লগইন রেজিস্ট্রেশন

‘নাস্তিকতার যুক্তিখন্ডন’ ক্যাটাগরি -এর আর্কাইভ

 

‘আত তাক্বউইমুশ শামসি’ আগামী পৃথিবীর জন্য রচিত একটি আদর্শ সৌর ক্যালেন্ডার

লিখেছেন: ' antukhan' @ সোমবার, এপ্রিল ২৩, ২০১২ (২:৪৪ অপরাহ্ণ)

‘আত তাক্বউইমুশ শামসি’ সৌর ক্যালেন্ডার পৃথিবীর কোনো ক্যালেন্ডারের অনুকরণে তৈরি না করে বরং খাছ খোদায়ী মদদে ইলহাম, ইলকার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এই সৌর ক্যালেন্ডারের প্রবর্তন এবং নামকরণ করেছেন খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হুজ্জাতুল ইসলাম, মুজাদ্দিদ আ’যমে ছানী, আওলাদে রসূল, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

রোমান ক্যালেন্ডারে ৪টি মাস ছিল ৩১ দিনে, ৭টি মাস ছিল ২৯ দিনে, ১টি মাস ছিল ২৮ দিনে। এভাবে বছর ছিল ৩৫৫ দিনে। পরে তারা ২২ অথবা ২৩ দিনের একটি নতুন মাস প্রত্যেক দ্বিতীয় .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নাস্তিকতা টেস্ট: আপনি কি আসলেই নাস্তিক হতে পেরেছেন?

লিখেছেন: ' সরোয়ার' @ রবিবার, জুন ১২, ২০১১ (১১:১৮ অপরাহ্ণ)

‘নাস্তিকতা’ ও ‘আস্তিকতা’ শুধুমাত্র দুটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ব্যক্তিগত চিন্তা-স্বাধীনতার অধিকার বলে বিবেচনা করা হলেও এদের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সমাজে প্রতিফলিত হয়, কেননা সমাজ হচ্ছে ব্যক্তির সমষ্টি। আস্তিকতার ভিত্তি হচ্ছে স্রষ্টা প্রদত্ত নৈতিকতার গাইডলাইন (যেমন কোরান, বাইবেল ও তোরাহ)। নৈতিকতা এবং সমাজের প্রচলিত রীতি-নীতি ও আইন-কানুন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অন্যদিকে নাস্তিকতাবাদের ভিত্তি হচ্ছে বস্তুবাদ। বর্তমানে এটা বিজ্ঞানের নামে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের খোলসে প্রচার করা হয় (বিস্তারিত বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা)। তাই .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নাস্তিরা আসলেই বেকুব, নাকি নিজেদেরকে বেশি বুদ্ধিমান ভাবেন?

লিখেছেন: ' রাসেল আহমেদ' @ সোমবার, মে ১৬, ২০১১ (১১:১৪ পূর্বাহ্ণ)

আমরা মুসলমান। আমরা বিশ্বাস করি সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ। পৃথিবীতে যত ধর্মের মানুষ আছেন প্রত্যেকেই সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাসী। কিন্ত শুধু মাত্র গুটি কয়েক নাস্তিকরাই সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাসী না, না কোন ধর্মে বিশ্বাসী।তারা বিভিন্ন ব্লগে ইসলাম সম্পর্কে ভিবিন্ন ধরনের খারাপ মন্তব্য করে নিচে কিছু আলোচনা করলাম। আরিফ সাহেব নাম ধারী একজন এর বক্তব্য হল “এবং নব্য-নাস্তিক হলো ধর্মের কু-প্রভাবের বিরুদ্ধে যারা সচেতন” উনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ধর্মের কু প্রভাব কি? তাহলে উনার গুরুদের কাছ থেকে শিক্ষা নেয়া কয়েকটি মুখস্ত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

প্রমানের দ্বায়িত্ব কার ? নাস্তিক নাকি আস্তিকের

লিখেছেন: ' ফুয়াদ দীনহীন' @ সোমবার, মার্চ ২১, ২০১১ (৮:০৩ অপরাহ্ণ)

