জানুয়ারি, ২০১০ -এর আর্কাইভ
যুদ্ধের ময়দানে অমুসলিমদের সাথে মুসলিমদের ব্যবহার
লিখেছেন: ' বাগেরহাট' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ)
‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’
যুদ্ধের এক ময়দান । কাফিরদের সাথে মুসলিমদের ভীষন যুদ্ধ চলছে।
হযরত আলী (রাঃ) জনৈক বিপুল বলশালী শত্রুর সাথে যুদ্ধে মত্ত রয়েছে। বহুক্ষন যুদ্ধ চলার পর তাকে কাবু করেন ভূপাতিত করলেন এবং তাকে আঘাত হানার জন্য তার জুলফিকার উত্তোলন করলেন । কিন্তু আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত শত্রুটি হযরত আলী (রাঃ) এর চেহারা মুবারকে থুথু নিক্ষেপ করলো। ক্রোধে হযরত আলী (রাঃ) এর চেহরা রক্তবর্ণ হয়ে উঠলো। মনে হলো এই বুঝি তাঁর তরবারি শত্গুন বেশী শক্তি নিয়ে শত্রুকে .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
***ইজমা (আলেমদের ঐক্যমত)***
লিখেছেন: ' manwithamission' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ)
আমরা অনেক সময় শুনে থাকি, “এই বিষয়টি আলেমদের সর্বসম্মত্তি ঐক্যমতের উপর প্রতিষ্ঠিত …….” বা “আলেমদের সর্বসম্মত্তি ঐক্যমত অনুযায়ী ……..”, ঐক্যমতের বিষয়টিকে ‘ইজমা’ বলা হয়।
প্রত্যেক রাসূলগণ তাদের কমিউনিটিতে আল্লাহ প্রদত্ত বার্তা একদম পরিপূর্ণভাবে পৌছে দিতেন। আল্লাহর ইবাদত কিভাবে করতে হবে, তার কর্মপদ্ধতী কি প্রভৃতি বিষয়গুলো রাসূলগণ দেখিয়ে দিতেন। ইজমা- যাকে আমরা এক কথায় বলতে পারি উম্মার ঐক্যমত, সহীহ একটা পন্থায় উম্মার ঐক্যমত অবশ্যই কাম্য কিন্তু ভুল একটা মতবাদ বা পন্থায় উম্মার ঐক্যমত হওয়া কোনভাবেই উচিত নয়।
ইজমা বা ঐক্যমত হওয়ার একটা .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কবিরা গুনাহ-১১ (লাওয়াতাত বা সমকামীতা।)
লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ
অবশেষে যখন আমার আদেশ এসে পৌছল, তখন আমি তাদের দেশটির উপরিভাগকে নীচে এবং নিম্নভাগ উপরে উঠিয়ে দিলাম ও তার উপরে স্তরে স্তরে পাকা কাঁকর-পাথর অবিরাম ধারায় বর্ষণ করলাম। যার প্রতিটি ছিল তোমার প্রভুর কাছে সুচিহ্নিত ও রক্ষিত। এ শাস্তি সেই পাপাচারীদের কাছ থেকে বেশী দুরেও নয়। সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরা কেবল পুরুষদের সাথে কুকর্ম কর এবং তোমাদের পালনকর্ত তোমাদের জন্য যে স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেনম তাদেরকে বর্জন কর। আসলে তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।(সুরা আশ শায়ারা ১৬৫-১৬৬) এবং আমি .....০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রচলিত ভুলঃ ‘বিসমিল্লাহ ’ও ‘দরূদ’ অশুদ্ধ বা অসম্পূর্ণ বলা ও লেখা!!
লিখেছেন: ' ইসানুর' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (৩:০১ পূর্বাহ্ণ)
প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের শুরুতে ‘আল্লাহর যিকর’ মাসনূন। যে কাজের সূচনায় শরীয়ত যে যিকর নির্দেশ করেছে সে কাজের জন্য ঐ যিকরই মাসনূন। অনেক কাজে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ বলা বা লেখার নির্দেশনা রয়েছে। শরীয়তে তা মাসনূন। বিধানগত বিচারে এটা মাসনূন বা মুস্তাহাব হলেও এর তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। সংক্ষেপে বলা যায় যে, এর দ্বারা বান্দা নতুন করে এর অঙ্গিকার। আল্লাহ তাআলার নেয়ামত সমূস স্মরণ করে এবং আল্লাহর দিকে রুজূ করে কাজের মধ্যে দুরুসী ও খায়র ও বরকতের দরখাস্ত করে। এজন্য এই আমল গুরুত্বের .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
স্রেব্রেনিকা : এ ক্রাই ফ্রম গ্রেভ
লিখেছেন: ' ফরগিভনেস_সিকার' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (২:৫৪ পূর্বাহ্ণ)
বসনিয়াতে মুসলিম ভাইবোনদের উপর গনহত্যা নিয়ে একটি অসাধারন ডকুমেন্টারি ফ্লিম।
স্রেব্রেনিকা : এ ক্রাই ফ্রম গ্রেভ
http://www.dailymotion.com/video/x2p4iu_srebrenica-a-cry-from-the-grave-1-o_news
http://www.dailymotion.com/video/x2p4o9_srebrenica-a-cry-from-the-grave-2-o_news
http://www.dailymotion.com/video/x2p526_srebrenica-a-cry-from-the-grave-3-o_news
http://www.dailymotion.com/video/x2p55p_srebrenica-a-cry-from-the-grave-4-o_news
http://www.dailymotion.com/video/x2p58o_srebrenica-a-cry-from-the-grave-5-o_news
.....
