লগইন রেজিস্ট্রেশন

জানুয়ারি, ২০১০ -এর আর্কাইভ

 

“রফে ইয়াদাইন” না করার দলীল

লিখেছেন: ' হাফিজ' @ সোমবার, জানুয়ারি ২৫, ২০১০ (২:১৫ পূর্বাহ্ণ)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

নামাজে “রফে ইয়াদাইন” করা এবং না করা দুটো আমলই হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমানিত । শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাজহাবে “রফে ইয়াদাইন” করা হয়ে থাকে , পক্ষান্তরে “মালেকী” এবং “হানাফী” মাজহাবে রফে ইয়াদাইন করা হয় না । চার মাজহাবের ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটুকু শুধু নফল নিয়ে । অর্থ্যাৎ চার মাজহাবই এ বিষয়ে একমত যে , রফে ইয়াদাইন করা হোক বা না হোক এতে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না । যেহেতু এটা নফল ।

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় “রফে ইয়াদাইন” না .....

১৮ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

প্রসিদ্ধ কয়েকটি জাল হাদিস- ১

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ রবিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১০ (১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ)

জাল হাদিস-১: ” স্বদেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ “।

জন্মভূমির প্রতি হৃদয়ের টান, মনের আকর্ষন মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এটি একটি মহৎগুন। এটি ঈমানের পরিপন্হি নয়। তবে ঈমান ও দেশের প্রশ্ন আসলেই ঈমানকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে উপর্যুক্ত বাক্যটি রাসুলের হাদীস নয়। এর অসারতার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুহাদ্দিস ইসমাঈল আজলুনী উল্লেখ করেন যে, ইমাম সাগানী হাদীসটিকে মওজু বলেছেন, প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী বলেন, হাফিজুল হাদীসগণের নিকট হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই। মুহাদ্দিস জরকশী বলেন, আমি এ হাদীসটির ব্যাপারে অবগত নই। মুহাদ্দিস মুঈনুদ্দীন .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

***আমেরিকান ধর্ম যাজক ইউসুফ এসতেসের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কাহিনী…….***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ রবিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১০ (১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ)

কিছুদিন আগে ইউসুফ এসতেস এর বক্তৃতার ভিডিও দেখলাম, সেখানে তিনি তার মুসলিম হওয়ার কাহিনী বলেছিলেন। আমি জানতাম তিনি একজন প্রিচার(ধর্ম যাজক) ছিলেন আর পরে একজন মুসলিম হয়েছেন কিন্তু কিভাবে হয়েছিলেন তা জানতাম না। মূল ভিডিওটি ছিল ইংলিশে, আমার কাছে তার ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি খুবই ভাল লেগেছিল তাই আমি মনে করলাম যদি এটা বঙ্গানুবাদ করে অন্যদেরকে জানাই হয়তো অন্যদেরও ভাল লাগবে আর ভাল জিনিস সেয়ার করার মজাই আলাদা। আমি বঙ্গানুবাদের ক্ষেত্রে খুব একটা দক্ষ না, যেহেতু মূল ভিডিওটি বক্তৃতা আকারে ছিল, .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কবিরা গুনাহ-১৪ (আল্লাহ তায়ালা ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপ করা।)

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ রবিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১০ (৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ

যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে, কেয়ামতের দিন আপনি তাদের মুখ কালো দেখবেন ।(সুরা আয যুমার-১০)

হযরত হাসান বসরী রঃ বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যারোপকারী তারাই, যারা বলে, আমরা ইচ্ছা করলে কোন কাজ করতে পারি, আবার নাও করতে পারি। (এতে আমাদের কোন অপরাধ হবেনা।)। হযরত আল্লাম ইবনুল জাওযী রঃ তাঁর তাফসীরে বলেনঃ ” এক দল আলেমের অভিমত হলোঃ আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপ করলে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মা-বাবা, সন্তান এবং নিজের জন্য কোরআন থেকে নেয়া কিছু দোয়া

লিখেছেন: ' তালহা তিতুমির' @ শনিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১০ (৫:১৩ পূর্বাহ্ণ)

রাব্বানাগফিরলী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়া ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুউমুল হিসাবু ।
বাংলা অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সকল মুমিনকে ক্ষমা কর, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।
(সুরা ইবরাহিম, আয়াত-৪১)

রাব্বীজ আলনী মুকিমাস সালাতি ওয়া মিন জুররিয়াতি রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দুআয়ি।
বাংলা অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া। (সুরা ইবরাহিম, আয়াত-৪০)

রাব্বীর হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী সাগীরা ।
বাংলা অর্থ : হে পালনকর্তা, তাদের(মা-বাবা) উভয়ের প্রতি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-৫

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ শনিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১০ (৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু।

সুত্রঃ মাসিক মদিনা, জানুয়ারী ২০১০।
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-১
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-২
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-৩
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-৪

