?
    ০১) ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) রফ’উল ইয়াদাইন করতেন (’উমদাতুল ক্বারী, ৫/২৭২)
    ০২) মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) ” ”
    ০৩) আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (রহঃ) ” ”
    ০৪) শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী হানাফী (রহঃ) ” ”
    ০৫) আবুল হাসান সিন্ধী, আবদুল হাই লখনৌভী, আনোয়ার শাহ কাশমিরী, কাজী সানাউল্লাহ পানিপত্তি, আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ), ইবনু নুজাইম (রহঃ) সহ আরো অসংখ্য হানাফী মাযহাবের বড় বড় আলিমগণ রফ’উল ইয়াদাইন করতেন।
    আমি তাদের অনুসারী, আপনারা নিজেদের হানাফী মাযহাবের অনুসারী বললেও আপনারা আরেকটি উপদল মাত্র। সত্যিকারের হানাফী মাযহাবী নন। আমাদের হুজুরগণ কেন রফ’উল ইয়াদাইন করেনা জানেন? কারন আপনাদের মতো অন্ধ গোঁড়া যারা আছেন তারা সেই ইমামের পিছনে নামাজই পড়বেন না। কি পড়বেন?

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার ,

    আমাদের হুজুরগণ কেন রফ’উল ইয়াদাইন করেনা জানেন? কারন আপনাদের মতো অন্ধ গোঁড়া যারা আছেন তারা সেই ইমামের পিছনে নামাজই পড়বেন না। কি পড়বেন?

    আমি তো আপনাকে ব্যক্তি আক্রমন করছি না , আপনি কথায় কথায় অন্ধ গোড়া এগুলো বলছেন কেনো ? আপনি কি উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছেন ? আপনি বলেছেন এটা পর্যালোচনা , কিন্তু আলাপ করলেই বা প্রশ্ন করলেই ব্যক্তিগত আক্রমন করছেন ? তাহলে কে গোড়া ? আর যদি এত কমেন্ট করেন তাহলে হেডিং দ্যান বিপক্ষের কোনো কমেন্ট এখানে করা যাবে না ।

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    আমরা বাংলাদেশের গুটিকতক গরুখাওয়া মুসলমান সোয়াবের আশায় মিলাদ, শবেবরাত, পীর পুজা, উরুস, মাজারের উপর গম্বুজ নির্মাণ, আজানের সময় আঙ্গুলে চুম্বন, প্রত্যেক ফরয নামাজের পর সম্মিলিত মোনাজাত, খতমে খাজেগাঁ, খতমে শবিনা, খতমে ইউনুস, নামাযের পূর্বে মুখে নিয়্যাত উচ্চারণ এসকল বিষয়গুলো নিয়ে এতই মেতে আছি অথচ নামাযের মধ্যে এত বড় একটা আমল ‘রফে’উল ইয়াদাইন’ কে কর্তন করে একেবারে বিতাড়িত করেছি। আর সকলকে বুঝাচ্ছি এটাও ঠিক ওটাও ঠিক!!

    আমার প্রশ্ন অসংখ্য সাহাবা , তাবেয়ী , তাবে তাবেয়ী যে “রফে ইয়াদাইন” করতেন না , তার কারন কি ? সেটা বলবেন কি ? আপনার অভিযোগ কি তাদের উপর বর্তায় না ?

    আমি প্রতিটি প্রশ্ন আলাদা করছি এই কারনে যে আপনার থেকে উত্তর আলাদা আলাদা ভাবে আশা করছি । অনেক বিষয় না বলে খুব খুশী হবে শুধুমাত্র আমার প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উত্তর দেয়া ।

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ, আমার প্রশ্ন অসংখ্য সাহাবা , তাবেয়ী , তাবে তাবেয়ী যে “রফে ইয়াদাইন” করতেন না , তার কারন কি ? সেটা বলবেন কি ? আপনার অভিযোগ কি তাদের উপর বর্তায় না ?

    আষাঢ়ে গল্পের মতো দলিল ছাড়া কথা বলবেন না। আমি আপনাকে পরিষ্কার দলিল পেষ করেছি। আরেকটি দলিল পেশ না করে পারছি না। কথায় কথা বাড়ে, শরীরটা ভীষন খারাপ তার পরেও লিখছি।

    অসংখ্য সাহাবায়ি কিরাম রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে হাদীসের অন্যতম ইমাম হাফিয তাবীউদ্দিন সুবকী (রহঃ) স্বীয় ‘জুযউ রফ’উল ইয়াদাইন’ গ্রন্থে জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবী সহ এমন ৪৯ জন বিশিষ্ট সাহাবীর নাম উল্লেখ করেছেন যাঁরা সকলেই রফে’উল ইয়াদাইন এর হাদীস বর্ণনা করেছেন। নিম্নে তাঁদের নাম সমূহ উল্লেখ করা হলোঃ
    ১) আবূ বাকর সিদ্দিক (রাঃ), ২) উমার (রাঃ), ৩) উসমান (রাঃ), ৪) আলী (রাঃ), ৫) তালহা (রাঃ), ৬) যাবাইর (রাঃ), ৭) সা’দ (রাঃ), ৮) সাঈদ (রাঃ), ৯) আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ), ১০) আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ), ১১) মালিক ইবনু হুওয়াই রিস (রাঃ), ১২) যায়িদ ইবনু সাবিদ (রাঃ), ১৩) উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ), ১৪) আবূ মুসা আল-আশ’আরী (রাঃ), ১৫) আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ), ১৬) ইমাম হাসান (রাঃ), ১৭) ইমাম হুসাইন (রাঃ), ১৮) বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ), ১৯) যিয়াদ ইবনু হারিস (রাঃ), ২০) আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ), ২১) হাসান ইবনু সাআদ (রাঃ), ২২) আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), ২৩) সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রাঃ), ২৪) আমর ইবনু আস (রাঃ), ২৫) আবূ হুরাইরা (রাঃ), ২৬) উক্ববাহ ইবনু আমির (রাঃ), ২৭) বারিয়াহ (রাঃ), ২৮) আম্মার ইবনু ইয়অসির (রাঃ), ২৯) আদী ইবনু আজলান (রাঃ), ৩০) আবূ মাসউদ আল-আনসারী (রাঃ), ৩১) উমার লাইসী (রাঃ), ৩২) আয়িশাহ (রাঃ), ৩৩) আবুদ দারদা (রাঃ), ৩৪) আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ), ৩৫) আবদুল্লাহ ইবনু যাবাইর (রাঃ), ৩৬) আনাস (রাঃ), ৩৭) ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ), ৩৮) জাবির (রাঃ), ৩৯) আবদুল্লাহ ইবনু জুবাইর (রাঃ), ৪০) আবূ হুমাইদ সাঈদী (রাঃ), ৪১) আবূ সাঈদ (রাঃ), ৪২) মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রাঃ), ৪৩) উম্মু দারদা (রাঃ), ৪৪) আরাবী (রাঃ), ৪৫) মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ), ৪৬) সালমান ফারিসি (রাঃ), ৪৭) বারিরাহ ইবনু খাদির (রাঃ), ৪৮) হাকিম ইবনু উমাইর (রাঃ), ৪৯) আব্দুল্লাহ ইবনু জাবিন (রাঃ)
    উল্লিখিত সমস্ত সাহাবায়ী কিরামই রফ’উল ইয়াদাইনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। (জুযয়ি সুবকী, পৃঃ ৭)

