২০১১ -এর আর্কাইভ
ভালোবাসার স্বরূপ ও আধুনিক ভালোবাসা
লিখেছেন: ' আফফান মুহাম্মাদ' @ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১১ (৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ)
আমরা জানি প্রেম-ভালোবাসা পবিত্র, নির্মল। আল্লাহ্ তা‘আলাই তা মানুষের অন্তরে ঢেলে দিয়েছেন। তিনি মহীয়ান গরীয়ান করুণার আধার। তাঁর দয়া ও করুণা সীমাহীন।
ভালোবাসা অনন্ত। তাঁর ভালোবাসার অফুরন্ত ভান্ডার থেকে তিনি মানুষকে কিঞ্চিৎ দান করেছেন। তাই একজন আরেকজনকে ভালোবাসে, মুহাব্বাত করে। ভালোবাসার টানে অন্ধ-বধির হয়।
ভালোবাসা দু’টি সত্ত্বাকে এক সত্ত্বায় পরিণত করে। ভালোবাসা শূণ্য হৃদয় শুধুই নিষ্ঠুর বলে গণ্য হয়। বলা হয়ে থাকে- ‘‘যার মনে ভালোবাসা নেই, সে মানুষ নয়-পশুতুল্য।” বরং পশুর হৃদয়ওতো ভালোবাসায় পূর্ণ।
কিন্তু বর্তমান বিশ্বে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
গান বাজনার ভয়াবহ পরিনতি
লিখেছেন: ' jaran' @ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১১ (৯:১০ পূর্বাহ্ণ)
গান বাজনার ভয়াবহ পরিনতি
গান বাজনার সর্ম্পকে কোরআন কি বলে:
(1) যারা না জেনে খেল তামাসাকে ক্রয় করে আল্লাহর রাস্তা থেকে দুরে সরে যায় এবং এগুলা নিয়ে বিদ্রোপ ও ঠাট্টা করে তাদের জন্য লাঞ্চনা দায়ক শাস্তি রয়েছে (সুরা লুকমান)
গান বাজনার ভয়াবহ পরিনতি সর্ম্পকে হাদিসে পাকে (রাসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন হযরত আবদুর রহমান ইবনে গনম আল আশআরি (রাহমাতুল্লাহু আলাইহি) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আমাকে আবু আমের আল
আশআরি (রাহমাতুল্লাহু আল্লাইহি) বলেছেন তিনি মিথ্যা বলেননি তিনি রাসুল .....
৫ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
১লা বৈশাখের কুসংস্কার
লিখেছেন: ' হাফেজ মোঃ আল্-আমিন' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (৪:৪২ অপরাহ্ণ)
বাঙ্গালি জাতির একটি ঐতিহ্যবাহী দিন হলো পহেলা বৈশাখ। আরবী সনের প্রথম দিন হলো ১লা মহর্রম; ইংরেজী সনের প্রথম দিন হলো ১লা জানুয়ারী। কিন্তু ১লা বৈশাখের মত কুসংস্কার মনে হয় কোন সনের প্রথম তারিখে পালন করা হয় না। নিচে অল্প কিছু কুসংস্কার তথা ভিত্তিহীন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ-
১। সাত জাতের শাকঃ অন্তত সারা বছর শাক-সবজি খাওয়া না হলেও পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে গ্রামে-গঞ্জে সাত জাতের শাক বাধ্যতা মূলক। এতে নাকি মহাকল্যাণ নিহিত, যা একেবারে ভিত্তিহীন কথা এবং ইসলাম .....
১ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
সুন্নাতের অনুসরনে হযরত জুনাইদ বাগদাদী
লিখেছেন: ' khayrul.s' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (১:১৩ অপরাহ্ণ)
ছাহাবায়ে কেরামের মত আল্লহর অলীগন সুন্নাতের অনুসরনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। যার উজ্জল দৃষ্টান্ত হলেন হযরত জুনাইদ বাগদাদী। হযরত জুনাইদ বাগদাদী এক জন উচু মানের ওলি ছিলেন। একবার উনার কাছে এক ব্যক্তি প্রায় ২ মাস ছিল। তার বিদায়ের মুহুতে জুনাইদ বাগদাদী নিজের অভ্যাস অনুযায়ী নিজেই তাহার কামরায় তাশরীফ নিলেন মেহমানের বারংবার নিষেধ করা সত্তেও মালপত্র বাধতে এবং ছাওয়ারীর জন্য পানির ব্যবস্তা করতে সাহায্য করতে লাগলেন। মেহমান আশ্চয হয়ে গেলেন যে , এই ব্যক্তি .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-১০
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (২:১৭ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পুরো জীবজগতের উৎস যেহেতু একটি এককোষী জীব সেহেতু লক্ষ লক্ষ প্রকারের ফল-মূল-ফুলের গাছের আলাদা আলাদা উৎস নাই। একটি জীব থেকে যদি উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত বিবর্তিত হয়ে থাকে তাহলে বিবর্তনের কোন এক পর্যায়ে উদ্ভিদকে আলাদা হতেই হবে। শুধু তা-ই নয়, সেই উদ্ভিদ থেকে আবার লক্ষ লক্ষ প্রকারের উদ্ভিদ বিবর্তিত হতে হবে; যাদের মধ্যে হাজার হাজার ধরণের শুধু লতা-পাতা-ওয়ালা উদ্ভিদ, হাজার হাজার ধরণের শুধু ফুল-ওয়ালা উদ্ভিদ, এবং হাজার হাজার ধরণের ফলন্ত উদ্ভিদ আছে। আর এগুলোর সবই হতে .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
পৃথিবীর ধ্বংস The end of earth (৬)
লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (১:৩৩ পূর্বাহ্ণ)
৪। সাহাবী কেরামের যোগ সমাপ্তি (১২০ হিঃ)
নবী (স) এর সাহাবাগণ নবীর পরে এই উম্মতের সর্বস্রেষ্ট মানুষ। আবু মুসা (র.)এর হাদিসে উল্লেখ আছে- নবী (স) এরশাদ করেন- তারকারাজি আসমানের জন্য নিরাপদের কারণ, যখন তারকা আর উদয় হবেনা তখন আসমানের ব্যাপারে ভয়ের যে আশংকা করা হয়েছে তা বাস্তব হতে থাকবে। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য নিরাপদে থাকার কারণ, আমি যখন চলে যাব তখন তাদের ব্যাপারে যে ভবিষ্যত বাণী করা হয়েছে তা সম্পন্ন হবে। আর আমার সাহাবারা আমার উম্মতের জন্য নিরাপদের কারণ, .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
বিদআত থেকে সাবধান !
