লেখক আর্কাইভ
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৯
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১১ (৬:৪২ অপরাহ্ণ)
পা’র উপর ভিত্তি করে প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরণের প্রাণী পরিলক্ষিত হয়। যেমন পা-বিহীন প্রাণী (সাপ, জোঁক, কেঁচো) থেকে শুরু করে দ্বিপদী প্রাণী (মানুষ, পাখি), চতুষ্পদী প্রাণী (বাঘ, সিংহ, হাতি, ঘোড়া, গরু, ছাগল), ষষ্ঠপদী প্রাণী (কীট-পতঙ্গ), আষ্টপদী প্রাণী (মাকড়সা), ও বহুপদী প্রাণী (বিছা পোকা)। তবে অত্যন্ত আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠা বেজোড় সংখ্যক পা বিশিষ্ট একটি প্রজাতিও নেই! ডারউইনবাদীদের অন্ধ-অচেতন ও উদ্দেশ্যহীন ‘প্রকৃতি’ একেবারে শতভাগ প্রজাতির ক্ষেত্রে জোড় সংখ্যক পা নির্ধারণ করলো কী করে! পা’র উপর ভিত্তি .....
৯ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৮
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১১ (৫:৪৬ অপরাহ্ণ)
শামুক হচ্ছে মোলাস্কা পর্বের গ্যাস্ট্রোপডা শ্রেণীর প্রায় সকল সদস্যের সাধারণ নাম। এরা নরমদেহী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের দেহ একটি প্যাঁচানো খোল দ্বারা আবৃত থাকে। কিছু শামুক ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। কিছু শামুক আবার ফুলকা জাতীয় অঙ্গের সাহায্যে শ্বাস নেয়। স্থলচর শামুকদের মাথায় দুইজোড়া কর্ষিকা থাকে যা শামুকের দরকার পড়লে গুটিয়ে রাখতে পারে। পেছনের কর্ষিকাজোড়ায় থাকে চোখ। জলজ শামুকদের একজোড়া গোটানোর অনুপযোগী কর্ষিকা থাকে যার গোড়ায় চোখ থাকে। শামুকের খোলক জ্যামিতিক স্পাইরাল বা প্যাঁচের আকারে তৈরী। বেশীরভাগ খোলকই ডানহাতি, অর্থাৎ যদি খোলকের কেন্দ্রের .....
৫ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৭
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০১১ (৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ)
হৃৎপিন্ড একটি অত্যন্ত জটিল ও পেশীবহুল অঙ্গ যেটি পৌনপৌনিক ছান্দিক সংকোচনের মাধ্যমে রক্তনালীর ভেতর দিয়ে রক্ত সারা দেহে প্রবাহিত করে। গড়পড়তায় একটি মানব হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৭২ বার স্পন্দিত হয়। হৃৎপিন্ডের স্পন্দন থেমে যাওয়া মানে অক্কা পাওয়া। মানব হৃৎপিন্ড ৪টি মূল প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় এবং বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়। হৃৎপিন্ডের ডান অংশের কাজ হলো পুরো দেহ হতে ডান অলিন্দে অক্সিজেন-শূন্য রক্ত সংগ্রহ করা এবং ডান নিলয়ের মাধ্যমে তা পাম্প করে ফুসফুসে প্রেরণ করা .....
৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৬
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৭, ২০১১ (৫:৫৮ অপরাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী এককোষী একটি জীব থেকে উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত সহ পুরো জীবজগত বিবর্তিত হয়েছে। একটি জীবের জায়গায় একাধিক হলে বিবর্তন তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব যেমন কারো পক্ষেই প্রমাণ করা সম্ভব নয় তেমনি একটি জীব থেকে পুরো জীবজগতের বিবর্তন প্রমাণ করাও অসম্ভব। ফলে এই তত্ত্বকে কোন ভাবেই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বলা যেতে পারে না। এখানে আরো স্মরণ রাখতে হবে যে, বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী “এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন” এর মাধ্যমে উদ্ভিদজগত .....
৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৫
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শনিবার, জানুয়ারি ২২, ২০১১ (৩:০৩ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ডারউইনবাদীদের কল্পকাহিনী প্রচারকে উন্মোচন করার সহজ ও কার্যকর একটি পন্থা হচ্ছে সাধারণ লোকজন ও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা শেখানো। বেশী নয় মাত্র দুটি মৌলিক প্রশ্ন শেখালেই হবে। তাহলে দেখা যাবে বড় বড় ডারউইনবাদীরাও সাধারণ লোকজন ও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। যেমন, এক প্রজাতি থেকে এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতি বিবর্তিত হওয়ার প্রমাণ কোথায়? নির্দিষ্ট একটি জায়গায় আষ্টেপিষ্টে চেপে ধরতে হবে। .....
