লগইন রেজিস্ট্রেশন

লেখক আর্কাইভ

 

ইসলামে বিবাহের দর্শন

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, অক্টোবর ৯, ২০১১ (১২:৪০ অপরাহ্ণ)

আল্লাহ তায়ালা মানুষের বংশধারাকে পতনের হাত থেকে রক্ষার জন্য নারী ও পুরুষের অস্তিত্বের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ব্যবস্থা করেছেন যা পরস্পরকে আকৃষ্ট করে ও সামাজিকভাবে পরিবার প্রতিষ্ঠা করে। অর্থাৎ বিবাহের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদাটাই মূল ও মৌলিক মানদণ্ড নয়। নারী-পুরুষ সম্পর্কে ইসলামে যা বলা হয়েছে তা হচ্ছে প্রশান্তি ও সাচ্ছন্দ যা নারী-পুরুষের মধ্যে পরস্পরের সহযোগিতার ফলে দাম্পত্য জীবনে গড়ে উঠে। আর এর ফলশ্রুতিতেই মানব প্রজন্ম পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়। মহান আল্লাহ তায়ালা দৈহিক চাহিদাকে প্রকৃতার্থে মানুষকে উৎসাহিত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কা’বা ঐক্যের চাবি এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১১ (১২:০৭ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম” আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ’লামিন ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা সাইয়িদানা মুহাম্মাদ, আল মোস্তফা ওয়া আলিহিত ত্বাইয়িবিন ওয়া আসহাবিহিল মুন্তাজাবিন।”
কা’বা ঐক্য ও মর্যাদার চাবি এবং একত্ববাদ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। কা’বা হজ্ব মওসুমে সারা বিশ্বের তৃষ্ণার্ত ও আশাবাদী হৃদয়গুলোর নিমন্ত্রক বা মেজবান, যে তৃষ্ণার্ত ও আশাবাদী হৃদয়গুলো মহামহিম আল্লাহর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছেন এবং প্রভুর ডাকে লাব্বাইক বা উপস্থিত- এ ঘোষণা উচ্চারণ করে ছুটে গেছেন ইসলামের জন্মভূমিতে।

মুসলিম উম্মাহ এখন তার ব্যাপক-বিস্তৃত ও বিচিত্রময় অস্তিত্বের সংক্ষিপ্ত ছবি দেখতে সক্ষম। এ ছবিতে তারা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

পুরুষের কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১১ (৯:৫২ পূর্বাহ্ণ)

সাধারণত যেসব রোগ পুরুষের বেশি হয় এবং যেসব রোগে পুরুষের মৃত্যুহার বেশি, সেগুলো পুরুষদের স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে পরিচিত। পুরুষের শত্রু হিসেবে কয়েকটি রোগ-ব্যাধিকে চিহ্নিত করা যেতে পারে_

হৃদরোগ
পুরুষের প্রধান শত্রু। প্রতিরোধ করতে হলে নিচের বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
* প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ_সব ধরনের ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে।
* স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল, আঁকাড়া শস্যদানা, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাদ্য ইত্যাদি বেশি খেতে হবে। কিন্তু সম্পৃক্ত চর্বি এবং লবণযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
* উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শুধু আজকের প্রেক্ষাপটে নয়, অতীত ইতিহাস হতেই ইহুদীরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু।

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১১ (৪:৩৭ অপরাহ্ণ)

বিশ্ব নিয়ন্ত্রণে ইহুদী পরিকল্পিত নীল নকশা লিপিবদ্ধ হয়েছে একশত বছর পূর্বে তাদের প্রণীত ‘প্রটোকলে’।
বর্তমানে মুসলমানদের কোণঠাসা পরিণতি ও ইসলাম বৈরী মনোভাব তৈরির যাবতীয় গভীর ষড়যন্ত্র ‘প্রটোকলে’ খোলামেলা লিপিবদ্ধ করা আছে।
যা এখন কেবল ভবিষ্যদ্বাণীর মত ফলছে।
মুসলমান নিজেদের বর্তমান দুরবস্থা চিন্তা করলেই দেখতে পাবে-
‘আর কিছু নয়; তারা ইহুদী প্রটোকলের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে মাত্র।“প্রটোকল” পুস্তক একটি মূল্যবান দলীল। দুনিয়ার মানুষকে সর্বপ্রথম এ বইটি সম্পর্কে অবহিত করে অধ্যাপক সারকিল এ নাইলাস নামক জনৈক গোঁড়া রুশীয় পাদ্রী। ১৯০৫ সালে অধ্যাপক .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

জননীর পদতলে সন্তানের বেহেশত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ বৃহস্পতিবার, অগাষ্ট ১৮, ২০১১ (১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ)

সন্তান- সন্ততির পৃথিবীতে আসার মাধ্যম হচ্ছে তার পিতা ও মাতা। শিশুর জন্মদিন থেকে তার প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া পর্যন্ত তার লালন-পালনের বাহক হচ্ছে তার পিতা-মাতা। সমস্ত সৃষ্টিজগতের লালন ও পালনকর্তা একমাত্র আল্লাহ। তাই তিনি রব্বুল আ’লামীন তথা বিশ্বজগতের প্রতিপালক। আল্লাহতাআলা তাঁর ইবাদাত ও বন্দেগী করার হুকুম দেয়ার পর প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার সাথে সুব্যবহারের নির্দেশও দিয়েছেন। যার বহু প্রমাণ আল-কুরআনে এবং হাদীসে আছে।