    এছাড়াও ইমাম বুখারী, ইমাম বায়হাক্বী ও ইমাম তাক্বীউদ্দীন সুবকী (রহঃ) ৫৩ জন এমন বিশিষ্ট তাবেঈ এবং তাবে তাবেঈনের নাম উল্লেখ করেছেন যাঁরা সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন করতেন। (দেখুন, বুখারীর জুযউ রফ’উল ইয়াদাইন, বায়হাক্বী ২/৭৫, সুবকীর জুযউ রফউল ইয়াদাইন, পৃঃ ২, এবং আয়নী ৩/১০)

    এতো দলীর পেশ করার পরেও আপনি বলবেন এসব লা-মাযহাবীদের কারুকাজ!!!!!!

    হাফিজ ভাই, আপনার সমস্যা কি, জানেন? লা-মাযহাবীরা যা করে আপনি তা কখনোই করবেন না। যদিও তা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয়। একে বলে ব্যক্তি বা দলিয় হিংসা-বিদ্বেষ। ইসলামে এর কোন ঠাঁই নাই।

    যদি রফ’উল ইয়াদাইনকে উত্তম মনে করেন তা’হলে আমল করবেন, আর না ভাবলে নাই, আপনাকে আমল কারানোর দায়িত্ব আমার না। যেখানে নেকীর প্রশ্ন রয়েছে সেখানে মানতে দোষ কোথায় তাহা আমার বোধগাম্য নয়।

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার,

    আমার মনে হয় আপনি একটা অন্ধ গোঁড়া টাইপের মাযহাব ভক্ত লোক।

    আলহামদুলিল্লাহ , জ্বী অবশ্যই , এবং এর জন্য আমি গর্বিত । কারন আমি তাদের গবেষনা কর্ম এবং লা মাজহাবীদের বক্তব্য পড়ে বুঝেছি যে তারা মাজহাবের ইমামগন এবং তাদের অনুসারী আলেম গবেষকগন কোরান হাদিসের নিকটবর্তি । বর্তমান জামানার লা মাজহাবী , আহলে হাদিসদের মতো লোকদের বক্তব্য গ্রহন করার আগে কোরান হাদিসের ব্যাখ্যা “সাহাবী” , “তাবেয়ীন” , “তাবে তাবিয়েন” দের থেকে গ্রহন করা অনেক বেশী বুদ্ধিমানের কাজ, । ওনারা কোরান হাদিসের বাহিরে কোনো ব্যাখ্যা দ্যান নাই , এটা প্রমানিত।

    অনেকের মধ্যে এটা ভুল ধারনা মাজহাব অনুসরন করা বোধহয় শুধু ইমাম আবু হানিফাকে অনুসরন করা । ভুল । মাজহাবের উপর শুধু ইমাম আবু হানিফা কাজ করেন নাই, সেই সময়কার সমগ্র তাবেয়ীন , তাবে তাবেয়ীন গন এটা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন এবং তার পর থেকে এ পর্যন্ত হাজার হাজার , লাখ লাখ আলেম , মুজতাহিদ এর উপর গবেষনা করে সমৃদ্ধ করে গেছেন । রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর হাদিস শরীফ দ্বারা এটা সাবেত যে সর্বশ্রেষ্ঠ যুগের পরের সর্বোত্তম যুগ হলো তাবেয়ীনদের যুগ। সুতরাং তাদের কোনো ফয়সালাকে বেদআত বলার আগে ভালো করে গবেষনা করুন ।

    শাহরিয়ার

    @হাফিজ, আলহামদুলিল্লাহ , জ্বী অবশ্যই , এবং এর জন্য আমি গর্বিত । কারন আমি তাদের গবেষনা কর্ম এবং লা মাজহাবীদের বক্তব্য পড়ে বুঝেছি যে তারা মাজহাবের ইমামগন এবং তাদের অনুসারী আলেম গবেষকগন কোরান হাদিসের নিকটবর্তি । বর্তমান জামানার লা মাজহাবী , আহলে হাদিসদের মতো লোকদের বক্তব্য গ্রহন করার আগে কোরান হাদিসের ব্যাখ্যা “সাহাবী” , “তাবেয়ীন” , “তাবে তাবিয়েন” দের থেকে গ্রহন করা অনেক বেশী বুদ্ধিমানের কাজ

    আপনাদের কথাই কোরআনে বর্ণনা করা আছে;
    ১। ‘তাঁর (আল্লাহর) দিকে রুজু হও, আল্লাহকে ভয় কর, সালাত ক্বায়েম কর, আর সেই মুশরিকদের মধ্যে সামিল হয়ো না, যারা নিজেদের দ্বীনকে খন্ড খন্ড করে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে এবং প্রত্যেক দলই নিজেরটা নিয়েই সন্তুষ্ট।” (সূরা, রুম-৩০, আঃ-৩১, ৩২)

    ২। “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসুলের অনুসরণ কর, আর তোমাদের আমলগুলি ধ্বংস করো না।’ (সূরা মুহাম্মাদ-৪৭, আঃ ৩৩)

    ৩। “তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।” (সূরা আল-ইমরান, আঃ ৩ঃ১০৫)

    হাদিস শরীফ দ্বারা এটা সাবেত যে সর্বশ্রেষ্ঠ যুগের পরের সর্বোত্তম যুগ হলো তাবেয়ীনদের যুগ। সুতরাং তাদের কোনো ফয়সালাকে বেদআত বলার আগে ভালো করে গবেষনা করুন ।

    মিলাদ, শবেবরাত, পীর পুজা, উরুস, মাজারের উপর গম্বুজ নির্মাণ, আজানের সময় আঙ্গুলে চুম্বন, প্রত্যেক ফরয নামাজের পর সম্মিলিত মোনাজাত, খতমে খাজেগাঁ, খতমে শবিনা, খতমে ইউনুস, নামাযের পূর্বে মুখে নিয়্যাত উচ্চারণ
    ভাইজান, কোন তাবেঈন গণ এসব রচনা করে গেছেন? মুখে ফট ফট নয়, দলিল চাই সহীহ দলিল।

    ৪। রসূল (সাঃ) বলেছেন, “ওহে, অবশ্যই যারা তোমাদের পূর্বে ছিল তারা ৭২ দলে বিভক্ত ছিল এবং অবশ্যই আমার এই উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। ইহাদের সকল দলই দোযখে যাবে এক দল ব্যতিত। সাহাবা (রাঃ) গণ জিজ্ঞেসা করলেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ, সেটি কোন দল? নাবী (সাঃ) বললেন, “আমি ও আমার সাহাবীগণ যার উপর আছি, তার উপর যারা থাকবে।” (তিরমিযী, আবু দাউদ, মেশকাত)