নাস্তিকতাবাদের একটি বড় সমস্যা নামক পোষ্টে উল্লেখিত যুক্তির জবাব দিয়েছেন যুদ্ধদেব এবং দ্রোহের মন্ত্র, এই যুক্তিগুলির উপর পুনরায় মতামত তুলে ধরেছেন গৃহবন্দি ভাই। গৃহবন্দি ভাইয়ের ঐ পোষ্টে বিভিন্ন ব্যাক্তি তাদের যুক্তি তুলে ধরেছেন। আমরা প্রথমে আসি প্রমানের দ্বায়িত্ব প্রসংগে। এ ব্যাপারে আমার এক শিক্ষক বর্নীত গল্প শেয়ার করতে পারি। তিনি তার এক শিক্ষকের সাথে কোর্টের জেরায় উপস্থিত। তাদের ক্লাইন্ট একজন যুবক, বারের সামনে মারামারি করে এক ব্যাক্তির হাত-পা ভেংগে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। সাক্ষী প্রায় ৩৯ জন, ক্লাইন্টকে বাঁচানোর কোন উপায় নেই। .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নাস্তিকতার একটি বিশ্লেষন

লিখেছেন: ' ফুয়াদ দীনহীন' @ রবিবার, মার্চ ২০, ২০১১ (৯:২৯ পূর্বাহ্ণ)

পাঠ্য ১ঃ নাস্তিকতা কি

স্রষ্টার অস্থিত্বে অবিশ্বাস কেই নাস্তিকতা বলা হয়, এটি একটি বিশ্বাস কারন স্রষ্টা নেই এ ধরনের কোন প্রমানও নেই, তাই শুধু মাত্র অজ্ঞায়বাদ কে কোন বিশ্বাস বলা যায় না তথাপি নাস্তিকরা যুক্তিদেখান আস্তিকতার বর্জন কেই নাস্তিকতা বলা যায়, নাস্তিকতা বিশ্বাস নয় বরং বিশ্বাসের অনুপস্থিতি। কিন্তু অক্সফোর্ড ডিকশনারী সহ বিভিন্ন ডিকশনারীতে নাস্তিকতাকে একটি বিশ্বাস ই বলা হয়েছে। দেখা যায়, ইংরেজি এথিজম শব্দটি গ্রিক এথাস শব্দ থেকে আগতা যারা স্রষ্ঠাকে অস্বীকার করত, অথবা ঐ সকল ব্যাক্তি যারা ঈশ্বরের অস্তিত্ব .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

অমুসলিমদের সাথে মুসলিমদের কিরুপ আচরণ হওয়া চাই? (১) + (২)

লিখেছেন: ' anamul haq' @ সোমবার, মার্চ ৭, ২০১১ (১১:৪০ পূর্বাহ্ণ)

ইসলাম শান্তি ও মানবতার ধর্ম। মানুষের কল্যাণ কামনাই ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে “তোমরা শেষ্ঠ জাতি তোমাদেরকে মানুষের কল্যাণের জন্যই বের করা হয়েছে” রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন জনগণের কল্যাণ কামনাই দ্বীন। ধর্ম-বর্ণ, জাতী-গোষ্টি নির্বিশেষে সকল মানুষের সাথে সদাচারণের প্রতি ইসলামের নির্দেশ রয়েছে।
এক হাদীসে রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন: “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করেনা বড়দের সম্মান করেনা সে আমার উম্মত নয়”
অপর হাদীসে আছে “সে প্রকৃত মুমিন নয় যার অত্যাচার থেকে তার প্রতিবেশি নিরাপদ নয়”।
অন্যত্র বর্ণিত আছে “যে .....

