লগইন রেজিস্ট্রেশন

জুলাই, ২০১১ -এর আর্কাইভ

 

স্বামী হজে না যাওয়ায় ৩৩ কুয়েতি নারীর তালাকের আবেদন

লিখেছেন: ' সত্যের সন্ধানী ১০০%' @ মঙ্গলবার, জুলাই ১৯, ২০১১ (১০:০৫ পূর্বাহ্ণ)

কথা মতো সৌদি আরবের মক্কায় উমরাহ পালন করতে না যাওয়ায় কুয়েতের ৩৩ জন নারী তাদের স্বামীদের তালাক দেওয়ার আবেদন করেছেন।খবর গাল্ফ নিউজের।
স্বামীদের সবাই মক্কায় উমরাহ পালন করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরোয়। অথচ তা না করে তারা লেবাননে নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কুয়েতের একজন আইনজীবী এ তথ্য জানিয়েছেন।

আবদুল্লাহ আল শিবানি নামের ওই আইনজীবী বলেন, স্ত্রীদের কাছে মিথ্যা বলা ও তাদের সঙ্গে প্রতারণার কারণে অনেক পুরুষকে বিবাহিত জীবনের ইতি টানতে হয়।
মঙ্গলবার কুয়েতের আল সেয়াসাহ দৈনিকে ওই আইনজীবীর .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ক্রান্তিলগ্নে ইসলাম – ৬

লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ সোমবার, জুলাই ১৮, ২০১১ (৮:৪৬ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম
আস সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

…….পূর্বে প্রকাশিত লেখার সূত্র ধরে…..

গত সংখ্যায় আলোচনা করা Islam at the Crossroads বইয়ের “The Open Road of Islam” অধ্যায়ে, এরপর মুহাম্মাদ আসাদ বলেন:

“….the Islamic teaching contends that man is born pure…It is said in the Holy Qur’an:

“Verily We create man in the best conformation” – but in the same breath the Qur’an continues:
.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মহিলাদের হাত ,পা,চেহারা খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম।

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ সোমবার, জুলাই ১৮, ২০১১ (১:১২ অপরাহ্ণ)

“(হে আমার হাবিব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার নারীগণকে বলুন )তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তবে চলাচলের কারণে অনিচ্ছা সত্বে যা প্রকাশ পায় তা ব্যতীত এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না তাদের বুকের উপর ফেলে রাখে”।(সুরা নুর ৩১)

হযরত আয়েসা ছিদ্দিকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা বলেছেন,আল্লাহ পাক প্রথম হিজরত কারি মুহাজির মহিলা গনের উপর রহম করেছেন যে যখন তাদের উপর “তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে” এই আয়াত শরীফ নাযিল হলো তখন তারা তাদের চাদর সমুহ ছিড়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত উপলক্ষে প্রচলিত কতিপয় বিদআতের উদাহরণ: আসুন, বিদআত থেকে নিজে বাঁচি সমাজকে বাঁচানোর চেষ্টা করি।

লিখেছেন: ' shahedups' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৪:৩৭ অপরাহ্ণ)