    হাফিজ ভাই, এই হাদীদটির মর্ম বুঝেন? কাদের যুগ শ্রেষ্ঠ তা এখানে উল্লেখ করা আছে।

    ৫। “যারা নিজের দ্বীনকে খন্ড খন্ড করে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সাথে আপনার (হে রাসূল) কোন সম্পর্ক নাই।” (সূরা আনআম-৬, আঃ ১৫৯)

    অনেকের মধ্যে এটা ভুল ধারনা মাজহাব অনুসরন করা বোধহয় শুধু ইমাম আবু হানিফাকে অনুসরন করা । ভুল । মাজহাবের উপর শুধু ইমাম আবু হানিফা কাজ করেন নাই, সেই সময়কার সমগ্র তাবেয়ীন , তাবে তাবেয়ীন গন এটা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন

    মাযহাব কবে সৃষ্টি হয়েছে আপনিতো দেখছি ভাই তা-ও জানেন না। মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে আবূ হানিফা (রহঃ) এর মৃত্যুর ২৫০ বছর পর অর্থাৎ ৪০০ হিজরীতে। এর পূর্বে কেউ নিজেকে মাজহাবী বলে পরিচয় দিত না। অর্থাৎ তারা ছিলেন লা-মাযহাবী। সাহাবী, তাবেঈ, তাবে তাবেঈনগণ আপনার থিওরী অনুযায়ী লা-মাযহাবী হলেও তাঁরা ছিলেন সত্যিকারের মাযহাবী। আর সে-টি হলো রাসূলুল্লাহর মুহাম্মাদী মাযহাব। অর্থাৎ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত। বর্তমানেও পৃথিবীতে সেই মাযহাব টিকে আছে। যদিও তারা সংখ্যায় কম। ইসলাম গরীব অবস্থায় ছিল এবং কিয়ামতের পূর্বে গরীব অবস্থায় ফিরে যাবে, ঠিক সাপ যেমন তার গর্তে ফিরে যায়।

    দ্য মুসলিম

    @শাহরিয়ার,

    আসসালামু আলাইকুম।
    ভাই, এত উত্তেজিত হলে চলবে কি করে? আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে, আপনি জ্বরের মধ্যেও সঠিক পথ দেখানোর জন্য কষ্ট করে এত বড় পোষ্ট টাইপ করেছেন। রফয়ে ইয়াদাইন এমন একটি ইস্যু যাকে ঘিরে অনেক দিন থেকেই বাদানুবাদ চলছে। এর মধ্যে আপনার পোষ্টটি একটি তথ্য বহুল পোষ্ট।

    আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, নাবী (সাঃ) হতে ইবনু মাসউদের সূত্র ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে রফ’উল ইয়অদাইন ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে সহীহ সুন্নাহ সাব্যস্ত হয়নি।

    তাহলে আমি যে হাদিসটি সহিহ মুসলিম থেকে তুলে ধরলাম, সেটি কি?
    Hazrat Jaabir Ibn Samurah (radhiallahu anhu) relates that once Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) came out of his house towards us and said: “Why is it that I see you all raising your hands as though they are the tails of stubborn horses. Be tranquil in salaah”. [Sahih Muslim, Hadith 430]

    আমরা শিখতে এসেছি। দয়া করে উত্তেজিত হবেননা। পারলে উত্তর দিয়ে যান। না পারলে সময় নিন। ধন্যবাদ। (F)

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম,


    আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, নাবী (সাঃ) হতে ইবনু মাসউদের সূত্র ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে রফ’উল ইয়অদাইন ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে সহীহ সুন্নাহ সাব্যস্ত হয়নি।

    তাহলে আমি যে হাদিসটি সহিহ মুসলিম থেকে তুলে ধরলাম, সেটি কি?

    শুধু এইটি নয় , নাসিরুদ্দিন আল বানীর এরকম অসংখ্য ভুল আর স্ববিরোধীতা আছে । যেকোন একটি হাদিসের একটি দেখে সাথে সাথে কমেন্ট করে দেয়া “এই বিষয়ে আর কোনো সহীহ হাদিস নেই” এটাতে উনি সিদ্ধহস্ত । সিহাহ সিত্তার বাহিরে অনেক সহীহ হাদিস গ্রন্হ আছে এবং এমন অনেক গ্রন্হে সহীহ হাদিস আছে “রফে ইয়াদাইন” না করার বিষয়ে । যেমন একটি আপনি উল্লেখ করেছেন।

    ইমাম তিরমিযী (রহ:) যে হাদিসকে হাসান বলেছেন সেটা ওনারা না গ্রহন করে অন্য কেউ সেটাকে জইফ বলছে সেটা তারা গ্রহন করেছেন । আশ্চর্য । অথচ হাদিসের ক্ষেত্রে বলা হয় যেকোন একটি সনদের মাধ্যমে সহীহ বা হাসান প্রমানিত হলে সেটা নির্দিদ্বায় গ্রহন যোগ্য ।

    আর একটি কথা ভাই মুসলিম , নাসিরুদ্দিন আলবানী কিন্তু মাওলানা মওদুদীর মতো কোনো ইসলামিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইসলাম বিষয়ক শিক্ষা গ্রহন করে নাই । [ অবশ্য না করলেও দোষ নেই ] । তাবে তাদের দুজনের এ বিষয়ে মিল আছে সেটা শুধু উল্লেখ করলাম ।

    শাহরিয়ার

    @দ্য মুসলিম, Hazrat Jaabir Ibn Samurah (radhiallahu anhu) relates that once Rasulullah (Sall Allahu alaihi wa Aalihi wa Sallim) came out of his house towards us and said: “Why is it that I see you all raising your hands as though they are the tails of stubborn horses. Be tranquil in salaah”. [Sahih Muslim, Hadith 430]

    উত্তর দিয়েছি, আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এটি স্রেফ অপব্যাখ্যা। রফ’উল ইয়াদাইনের সাথে যদি এই হাদীস টক্কর লাগত তা’হলে ইমাম বুখারী শুধু রফ’উল ইয়াদাইনের উপর স্বাতন্ত্র বই লিখতেন না। আমি আপনাকে একটা অনুরোধ করব, যদি সত্যিকারে জানতে চান তা’হলে বুখারীর ‘জুযউ রফউল ইয়াদাইন’ বইটি কিনে পড়ুন। ইমাম বুখারী লা-মাযহাবীদের ইমাম নন।

    শাহরিয়ার

    হাফিজ ভাই লিখেছেন, শুধু এইটি নয় , নাসিরুদ্দিন আল বানীর এরকম অসংখ্য ভুল আর স্ববিরোধীতা আছে । যেকোন একটি হাদিসের একটি দেখে সাথে সাথে কমেন্ট করে দেয়া “এই বিষয়ে আর কোনো সহীহ হাদিস নেই” এটাতে উনি সিদ্ধহস্ত । সিহাহ সিত্তার বাহিরে অনেক সহীহ হাদিস গ্রন্হ আছে এবং এমন অনেক গ্রন্হে সহীহ হাদিস আছে “রফে ইয়াদাইন” না করার বিষয়ে । যেমন একটি আপনি উল্লেখ করেছেন।

