লগইন রেজিস্ট্রেশন

‘দাওয়াত’ ক্যাটাগরি -এর আর্কাইভ

 

ইসলামের সঠিক রূপ জানার উপায় (নাবী- রাসুলগণের প্রকৃত উত্তরাধিকারী আ’লিম কারা? – ৪)

লিখেছেন: ' taalibul_ilm2011' @ শনিবার, মে ১৯, ২০১২ (৮:০৭ পূর্বাহ্ণ)

ইসলামের সঠিক রুপ জানার একমাত্র উপায় হচ্ছে আল-কোরআন ও সুন্নাহ এবং এই দুই এর ব্যাখ্যায় সাহাবী, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীনগণের (রঃ) উপলব্ধি।

প্রথমতঃ আল-কুরআন ও সুন্নাহ :
আল্লাহ বলেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا (سورة النساء 594:)
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ্র অনুগত হও এবং রসূলের অনুগত হও এবং তোমাদের মধ্যকার কর্তৃস্থানীয় ব্যক্তিগণের; তবে যদি কোন বিষয়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

তাক্বলীদ হালাল , তাক্বলীদ হারাম

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ বৃহস্পতিবার, মে ১৭, ২০১২ (৭:২৪ পূর্বাহ্ণ)

GAUSUL  AZAM


আমার আগের পোস্টে এত বড় একটা সুখবর দিলাম ( আপনার জিজ্ঞাসা ??? আসছে ………………………….) তবুও কেউ কোন কমেন্ট করলো না । এমনকি পঠিতও হয়েছে মাত্র আটবার , এখন পর্যন্ত । ভাল হোক / খারাপ হোক কমেন্ট না করলে কোন ব্লগারই লেখায় উৎসাহ পায় না । এটি অবশ্য দ্বীন প্রচারের মঞ্চ । এখানে কমেন্ট বড় কথা নয় । বেশী বার পঠিত হওয়াই বড় কথা । ইসলামের বাণী প্রচারই বড় কথা । আমি মহান আল্লাহ পাকের কাছে আশ্রয় চাই .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইমাম আবু হানীফা রহঃ কি কোন কিতাব লিখে যান নি?

লিখেছেন: ' আবদুস সবুর' @ বুধবার, মে ৯, ২০১২ (১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ)

প্রশ্ন:

খান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ডাঃ জাকির নায়েক ও আমরা নামক আহলে হাদিসদের একটা বইতে দাবী করা হয়েছে যে, হযরত ইমাম আবু হানিফা (র) কোন কিতাব লিখে যাননি। বরং তিনি তার লোকদেরকে মাসলা-মাসায়িল মুখে মুখে শিক্ষা দিতেন। এই কথা সত্য কি না?

জবাব :

بسم الله الرحمن الرحيم

প্রথমেই ইমাম আবু হানীফা রহঃ এর ইলমী মাকাম সম্পর্কে কিঞ্চিত ধারণা থাকলে এ উদ্ভট প্রশ্নটির উত্তরটি সহজ হয়ে যাবে।
১-
قال شيخ الإسلام يزيد بن هارون-كان ابو حنيفة نقيا تقيا زاهدا عابدا عالما صدوق اللسان احفظ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

বিস্ময়কর বিষয়, দয়া করে পড়ুন এবং একটু চিন্তা করুন

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ শনিবার, মে ৫, ২০১২ (৫:১১ পূর্বাহ্ণ)

http://4.bp.blogspot.com/-yuyFivA2LAQ/Tei9LZP017I/AAAAAAAAAdM/tVZaDThZdQk/s1600/thinking_man_ape_wood_3d_sculpture_thinker_think.jpg
১। ১০০ টাকা মসজিদে কতই না বড় দেখায়, অথচ শপিংমলে তা কত ছোট!
২। মসজিদে দুই ঘণ্টা এবাদত কত দীর্ঘ সময়, কিন্তু সিনেমা হলে তা দ্রুতই শেষ হয়ে যায়!
৩। তারাবীহ সালাতে দীর্ঘ ১ ঘণ্টা সময় লাগে, অথচ ১টা ফুটবল ম্যাচ মাত্র ৯০ মিনিট!
৪। ১টি ক্রিকেট ম্যাচে অতিরিক্ত সময় অতিবাহিত হলে কিছু মনেই হয় না বরং উত্তেজনাকর কিন্তু জুম্মার খুৎবা একটু বড় হলেই তা বিরক্তিকর!
৫। কনসার্ট বা খেলার মাঠে সাম্নের আসনে বসার জন্য উদগ্রীব হয় অথচ মসজিদে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর প্রসংশায় অতিরঞ্জন

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ শুক্রবার, এপ্রিল ২৭, ২০১২ (৮:১১ পূর্বাহ্ণ)


অবতরনিকা
‘অতিরঞ্জন’ অর্থ , দ্বীনে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) যে সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তা অতিক্রম বা লঙ্ঘণ করা । বিশ্বাসে বা আ’মালে অতিরঞ্জন , ইসলাম নিরুৎসাহিত করেছে । আল্লাহ বলেন , “পক্ষান্তরে , যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) এর অবাধ্য হবে এবং তাদের নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘণ করবে , তিনি তাকে আগুনে নিক্ষেপ করবেন । সেখানে সে চিরকাল থাকবে , আর তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি” । – সুরা আলে ইমরান : ৩১

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) .....

