লগইন রেজিস্ট্রেশন

ডিসেম্বর, ২০০৯ -এর আর্কাইভ

 

চোরের শাস্তি।(শেষ অংশ)

লিখেছেন: ' ফারুক' @ রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০০৯ (৭:০১ অপরাহ্ণ)

চোরের শাস্তি।

৩য় মতানুযায়ী কুরআনের নৈতিকতা স্মরনে রেখে বলা হয়েছে চোরদের হাত নয় , তাদের চুরির সহায়তাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের কেটে ফেলতে অর্থাৎ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে বলা হয়েছে। এই মতের সমর্থনে ৩টি কারন দর্শানো হয়েছে।

১ম কারন - সকলেই জানেন বাংলায় কিছু শব্দ আছে যার আক্ষরিক ও আলঙ্করিক দুই ধরনের মানে করা হয়। যেমন – যদি বলা হয় আমার হাত ব্যাথা করছে। এখানে ‘হাত’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থেই হাতকে বোঝায়। কিন্তু যদি বলি , আমার খুব হাত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সোনার বাংলায় ন্যায়বিচার

লিখেছেন: ' মুসলিম' @ রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০০৯ (৩:০২ অপরাহ্ণ)

দুর্ণীতি আর অব্যবস্থায় জর্জরিত বাংলাদেশে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ন্যায়বিচার লাভ করা খুবই কঠিন , বিশেষত: সমাজের গরীব-দুখী, অধিকারবঞ্চিত মানুষের জন্য।

কিন্তু এমন অবস্থা সবসময় ছিলোনা।

মুসলিম শাসনামলে বাংলার সুলতানগণ সুশাসন ও ন্যায়বিচারের অনন্য উদাহরণ রেখে গিয়েছেন। বাংলা তখন সত্যিই ছিল “সোনার বাংলা”।

আজ যে কাহিনীটি লিখতে বসেছি সেটা প্রথম পড়েছিলাম প্রফেসর মুহাম্মদ মোহর আলী লিখিত “হিসট্রি অফ মুসলিমস অফ বেংগল” বইটিতে।
অনলাইনে একটা সুন্দর ফটোব্লগে কাহিনীটা আবার পড়লাম অনেকদিন পর….

গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ (১৩৯০ – ১৪১১ খৃষ্টাব্দ) ছিলেন ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান, .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান – ২

লিখেছেন: ' মেরিনার' @ রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০০৯ (১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ)


দ্বীনের এমন কিছু অস্বীকার করা যা কিনা নিশ্চিতভাবেই এর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

[আমরা আগের একটা পোস্টে বলেছিলাম যে, প্রায় ১১৮টি মহামূল্যবান classical বইয়ের রেফারেন্স সমৃদ্ধ, স্প্যানিস ধর্মান্তরিত মুসলিম Jamal al-Din M Zarabozo-র গবেষণা গ্রন্থ "The Authority and Importance of Sunnah" থেকে, আমরা কিছু অংশ অনুবাদ করে করে তুলে দেবো আপনাদের জন্য, যা পড়লে যে কেউ বুঝবেন যে, হাদীস বা সুন্নাহর ব্যাপারে classical স্কলাররা কত serious ছিলেন। আজ সেই বই থেকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের একাংশ তুলে দেবো ইনশা'আল্লাহ্, যে .....

১৮ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

৪০ টি হাদিস

লিখেছেন: ' রেজওয়ান করিম' @ শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০০৯ (৫:৩১ পূর্বাহ্ণ)

১।হযরত ওসমান রাঃ
হতে বর্নিত হুজুর পাক সাঃ এরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে নিজে কোরান শরীফ শিখে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়।
২।হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ
হতে বর্নিত হুজুর পাক সাঃ এরশাদ করেন, আল্লাহ তায়ালা ফরমান, যে ব্যাক্তি কোরান শরীফে মশগুল থাকার কারনে যিকির করার ও দোয়া করার অবসর পায় না আমি তাকে সকল দোয়া করনেওয়ালাদের চাইতে বেশী দিয়া থাকি। আর আল্লাহ তায়ালার কালামের মর্যাদা সমস্ত কালামের উপর এইরুপ যেমন স্বয়ং আল্লাহতায়ালার মর্যাদা সমস্ত মাখলুকের উপর।
৩।হযরত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আমল – ৪: সুরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পাঠের ফজিলত

লিখেছেন: ' রেজওয়ান করিম' @ শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০০৯ (৫:০১ পূর্বাহ্ণ)

যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর এবং মাগরীবের নামাজের পর সুরা হাশরের শেষ ৩টি আয়াত একবার(১) পাঠ করবে সত্তর হাজার(৭০,০০০) ফেরেশতা সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত এবং সন্ধা থেকে সকাল পর্যন্ত রাব্বুল আলামীনের নিকট মাগফেরাত কামনা করবে। এবং ঐ দিন তার মৃত্যু হলে শহীদ বলে গন্য হবে। তবে তার আগে ৩ বার “আউযুবিল্লাহহিস সামিয়ুউল আলীম মিনাশ শাইতোয়ানীর রাজীম” পাঠ করতে হবে। (তিরমিযী ও দারমী)
আরবী: هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ
هُوَ اللَّهُ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

হাজার বছরের পূর্বপুরুষ ও স্কলারদের বোঁঝা।

লিখেছেন: ' ফারুক' @ শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০০৯ (৪:৪১ পূর্বাহ্ণ)