    ইমাম তিরমিযী (রহ:) যে হাদিসকে হাসান বলেছেন সেটা ওনারা না গ্রহন করে অন্য কেউ সেটাকে জইফ বলছে সেটা তারা গ্রহন করেছেন । আশ্চর্য । অথচ হাদিসের ক্ষেত্রে বলা হয় যেকোন একটি সনদের মাধ্যমে সহীহ বা হাসান প্রমানিত হলে সেটা নির্দিদ্বায় গ্রহন যোগ্য ।

    আর একটি কথা ভাই মুসলিম , নাসিরুদ্দিন আলবানী কিন্তু মাওলানা মওদুদীর মতো কোনো ইসলামিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইসলাম বিষয়ক শিক্ষা গ্রহন করে নাই । [ অবশ্য না করলেও দোষ নেই ] । তাবে তাদের দুজনের এ বিষয়ে মিল আছে সেটা শুধু উল্লেখ করলাম ।

    কথায় কথা বাড়ে, সিহাহ সিত্তার বাহিরে অনেক সহীহ হাদিস গ্রন্হ আছে
    সিহাহ সিত্তার মধ্যেও অনেক যঈফ হাদীস আছে; সিহাহ সিত্তাহ কথাটিও সঠিক নয়। হাদীসের স্তরগুলোকে একটু আলোচনা না করে পারছি না।
    মুসলিম শরীফ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ১ম খন্ড, সতেরো পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেঃ হাদীসের কিতাব সমূহকে মোটামুটি ভাবে পাঁচটি স্তর বা তাবাকায় ভাগ করা হয়েছে। শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দীস দেহলবী (রঃ) ও তাঁর ’হজ্জাতুল্লাহিল বালিগা’ নামক কিতাব এরূপ পাঁচ স্তরে ভাগ করেছেন।

    প্রথম স্তর ঃ এ স্তরের কিতাব সমূহকে কেবল সহীহ হাদীসই রয়েছে। এ স্তরের কিতাব মাত্র তিনটি ঃ “বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ ও মুআত্তা ইমাম মালিক”

    দ্বিতীয় স্তরঃ এ স্তরের কিতাবসমূহ প্রথম স্তরের খুব কাছাকাছি। এ স্তরের কিতাবে সাধারণতঃ সহীহ ও হাসান হাদীসই রয়েছে। যইফ হাদীস এতে খুব কমই আছে। নাসাই শরীফ, আবু দাউদ শরীফ ও তিরমিযী শরীফ এ স্তরেরই কিতাব। সুনানে দারিমী, সুনানে ইবনে মাজা এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ এর মতে মুসনাদ ইবনে আহমদকেও এ স্তরের শামিল করা যেতে পারে।

    তৃতীয় স্তরঃ এ স্তরের কিতাবে সহীহ, হাসান, যঈফ ও মুনকার সকল রকমের হাদীসই রয়েছে। মুসনাদ আবী ইয়ালা, মুসনাদ আবদুর রাজ্জাক, বায়হাকী, তাহাবী ও তাবরানী (রঃ)-এর কিতাব সমূহ এ স্তরেরই অন্তর্ভুক্ত। বিশেষজ্ঞগণের বাছাই ব্যতীত এ সকল কিতাবের হাদীস গ্রহণ করা যেতে পারে না।

    চতুর্থ স্তরঃ এ স্তরের কিতাব সমূহে সাধারণতঃ যঈফ ও গ্রহনের অযোগ্য হাদীসই রয়েছে। ইবনে হিব্বানের কিতাবুল-জুআফা, ইবন-আছীরের কামিল ও খাতীব বাগদাদী, আবু নুআয়েমের কিতাব সমূহ এ স্তরের কিতাব।

    পঞ্চম স্তরঃ উপরি উক্ত স্তরে যে সকল কিতাবের স্থান নেই সে সকল কিতারই এ স্তরের কিতাব। হানাফী মাযহাবের ’মকছদুল মু’মেনিন’ সহ প্রায় আশি খানা কেতাব এ স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

    নাসিরুদ্দিন আল বানীর এরকম অসংখ্য ভুল আর স্ববিরোধীতা আছে
    আপনাদের আমলকে উনি যঈফ প্রমান করেছেন বলে উনি ভুল আর স্ববিরোধীতার স্বীকার? উনি যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস এমনি এমনি হন নাই। ওনার ভুল প্রমান করা হাদীসগুলো এখনো সহীহ সাব্যস্ত হয়নি।

    ইমাম তিরমিযী (রহ:) যে হাদিসকে হাসান বলেছেন সেটা ওনারা না গ্রহন করে অন্য কেউ সেটাকে জইফ বলছে সেটা তারা গ্রহন করেছেন । আশ্চর্য

    ইমাম তিরমিযী হাসান বলার পর উক্ত হাদীস সম্পর্কে যা বলেছে তা এড়িয়ে গেলেতো হবে না ভাইজান, আলোচনা দীর্ঘ হবে তাই লিখি নাই, তবে এখন আর উপায় নাই না লিখে।
    ইমাম তিরমিযী বলেছেনঃ ইমাম আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলছেনে, রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কিত হাদীস সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপ্রমাণিত। কিন্তু ইবনু মাস’উদ যে বলেছেন, নাবী (সাঃ) প্রথমবার (তাকবীরে তাহরীমা) ছাড়া আর কোথাও রফ’উল ইয়াদাইন করেননি- এ হাদীসটি প্রমাণিত নয় এবং প্রতিষ্ঠিতও নয়। (দেখুন, জামি’ তিরমিযী, অনুচ্ছেদ- রফ’উল ইয়াদাইন প্রসঙ্গ) ইবনুল মুবারক আরো বলেন, রফ’উল ইয়াদাইন সম্পর্কে অসংখ্য হাদীস ও ইসনাদ বিদ্যমান থাকার কারণে আমি যেন দেখতে পাচ্ছি নাবী (সাঃ) রফ’উল ইয়াদাইন করছেন। (দেখুন বায়হাক্বী মা’রিফাহ ২/১৪২)

    অথচ হাদিসের ক্ষেত্রে বলা হয় যেকোন একটি সনদের মাধ্যমে সহীহ বা হাসান প্রমানিত হলে সেটা নির্দিদ্বায় গ্রহন যোগ্য ।

    মাযহাবি থিওরী কি জানেন?

