লিখেছেন: '
Mahir' @ শুক্রবার, মে ৫, ২০১৭ (২:১৫ পূর্বাহ্ণ)

তাওবা (توبة) হলো মাসদার। অর্থ পাপ থেকে ফিরে আসা।
খারাপ কাজ-গুনাহ, পাপচার, অন্যায় অবিচার ও আল্লাহর নাফরমানি হতে ফিরে এসে, বান্দা নেক কাজ করার মাধ্যমে তার প্রভুর দিকে ফিরে আসাকে তাওবা বলা হয়।
তাওবা কবুলের শর্ত সমূহ ঃ
1.ভুল ক্রুটি আল্লাহর কাছে স্বীকার করতে হবে।
২.গুনার জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া
3.গুনাহ করা বন্ধ করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
Mahir' @ শুক্রবার, মে ৫, ২০১৭ (১:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

‘আরব আলেমদের দৃষ্টিতে শায়েখ নাসীরুদ্দীন আলবানী কেমন ছিলেন?’ নামক প্রবন্ধে মুফতী রফীকুল ইসলাম মাদানী বেশ গৌরবের সাথে হাসসান স্ককাফ সাহেবের নাম উল্লেখ করেছেন। গত পর্ব থেকে আমরা সেই সাক্বাফ নামের ব্যক্তির নাড়ি নক্ষত্র জানার চেষ্টা করছি। আজকেও সেই আলোচনার শেষ অংশ লিখছি।
উস্তাদ সাক্বাফ
আলবানী বিদ্বেষী সাক্বাফ সাহেবের মূর্খতার উপর রচিত বই
. আল কাশশাফ আন দলালাত হাসসান আস সাক্বাফ
. আল ক্বওল আল মুবীন ফী ইসবাত আস-সূরা লী রব্ব আল আলামীন
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
mamunipc' @ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১১, ২০১৭ (৮:৩৯ অপরাহ্ণ)
بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ﴿١٦﴾ وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ
বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও, অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী (সূরা আ‘লা: ১৬-১৭)
১নং যুক্তি-
মানুষ সাধারণত দুটো কারণে মিথ্যা বলে। যথাঃ
১। মানুষ কোন না কোন লোভ বা স্বার্থের বশীভূত হয়ে-অথবা
২। কোন না কোন ভয়ের কারণে।
এ দুটো জিনিস যখন কারও সামনে থাকে না তখন সে সত্য কথাই বলে এটাই মানব প্রবৃত্তি। আমরা দেখি দুনিয়ার নবী রাসূল (সা.) সবাই বলেছেন পরকাল হবে এবং তাঁরা প্রত্যেকেই এমন ছিলেন যে, কোন .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
আঁধারের আলো' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:২৯ অপরাহ্ণ)
بسم الله الرحمن الرحيم
قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ (32(
অর্থঃ তারা বলল,আপনি মহান পবিত্র,আপনি আমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তাছাড়া আমাদের তো কোন জ্ঞানই নেই,নিশ্চয়ই আপনি মহাজ্ঞানী,অতিশয় প্রজ্ঞাময়।” (বাকারা:৩১-৩২)
আল্লাহ্ই সকল প্রশংসার প্রকৃত হকদার, অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবীর উপর বারবার।
আস্তিক ও নাস্তিকের মাঝে যুক্তিতর্কের প্রথম পর্যায়ে আস্তিক সাধারণতঃ এভাবে বলা শুরু করে যে, কোন কিছু শূন্য থেকে নিজে নিজে অস্তিত্ব লাভ করতে পারেনা।কোন ঘটনা বিনা কারণে হয় না। প্রত্যেক .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
ZAKIR HOSSAIN FARIDI' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:২১ অপরাহ্ণ)
এই ও্য়েব সাইটটি ভিজিট করুন। আল-কুরআন পড়ুন, বুঝুন ও আল-কুরআন অনুযায়ী আমল করুন।
http://www.quran.gov.bd/
! রিপোর্ট করুন !
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
rihab' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:১৩ অপরাহ্ণ)
আল্লাহ তায়ালার নাম ও গুণাবলীর উপর ঈমান আনার ফলে বান্দার মাঝে যেসব প্রভাব ও উপকারিতা পরিলক্ষিত হয়, তার মধ্যে একটি হলো, বান্দা গোপনে গুনাহ করা থেকেও বিরত থাকে, কারন বান্দা যখন জানবে- আল্লাহর নামসমূহের একটি হলো- আল-আলীম, ইহার অর্থ হলঃ তিনি সর্বজ্ঞ, মহাজ্ঞাণী, পরিবেষ্টনকারী। তিনি এমন সত্তা যার জ্ঞান পরিবেষ্টন করে নিয়েছে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ, সম্ভব, অসম্ভব এবং ঊর্ধজগত ও নিন্মজগতকে, অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতকে- তখন সে গোপনেও গুনাহ করতে পারে না, সব সময় মনে করবে আল্লাহ আমাকে দেখতেছে। এপ্রসঙ্গে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
kamrulislam' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:১২ অপরাহ্ণ)
মাদ্রাসা নিয়ে নোংরা খেলা
চলবে কতোকাল
মাদ্রাসা বন্ধে নাস্তিক যারা
করছে কুটচাল।
জঙ্গি খুঁজে মাদ্রাসাতে
নাস্তিক গুষ্টির দল
জঙ্গি তাদের আচল তলে
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
NerAß AhMed' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:০৯ অপরাহ্ণ)
মানবাধিকারের দিক থেকেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায় ও কর্তব্য হচ্ছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। অথচ বিশ্বাস ধারণের অধিকার, ধর্মপালন, ধর্মচর্চা ও ধর্মপ্রচারের অধিকারের বেলায় বাংলাদেশে আমরা এর ঠিক উল্টাটা দেখছি। ধর্মীয় স্বাধীনতা দূরের কথা, খোদ ধর্মই- বিশেষত: ইসলাম নির্মূল করাই বাংলাদেশের সেক্যুলার তথা ‘আধুনিক’দের কর্তব্য হয়ে উঠেছে। উলামা-মাশায়েখগণ যখন তাঁদের ভাষায় এর প্রতিবাদ করছেন, তখন সমস্বরে আওয়াজ তোলা হচ্ছে, ‘আলেম-উলামাগণ বাংলাদেশকে ধর্মরাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়’। ধার্মিক মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই-সংগ্রামের গণতান্ত্রিক অধিকার থাকার বিষয়টি কেউই বিবেচনা করতে রাজি .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
Mahir' @ শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ (২:০৭ অপরাহ্ণ)

ফাতওয়া ১০৭৩২৭ – সৈয়দ কুতুবের বইয়ের প্রতি শারয়ী দৃষ্টিভঙ্গি- গ্রহণযোগ্য নাকি বাতিল?
প্রশ্নঃ-
কিছু আলিম তার বিরুদ্ধে সতর্ক করা সত্বেও, আমরা কি সৈয়দ কুতুবের বই থেকে কি আমরা কিছু শিখতে পারি?
উত্তরঃ-
আলহামদুলিল্লাহ্।
উস্তাদ সৈয়দ কুতুব আলিম নন এবং হাদিস, ফিকাহ বা তাফসীর শাস্ত্রে তার অবদান নেই। বরং তিনি একজন শিক্ষিত লোক যে ইসলামকে ভালবাসত, রক্ষা করত আর উন্নীত করত, আর আমাদের কাছে মনে হয়েছে, তিনি ইসলামের জন্য জীবন দিয়েছেন-এবং আল্লাহ যেন তাঁকে শহীদদের মাঝে কবুল করেন।
.....
|
বিস্তারিত >>