আবু হানীফা নোমান ইবনে ছাবেত যেমন ছিলেন একজন বিরল প্রতিভাধর শিক্ষার্থী তেমনি তাঁর উস্তাদ হাম্মাদ ইবনে আবু সুলায়মান ও ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ একজন আদর্শ শিক্ষক। একনিষ্ঠ এই সাগরেদের জ্ঞানঅন্বেষায় মুগ্ধ হয়ে একদা তিনি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ভালবাসায় শিরক

লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ শনিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১০ (১:২৮ পূর্বাহ্ণ)

[হাফিজ ইবনুল কায়্যিমের (রহ.) লেখা থেকে।]
বড় (প্রধান) শিরক-কে চার ভাগে ভাগ করা যায়:

প্রথম প্রকার হচেছ “কামনা-প্রার্থনায় শিরক”, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নিকট প্রার্থনা করা ৷ গায়রুল্লাহকে আনুকূল্য লাভের মাধ্যম, রোগমুক্তির অবলম্বন বা দুঃসময়ে ত্রাণকর্তা রূপে গণ্য করা ৷

দ্বিতীয় প্রকার হল “নিয়তের ক্ষেত্রে শিরক”, অর্থাৎ যে কার্যাবলী আদতে দূষণীয় নয়, তথাপি বিশুদ্ধভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না হওয়াতে একান্তভাবে পার্থিব স্বার্থমগ্নতায় দূষণীয় ৷

তৃতীয় প্রকার হল “ভালবাসার ক্ষেত্রে শিরক” – আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও প্রতি সমতুল্য বা সমধিক ভালবাসা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

***একজন মুসলিমের যে বিষয়গুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ২২, ২০১০ (১২:৪৬ অপরাহ্ণ)

ﺒﺴﻢ ﺍﷲ ﺍﻠﺮ ﺤﻣﻦ ﺍﻠﺮ ﺤﻴﻢ

একজন মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে অন্যদেরকে(নামধারী মুসলিম, অমুসলিম তথা অন্য ধর্মের অনুসারীদের) ইসলামের দিকে আহবান করা এবং এই আহবান করতে যেয়ে একজন মুসলিমকে সে যে বিষয়ে অন্যদের আহবান করবে সেই বিষয়ে অবশ্যই পরিস্কার ধারণা থাকতে হবে যার ফলশ্রুতিতে দাওয়াত দিতে গিয়ে সে ভুল করবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
“(হে মুহাম্মদ) আপনি বলে দিন, এটাই আমার পথ; আমি মানুষদের আল্লাহর দিকে আহবান করি(অর্থাৎ আল্লাহর একত্ববাদের দিকে), আমি ও আমার অনুসারীরা পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানের সাথেই (এ পথে) .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

অাল্লাহর অস্তিত্বঃ সেরা িবজ্ঞানীদের মতামতঃ মাইকেল ফ্যারাডে

লিখেছেন: ' বাগেরহাট' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ২২, ২০১০ (১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ)

“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম”

প্রখ্যাত ইংরেজ রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে ।
তিনি বিদ্যুৎ ও চুম্বক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি খ্রিষ্টান ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। ১৮৬৭ সালের কোনো একদিন মাইকেল ফ্যারাডের মৃত্যুশয্যায় তাঁর বন্ধু ও সহকর্মী প্রশ্ন করলেন. “ফ্যারাডে ! এখন তোমার ধারনা কী? “ধারনা?” মৃত্যুপথের যাত্রী প্রশ্নটি পুনরাবৃত্তি করলেন।
‘ধারনা?” না, আমার আর কোন ধারনা নেই। আল্লাহ তা’য়ালাকে অশেষ
ধন্যবাদ , আমাকে আর কোনো ধ্যান-ধারনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সন্দেহ হলো ঈমানের লক্ষণ

লিখেছেন: ' তালহা তিতুমির' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ২২, ২০১০ (৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ)

বহুলোক এমন রয়েছে যারা আকিদা-বিশ্বাসের প্রতি বিশেষ ঔদাসীন্য প্রদর্শন করে। তাদের মনে নানারূপ সন্দেহ-সংশয় দানা বেধে ওঠে, নানা কুসংস্কার পুন্জীভূত হয়। কিন্তু তা দূর করার জন্যে তাদের কোনরুপ উদ্যোগী হতে দেখা যায় না। অনেকের মনে নানারুপ সন্দেহ জাগে। সেগুলোকেও তারা মনের গহনে গোপন করে রাখে। তা দুর করার জন্যে চেষ্টা করে না। ফলে তাদের হৃদয় মন আস্তে আস্তে ইসলামের বিশ্বাস থেকে অনেক দুরে সরে যায়। তাতে প্রবেশ করে নানা বিভ্রান্তি ও বিভ্রম। এদের সম্পর্কে কোরআনে বলা হয়েছে-
“এদের অধিকাংশ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>