‘বিবর্তনবাদ’ ক্যাটাগরি -এর আর্কাইভ
বিবর্তন তত্ত্ব: সচেতন ও যুক্তিবাদী পাঠকদের জন্য
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১২ (১০:২৬ পূর্বাহ্ণ)
যারা বিবর্তন তত্ত্ব – বিশেষ করে বিবর্তনবাদীদের দাবি – নিয়ে অধ্যয়ন ও চিন্তাভাবনা করেছেন তাদের কাছে বিবর্তনবাদের অবাস্তব ও হাস্যকর কল্পকাহিনীগুলো দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার হওয়ার কথা। কিন্তু যারা এ বিষয়ে সেভাবে মাথা দেননি তাদের কাছে ব্যাপারটা হয়ত অস্পষ্টই রয়ে গেছে – আর সেটাই স্বাভাবিক।
অধিকন্তু, বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীগুলোকে যেহেতু আমেরিকা-বৃটেনের কিছু জনপ্রিয় নাস্তিক (যেমন: রিচার্ড ডকিন্স, স্যাম হ্যারিস, ক্রিস্টোফার হিচেন্স, ড্যান ডেনেট, মাইকেল শেরমার, ড্যান বার্কার প্রমুখ) আধুনিক বিজ্ঞানের নামে ধর্মের বিরুদ্ধে মিশনারী পন্থায় প্রচার করেছেন সেহেতু বাংলাদেশের মতো গরীব ও শিক্ষা-দীক্ষায় অনগ্রসর দেশের লোকজন এগুলো নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা তো দূরে থাক প্রশ্ন ও সংশয় করতেই .....
০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে লেখার সঙ্কলন
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ রবিবার, জানুয়ারি ২২, ২০১২ (৭:১৯ পূর্বাহ্ণ)
ডারউইনবাদীরা কীভাবে বিবর্তনবাদের হাস্যকর সব কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে “প্রমাণিত সত্য” হিসেবে চালিয়ে দিয়ে অসচেতন লোকজনকে বিভ্রান্ত করছে তা জানতে হলে নিচের লেখাগুলো পড়া যেতে পারে। সেই সাথে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদের উপর ভিত্তি করে অমানবিক ইউজেনিক্স সম্পর্কেও জানা যাবে। মূল পোস্ট এখানে…
! রিপোর্ট করুন ! .....০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
নাস্তিকতা টেস্ট: আপনি কি আসলেই নাস্তিক হতে পেরেছেন?
লিখেছেন: ' সরোয়ার' @ রবিবার, জুন ১২, ২০১১ (১১:১৮ অপরাহ্ণ)
‘নাস্তিকতা’ ও ‘আস্তিকতা’ শুধুমাত্র দুটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ব্যক্তিগত চিন্তা-স্বাধীনতার অধিকার বলে বিবেচনা করা হলেও এদের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সমাজে প্রতিফলিত হয়, কেননা সমাজ হচ্ছে ব্যক্তির সমষ্টি। আস্তিকতার ভিত্তি হচ্ছে স্রষ্টা প্রদত্ত নৈতিকতার গাইডলাইন (যেমন কোরান, বাইবেল ও তোরাহ)। নৈতিকতা এবং সমাজের প্রচলিত রীতি-নীতি ও আইন-কানুন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অন্যদিকে নাস্তিকতাবাদের ভিত্তি হচ্ছে বস্তুবাদ। বর্তমানে এটা বিজ্ঞানের নামে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের খোলসে প্রচার করা হয় (বিস্তারিত বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা)। তাই .....
৭ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-১০
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (২:১৭ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পুরো জীবজগতের উৎস যেহেতু একটি এককোষী জীব সেহেতু লক্ষ লক্ষ প্রকারের ফল-মূল-ফুলের গাছের আলাদা আলাদা উৎস নাই। একটি জীব থেকে যদি উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত বিবর্তিত হয়ে থাকে তাহলে বিবর্তনের কোন এক পর্যায়ে উদ্ভিদকে আলাদা হতেই হবে। শুধু তা-ই নয়, সেই উদ্ভিদ থেকে আবার লক্ষ লক্ষ প্রকারের উদ্ভিদ বিবর্তিত হতে হবে; যাদের মধ্যে হাজার হাজার ধরণের শুধু লতা-পাতা-ওয়ালা উদ্ভিদ, হাজার হাজার ধরণের শুধু ফুল-ওয়ালা উদ্ভিদ, এবং হাজার হাজার ধরণের ফলন্ত উদ্ভিদ আছে। আর এগুলোর সবই হতে .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৯
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১১ (৬:৪২ অপরাহ্ণ)
পা’র উপর ভিত্তি করে প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরণের প্রাণী পরিলক্ষিত হয়। যেমন পা-বিহীন প্রাণী (সাপ, জোঁক, কেঁচো) থেকে শুরু করে দ্বিপদী প্রাণী (মানুষ, পাখি), চতুষ্পদী প্রাণী (বাঘ, সিংহ, হাতি, ঘোড়া, গরু, ছাগল), ষষ্ঠপদী প্রাণী (কীট-পতঙ্গ), আষ্টপদী প্রাণী (মাকড়সা), ও বহুপদী প্রাণী (বিছা পোকা)। তবে অত্যন্ত আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠা বেজোড় সংখ্যক পা বিশিষ্ট একটি প্রজাতিও নেই! ডারউইনবাদীদের অন্ধ-অচেতন ও উদ্দেশ্যহীন ‘প্রকৃতি’ একেবারে শতভাগ প্রজাতির ক্ষেত্রে জোড় সংখ্যক পা নির্ধারণ করলো কী করে! পা’র উপর ভিত্তি .....