মহান আল্লাহপাক বলেনঃ “ আর তোমার পালনকর্তা (কতিপয়) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন (তা এই) যে, তোমরা কেবলমাত্র তারই ইবাদাত করবে এবং .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলামে নারীর অধিকার

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, অগাষ্ট ৭, ২০১১ (১১:৫১ পূর্বাহ্ণ)

নারী অধিকার বিষয়টি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ আলোচিত বিষয়। নারী তার অধিকার এবং অবস্থানের ক্ষেত্রে ছিল অনেক পিছিয়ে। বর্তমান সময়ে বহু সমাজে নারীরা বহু রকম সমস্যার শিকার এমনকি নির্যাতনের শিকার। সে জন্যে আমরা একটি পরিবারে নারীর মৌলিক অধিকার সম্পর্কে ইসলাম কী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে সে বিষয়ে খানিকটা আলোকপাত করার চেষ্টা করবো।

বিয়ে এবং পরিবার গঠন মানব সভ্যতার একটি জরুরী প্রয়োজন। পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় নারী-পুরুষ এবং সন্তানেরা উন্নয়ন ও পূর্ণতায় পৌঁছে। আসলে পরিবার হচ্ছে মানব উন্নয়নের সবচেয়ে উপযোগী ক্ষেত্র। কেননা সমাজকে একটা জীবন্ত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলামে প্রতিবেশীর গুরুত্ব

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুলাই ২৪, ২০১১ (৩:১৭ অপরাহ্ণ)

সাধারণভাবে বাড়ীর আশপাশে যারা বসবাস করে তাদেরকে প্রতিবেশী বলা হয় । তবে কখনও কখনও সফর অথবা কাজের সঙ্গীকেও প্রতিবেশী বলা হয়। প্রতিবেশীই হচ্ছে মানুষের সবচে’ নিকট জন , যিনি তার খবরাখবর সম্পর্কে অন্যদের তুলনায় বেশি জানেন। তাই ইসলাম ধর্মে প্রতিবেশীর অত্যধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং তার অধিকারকে খুব বড় করে দেখা হয়েছে। তো প্রতিবেশীর গুরুত্ব ও মর্যাদা, প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা তুলে ধরবো।

আগেই বলেছি যে, বাড়ীর আশপাশে যারা বসবাস করে তাদেরকে প্রতিবেশী বলা হয়। তবে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলামে এতিমদের অধিকার

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ বৃহস্পতিবার, জুলাই ২১, ২০১১ (১০:০১ পূর্বাহ্ণ)

বাবা-মা হচ্ছে দুনিয়ায় আমাদের সবচেয়ে আপনজন। তারাই আমাদের বড় করার জন্য, আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য- সবধরনের চেষ্টা চালিয়ে থাকেন। কিন্তু সমাজে অনেকেই আছে যাদের বাবা-মা বেঁচে নেই। এদেরকে এতিম বলা হয়। বাবা-মা বেঁচে না থাকায় এতিমদের দুঃখ-কষ্টের শেষ থাকে না। কিন্তু ইসলাম ধর্মে এতিমদের অধিকার রক্ষায় উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সাথে উত্তম আচরণের জন্য ব্যাপক তাগিদ দেয়া হয়েছে। সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও শাসকদের প্রতি এতিমের অধিকার আদায় করার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসলামের আবির্ভাবের আগে এতিম-মিসকিনদের জান-মালের কোনো নিরাপত্তা ছিল .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মহিলাদের হাত ,পা,চেহারা খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম।

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ সোমবার, জুলাই ১৮, ২০১১ (১:১২ অপরাহ্ণ)

“(হে আমার হাবিব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার নারীগণকে বলুন )তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তবে চলাচলের কারণে অনিচ্ছা সত্বে যা প্রকাশ পায় তা ব্যতীত এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না তাদের বুকের উপর ফেলে রাখে”।(সুরা নুর ৩১)

হযরত আয়েসা ছিদ্দিকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা বলেছেন,আল্লাহ পাক প্রথম হিজরত কারি মুহাজির মহিলা গনের উপর রহম করেছেন যে যখন তাদের উপর “তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে” এই আয়াত শরীফ নাযিল হলো তখন তারা তাদের চাদর সমুহ ছিড়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

রজব মাসের রোযা রাখার ফযীলত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (১২:৫৩ অপরাহ্ণ)

হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম ও রজব) তিন দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় বৎসর ইবাদতের ছওয়াব লিখা হবে। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, বর্ণনাটি আমি নিজ কানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। বর্ণিত আছে, যারা রজব মাসে রোযা রাখে, তাদের গুনাহ মাফের জন্য ফেরেশতাকুল রজবের প্রথম .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>