    মাযহাবী থিওরীতে বলা হয়েছে, হানাফী ও অন্যদের নিকট যখন হাঁ-সূচক ও না-সূচকের সাথে দ্বন্দ্ব দেখা দিবে তখন না-সূচকের উপর হাঁ-সূচক অগ্রাধিকার পাবে। এরূপ নীতি বলবৎ হয় যদি হা-সূচকের পক্ষে একজনও হয় তবুও। সুতরাং সেখানে বিরাট এক জামা’আত হাঁ-সূচকের পক্ষে সেখানে অন্য কোন প্রশ্নই আসতে পারে না। যেমনটি এ মাসআলার ক্ষেত্রে। সুতরাং দলীল সাব্যস্ত হওয়ার পর গোড়ামী না করাটাই উচিত।(হাশিয়া মিশকাত; আলবানী ১/১৫৪, ও যঈফাহ ৫৬৮)

    আর একটি কথা ভাই মুসলিম , নাসিরুদ্দিন আলবানী কিন্তু মাওলানা মওদুদীর মতো কোনো ইসলামিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইসলাম বিষয়ক শিক্ষা গ্রহন করে নাই । [ অবশ্য না করলেও দোষ নেই ] । তাবে তাদের দুজনের এ বিষয়ে মিল আছে সেটা শুধু উল্লেখ করলাম ।

    জ্বী-ভাই হাফিজ, ভালই বলেছেন। আপনারা পারেনও বটে!!!
    এবার নাসিরুদ্দীন আলবানির জীবনী লিখতে বলছেন?
    দু’এক কদম না লিখলে চোখের পর্দা সাফ হবে না; শুনুন তাহলে…………….

    মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাঁর প্রিয় রসূল (সাঃ) এর মুখ নিসৃত বাণীকে কলুষমুক্ত করে যাচাই-বাছাই ও বিচার বিশ্লেষনের মাধ্যমে পৃথিবীর মুসলিমদের সম্মুখে বিশুদ্ধ সুন্নাহ উপস্থাপন করার তাওফীক যে কয়জন বান্দাহকে দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে হাফিয যাহাবী (রহঃ) ও হাফিয ইবনু হাজার আসকালানী (রহঃ) এর পর আল্লামা নাসিরুদ্দীন (রহঃ) এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।

    জন্মঃ ১৯১৪ ঈসায়ী সনে এবং মৃত্যু ১৯৯৯ সনে।

    শিক্ষা দীক্ষাঃ দামিশকের একটি মাদরাসা হতে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। অতঃপর তাঁর পিতার বন্ধু শায়খ সায়ীদ আল বুরহানীর নিকট ফিকহের বিভিন্ন গ্রন্থ এবং আরবী সাহিত্য ও বালাগাত প্রভৃতি গ্রন্থ অধ্যয়ন করেন। একবার তিনি মিশরের আল্লামা রশীদ রিযা সম্পাদিত ‘আল-মানার’ এর একটি সংখ্যায় ইমাম গাযযালী (রহঃ)-এর প্রবন্ধ পাঠ করেন। এই প্রবন্ধই তাঁকে হাদীস চর্চা ও রিজাল শাস্ত্রের গবেষনায় পিপাসার্ত করে তুলে। পরবর্তীতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, সাধারণ মুসলিমদের সামনে আল্লাহর নাবী (সাঃ) এর বিশুদ্ধ সুন্নাহ উপস্থাপন করবেন। আল্লাহ তাঁর এই ইচ্ছাকে বাস্তবরূপ দান করার তাওফীক দান করেছেন এবং তার জন্য জ্ঞানের ভান্ডারকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

    কর্মজীবনঃ তিনি মদীনাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর অধ্যাপনায় নিয়োজিত ছিলেন। কর্ম জীবনে অধিকাংশ সময়েই তিনি গবেষণা, লেখালেখি ও বক্তৃতা দানে ব্যস্ত থাকেন। এর ফলে হাজার বছর ধরে হাদীস শাস্ত্রের যে খিদমাত হয়নি, বিংশ শতাব্দীতে তিনি তা করার তাওফীক লাভ করেন।

    রচনাবলীঃ তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৩০০।

    আলবানী সম্পর্কে মতামতঃ শায়খ আব্দল আযীয বিন বা-য তাকে যুগ মুহাদ্দিস নামে অভিহিত করেছেন। ইসলামী যুবকদের বিশ্ব সংগঠন – আননাদওয়াতুল আ-লামিয়্যাহ লিশশাবা-বিল ইসলামীর জেনারেল সেক্রেটারী ডঃ মা-নি ইবনু হাম্মাদ আলজুহানী বলেন, আল্লামা আলবানী সম্পর্কে বলা যায় যে, বর্তমান যুগে আকাশের নীচে তাঁর চেয়ে বড় হাদীস বিশারদ আর কেউ নেই। ডঃ সুহায়িব হাসান বলেন, আলবানী বিংশ শতকর হাদীস শাস্ত্রের মু’জিযাহ (অলৌকিক ঘটনা)

    ডঃ জাকির নায়েক তাঁর বক্তৃতায় প্রায়ই বলে থাকেন, আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী বলেছেন………………………

    পরিশেষে, উকিলদের মত তর্ক না করে; সহীহকে সহীহ এবং দুর্বলকে দুর্বল বলার মতো সাহস আনার তৌফিক আল্লাহ আমাদের সকলকে দান করুন আমীন…………

    আমার শারীরটা এতো খারপ যা বলার মতো নয়, দোয়া করবেন আমার জন্য, আমার ছেলেটাকেও ভাইরাস জ্বরে ধরেছে। কাল থেকে কিছুই খায় নাই। ও ভীষন দুর্বল হয়ে পড়েছে, ওর ঠোট দুটো কাঁপছে। আমি আর কিছু লিখতে পারছি না। খোদা হাফেজ ভাল থাকুন।

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার ,

    আপনার অনেকগুলো কমেন্টের মধ্যে মুল কমেন্ট হোল রফে ইয়াদাইন না করা বিষয়ে যে হাদিস আছে সেটা সহীহ নয় । তাই আমি মনে করি আগে এগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হতে পারে তারপর অন্যান্য বিষয়ে । একেবার সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে কোনোটাই ফয়সালা হয় না । ইনশাল্লাহ পরবর্তিতে এই বিষয়ে আলোচনা হবে । শুধুমাত্র আলোচনার বিষয় হবে “রফে ইয়াদাইন” না করা বিষয়ে সহীহ হাদিস আছে কি নেই ?