১৬ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

জুমআর খুতবাকালে তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়া সম্পর্কে একটি বিভ্রান্তি ও তার জবাব

লিখেছেন: ' আবদুস সবুর' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৫, ২০১২ (১২:৫৩ অপরাহ্ণ)

প্রশ্ন :
কিছুদিন আগে আমাকে মাযহাবে বিপক্ষে একটি প্রশ্ন করল এক ভাই। আমার প্রশ্নের জবাবটি খুব শিগ্রই প্রয়োজন।
প্রশ্নটি হল

আমি একটি দলীল দিলাম দেখুন কিভাবে সহীহ হাদীসকে লাল বাতি জ্বালিয়ে দুরে ঠেলে দেয়া হয়েছে :

হাদীস:১- আবু কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত । তিনি বলেন ,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন ,যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করবে ,তখন সে যেন দু’রাকাত সালাত আদায় করা ব্যতীত না বসে ।
( বুখারী হা/৪৪৪ , ১১৬৭ ; মুসলিম হা/ ৭১৪ ; তিরমিযী হা/ ৩১৬ ; নাসাঈ হা/ ৭৩০ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ৩

লিখেছেন: ' Anonymous' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ)

শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহমাতুল্লাহ আলাইহি নিঃসন্দেহে একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর পিতা একজন আলেম ছিলেন এবং নিজের ও সন্তানদের ঈমান ও আক্বীদাহ বাঁচানোর তাকীদে হিজরত করেছিলেন। এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের প্রভাব তাঁর সন্তানদের মধ্যেও পড়বে এটাই স্বাভাবিক। বাস্তবিকই তাঁর (আলবানী) মধ্যে এর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। ছোট বেলা পড়া শুনার সুযোগ না পাওয়া, দারিদ্র এসব কোন কিছুই তাঁকে হাদীসের জ্ঞান অর্জন থেকে ফিরাতে পারেনি। তিনি দামেস্কের এক বিখ্যাত লাইব্রেরীতে নিজ গরজে হাদীস শিখেন ও গবেষণা করেন। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এই হিসেবে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ২

লিখেছেন: ' Anonymous' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১২ (১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

ম্যালকম এক্স শুরু করেছিলেন। আমি একটু contribute করছি।

আমাদের এক সহব্লগার মাযহাব নিয়ে কিছু মানুষের চলমান বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এক বিশ্লেষণধর্মী ও প্রামান্য পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি শুরুতেই স্বীকার করেছিলেন
“আজকাল অনেক ভাইকে দেখা যায় মাযহাব শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগে থাকেন।

আবার অনেকে এই শব্দটির সঠিক অর্থ জানা সত্ত্বেও এই শব্দটি নিয়ে সাধারন মুসলমানদের ভিতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।

যারা জেনে শুনে মাযহাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয়।
কারন ঘুমন্ত মানুষকে জাগানো আমার সম্ভব .....

১৯ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

বুকের উপর হাত বাঁধা : বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা

লিখেছেন: ' Anonymous' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২২, ২০১২ (৯:৫২ পূর্বাহ্ণ)

শায়খ আলবানীর ভ্রান্ত গবেষণা এবং স্বঘোষিত আহলে হাদীসদের ভ্রান্ত আ’মালের আরেকটি নমুনা দেখুন। ধন্যবাদ আলকাউসার

‘‘নামাযে হাত বাঁধা ও নাভীর নিচে হাত বাঁধা’’ শীর্ষক লেখায় বলা হয়েছে যে, সাহাবা-তাবেয়ীনের যুগ থেকে হাত বাঁধার দুটো নিয়ম চলে আসছে : বুকের নীচে হাত বাঁধা ও নাভীর নীচে হাত বাঁধা। মুসলিম উম্মাহর বিখ্যাত মুজতাহিদ ইমামগণও এ দুটো নিয়ম গ্রহণ করেছেন।

নিকট অতীতে হাত বাঁধার নতুন কিছু নিয়ম আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সাহাবা-তাবেয়ীনের যুগে ছিল না এবং কুরআন-সুন্নাহর প্রাজ্ঞ মনীষী ও মুজতাহিদগণের .....

২৪ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ফিকহে হানাফীঃ কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য

লিখেছেন: ' Anonymous' @ সোমবার, মার্চ ১৯, ২০১২ (৯:৪৮ অপরাহ্ণ)

দুঃখিত রিপোস্ট হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু আহলে হাদিসের মিথ্যাদাবীদার কিছু লোকের চলমান মিথ্যাচারে প্রেক্ষিতে পোস্টটি জরুরী মনে করছি। আল্লহ সুবহা’নাহু ওয়া তায়ালার উপর নেকগুমান রাখি হয়ত এই উছিলায় কাউকে কাউকে সঠিক বুঝ দান করবেন।

জীবনের অঙ্গন অতি বিস্তৃত এবং অতি বৈচিত্রময়। ইসলাম যেহেতু পূর্ণাঙ্গ দ্বীন তাই তা জীবনের সকল বৈচিত্রকে ধারণ করে। জীবনের সকল বিভাগ তাতে নিখুঁতভাবে সন্নিবেশিত। ইসলামী জীবন-দর্শনের পরিভাষায় মানব-জীবনের মৌলিক বিভাগগুলো নিম্নোক্ত শিরোনামে শ্রেণীবদ্ধ হয়েছে : ১. আকাইদ (বিশ্বাস), ২. ইবাদাত (বন্দেগী ও উপাসনা), ৩. মুআমালাত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>