লিখেছেন: ' এম জেড এইস ফরিদি' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (১০:২৩ অপরাহ্ণ)
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন: “সেদিন কিছু চেহারা শ্বেতবণ উজ্জ্বল আর কিছু চেহারা কৃষ্ণবণ মলিন হবে।”। সূরা আলে-ইমরান: ১০৬
হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন: “সুন্নাতের অনুসারীদের চেহারা শ্বেতবণ ও উজ্জ্ব্বল হবে। পক্ষান্তরে বিদআতপন্থী ও মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের চেহারা কৃষ্ণবণ বা মলিন হবে।”
ইজতিমাউল জুয়ুশিল ইসলামিয়া আলা গাজয়াল মুআত্তালা ওয়াল জাহমিয়া-ইবনে কাইয়িম (র): খন্ড: ২ পৃষ্ঠা: ৩৯:
সূত্র: নূরুস সুন্নাহ ওয়া জুলুমাতুল বিদআহ (প্রকাশক: আল-ফোরকান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ) পৃষ্ঠা: ১৩
মাআরিফুল কোরআন (সৌদী সংস্ককরণ) পৃষ্ঠা: ১৯৫
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
আল্লাহর নামে যিকির করার ফযীলত
লিখেছেন: ' আল্লাহর-বান্দা' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (১০:০০ পূর্বাহ্ণ)
হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে একদল ফেরেশতা(নিয়জিত) আছে – যারা আল্লাহর স্মরণে রত লোকদের খোঁজে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়।যখন তারা আল্লাহর যিকিরে মগ্ন লোকদের দেখতে পায়, তখন একজন আর একজনকে ডাকাডাকি করে বলে, স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে একদিকে চলে আসো।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন সেই ফেরেশতারা নিজেদের পাখা দিয়ে এ লোকদেরকে ঘিরে ফেলে এবং এভাবে তাদেরকে ঘিরতে ঘিরতে ফেরেশতাদের স্তর আসমান পর্যন্ত পৌছে যায়।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন ফেরেস্তাদের রব তাদেরকে জিজ্ঞাস করেন, আমার এই বান্দারা .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
পৃথিবীর ধ্বংস The end of earth (৫)
লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (৫:৪২ পূর্বাহ্ণ)
২। নবী (স) এর তিরোধান
তাঁর তিরোধারনের ব্যথা, (কষ্ঠ-বেদনা) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার প্রারম্ভিক নিদর্শনের অন্যতম। আউফ বিন মালিক বলেনঃ-আমি তাবুক যুদ্ধ কালীন মহানবী স-এর নিকট আসলাম। তিনি চামড়ার তাবুর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। অতঃপর বললেনঃ- কিয়ামতের ছয়টি নিদর্শন গুনো রেখো (১) আমার পরলোক গমন।(২) বায়তুল মুকাদ্দাসের বিজয়।(৩) মেষের এক প্রকার রোগের মত এক মহামারী তোমাদের অনেকের মৃত্যু ঘটাবে। (৪) মানুষের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে। এমনকি এক ব্যক্তিকে এক’শ দীনার দেওয়ার পরও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। (৫) এমন ফিৎনা আসবে যা প্রত্যেক আরবের .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
১ম রবিউল মাসের সুন্নাহ ও বিদাআহ ।
লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১ (৩:২২ অপরাহ্ণ)
ইতিপূর্বে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মক্ষন সম্পৃক্ত ঐতিহাসিক বিশ্লেষন থেকে যা প্রতীয়মান হলো যে, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মক্ষন নিয়ে ঐতিহাসিক গ্রহনযোগ্য ইখতিলাফ থাকায় তার জন্মকাল সম্পর্কে সুনির্দিস্ট সময় নির্নয় করা সম্ভব হয় না; অপর দিকে তার গুরুত্বপূর্ন জীবন ও নবুয়্যত পরবর্তী গুরুত্বের কারনেই ঐতিহাসিকভাবে তার মৃত্যুর সময়-কাল কোনপ্রকার ইখতিলাফ ও মতানৈক্য ব্যতিতই স্বীকৃত। তথাপি আমরা পূর্বেল্লেখিত ঐতিহাসিক গ্রন্থ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহাইয়াহ থেকে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যক্ষন নিয়ে আলোচনা করবো।
ইবনে কাসীর (রহ:) লিখেন .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