    জ্বী অবশ্যই দোয়া করব , খেয়ালই করিনি আপনি অসুস্হ । আগে আপনি সুস্হ হোন তারপর আলোচনা হবে । আপনার ছেলের জন্য দোয়া রইল ।

    আব্দুল্লাহ

    @দ্য মুসলিম, আপনার মানসিকতাটা অনেক ভাল, আলহামদুলিল্লাহ। আপনার হাদিসটি খুঁজে পেলামনা তবে আমার কাছে সহিহ মুসলিমের যে কপি আছে তাতে কিতাব আস-সালাতে একটা পুরো চ্যাপ্টার পেলাম হাত তোলার উপরে-
    Chapter 7: THE DESIRABILITY OF RAISING THE HANDS APPOSITE THE SHOULDERS AT THE TIME OF BEGINNING THE PRAYER AND AT THE TIME OF BOWING AND AT THE TIME OF RETURNING TO THE ERECT POSITION AFTER BOWING
    Bk 4, Number 0758:
    Salim narrated it on the authority of his father who reported: I saw the Messenger of Allah (may peace be upon him) raising his hands apposite the shoulders at the time of beginning the prayer and before bowing down and after coming back to the position after bowing. but he did not raise them between two prostrations.
    Bk 4, Number 0759:
    Ibn Umar reported that the Messenger of Allah (may peace be upon him), when he stood up for prayer, used to raise his hands apposite the shoulders and then recited takbir (Allah−o−Akbar), and when he was about to bow he again did like it and when he raised himself from the ruku’ (bowing posture) he again did like it, but he did not do it at the time of raising his head from prostration.
    Bk 4, Number 0760:
    This hadith has been transmitted with the same chain of transmitters by al. Zuhri as narrated by Ibn Juraij (who) said. When the Messenger of Allah (may peace be upon him) stood up for prayer, he raised hands (to the height) apposite the shoulders and then recited takbir.
    Bk 4, Number 0761:
    Abu Qilaba reported that he saw Malik b. Huwairith raising his hands at the beginning of prayer and raising his hands before kneeling down, and raising his hands after lifting his head from the state of kneeling, and he narrated that the Messenger of Allah (may peace be upon him) used to do like this.
    Bk 4, Number 0762:
    Malik b. Huwairith reported: The Messenger of Allah (may peace be upon him) raised his hands apposite his ears at the time of reciting the takbir (i. e. at the time of beginning the prayer) and then again raised his hands apposite the ears at the time of bowing and when he lifted his head after bowing he said: Allah listened to him who praised Him, and did like it
    (raised his hands up to the ears).
    Bk 4, Number 0763:
    This hadith has been transmitted by Qatada with the same chain of trans. mitters that he saw the Apostle of Allah (may peace be upon him) doing like this (i. e. raising his hands) till they were apposite the lobes of cars

  5. সহীহ্ সুন্নাহ্ অনুযায়ী কিভাবে সালাত আদায় করতে হবে, তার একটি সুন্দর demonstration video পাবেন এখানে:

    http://www.kalamullah.com/vids/Pray%20as%20you%20have%20seen%20me%20Pray.flv

    download করে পরে দেখাতে চাইলে “flv” software লাগবে।

    দ্য মুসলিম

    @মেরিনার, ট্রাই করলাম। কিন্তু অনেক বড় ফাইল। ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছেনা।

    শাহরিয়ার

    @মেরিনার, ওরে ভাই এটিতো খুলছেই না। এতো বড় লিংক ডাউনলোড হতে আমৃত্যু অপেক্ষা করতে হবে।

  6. আসসালামু আলাইকুম। আমি একদম নতুন এই blog এ। তাই সুরুতেই মাফ চাই বানান ভুলের জন এবং হঠাৎ comment করার জন্ন।

    with due respect of all Imam in islam আমি জানতে চাই, ইমাম আবু হানিফার মাযহাব কি ছিল। তিনি নিশ্চয় সুন্নি মুসলিম ছিলেন। মানে হয় সুন্নি নাহয় সালাফ ছিলেন। তাহলে আমি কেন হানাফি হব। য়েকোন ইমাম ভুল করতেই পারে নাকি ধরে নেব তারা ছিলেন সকল ভুলের বাইরে।

    ottoman রা হানাফি মাযহাব follow করতো, তাদের শাসন আমল ছিল লম্বা সময়ের তাই হানাফি মাযহাব সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। তাই বলে কি বুখারীর (রহ:)হাদিস কি আমরা মানবোনা। য়েখানে আমরা তার হাদিস গুলোকে সবচেয়ে authentic মানি। নাকি বিচার মানি তালগাছটা আমার হিসাবে থাকবে।

    কোন ভাই কে যদি আঘাত করে থাকি তবে ক্ষমা করবেন।

  7. আপনার সুস্হতা কামনা করি। আল্লাহ তায়ালা আপনার অসুস্হতা দূর করে দিন। আমিন।

  8. গ্যালারীতে বসে আছি, আর হতাশা বাড়ছে, ভাবছি হাদিস নিয়ে মাযহাব নিয়ে এত বিভ্রান্তি। তারপর উত্তেজনা। আপনারা রাগ করবেন না। আপনাদের উচিত এই সব আলোচনার আগে ফুলের বাগান ঘুরে আসা তাহলে মনের দারিদ্রতা কমবে। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    ভাই ভালো বলেছেন। কিন্তু ফুলের বাগানটা কোথায়?

  9. হায় হায় এখানেও দেখছি রঙ্গ রস!! ভাই শাহরিয়ার, আপনিতো দেখছি ভাই হাটে হাড়ি ভাঙ্গার তালে আছেন!
    তবে একটা বিষয়ে বুঝতে পারছি যে আপনি প্রচুর পড়াশুনা করেন। আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাদের জানার সুযোগ তৈরী করে দিবেন এই আশাই রাখি। আপনি রেষ্ট নেন, ভাইরাস জ্বর অত্যান্ত খারাপ।
    আপনার ছেলের জন্য দোয়া করি।

    দ্য মুসলিম

    @মামুন,

    ভাই, আপনি দেখি আগুনে ঘি ঢালছেন!!!!!!!!!!!!!

  10. শাহরিয়ার ভাই, আল্লাহ যে আপনাকে সঠিক জিনিসটি জানা এবং সেইসাথে মানার তৌফিক দিয়েছেন এইজন্য আল্লাহর কাছে অনেক শুকরিয়া। আবু তালিব কিন্তু জানতো যে মুহাম্মাদ (সাঃ) যা এনেছেন তা সত্য কিন্তু মানতে পারেন নাই, আমাদের এখানেও এরকম অনেক ভাই আছেন। কিন্ত আপনার লেখার ব্যাপারে একটি কথা, আপনি অনেক বড় বড় আলিমদের কথা তুলেছেন বিশেষত হানাফি মাযহাবের আলিম। কিন্ত আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা’আহ এর মুলনীতি হল যে রসুলুল্লাহ(সাঃ) এর কোন সুন্নাহ যদি কেউ ইচ্ছাকৃত ছেড়ে দেয় তবে সে গুনাহগার হবেনা, খালি নেকি থেকে বঞ্চিত হবে। তবে কেউ যদি রসুলুল্লাহ(সাঃ) এর কোন সুন্নাহ অবজ্ঞা করে ছেড়ে দেয় তবেই সে গুনাহগার হবে। সুতরাং সালাতে রফ’উল ইয়াদাইন ছেড়ে কেউ গুনাহগার হবেনা। আসলে ভাই ব্যাপারটা হল এই যে আগে আপনি রসুলুল্লাহ(সাঃ)কে মানাটা যে আমাদের জন্য কত জরুরি এটা আমাদের বুঝতে ও মানতে হবে, তা নাহলে লোকজন “আমাদের মহল্লার মসজিদে এইটা হয়না সুতরাং এইটা হানাফি মাযহাব তথা ইসলাম বিরোধী”- এই ধারণা নিয়ে পড়ে থাকবে। তাই আক্বিদা ঠিক করার চেষ্টাতে আমাদের প্রথম ও অধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত।

    হাফিজ ভাই, আমি তো আপনাকে ভালই জানতাম কিন্ত আপনি নাসিরুদ্দিন আলবানীর সাথে মওদুদির তুলনা করলেন? আপনি তাঁর সম্বন্ধে যে কথাগুলো বললেন,জেনে বললেন?

