লগইন রেজিস্ট্রেশন

লেখক আর্কাইভ

 

মুসলমানদের শত্রু কে বা কারা, ১০০ জন মুসলমানের মধ্যে ১০০ জনই তা জানে না

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৪, ২০১১ (৯:১৫ পূর্বাহ্ণ)

আমরা মুসলমান। কে বা কারা আমাদের শত্রু তা আমরা জানিনা। আমরা তা জানার জন্য চেষ্টাও করিনা। আমাদের মাতা-পিতারাও আমাদেরকে শিখান না কে বা কারা আমাদের শত্রু। অথচ ইয়াহুদী নাছারা, কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীনেরা তাদের সন্তানদেরকে জন্মের পরেই শিক্ষা দেয় তোমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে মুসলমানেরা। তাদের ব্যাপারে তোমরা সচেতন থাকবে। তাদের বিরোধিতায় সদা মশগুল থাকবে। তাদের মতের সাথে কখনো মত মিলাবে না। তাদের রসম রেওয়াজ কখনো পালন করবে না। তাদের ছিরত ছুরত গ্রহণ করবেনা। (নাঊযুবিল্লাহ)
প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ছিল তাদের সন্তান .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ধূমপানের কারণে এ বছর মৃত্যুবরণ করবে ৬০ লাখ মানুষ’

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শুক্রবার, জুলাই ৮, ২০১১ (২:২৩ অপরাহ্ণ)

ধূমপানের কারণে চলতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। আর এরমধ্যে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মারা যাবে প্রায় ৬ লাখ মানুষ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।
এত মানুষের মৃত্যুর জন্য ডব্লিউএইচও বিশ্বের সরকারগুলোকে দায়ী করেছে। সংস্থাটি দাবি করছে, কোনো দেশের সরকারই জনগণকে ধূমপানবিমুখ করতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। একই সাথে পরোক্ষ ধূমপান ঠেকাতেও কর্তৃপক্ষ যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।
যদিও ধূমপান শুরু করার অনেক বছর পর এর স্বাস্থ্যগত ক্ষতির দিক প্রকাশ পেতে থাকে তারপরও ধূমপানজনিত রোগ ও এরফলে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আবে যমযম! (যমযম কুপের পানির বিশেষত্ব)

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শনিবার, জুলাই ২, ২০১১ (১০:০৬ পূর্বাহ্ণ)

যমযম কূপের বিশেষত্ব
১৯৭১ সালে একজন মিসরীয় ডাক্তার ইউরোপীয় একটি পত্রিকায় লিখেন,যমযমের পানি মানুষের স্বাস্থ্য উপযোগী নয়। তার যুক্তি ছিল, কাবা শরীফে অবস্থিত যমযম ইঁদারা (কূপ)টি মক্কা শহরের কেন্দ্রেও সমুদ্র সমতল থেকে নিচে অবস্থিত । ফলে শহরের সব ময়লা পানি কূপের দিকে ধাবিত হয় এতে কূপের পানি বিশুদ্ব থাকতে পারেনা ।বাদশা ফয়সল সংবাদটি জেনে সউদী কৃষি ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়কে যমযমের পানির বিশুদ্বতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান এবং এর নমুনা ইউরোপীয় ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেন। ওই মন্ত্রনালয়ে সমুদ্রের পানি থেকে পান .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মালয়েশিয়ায় অনুগত স্ত্রীদের ক্লাব : ফাজিলদের ফাজলামী

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ২৬, ২০১১ (৮:৫১ পূর্বাহ্ণ)

মালয়েশিয়ায় চালু হয়েছে অনুগত স্ত্রীদের জন্য এক অভিনব ক্লাব। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মুসলিম নারীদের পতি ভক্তির শিক্ষা দেয়। চলতি মাসে দেশটিতে একটি ভিন্ন মতাবলম্বী মুসলিম গ্রুপ ক্লাবটি চালু করে।
ক্লাব প্রসঙ্গে এর প্রতিষ্ঠাতা মনে করেন, স্ত্রীদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস ও পতিতাবৃত্তি অনেকাংশে নিরসন করা যাবে যদি স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের সুখী রাখতে পারে। তারা ওই সকল স্ত্রীদের প্রথম শ্রেণীর পতিতার চেয়ে ভাল হিসেবে চিহ্নিতও করেছে। কিন্তু ক্লাবটির এই নয়া উদ্যোগে বাদ সেধেছে দেশটির মানবাধিকার ও বিভিন্ন ধর্মীয় .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলামী আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় মহান নেতার ভূমিকা

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০৭ অপরাহ্ণ)

অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, নবী-রাসুলসহ মুমিনদের একটি অন্যতম দায়িত্ব। আর ইহ ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করতে ন্যায়ের পথে চলা ছাড়া বিকল্প কোন উপায় নেই। বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-র প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (আঃ)-ও সর্বদা ন্যায়ের পথে চলেছেন, কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। কিন্তু একজন মুমিন শুধু নিজেই ন্যায় ও সত্যের পথে চলেন না, পাশাপাশি সমাজকেও সত্যের পথে পরিচালিত করতে সচেষ্ট হন। আর ইমাম হোসেন (আঃ)-তো সাধারণ কোন মুসলমান নন, তিনি আহলে বাইতের মহান ইমাম, মুমিনদের নেতা। সমাজকে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মানবতার মুক্তির দূত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০৬ অপরাহ্ণ)