৭ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৪
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শনিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০১১ (৫:২৭ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী মাছ জাতীয় জলজ কোন একটি [?] প্রাণী থেকে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে একটি [?] উভচর প্রাণী হয়েছে, যদিও অসংখ্য প্রকারের জলজ প্রাণী রয়েই গেছে। সেই উভচর প্রাণী থেকে আবার অনেক প্রকারের উভচর প্রাণী বিবর্তিত হয়েছে, যদিও তা কী করে সম্ভব কে জানে! কোন একটি উভচর প্রাণী থেকে আবার ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে একটি সরীসৃপ হয়েছে, যদিও অনেক প্রকারের উভচর প্রাণী রয়েই গেছে। সেই সরীসৃপ থেকে আবার অনেক প্রকারের সরীসৃপ বিবর্তিত হয়েছে, যদিও তা কী করে .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-৩
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, জানুয়ারি ৪, ২০১১ (২:৪৮ পূর্বাহ্ণ)
ডারউইনবাদীরা মন্ত্রের মতো একটি বুলি জপেন, আর সেটি হচ্ছে Evolution is a fact. এই মন্ত্র জপে তারা ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বকেও প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করেন। ডারউইনবাদীদের অন্ধ অনুসারী ছাড়া অনেকের কাছেই তাদের এই মন্ত্রকে উদ্ভট মনে হবে এই ভেবে যে, তারা দিনে-দুপুরে সবার সামনে এমন দাবি করেন কী করে! তবে ব্যাপারটাকে একটু ক্ষতিয়ে দেখলেই তাদের শুভঙ্করের ফাঁকি ধরা পড়ে। তারা হয়ত মিথ্যাচার করেন না, তবে শুভঙ্করের ফাঁকির মাধ্যমে অসচেতন লোকজনকে বিজ্ঞানের নামে বোকা বানানোর চেষ্টা করা .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-২
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বুধবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১০ (১১:৪৫ অপরাহ্ণ)
ডারউইনবাদীরা কথায় কথায় ‘প্রকৃতি’ বা ‘প্রাকৃতিক নিয়ম’ জাতীয় অস্পষ্ট শব্দ আউড়িয়ে কিছু একটা প্রমাণ করার চেষ্টা করে থাকেন। এমনকি তারা প্রাণীজগত থেকে খুঁজে খুঁজে কিছু উদাহরণ নিয়ে এসে বলার চেষ্টা করেন যে, প্রকৃতিতে যেহেতু অমুক-তমুক আছে সেহেতু সেটি বৈজ্ঞানিক বা প্রাকৃতিক। এভাবে প্রকৃতি থেকে উদাহরণ দিয়ে কোন কিছুকে মনুষ্য সমাজেও বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রকৃতি থেকে উদাহরণ দিয়ে কিছু প্রমাণ করার চেষ্টা যে নিজের পায়ে কুড়াল মারার সামিল – সেটা তারা বোঝেন কিনা কে জানে। উদাহরণস্বরূপ, তাদের বিশ্বাস .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-১
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১০ (৩:৫৪ অপরাহ্ণ)
ডারউইনবাদীদের দাবি অনুযায়ী বিবর্তন তত্ত্ব প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগতের বৈচিত্র্যকে ব্যাখ্যা করে। অথচ একটু গভীরভাবে ভেবে দেখলে দেখা যায় প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগতের বৈচিত্র্যই আসলে বিবর্তন তত্ত্বের জন্য নাইটমেয়ার। কেননা প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত যত বেশী বৈচিত্র্যময় হবে, তত বেশী কল্পকাহিনীর আশ্রয় নিতে হবে সেই সব বৈচিত্র্যময়তাকে ব্যাখ্যার জন্য। প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত বরঞ্চ সরলরৈখিক হলেই হয়ত কিছু বলার থাকতে পারতো। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। বাস্তবে প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত এত বেশী বৈচিত্র্যময় ও বিষমরৈখিক যে, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ তো দূরে থাক, প্রতি পদে .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ডারউইনবাদীদের নিয়ে যৌক্তিক বিনোদন ব্লগ
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ রবিবার, নভেম্বর ২১, ২০১০ (১২:০০ পূর্বাহ্ণ)
ব্লগটিকে ডারউইনবাদীদের জন্য সাধারণভাবে এবং বাংলা ডারউইনবাদীদের জন্য বিশেষভাবে উৎসর্গীকৃত। আমার লেখাতে ‘ডারউইনবাদী’ বলতে তাদেরকেই বুঝানো হয় যারা ডারউইনের তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা ও জুদায়ো-খ্রীষ্টান-ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে প্রচার করে – ডারউইনের তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয়কারীদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয় – এবং গালিগালাজ ও ব্যক্তি আক্রমণ থেকে শুরু করে দলবদ্ধ আক্রমণ পর্যন্ত করা হয়। যদিও ডারউইনবাদীদের নিয়ে লিখতে গেলে বিনোদনের কোন শেষ নেই তথাপি ব্লগটিকে নির্দিষ্ট কিছু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। উল্লেখ্য যে, শিরোনামে ‘বিনোদন .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>