    “নাসিরুদ্দিন আল বানীর এরকম অসংখ্য ভুল আর স্ববিরোধীতা আছে”

    এটা কিন্তু চরম অপবাদ, এর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে ভাল হয়, অপবাদ বা বুহতান কিন্ত হুদুদ বা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অনেক অনেক তথাকথিত মাযহাবি আলিম উনার শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেছেন উনার কোন ভুল বের না করতে পেরে। উনি মদিনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগের ডিন পদ ছেড়ে চলে গেছেন শাসকদের সাথে আপোষ না করে। উনি আমাদের প্রতি আল্লাহর একটি বিশেষ রহমত। উনার হাদিসের ব্যখ্যা গুলোর একটি পড়লে বুঝতে পারবেন। শাহরিয়ার ভাই-এর এই পোস্ট এ আপনি কোন যুক্তি দলিল দেখাতে পারেননি।

    “হানাফী মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করা হয় না ।”
    “হযরত ওমর (রা) , আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা: ) সহ অসংখ্য সাহাবী রফে ইয়াদাইন করতেন না। “

    ভাই গোঁড়ামি দিয়ে ইসলামি চলেনা, আবেগ দিয়েও চলেনা। যে হিন্দু ব্রাহ্মণ ভোরে কোমরপানিতে সুর্য বন্দনা করে তাঁর কষ্ট কিন্তু অযু করার কষ্টের চেয়ে বেশি, তারপরেও এ কাজ তাঁর কোন কাজে আসবেনা। কারণ ভক্তির চোটে পূজারীর এই বোধ লোপ পেয়ে গেছে যে সুর্য একটা হিলিয়াম-গোলক, ঐ লোকের উপকার বা ক্ষতি করা সুর্যের পক্ষে সম্ভব নয়। ইসলামের প্রতি আপনার অনেক ভালবাসা, আবেগ, কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া আবেগ ভয়াবহ ক্ষতিকর ব্যাপার। ইসলামে কোন মানুষের ক্ষেত্রে অন্ধভক্তির কোন স্থান নেই, মানতে হবে শুধু রসুলুল্লাহ (সাঃ)কে, কারণ আল্লাহ স্বয়ং তাকে শিক্ষা দিয়েছেন এবং তাঁর ভুল সংশোধন করেছেন। এছাড়া সব মানুষেরই ভুল হতে পারে। শাহরিয়ার ভাই তো তাও হানাফি মাযহাবের আলিমদের কথা তুলেছেন, মুসলিম হিসেবে তো আমাদের উচিত রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সহিহ হাদিস পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোন মানুষের কথা না তোলা।
    “আমি যা করি তাই ঠিক, আমি যা বুঝি তাই ঠিক” – এই ধারণা যে কত মানুষকে আস্তে আস্তে ছোট থেকে বড় গোমরাহি এবং শেষে ইসলামের বাইরে নিয়ে গেছে তার ইয়ত্তা নেই। আপনি যে এতবার লা-মাযহাবি বললেন , মনে রাখবেন আল্লাহর রসুল (সাঃ)এবং তাঁর সাহাবিরা কিন্তু কেউই বর্তমানে প্রচলিত চার মাযহাবের অনুসারি ছিলেননা; মাযহাব মানা তাই ফরয বা সুন্নাত না। আবার কেউ কোন ইজতিহাদি বিষয়ে যে কোন মাযহাব মানতেই পারেন, এতে যেমন ক্ষতি নেই; আবার ঠিক তেমনি না মানলেও ক্ষতি নেই। আল্লাহ আপনার সঠিক বুঝ দিন।

    হাফিজ

    @আব্দুল্লাহ,

    হাফিজ ভাই, আমি তো আপনাকে ভালই জানতাম কিন্ত আপনি নাসিরুদ্দিন আলবানীর সাথে মওদুদির তুলনা করলেন?

    কোনো একটি কমেন্ট করলে ভালোভাবে পড়ুন । আমি শুধু মাত্র তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয়ে বলেছি যে , তাদের দুইজন কেউই কোনো ইসলামিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইলম হাসিল করেননি । তাছাড়া তাদের দুইজনের মধ্যে অনেক ব্যবধান ।

  11. এতদিন ধরে আমরা হানাফি মাযহাব পালন করে আসছি।কেউ কিছু বলেনি।দেশের বড় বড় সব আলেমরাও এই আহ্বান জানাছ্ছেন হানাফি মাযহাবের সমর্থনে।কোথ্যেকে কিছু সংখ্যক লোক আলেম নাম নিয়ে শুরু করছে ফেতনা ও ইমাম আবু হানিফা(রঃ) সম্পর্কে চালাছ্ছে মিথ্যা প্রচারনা। তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমাদের সবার সতর্ক হতে হবে।
    আল্লাহ পাক, ”আমাদেরকে সরল পথ দেখাও।সে সমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।”সুরা ফাতিহা (৫-৭) আমিন।

    হাফিজ

    @দেশী৪৩২, সহমত ।

    দেশী৪৩২

    @হাফিজ, ধন্যবাদ ।শিয়ারা আলী(রাঃ) বড় বানাতে গিয়ে যেমন অন্যান্য সাহাবী(রাঃ) দেরকে খাট করার চেষ্টা করতো।তেমনি ভাবে বর্তমানেও ওয়াহাবি/সালাফ/লামাযহাবি/আহলেহাদীস প্রভৃতি মতাদর্শী লোকেরা জানিনা কাকে বড় করার জন্য একই কাজ করে যাছ্ছে শিয়াদের মত।আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে হেদা্য়েত দান করুন। আমিন।

    হাফিজ

    @দেশী৪৩২, জ্বী ঠিকই বলেছেন । এরা “আহলে হাদিস” পরিচয় দ্যায় , কিন্তু আমি তো দেখি এরাই সবচেয়ে হাদিস অস্বীকার করে । আগে বলত সিহাহ সিত্তা সহিহ হাদিস এর কিতাব , এখন বলে বুখারী , মুসলিম ছাড়া বাকি চারটাতে অনেক জইফ হাদিস আছে । আসলে এদের বলা উচিত “আহলে মুনকেরি হাদিস” হাদিস অস্বীকারকারী দল ।

    হাফিজ

    @দেশী৪৩২, এরা বলতে আমি “শাহরিয়ার” ভাই কে বুঝাচ্ছি না । উনি নিজেই বলেছেন উনি মাজহাব মানেন । আমি সেই সব আহলে হাদিসদের বুঝাচ্ছি যারা “মাজহাবকে ” শিরক, বেদআত বলে থাকে । তাদের ।

  12. বিজ্ঞ আলোচক বৃন্দ ও সম্মানিত পাঠকরা আপনাদের কাছে আমি উম্মির একখান প্রশ্ন?