মানুষের সহজাত ধর্ম হলো বাপদাদার ধর্মকে আকড়ে থাকা এবং তাদের ধর্মীয় স্কলারদের মতামতকে অন্ধভাবে অনুসরন করে নিজের ধর্মকেই সর্বশ্রেষ্ঠ গন্য করা। আজকের মুসলমানরাও এর ব্যাতিক্রম নয় , তারা ও শয়তানের ঐ একি ফাঁদে পড়েছে। তাদের দাবী গত হাজার বছর ধরে তাদের ঈমাম ও স্কলারদের কাছ থেকে তারা যা কিছু উত্তরাধিকার সুত্রে পেয়েছে , তার সবই ইসলাম। হাজার হাজার খন্ড বই লেখা হয়েছে অতীতের এইসকল ঈমাম ও স্কলারদের ধার্মিকতা , ভক্তি ও ধর্মের জন্য অমানুষিক পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মহিমা বর্ননা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

***বিধর্মীদের শব্দ বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্র***

লিখেছেন: ' তুষার (ﭡﺸر)' @ শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০০৯ (৪:০৮ পূর্বাহ্ণ)

cocacola

শব্দ ব্যবহারের কুচিন্তায় যোগসাধনের ষড়যন্ত্র ইহুদী-নাছারাদের ঐতিহ্যগত প্রবৃত্তি। স্বয়ং রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সময়ও ইহুদী-নাছারাদের এরূপ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার ছিল।
কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা রঈনা বলোনা, উনজুরনা বল এবং শ্রবণ কর। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।” (সূরা বাক্বারা ১০৪)
এই আয়াত শরীফ-এর শানে নূযুলে বলা হয়েছে, ইহুদীরা রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কষ্ট দেবার জন্য “রঈনা” শব্দ ব্যবহার করত যার একাধিক অর্থ রয়েছ। একটি অর্থ হল “আমাদের দিকে লক্ষ্য করুন” যা ভাল অর্থে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান-১

লিখেছেন: ' মেরিনার' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ১১, ২০০৯ (১১:১৫ অপরাহ্ণ)


দ্বীনের এমন কিছু অস্বীকার করা যা কিনা নিশ্চিতভাবেই এর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

[আমরা আগের একটা পোস্টে বলেছিলাম যে, প্রায় ১১৮টি মহামূল্যবান classical বইয়ের রেফারেন্স সমৃদ্ধ, স্প্যানিস ধর্মান্তরিত মুসলিম Jamal al-Din M Zarabozo-র গবেষণা গ্রন্থ "The Authority and Importance of Sunnah" থেকে, আমরা কিছু অংশ অনুবাদ করে করে তুলে দেবো আপনাদের জন্য, যা পড়লে যে কেউ বুঝবেন যে, হাদীস বা সুন্নাহর ব্যাপারে classical স্কলাররা কত serious ছিলেন। আজ সেই বই থেকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের একাংশ তুলে দেবো ইনশা'আল্লাহ্, যে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কুড়ানো মানিক -২ ।

লিখেছেন: ' দেশী৪৩২' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ১১, ২০০৯ (২:১১ অপরাহ্ণ)

১। দানশীল ব্যক্তি আল্লাহ্‌ পাক এর বন্ধু, যদিও সে ফাসিক(কিছু ভুল ভ্রান্তি যুক্ত মোসলমান) হয় আর বখীল ব্যক্তি আল্লাহ পাক এর শত্রু যদিও সে আবিদ(যে মোসলমান অনেক এবাদৎ করে) হোক না কেন।
-আল হাদিছ
২। মানুষ চার প্রকার।দয়াবান,দাতা,বখীল ও কৃপন।দয়াবান নিজে না খেয়ে অপরকে খাওয়ায়,দাতা নিজেও খায় অপরকেও খাওয়ায়,বখিল নিজে খায় কিন্তু অপরকে খেতে দেয় না, আর কৃপন নিজেও খায় না এবং
অপরকেও খেতে দেয় না।

৩। দুইটি দোষ মুমিন চরিত্রে কখনো স্হান পাইতে পারে না- কার্পন্যতা
ও রুক্ষতা। – .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নাস্তিকদের বুদ্ধিমত্তা!

লিখেছেন: ' মালেক_০০১' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ১১, ২০০৯ (১২:৫০ অপরাহ্ণ)

নাস্তিকদের দাবি, বানর থেকে মানুষের সৃষ্টি। তারা এও দাবি করে যে, প্রচুর মাথা খাটিয়ে তারা অনেক কিছুই বের করে ফেলেছে।

তাহলে আরও প্রচুর মাথা খাটালে যে, তাদের ধারণাগুলো ভুল প্রমাণিত হবে না তার নিশ্চয়তা কি?

তখন নাস্তিকরা বলেন, ১ + ১ = ১৯ কখনও হবে না।

তাহলে তাদের মানুষ সৃষ্টির তত্ত্ব অনুযায়ী আরেকটা অংক করা যাক।

যে সময় বানর হতে “তথাকথিত মানব সৃষ্টি” হয় নাই সে সময়কার ( / বর্তমানের ) বানরদের বুদ্ধিমত্তা = ক

বর্তমান সময়ের মানুষের বুদ্ধিমত্তা = খ

খ – ক = গ

.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>