৫৭০ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল মতান্তরে ১৭ই রবিউল আউয়াল আরবের মক্কানগরীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। তিনি হচ্ছেন, বিশ্বের সকল কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, বিজ্ঞানী এবং লেখকদের লেখনীর উৎস। যাকে নিয়ে লেখার অন্ত নেই, রচনার শেষ নেই। সব দেশের সব ভাষাতেই মহানবী (সাঃ) কে নিয়ে এত বিপুল সংখ্যক বই-পুস্তক রচিত হয়েছে যে, এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী রেকর্ড ও বিষ্ময়! কিন্তু চৌদ্দ শতাধিক বছরের এই ক্রমাগত আলোচনার পরও মনে হয়, মহানবী (সাঃ) নিয়ে এতদিনের এই আলোচনা যেন মূল .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইমাম আলী (আ.)-এর পাঁচ বছরের খেলাফতের ফসল

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০৫ অপরাহ্ণ)

হযরত আলী (আ.) তাঁর ৪ বছর ৯ মাসের শাসন আমলে খেলাফত প্রশাসনের স্তুপীকৃত অরাজকতা ও বিশৃংখলাকে সম্পূর্ণরূপে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে যদিও সমর্থ হননি তবুও এ ক্ষেত্রে তিনটি মৌলিক সাফল্য অর্জিত হয়েছিল।

১। নিজের অনুসৃত ন্যায়পরায়ণতা ভিত্তিক জীবনাদর্শের মাধ্যমে জনগণকে এবং বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে মহানবী (সা.)-এর পবিত্র ও আকর্ষনীয় জীবনাদর্শের সাথে পরিচিত করেন। মুয়াবিয়ার চোখ ধাঁধানো রাজকীয় জীবন যাপন পদ্ধতির সমান্তরালে তিনি জনগণের মাঝে অতি দরিদ্রতম জীবন যাপন করতেন। তিনি কখনো নিজের বন্ধু-বান্ধব, পরিবার বা আত্মীয় স্বজনকে অন্যায়ভাবে অন্যদের উপর অগ্রাধিকার .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আসমানী খাদ্য

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০৩ অপরাহ্ণ)

হযরত আবু সাঈদ খুদরী বলেন: “একদা আলী ইবনে আবি তালিব ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলেন। তিনি হযরত ফাতেমাকে বলেন: তোমার কাছে কি আমাকে দেবার মত কোন খাবার আছে? হযরত ফাতেমা বলেন: না। সেই আল্লাহর কসম! যিনি আমার পিতাকে নবুওয়াত এবং তোমাকে তাঁর উত্তরাধিকারীত্ব দানে সম্মানিত করেছেন, কোন খাবার আমার কাছে নেই। কোন খাবার ছাড়াই দু’দিন গত হয়ে গেছে। যৎসামান্য খাবার ছিল তা তোমাকে দিয়েছিলাম। তোমাকে আমি এবং আমার আদুরে দুই সন্তানের উপর স্থান দিয়েছি।

উত্তর শুনে হযরত আলী বলেন: কেন তুমি আমাকে আগে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

তওবা’র বিস্ময়কর ঘটনা

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০২ অপরাহ্ণ)

‘তওবা’ শব্দটির সাথে কম-বেশী সবাই পরিচিত। তওবা শব্দের আভিধানিক অর্থ- ফিরে আসা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, যে সকল কথা ও কাজ মানুষকে আল্লাহর নৈকট্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তা থেকে ফিরে এসে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাকে তওবা বলে। তওবা করার জন্য কয়েকটি শর্ত মানতে হয়। যেমন-পাপ কাজটি পরিহার করা, আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে পাপ না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা। পবিত্র কোরআনে তওবা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ”হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।” .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ফাতেমা আমার দেহের অংশ

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুন ১৯, ২০১১ (৪:০০ অপরাহ্ণ)

রাসূল (সা.) বলেছেন: ফাতেমা আমার দেহের অংশ।

গুরুত্বপূর্ণ হাদীসসমূহের মধ্যে সত্য মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী যে হাদীসটি মহানবী (সা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে তা হলো তাঁর পবিত্র দুহিতা ফাতেমা (আ.) সম্পর্কে। আলোচ্য হাদীসটি হাদীসে বিদআ বা বিজআ নামে প্রসিদ্ধ। ধর্মীয় আলোচক ও বিশেষজ্ঞদের এ হাদীসটির উপর গবেষণা করা উচিত যাতে করে মুসলিম উম্মাহ্‌ তা থেকে উপকৃত হতে পারে। এ সংক্ষিপ্ত লেখনীটি এ উদ্দেশ্যেই উপস্থাপিত হচ্ছে।

হাদীসের বর্ণনা
বুখারী বর্ণনা করেছেন: আবুল ওয়ালিদ, আবু উয়াইনা থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে মুলাইকা থেকে, .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>