আসুন, বিদআত থেকে নিজে বাঁচি সমাজকে বাঁচানোর চেষ্টা করি।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় ভাই, আজ পালিত হবে শবে বরাত। সে দিন সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হবে। হালুয়া-রুটি খাওয়ার ধুম পড়ে যাবে। অনুষ্ঠিত হবে মিলাদ মাহফিল ও জিকিরের মজলিস। সেই সাথে মুর্হুমূহু আতশবাজিতে কেঁপে কেঁপে উঠবে শবে বরাতের রাতের আকাশ। আরও দেখা যাবে মসজিদের আঙ্গিনাতে যাদের পদ যুগল পড়ত না সে রাতে তারাই আতর-সুগন্ধি মেখে টুপি-পাঞ্জাবী পরে মসজিদের প্রথম কাতারে মুসল্লী সেজে অবস্থান করছে আর বিশেষ কিছু এবাদত-বন্দেগী করে মনে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (তৃতীয় কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:৪১ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)
হালাল রিযিকের গুরুত্ব
আরো এক হাদীসে বলা হয়েছে, “যারা হালাল খাদ্য গ্রহণ করবে, তারা জান্নাতে যাবে। কেননা হারাম সম্পদ ভক্ষণ করলে দেহ নাপাক হয়ে জাহান্নামের উপযুক্ত হয়ে যায়।
لحم نبت سحتافالنار احق به
অর্থা : শরীরের যে মাংশপিণ্ড হারাম উপার্জন দ্বারা বর্ধিত হবে, তা জাহান্নামেরই অধিক উপযুক্ত। সুতরাং হারাম উপায়ে উপার্জন থেকে মুক্ত থাকা চাই।
অভাব অনটনের জন্য আমরা হালাল .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (দিতীয় কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:৩৫ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)
সন্তানের দীনী শিক্ষার ফলাফল
এসব চিন্তা-ভাবনা করে সন্তানকে আখেরাতের পুঁজি হিসেবে মাদরাসায় ভর্তি করেছে। মাদরাসার ছাত্র হয়ে তোমার সন্তান বলেছে : بسم الله الرحمن الحيم উস্তাদকে সাক্ষী রেখে বলেছে ‘মহান আল্লাহর নামে শুরু, যিনি পরম করুণাময় এবং অত্যন্ত দয়ালু।’ নিষ্পাপ সন্তানের মুখের কত মধুর ডাক! এমন সন্তানের ডাক, যার মুখ পাক, ঠোট পাক, জিহবা পাক, সমস্ত দেহই পাক। সুতরাং .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (প্রথম কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:২৭ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)

অর্থঃ হে ঈমানদারগণ তোমরা আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্য সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আর আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতে থাক। তোমর যা কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা সম্যক অবগত।
وقال رسول الله صلي الله عليه وسلم تركت فيكم امرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما كتاب الله وسنة رسوله
অর্থ ঃ রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

লিখেছেন: ' anwarpalash' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (২:২৯ অপরাহ্ণ)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,তবে কি তোমরা এর(কোরআনের)কিছু অংশ গ্রহণ করবে,আর কিছু অংশ গ্রহণ করবে না?
আমাদের বর্তমান অবস্থা এইরকম।আমরা নামাজ পড়ি,রোযা রাখি,যিকির করি আবার গান শুনি,টিভি দেখি,ছবি তুলি।কি অপূর্ব মিশ্রন।তো ইমান যদি হয় এরকম তাহলেতো মুসলমানদের মার খেতেই হবেআল্লাহ তায়ালা বলেন,তবে কি তোমরা এর(কোরআনের)কিছু অংশ গ্রহণ করবে,আর কিছু অংশ গ্রহণ করবে না?
আমাদের বর্তমান অবস্থা এইরকম।আমরা নামাজ পড়ি,রোযা রাখি,যিকির করি আবার গান শুনি,টিভি দেখি,ছবি তুলি।কি অপূর্ব মিশ্রন।তো ইমান যদি হয় এরকম তাহলেতো মুসলমানদের মার খেতেই হবে

.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

রজব মাসের রোযা রাখার ফযীলত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (১২:৫৩ অপরাহ্ণ)

হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম ও রজব) তিন দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় বৎসর ইবাদতের ছওয়াব লিখা হবে। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, বর্ণনাটি আমি নিজ কানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। বর্ণিত আছে, যারা রজব মাসে রোযা রাখে, তাদের গুনাহ মাফের জন্য ফেরেশতাকুল রজবের প্রথম .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মুসলমানদের শত্রু কে বা কারা, ১০০ জন মুসলমানের মধ্যে ১০০ জনই তা জানে না

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৪, ২০১১ (৯:১৫ পূর্বাহ্ণ)

আমরা মুসলমান। কে বা কারা আমাদের শত্রু তা আমরা জানিনা। আমরা তা জানার জন্য চেষ্টাও করিনা। আমাদের মাতা-পিতারাও আমাদেরকে শিখান না কে বা কারা আমাদের শত্রু। অথচ ইয়াহুদী নাছারা, কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীনেরা তাদের সন্তানদেরকে জন্মের পরেই শিক্ষা দেয় তোমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে মুসলমানেরা। তাদের ব্যাপারে তোমরা সচেতন থাকবে। তাদের বিরোধিতায় সদা মশগুল থাকবে। তাদের মতের সাথে কখনো মত মিলাবে না। তাদের রসম রেওয়াজ কখনো পালন করবে না। তাদের ছিরত ছুরত গ্রহণ করবেনা। (নাঊযুবিল্লাহ)
প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ছিল তাদের সন্তান .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>