লগইন রেজিস্ট্রেশন

২০১১ -এর আর্কাইভ

 

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (তৃতীয় কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:৪১ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)
হালাল রিযিকের গুরুত্ব
আরো এক হাদীসে বলা হয়েছে, “যারা হালাল খাদ্য গ্রহণ করবে, তারা জান্নাতে যাবে। কেননা হারাম সম্পদ ভক্ষণ করলে দেহ নাপাক হয়ে জাহান্নামের উপযুক্ত হয়ে যায়।
لحم نبت سحتافالنار احق به
অর্থা : শরীরের যে মাংশপিণ্ড হারাম উপার্জন দ্বারা বর্ধিত হবে, তা জাহান্নামেরই অধিক উপযুক্ত। সুতরাং হারাম উপায়ে উপার্জন থেকে মুক্ত থাকা চাই।
অভাব অনটনের জন্য আমরা হালাল .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (দিতীয় কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:৩৫ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)
সন্তানের দীনী শিক্ষার ফলাফল
এসব চিন্তা-ভাবনা করে সন্তানকে আখেরাতের পুঁজি হিসেবে মাদরাসায় ভর্তি করেছে। মাদরাসার ছাত্র হয়ে তোমার সন্তান বলেছে : بسم الله الرحمن الحيم উস্তাদকে সাক্ষী রেখে বলেছে ‘মহান আল্লাহর নামে শুরু, যিনি পরম করুণাময় এবং অত্যন্ত দয়ালু।’ নিষ্পাপ সন্তানের মুখের কত মধুর ডাক! এমন সন্তানের ডাক, যার মুখ পাক, ঠোট পাক, জিহবা পাক, সমস্ত দেহই পাক। সুতরাং .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত ও কিছু জরুরী কথা (প্রথম কিস্তি)

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (৩:২৭ অপরাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা:বা: -এর বয়ান
(গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে প্রদত্ত বয়ান, তাং ১৪ শা’বান ১৪১৯ হি.)

অর্থঃ হে ঈমানদারগণ তোমরা আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্য সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আর আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতে থাক। তোমর যা কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা সম্যক অবগত।
وقال رسول الله صلي الله عليه وسلم تركت فيكم امرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما كتاب الله وسنة رسوله
অর্থ ঃ রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

লিখেছেন: ' anwarpalash' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (২:২৯ অপরাহ্ণ)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,তবে কি তোমরা এর(কোরআনের)কিছু অংশ গ্রহণ করবে,আর কিছু অংশ গ্রহণ করবে না?
আমাদের বর্তমান অবস্থা এইরকম।আমরা নামাজ পড়ি,রোযা রাখি,যিকির করি আবার গান শুনি,টিভি দেখি,ছবি তুলি।কি অপূর্ব মিশ্রন।তো ইমান যদি হয় এরকম তাহলেতো মুসলমানদের মার খেতেই হবেআল্লাহ তায়ালা বলেন,তবে কি তোমরা এর(কোরআনের)কিছু অংশ গ্রহণ করবে,আর কিছু অংশ গ্রহণ করবে না?
আমাদের বর্তমান অবস্থা এইরকম।আমরা নামাজ পড়ি,রোযা রাখি,যিকির করি আবার গান শুনি,টিভি দেখি,ছবি তুলি।কি অপূর্ব মিশ্রন।তো ইমান যদি হয় এরকম তাহলেতো মুসলমানদের মার খেতেই হবে

.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

রজব মাসের রোযা রাখার ফযীলত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ রবিবার, জুলাই ১৭, ২০১১ (১২:৫৩ অপরাহ্ণ)

হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুহররম ও রজব) তিন দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় বৎসর ইবাদতের ছওয়াব লিখা হবে। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, বর্ণনাটি আমি নিজ কানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। বর্ণিত আছে, যারা রজব মাসে রোযা রাখে, তাদের গুনাহ মাফের জন্য ফেরেশতাকুল রজবের প্রথম .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মুসলমানদের শত্রু কে বা কারা, ১০০ জন মুসলমানের মধ্যে ১০০ জনই তা জানে না

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৪, ২০১১ (৯:১৫ পূর্বাহ্ণ)

