‘ইতিহাস’ ক্যাটাগরি -এর আর্কাইভ
গাইরে মুকাল্লিদ(আহলে হাদীস নামধারী)দের ভ্রান্ত আকীদা এবং এদের চেনার উপায়
লিখেছেন: ' Mohammad Fourkan Hamid' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৫, ২০১২ (২:০৯ পূর্বাহ্ণ)
যেসব মুসলমান ভাই ইসলাম সম্পর্কে ভালো করে জানেন না তাদের কুর’আন-হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে কথিত আহলে হাদীসরা। তাই এদেরকে চিনে রাখা প্রত্যেক মুসলমান ভাইদের জন্য অতিজরূরি। তা না হলে ঈমান হাইজ্যাক হয়ে যেতে পারে। নিম্নে তাদের ভ্রান্ত আকীদা তুলে ধরা হলোঃ
১। তারা তিন তালাককে এক তালাক গন্য করেন এবং তিন তালাক দেওয়ার পরও বিবাহ-তাহলীল ছাড়া মিলিয়ে দেন!
২। তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ একই নামায মনে করেন!
৩। তারাবীহ ২০ রাকাত নয়, ৮ রাকাত পড়েন!
৪। পবিত্র কুরআন বিনা উজুতে .....
৫ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ৩
লিখেছেন: ' Anonymous' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ)
শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহমাতুল্লাহ আলাইহি নিঃসন্দেহে একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর পিতা একজন আলেম ছিলেন এবং নিজের ও সন্তানদের ঈমান ও আক্বীদাহ বাঁচানোর তাকীদে হিজরত করেছিলেন। এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের প্রভাব তাঁর সন্তানদের মধ্যেও পড়বে এটাই স্বাভাবিক। বাস্তবিকই তাঁর (আলবানী) মধ্যে এর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। ছোট বেলা পড়া শুনার সুযোগ না পাওয়া, দারিদ্র এসব কোন কিছুই তাঁকে হাদীসের জ্ঞান অর্জন থেকে ফিরাতে পারেনি। তিনি দামেস্কের এক বিখ্যাত লাইব্রেরীতে নিজ গরজে হাদীস শিখেন ও গবেষণা করেন। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এই হিসেবে .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া কি জায়েজ ?
লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২২, ২০১২ (৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ)
মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া : একটি পর্যালোচনা
প্রথমেই আমি কিছু বইয়ের কথা বলতে চাই যেখানে বিষয়টি আরও বিস্তারিত ভাবে আরও দলীল প্রমাণ সহ জানতে পারবেন ।
১. শিরক কি এবং কেন ? লেখক: ডঃ মুজ্জাম্মিল হক
২. কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামী আক্বীদা লেখক : ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ।
অন্যান্য আক্বীদা বিষয়ক গ্রন্থাবলীতেও পাবেন ।এবারে আসুন আজকের বিষয়টি আলোচনা করি :-
বিভিন্ন দুআ মুনাজাতের সময় দেখা যায়, ইমাম সাহেব বা আলেম সাহেব দুআ-মুনাজাতের মধ্যে বলছেন, ‘হে আল্লাহ! মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ .....
৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ফিকহে হানাফীঃ কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য
লিখেছেন: ' Anonymous' @ সোমবার, মার্চ ১৯, ২০১২ (৯:৪৮ অপরাহ্ণ)
জীবনের অঙ্গন অতি বিস্তৃত এবং অতি বৈচিত্রময়। ইসলাম যেহেতু পূর্ণাঙ্গ দ্বীন তাই তা জীবনের সকল বৈচিত্রকে ধারণ করে। জীবনের সকল বিভাগ তাতে নিখুঁতভাবে সন্নিবেশিত। ইসলামী জীবন-দর্শনের পরিভাষায় মানব-জীবনের মৌলিক বিভাগগুলো নিম্নোক্ত শিরোনামে শ্রেণীবদ্ধ হয়েছে : ১. আকাইদ (বিশ্বাস), ২. ইবাদাত (বন্দেগী ও উপাসনা), ৩. মুআমালাত .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
সালাফী দাবীর বাস্তবতা_____________
লিখেছেন: ' আবদুস সবুর' @ শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১২ (২:২৩ অপরাহ্ণ)
সালাফী শব্দটির মুল হচ্ছে ‘সালাফ’, যা সাধারনতঃ অতিবাহিত বা পূর্ববর্তী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। (আল-মু’জমূল অসিত, পৃষ্ঠা- ৪৪৩)
আর যারা অতিবাহিত বা পূর্ববর্তীদের অনুসরণ-অনুকরণ করে তারাই হলো ‘সালাফী’। যা যেহেতু ইসলামী ইতিহাসের প্রথম তিন যুগের মহামনীষীগণ, অর্থাৎ সাহাবা (রা) তাবঈন ও তাবে তাবেয়ীগণই রাসূল স. এর ভাষায় পূর্বসূরী হওয়ার সর্বোৎকৃষ্ট ও প্রকৃত অধিকারী। তাই, যে তাদের অনুসৃত আদর্শ ও ব্যাখ্যার আলোকে কুরআন ও হাদীসকে আঁকড়ে ধরবে সে-ই হবে সত্যিকারার্থে ‘সালাফী’ তথা পূর্ববর্তীদের অনুসারী।
সাহাবী ইমরান ইবনে হুসাইন রা. থেকে বর্ণিত একটি সুপ্রসিদ্ধ .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
আলেমগণই দুনিয়ার প্রকৃত বাদশা
লিখেছেন: ' mukallidussunnah' @ শনিবার, জানুয়ারি ২৮, ২০১২ (১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ)
হযরত শুয়াইব রহ. বর্ণনা করেন, একদা বাদশা হারুনুর রশিদ ‘রাক্কাহ’ শহরে আগমন করলেন। কিন্তু লোকজনের এতে তেমন কোন আকর্ষণ নেই। তারা দলে দলে ছুটে চলছে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল মোবারক রহ.-এর পিছে। লোকে লোকারণ্য। রাস্তায় ধুলি উড়ছে। হৈ চৈ নেই, শুধু চলার আওয়াজ।
হারুনুর রশীদের স্ত্রী সু উচ্চ অট্টালিকা হতে অবাক দৃষ্টিতে এদৃশ্য তাকিয়ে দেখছেন। মনের কৌতুহল চেপে রাখতে পারলেন না। লোকদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, উনি কে? তারা উত্তর দিলো, আব্দুল্লাহ ইবনুল মোবারক, বাড়ী খোরাসান শহরে।
তখন তাঁর স্ত্রী বললেন, খোদার কসম! .....
১ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
মি শ না রি : খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘স্বাধীন’ অঞ্চলের পদধ্বনি!
লিখেছেন: ' আবদুস সবুর' @ শনিবার, অক্টোবর ৮, ২০১১ (৩:৪০ অপরাহ্ণ)
বিষয়টি নতুন নয়। যথেষ্ট পুরনো। দুই-আড়াই দশক ধরেই সচেতন নাগরিকরা বলে আসছিলেন। কখনো কখনো কোনো কোনো মিডিয়াতেও খবর প্রকাশ হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা বিভিন্ন আলামত দেখে উদ্বেগ ও আশঙ্কাও ব্যক্ত করেছেন। আলেমসমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ বার বার সতর্ক করে এসেছেন। কিন্তু প্রশাসন ও প্রভাবশালী মিডিয়ার কর্তাব্যক্তিরা এ বিষয়টির দিকে মোটেই পাত্তা দিতে চাননি। এখন সেসব খবর, উদ্বেগ ও সতর্কীকরনেরই সত্যতা পাওয়া গেল স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও পরিসংখ্যানগত নির্দিষ্টতার সঙ্গে সে প্রতিবেদনে ধারণার চেয়েও ভয়াবহ সত্য তুলে ধরা .....
৫ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
২১শে শাওয়াল। হযরত আয়িশা(রা) উনার আক্বদ(নিকাহ) মুবারকের দিন। এ উপলক্ষে উনার কিছু ছানা-ছিফত
লিখেছেন: ' তরবারি' @ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১১ (৭:২৬ অপরাহ্ণ)
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ উম্মুল মু’মিনীন, আল মুহসানাহ, আছ ছাবিরাহ, হুমায়রা হযরত ছিদ্দীক্বা (রা) উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে কতিপয় হাদীছ শরীফ উল্লেখ করা হলো-
হাদীছ শরীফ-এর বর্ণিত রয়েছে, হযরত মূসা বিন ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা (রা) উনার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধভাষিণী আর কাউকে দেখিনি। সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী, মিশকাত শরীফ)
উম্মুল মু’মিনীন, আল জামীলাহ, আ’লামুন নিসা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা(রা) উনার সম্পর্কে হাদীছ .....
০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ওমর (রা) এর একটি ঘটনা
লিখেছেন: ' faridsworld07' @ বুধবার, অগাষ্ট ২৪, ২০১১ (১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ)
ওমর ইবনে আব্দুল আযীয (রা) একবার তাঁর পুর্বের খলিফা এবং আত্মীয় সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালেক (রা) এর সাথে কোনো এক স্থানে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে চলেছেন । তখন নিয়ম ছিল ভ্রমনের আগেই ভ্রমন স্থলে থাকার জন্য যে যার জিনিস পাঠিয়ে দিতেন ।
সকলেই তাঁবু থেকে নিয়ে সমস্ত প্রকার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র পুর্বেই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন । তাই নিদিষ্ট স্থানে পৌছেই যে যাঁর তাবুতে প্রবেশ করলেন । ঘটনা চক্রে ওমর ইবনে আব্দুল আযীয (রা) কোনো জিনিস পত্রই পাঠাননি । তাই তিনি কোথায় যে .....
১ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ইমাম আলী (আ.)-এর পাঁচ বছরের খেলাফতের ফসল
লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০৫ অপরাহ্ণ)
হযরত আলী (আ.) তাঁর ৪ বছর ৯ মাসের শাসন আমলে খেলাফত প্রশাসনের স্তুপীকৃত অরাজকতা ও বিশৃংখলাকে সম্পূর্ণরূপে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে যদিও সমর্থ হননি তবুও এ ক্ষেত্রে তিনটি মৌলিক সাফল্য অর্জিত হয়েছিল।
১। নিজের অনুসৃত ন্যায়পরায়ণতা ভিত্তিক জীবনাদর্শের মাধ্যমে জনগণকে এবং বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে মহানবী (সা.)-এর পবিত্র ও আকর্ষনীয় জীবনাদর্শের সাথে পরিচিত করেন। মুয়াবিয়ার চোখ ধাঁধানো রাজকীয় জীবন যাপন পদ্ধতির সমান্তরালে তিনি জনগণের মাঝে অতি দরিদ্রতম জীবন যাপন করতেন। তিনি কখনো নিজের বন্ধু-বান্ধব, পরিবার বা আত্মীয় স্বজনকে অন্যায়ভাবে অন্যদের উপর অগ্রাধিকার .....
১ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>