০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-২
লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (২:৫২ পূর্বাহ্ণ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু।
সুত্রঃ মাসিক মদিনা, ডিসেম্বর ২০০৯।
ইলমে ফেকাহর সুচনাকালঃ প্রসঙ্গ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-১
ইমাম আবু হানীফা (রহ.) তাবেয়ী ছিলেন।
এই উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম ছিলেন সাহাবায়ে-কেরাম। সাহাবীদের পরবর্তী মর্তবা হচ্ছে তাবেয়ীগণের। সর্বসম্মতভাবে সাহাবীর সংজ্ঞা হলোঃ যাঁরা ঈমানের সাথে হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন এবং ঈমান নিয়েই মৃত্যুবরণ করেছেন। আর তাবেয়ী হচ্ছেন, যাঁরা ঈমানের সাথে সাহবীগণের সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন। (নাখবাতুল-ফেকার)
সাহাবী এবং তবেয়ীগণের মর্যাদা নির্দেশ করে .....
৮ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
আসমাউল হুসনা বা আল্লাহতাআলার সুন্দরতম নামসমূহের বাংলা অর্থ
লিখেছেন: ' তালহা তিতুমির' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১২:১৩ পূর্বাহ্ণ)
আল্লাহ বলে আহ্বান কর কিংবা রাহমান বলে, যে নামেই ডাক না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই । (বনী-ইসরাইল ~ ১১০)
আর আল্লাহর জন্যে রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সেসব নাম ধরেই তাঁকে ডাক। (আল-আরাফ ~১৮০)
নিচে আল্লাহতাআলার গুণবাচক নামসমূহের বাংলা অর্থ দেয়া হলো। সাথে কোন্ সুরার কোন্ আয়াতে আছে তাও দেয়া হলো।
আরবী নাম ~~~~বাংলা অর্থ ~~~~কোন্ সুরায় আছে
১। আর-রাহমান~~~~ (পরম করুণাময়) ~~~~ (২ : ১৬৩)
২। আর-রাহীম~~~~(অফুরন্ত দাতা / অতি দয়ালু) ~~~~(৫৭ : ৯)
৩। আল-মালিক~~~~(রাজাধিরাজ) ~~~~(২৩ : ১১৬)
.....
৭ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
যে কোন সালাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করা অপরিহার্য কেন ?
লিখেছেন: ' তালহা তিতুমির' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১২:০৭ পূর্বাহ্ণ)
যার মাধ্যমে কোন বিষয়ের সূচনা করা হয়,কোন বিষয় আরম্ভ করা হয়, কোন কাজের উদ্বোধন করা হয়, কোন গ্রন্থের সূচনা করা হয় আরবী ভাষায় তাকেই ‘ফাতিহা’ বলে। এই সুরার মাধ্যমেই কোরআন আরম্ভ হয়, এ জন্য এই সুরাকে ফাতেহাতুল কোরআন বলা হয়। কোরান পাঠকারী কোরআন উন্মোচন করে এই সুরাটিই দেখতে পায়।
সুরা ফাতিহা হলো কোরআনের সারাংশ। সম্পূর্ণ কোরআনের মধ্যে যেসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে, সে আলোচনার বিষয়বস্তু সুরা আল-ফাতিহার সাতটি আয়াতের মধ্যে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। গোটা কোরআনে যা পাওয়া যাবে , এই সুরা .....
৭ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
সংক্ষেপে ঈমানের পুর্বশর্তসমূহ
লিখেছেন: ' আবু আনাস' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ১, ২০১০ (৯:৫২ অপরাহ্ণ)
আস-সালামু আলাইকুম, সকল প্রশংসা আল্লাহ’র জন্য, শান্তি অবতীর্ণ হোক মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি। পরম করুণাময়-দয়াশীল আল্লাহ’র নামে শুরু করছি -
ইসলামের প্রথম স্তম্ভ হ্ল – ‘লা ইলাহা ইল্লালাহ’ এই সাক্ষ্য দেয়া। এই ঘোষণা দেবার পর ঘোষণাকারী মুসলিম বলে বিবেচিত হবেন এবং তার জান-মাল অন্য মুসলিমদের জন্য হারাম হয়ে যাবে। নিজেকে মুসলিম দাবীকারী কোন ব্যক্তি যদি ইসলামের বাহ্যিক আচরণগুলো (rituals) পালন করেন এবং প্রকাশ্যে ইসলাম বিধ্বংসী কোন কথা বা কাজের উপর অটল অবস্থান না নেন তবে তাকে কাফির বলা .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কারবালার নরপশু ইয়াজিদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি-এর বন্দনায় কাফির জোকার নায়েক
লিখেছেন: ' তুষার (ﭡﺸر)' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ১, ২০১০ (৯:২৮ অপরাহ্ণ)
ভারতের তথাকথিত জাকির নায়েক ওরফে জোকার নায়েক একজন উচুদরের কাফির। কারণ সে বিভিন্ন সময় কারবালার জিহাদকে “Political Battle” বলে উল্লেখ করেছে। অথচ ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। ইতিহাস মতে, হযরত ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হক্বকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজের জীবন কারবালার ময়দানে দান করে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। জোকার নায়েক কারবালার ময়াদানের ঘৃনিত পশু ইয়াজিদের নামের শেষে “রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু” উচ্চারণ করে থাকে। অথচ কুরআন শরীফ-এর সূরা নিসার ৯৩ নম্বর আয়াত শরীফ-এর ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যাক্তি স্বেচ্ছায় কোন মু’মিনকে কতল করে .....
৪৬ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>