৯ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৮
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১১ (৫:৪৬ অপরাহ্ণ)
শামুক হচ্ছে মোলাস্কা পর্বের গ্যাস্ট্রোপডা শ্রেণীর প্রায় সকল সদস্যের সাধারণ নাম। এরা নরমদেহী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের দেহ একটি প্যাঁচানো খোল দ্বারা আবৃত থাকে। কিছু শামুক ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। কিছু শামুক আবার ফুলকা জাতীয় অঙ্গের সাহায্যে শ্বাস নেয়। স্থলচর শামুকদের মাথায় দুইজোড়া কর্ষিকা থাকে যা শামুকের দরকার পড়লে গুটিয়ে রাখতে পারে। পেছনের কর্ষিকাজোড়ায় থাকে চোখ। জলজ শামুকদের একজোড়া গোটানোর অনুপযোগী কর্ষিকা থাকে যার গোড়ায় চোখ থাকে। শামুকের খোলক জ্যামিতিক স্পাইরাল বা প্যাঁচের আকারে তৈরী। বেশীরভাগ খোলকই ডানহাতি, অর্থাৎ যদি খোলকের কেন্দ্রের .....
৫ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৭
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০১১ (৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ)
হৃৎপিন্ড একটি অত্যন্ত জটিল ও পেশীবহুল অঙ্গ যেটি পৌনপৌনিক ছান্দিক সংকোচনের মাধ্যমে রক্তনালীর ভেতর দিয়ে রক্ত সারা দেহে প্রবাহিত করে। গড়পড়তায় একটি মানব হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৭২ বার স্পন্দিত হয়। হৃৎপিন্ডের স্পন্দন থেমে যাওয়া মানে অক্কা পাওয়া। মানব হৃৎপিন্ড ৪টি মূল প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় এবং বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়। হৃৎপিন্ডের ডান অংশের কাজ হলো পুরো দেহ হতে ডান অলিন্দে অক্সিজেন-শূন্য রক্ত সংগ্রহ করা এবং ডান নিলয়ের মাধ্যমে তা পাম্প করে ফুসফুসে প্রেরণ করা .....
৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৬
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৭, ২০১১ (৫:৫৮ অপরাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী এককোষী একটি জীব থেকে উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত সহ পুরো জীবজগত বিবর্তিত হয়েছে। একটি জীবের জায়গায় একাধিক হলে বিবর্তন তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব যেমন কারো পক্ষেই প্রমাণ করা সম্ভব নয় তেমনি একটি জীব থেকে পুরো জীবজগতের বিবর্তন প্রমাণ করাও অসম্ভব। ফলে এই তত্ত্বকে কোন ভাবেই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বলা যেতে পারে না। এখানে আরো স্মরণ রাখতে হবে যে, বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী “এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন” এর মাধ্যমে উদ্ভিদজগত .....
৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৫
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শনিবার, জানুয়ারি ২২, ২০১১ (৩:০৩ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ডারউইনবাদীদের কল্পকাহিনী প্রচারকে উন্মোচন করার সহজ ও কার্যকর একটি পন্থা হচ্ছে সাধারণ লোকজন ও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা শেখানো। বেশী নয় মাত্র দুটি মৌলিক প্রশ্ন শেখালেই হবে। তাহলে দেখা যাবে বড় বড় ডারউইনবাদীরাও সাধারণ লোকজন ও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। যেমন, এক প্রজাতি থেকে এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতি বিবর্তিত হওয়ার প্রমাণ কোথায়? নির্দিষ্ট একটি জায়গায় আষ্টেপিষ্টে চেপে ধরতে হবে। .....
৭ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৪
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শনিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০১১ (৫:২৭ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী মাছ জাতীয় জলজ কোন একটি [?] প্রাণী থেকে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে একটি [?] উভচর প্রাণী হয়েছে, যদিও অসংখ্য প্রকারের জলজ প্রাণী রয়েই গেছে। সেই উভচর প্রাণী থেকে আবার অনেক প্রকারের উভচর প্রাণী বিবর্তিত হয়েছে, যদিও তা কী করে সম্ভব কে জানে! কোন একটি উভচর প্রাণী থেকে আবার ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে একটি সরীসৃপ হয়েছে, যদিও অনেক প্রকারের উভচর প্রাণী রয়েই গেছে। সেই সরীসৃপ থেকে আবার অনেক প্রকারের সরীসৃপ বিবর্তিত হয়েছে, যদিও তা কী করে .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>