আমরা মুসলমান। কে বা কারা আমাদের শত্রু তা আমরা জানিনা। আমরা তা জানার জন্য চেষ্টাও করিনা। আমাদের মাতা-পিতারাও আমাদেরকে শিখান না কে বা কারা আমাদের শত্রু। অথচ ইয়াহুদী নাছারা, কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীনেরা তাদের সন্তানদেরকে জন্মের পরেই শিক্ষা দেয় তোমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে মুসলমানেরা। তাদের ব্যাপারে তোমরা সচেতন থাকবে। তাদের বিরোধিতায় সদা মশগুল থাকবে। তাদের মতের সাথে কখনো মত মিলাবে না। তাদের রসম রেওয়াজ কখনো পালন করবে না। তাদের ছিরত ছুরত গ্রহণ করবেনা। (নাঊযুবিল্লাহ)
প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ছিল তাদের সন্তান .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শাবানের মধ্যরজনীর ফযীলত সম্পর্কিত হাদীসসমূহের পর্যালোচনা

লিখেছেন: ' shovoon' @ বুধবার, জুলাই ১৩, ২০১১ (৫:৩৩ অপরাহ্ণ)

১ নং হাদীস
ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে মুনী’ হাদীস বর্ণনা করেছেন যে তিনি ইয়াযীদ ইবনে হারূন থেকে, তিনি হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেনঃ আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিছানায় পেলাম না তাই আমি তাকে খুঁজতে বের হলাম, ‘বাকী’ নামক কবরস্থানে তাকে পেলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি আশংকা করেছো যে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

উলামাদেরকে জনম্মুখে বিতর্কিত ও কলংকিত করার চেষ্টা চলছে :মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ বুধবার, জুলাই ১৩, ২০১১ (১:৫০ অপরাহ্ণ)

মজলিসে দাওয়াতুল হকের আমীর গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের খতীব মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান বলেছেন, যারা আলেমে দ্বীন হয়ে জাতির কর্ণধার হয়ে সমাজে দ্বীনের কাজে আত্মনিয়োগ করতে যাচ্ছে তাদেরকে ব্যাপারে অত্যাধিক সচেতন থাকতে হবে। কারণ তারাই হলো এ জাতির আদর্শ, তারাই হলো হেদায়েতের পথের রাহবার। রাহবার যদি হকের উপর প্রতিষ্ঠিত না থাকে তবে সে রাহবরী করবে কিভাবে?
যারা সাধারণ মুসলমান তাদের দায়িত্ব হলো জাতির এসব কর্ণধার ও রাহবরগণের ইজ্জত সম্মান প্রদর্শন করা। কারণ আলেমগণ হলেন নবী আ. গণের ওয়ারিস বা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

প্রসঙ্গ শবে বারাআতঃ একটি নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ

লিখেছেন: ' লুৎফর ফরাজী' @ মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০১১ (১১:০৮ অপরাহ্ণ)

ভূমিকা

এই বিষয়টা সম্পর্কে কলম ধরার কোন ইচ্ছে আমার ছিলনা। নফল ইবাদত নিয়ে অযথা ক্যাচাল আমি মন ‎থেকে অপছন্দ করি। যেখানে এদেশের নামের মুসলমানরা ফরয ছেড়ে দিচ্ছে অহরহ। হাজারো মুসলমান ‎নাস্তিক হচ্ছে ধর্ম সম্পর্কে চূড়ান্ত অজ্ঞতার কারণে। হাজারো মুসলমান কুরআনের আক্ষরিক জ্ঞান থেকে ‎বঞ্চিত। কেন একজন মুসলমান অন্য ধর্মাবলম্বী থেকে আলাদা তা’ই জানেনা কোটি মুসলমান। সেখানে ‎নফল কোন আমল নিয়ে বিতর্ক করা মানে হল-ফরয সতর ঢেকে রাখা লুঙ্গি খুলে সুন্নত পাগড়ী মাথায় ‎দেবার মত আহমকী কর্ম। তারপরও যখন কতিপয় আহলে হাদিস .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

যে কোন মূল্যে দেশের কওমী মাদরাসাসমূহ সংরক্ষণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকতে হবে :মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ সোমবার, জুলাই ১১, ২০১১ (৭:৩৭ অপরাহ্ণ)

মজলিসে দাওয়াতুল হক- এর আমীর মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান বলেছেন,পবিত্র কুরআন হলো সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন আসমানী কিতাব, যার পুরোটাই আল্লাহ জাল্লাশানুহু এর পবিত্র কালাম। আর এর পরেই এ উম্মতের জন্য সবচাইতে বিশুদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ কিতাব হলো বুখারী শরীফ। যার পুরোটাই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী।
বুযুর্গানে দ্বীনের অভিজ্ঞতা থেকে একথা প্রমাণিত যে, বুখারী শরীফ খতম করার পর যে কোন দু’আ করা হোক আল্লাহ পাক তা কবূল করেন। শুধু তাই নয়, বুখারী শরীফের .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>