    ১ নামাজে হাত তোলা এটি কি? সুন্নত? ওয়াজেব? ফরজ?
    ২ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এটি কি? সুন্নত? ওয়াজেব? ফরজ?
    এখন বিবেকের কষ্টি পাথরে ঘষে দেখুন কোনটিকে প্রাধাণ্য দিতে হবে?

    আমি ঠিক মনে করতে পারছিনা কোন সূরার কত নং আয়াত তবে,আয়াতে আল্লাহ পাক তার বান্দাদের এভাবে বলেছেন-

    কোরবানীর গোস্ত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌছেনা, পৌছে বান্দার মনের নিয়ত।

    যদিও আল্লাহ পাক প্রত্যেক উম্মতের মতো আমাদেরকেও একটি নির্দৃষ্ট এবাদতের পদ্ধতি বলে দিয়েছেন তথাপি নিছক রুকু সেজদা আল্লাহর কাছে গ্রহণ যোগ্য হবেনা যদি কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিয়ত না থাকে।

    মুসলিম উম্মাহকে অবশ্য এই আয়াতটি স্মরণে রাখা দরকার- তোমরা যে বিষয়ে মতবিরোধ করছ, আল্লাহ কিয়ামতের দিন সেই বিষয়ে তোমাদের মধ্যে ফায়সালা করবেন।

    বস্তুতঃ চক্ষু তো অন্ধ হয় না, কিন্তু বক্ষ স্থিত অন্তরই অন্ধ হয়।

    মা আসসালাম।

    মুসলিম

    @মুনিম,

    জাযাকাল্লাহ খায়ের, মুনিম ভাই।

    কী যে অবস্থা মুসলিমদের !! “মাই শেখ ইজ অলওয়েজ কারেক্ট” – এই হচ্ছে মনোভাব। মতের মিল না হলেই আপনাকে ৭২ দলের মধ্যে ফেলে দেয়া হবে।

    আল্লাহ, বিভাজনসৃষ্টিকারীদের হাত থেকে মুসলিমদের বাঁচাও।

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই, ঠিকই বলেছেন , এটা করলেও হয় না করলেও হয় । এখন আপনিই বলুন এটাকে বেদাত বলে সবার মাঝে খারাপ ধারনা যদি ছড়িয়ে দেয়া হয় , তাহলে কি এটার প্রতিবাদও করতেও পারব না । তার মানে এতদিন হানাফী মাজহাব একটা বেদাতের ওপর আমল করে চলছে ?

    মুনিম

    @হাফিজ,যতটুক মনে হচ্ছে শাহরিয়ার ভাই অসুস্থ্য, আর এই রূপ ভাইরাস জ্ররে আক্রান্ত মানুষের মন খিটখিটে হয়ে পড়। শাহরিয়ার ভাইয়ের তা হয়েছে। দোয়া করুন উনি ভাল হোন তো সব ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।

    দেশী৪৩২

    @মুনিম, ধন্যবাদ, ওয়াহাবি সালাফিদেরকে এ সম্পর্কে আরো বেশী কিছু লিখবেন।তারা মক্কা শরীফ এর পাহাড়াদার সৌদি রাজা বাদশাহদের বিরুদ্ধে একটি কথাও লিখতে রাজি নয়।যে রাজারা আল্লাহর ঘরকে(কাবা) নিজেদের ঘর বানিয়ে অন্যদেরকে এ ঘরের জন্য সব রকম সহায়তার করা থেকে বন্চিত করছে। বরং বিদাতের নাম নিয়ে সাধারন মোসলমানদের ইবাদৎ বন্দেগী করা থেকে বিরত রাখার জন্য শয়তানকেও হার মানাছ্ছে কোন কোন ক্ষেত্রে। তাদের মুখে বেদাতি কথা শুনলে কেমন যেন মনে হয় ”মার চেয়ে মাসির দরদ বেশী।”
    আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে শয়তানের সকল রকম চক্রান্ত থেকে হেফাজত করুন।আমিন

    হাফিজ

    @দেশী৪৩২,

    তারা মক্কা শরীফ এর পাহাড়াদার সৌদি রাজা বাদশাহদের বিরুদ্ধে একটি কথাও লিখতে রাজি নয়।

    সহমত । এই সাইটটি দেখতে পারেন । ইসলামিক জুরিস প্রডেন্স এর ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভালো সাইট আমি আর দেখি নাই । কোরান হাদিসের অসাধারন দলীল দিয়ে এরা উত্তর দিয়ে থাকেন।

    http://www.askimam.org/

    মুনিম

    @হাফিজ, এবার বুঝেছি কোথাকার দর্শন ফলো করেন!

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই,

    আমি আগেও এই সাইটের লিংক দিয়েছি । আরো কিছু সাইট দেখতে পারেন । এতে লুকোচুরির কিছু নেই ।

    http://www.darulifta-deoband.org/index.jsp
    http://www.tawwabeen.org/

    ইসলামিক জুরিস প্রডেন্স বা মাসলা মাসায়িলের ক্ষেত্রে ব্যক্তিবিশেষের চেয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের থেকে ফতোয়া নেয়া ভালো।

  13. ্ব্লগার ভাইগণ, আমি খুব অসুস্থ! ইসলামি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। দু’দিন অপেক্ষা করতে বলেছে অন্যথায় ভর্তি হতে হবে। ছেলেটার একই দশা। পরশু দিন থেকে ওর মুখে কিছু দিতে পারি নাই।
    আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আগে বাঁচলে এসব নিয়ে আলোচনা করতে পারব।

    manwithamission

    @শাহরিয়ার, আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    মহান আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার ছেলেকে সুস্থ করে দিন। আমীন।

    মুনিম

    @শাহরিয়ার, ভাই আল্লাহ আপনাকে ও আপনার বাচ্চাদের আশু রোগমক্তি করুন। আমিন।

    দেশী৪৩২

    @শাহরিয়ার, দোয়া করছি আল্লাহ পাক আপনাকে ও আপনার ছেলে সহ আমাদের সবাইকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্হতা দান করুন।সম্ভব হলে আপনারা আল্লাহর স্বরন(যিকির)মনে মনে বেশী বেশী করবেন ইনশাআল্লাহ এবং আমাদের জন্যও দোয়া করবেন।

    হাফিজ

    @শাহরিয়ার ভাই,

    আগে সুস্হ হোন , তারপর ব্লগে আসবেন । যদি কোনো হেল্প প্রয়োজন হয় বলবেন , আমরা যেহেতু ঢাকায় থাকি তাই যেকোনো সময় এগিয়ে আসতে পারব ।

    ওয়াস সালাম ।