১৩ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল্লাহর নামে যিকির করার ফযীলত

লিখেছেন: ' আল্লাহর-বান্দা' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (১০:০০ পূর্বাহ্ণ)

হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে একদল ফেরেশতা(নিয়জিত) আছে – যারা আল্লাহর স্মরণে রত লোকদের খোঁজে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়।যখন তারা আল্লাহর যিকিরে মগ্ন লোকদের দেখতে পায়, তখন একজন আর একজনকে ডাকাডাকি করে বলে, স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে একদিকে চলে আসো।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন সেই ফেরেশতারা নিজেদের পাখা দিয়ে এ লোকদেরকে ঘিরে ফেলে এবং এভাবে তাদেরকে ঘিরতে ঘিরতে ফেরেশতাদের স্তর আসমান পর্যন্ত পৌছে যায়।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন ফেরেস্তাদের রব তাদেরকে জিজ্ঞাস করেন, আমার এই বান্দারা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইরতেদাদের যৌক্তিক অগ্রহনযোগ্যতা ও বাকস্বাধীনতার বাস্তবতা।

লিখেছেন: ' আল মুরতাহিল' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১১ (১২:৫১ পূর্বাহ্ণ)

ইসলামের প্রতি জঘন্যতম বিপত্তির অন্যতম হলো মুরতাদদের ফাসীঁ প্রদান বা কতল করন। যা কিনা রাস্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাকস্বাধীনতার প্রতি হস্তক্ষেপের নামন্তর কিন্তু কিছুটা ভিতরে গিয়ে বিষয়টি দেখা উচিৎ মানবতাবাদীদের । ইতিপূর্বে এ ধরনের হত্যার যৌক্তিকতার ব্যাপারে কথা হয়েছে। এর বিপরীত দিক থেকে ইসলামের মূল লজিক এবং ঐতিহাসিক দিক থেকে কিংবা পৃথীবির অন্যান সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার একটি তুলনামুলক আলোচনা করা যাক যাতে এই স্বাধীনতার অধিকার মানুষের পক্ষে অর্জিত হয়।

প্রথমত বাকস্বাধীনতার স্বরুপ বুঝে আসতে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল কোরানের আলোক বর্তিকা (৭) কোরানের মুজেযা কি কেবল সাহিত্যগত দিক থেকে? না বিজ্ঞানগত দিক থেকেও। ?

লিখেছেন: ' আল মুরতাহিল' @ বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০১০ (৭:৩২ পূর্বাহ্ণ)

ওলামাদের একদল কোরানের মুজেযাকে কেবল তার সাহিত্য- ও সাবলীলতার জন্যই মনে করেন, অপরদল এ কোরানের পূর্ববর্তি ইতিহাসের অনুপম বর্ণনা ও পরবর্তি সময়ের বাস্তবিক বর্ননাকেও মুজেযা মনে করেন। অপর আরেকটি দল এই কোরানের হুকুম আহকাম ও তাশরীয়াত ও জীবন নির্দেশিকাকেও মুজেযা মনে করেন। আবার কেহ কেহ এই কোরানের অনুপম বিন্যাশ, সূরা ও আয়াতের আশ্চর্য্যজনক যোগফলকেও মুজেযা মনে করেন । আবার অনেকে কোরানে বর্নিত অনেক জ্ঞানের বিস্তৃতিকেও মুজেযা মনে করেন। এভাবে চল্লিশটির মতো বিষয় বিভিন্ন আলেমগন অনুধাবন করেছেন যা অন্য কোন কিতাবে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল কোরানের আলোক বর্তিকা (৬) মুজেযা ও কোরান ।

লিখেছেন: ' আল মুরতাহিল' @ সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১০ (১২:৪০ পূর্বাহ্ণ)

পূর্ব কলাম স্বভাব বিরুদ্ধ বিষয়াবলীর প্রকারভেদ :
এখানে বলে রাখা ভাল যে, ইসলামী স্কলারগন বিশেষত ইমার রাজী সহ অন্যান ফালাসাফী ইমামগন unnecessary Irregular স্বভাব বিরুদ্ধ বিষয়াবলীকে দুই ভাগে ও ৭টি শ্রেনীতে ভাগ করেছেন, যথা :
(ক) এ প্রকারগুলো মুসলিমদের জন্য:
১। ‘ইরহাস’ বা নবীদের জন্মের আগে পৃথীবিতে যে অস্বাভাবিক বিষয় প্রকিতির নিয়ম বহির্ভূত বিষয় ঘটে যেত, যেমন নবী স: এর জন্মের আগে কিসরা কায়সার ও রোম দরবারের ভুকম্পন, ( অথচ অন্য কোন দালানের ক্ষতি সাধন হয়নি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>